
(জামালপুর জেলা) প্রতিনিধঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।
একটুখানি বৃষ্টি হলেই রাস্তাটির চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ফজিলত পাড়ার ৫০০ থেকে ৭০০ পরিবার।
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় বাট্টাজোড় ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের গোয়ালগাঁও ফজিলতপাড়ায় একটুখানি বৃষ্টি হলেই রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। চলাচলের একটিমাত্র রাস্তার এই বেহাল দশা হওয়াতে জনদুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী। এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত এলাকাবাসী, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, কোমলমতি শিশু ও আবাল বৃদ্ধ বনিতারা যাতায়াত করে। সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শুষ্ক মৌসুমী মাটির রাস্তা দিয়ে চলাচল করা গেলেও বর্ষাকালে এই সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে ওঠে। একটুখানি বৃষ্টি হলেই রাস্তার বেহাল দশা পরিলক্ষিত হয়। রাস্তাটি দীর্ঘদিন যাবত সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে করে ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল আরোহীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। বৃষ্টিতে রাস্তাটি দিয়ে চলাচল বেশ কষ্টসাধ্য ও ছোটখাটো অ্যাক্সিডেন্টের মতো ঘটনা ঘটছে। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বললে তারা জানায়, কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সহ এলাকাবাসীরা এই পথেই যাতায়াত করে থাকে। অসুস্থ বয়স্ক মানুষদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। বকশীগঞ্জের সব জায়গায় উন্নয়ন হলেও এই সড়কটির কোন উন্নয়ন হয় নাই। সড়কের কোন উন্নয়ন না হওয়ায় প্রতিবছর বর্ষার পানি ও কাদায় সড়কটি একাকার হয়ে থাকে ফলে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। মাঝেমধ্যই এই রাস্তায় ভ্যান গাড়ি, মোটরসাইকেল সহ বিভিন্ন যানবাহন সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এ বিষয়ে, বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ শামছুল হক জানান, বকশীগঞ্জ উপজেলাধীন পানাতিয়াপাড়া থেকে ফজিলতপাড়া পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশা এ রাস্তাটির জন্য আমরা জামালপুর জেলা প্রকল্পের অধীনে রিভাইস ডিভিডিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এটা পাস হলেই আমরা রাস্তার কাজটি শুরু করতে পারব ইনশাআল্লাহ বলে তার নিজ বক্তব্যে প্রদান করেন।
Leave a Reply