মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশিকায় ট্রান্সজেন্ডার, চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবীতে সমাবেশ ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ২:১২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশিকায় ট্রান্সজেন্ডার, চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবীতে সমাবেশ ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র

 

গোলাম আলী নাইম, ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশিকায় ‘ট্রান্সজেন্ডার’ প্রবেশের প্রতিবাদ জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’। আজ ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, রোজ- রবিবার রাজধানীর বকশিবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সামনে এক সমাবেশে তারা এই প্রতিবাদ জানায়। সমাবেশে তারা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর শাহ আলমগীরের পদত্যাগও দাবী করেন।

সমাবেশে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র আহ্বায়ক মুহম্মদ জিয়াউল হক বলেন, গত ২৩শে অক্টোবর, ২০২৪ ইং তারিখে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর শাহ আলমগীর স্বাক্ষরিত ‘নাম ও বয়স সংশোধন নির্দেশিকা-২০২৪ এর ৩(২) ধারায় “লিঙ্গ পরিবর্তনকৃত শিক্ষার্থীর নিজ নাম পরিবর্তন করা যাবে” অংশ সংযুক্ত করে মাদ্রাসায় ট্রান্সজেন্ডার বা সমকামীতাকে বৈধতা দেয়া হয়েছে। জিয়াউল হক বলেন, প্রত্যেকটি শিশু জন্মের সময় ছেলে অথবা মেয়ে হয়েই জন্ম নেয়। তাই পরবর্তিতে লিঙ্গ পরিবর্তনের আর কোন সুযোগ নেই। তবে সমকামী গোষ্ঠী লিঙ্গ পরিবর্তন নাম দিয়ে ট্রান্সজেন্ডার রূপ ধারণ করে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশিকায় ‘লিঙ্গ পরিবর্তন’ শব্দদ্বয় সংযুক্ত করে সেই ট্রান্সজেন্ডার নামধারী সমকামীদের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে।

মুহম্মদ জিয়াউল হক বলেন, ট্রান্সজেন্ডার, সমকামীতা বা লিঙ্গ পরিবর্তনের মত বিষয়গুলো হচ্ছে পশ্চিমা সম্রাজ্যবাদীদের অপসংস্কৃতি, যার মাধ্যমে তারা অন্য জাতির সাংস্কৃতিক ভিত্তি ধ্বংস করে, নিজ আধিপত্য ও আগ্রাসন প্রতিষ্ঠা করে। জিয়াউল হক বলেন, বাংলাদেশে সেই অপসংস্কৃতির আমদানি দেশের জনগণের বিশ্বাস ও মূল্যবোধ সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর শাহ আলমগীর মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মনস্তত্বে সেই অপসংস্কৃতির বীজ বপণ করার উদ্যোগ নিয়েছে।

মুহম্মদ জিয়াউল হক বলেন, জনগণের তীব্র প্রতিবাদের কারণে গত সরকারও পাঠ্যবইয়ে ট্রান্সজেন্ডার শরীফার গল্প রাখতে পারেনি, বাদ দিতে বাধ্য হয়েছিলো। কিন্তু গত সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রফেসর শাহ আলমগীর ‘লিঙ্গ পরিবর্তন’ এর নামে সেই নিষিদ্ধ ট্রান্সজেন্ডার বা সমকামীতাকে ফিরিয়ে এনেছে। তিনি বলেন, অবিলম্বে নির্দেশিকার ঐ বিতর্কিত অংশটি বাদ দিতে হবে এবং প্রফেসর শাহ আলমগীরকে চেয়ারম্যান পদ থেকে বহিষ্কার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। প্রফেসর শাহ আলমগীর শিক্ষক নামে কলঙ্ক। সে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মত একটি পবিত্র স্থানে সমকামীতার মত নিকৃষ্ট পাপকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমদানি করেছে।

‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র নেতৃবৃন্দ বলেন, কোন শিশু জন্মের সময় লিঙ্গ প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নিতে পারে। সেক্ষেত্রে শিশুর প্রজনন অঙ্গের স্থানটি অস্পষ্ট হয়। সেক্ষেত্রে অভিভাবক শিশুটির লিঙ্গ নির্ধারণেও ভুল করতে পারেন। তবে শিশুটি বয়ঃসন্ধিকালে উপনিত হলে শিশুটি ছেলে না মেয়ে তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেক্ষেত্রে কেউ কেউ মনে করতে পারেন, শিশুটির হয়ত লিঙ্গ পরিবর্তিত হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে লিঙ্গ পরিবর্তন একটি অবৈজ্ঞানিক ও অবাস্তব ধারণা, যা কখন সম্ভব নয়। এজন্য কোন শিশু অস্পষ্ট জননাঙ্গ নিয়ে জন্মগ্রহণ করলে দ্রুত চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হয়ে শিশুর প্রকৃত লিঙ্গ নির্ধারণ করা জরুরী। বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনেক অগ্রগতি হয়েছে। শিশুর জননাঙ্গ বেশি অস্পষ্ট হলেও আলট্রাসাউন্ড পদ্ধতি বা ক্যারিওটাইপের মাধ্যমে খুব সহজেই শিশুর প্রকৃত লিঙ্গ নির্ধারণ করা সম্ভব। আর লিঙ্গ প্রতিবন্ধী শিশুকে যত দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নেয়া যাবে, তত দ্রুত তাকে ‍সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব। এ বিষয়ে জনগণের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরীর প্রয়োজন। কিন্তু অসুস্থ শিশুর সুস্থতার দিকে দৃষ্টি না দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘লিঙ্গ পরিবর্তন’র সুযোগ রাখলে একদিকে যেমন শিশুকে পরিচয়হীনতার অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দেয়া হয়, অন্যদিকে সমকামী বা ট্রান্সজেন্ডারদের সুযোগ করে দেয়া হয় তাদের নিষিদ্ধ কর্ম চালিয়ে সমাজে অরাজকতা ও অস্থিরতা তৈরীর জন্য। তাই শিক্ষাবোর্ডের নিদের্শিকায় কোনভাবেই ‘লিঙ্গ পরিবর্তন’ এর অপশন রাখার সুযোগ নেই।

সমাবেশে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র শতাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাদের বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- “মাদ্রাসায় সমকামীতা প্রবেশ করানো চেয়ারম্যান শাহ আলমগীরের পদত্যাগ চাই”, “মাদ্রাসা বোর্ডের নির্দেশিকায় লিঙ্গ পরিবর্তনের বৈধতা, শরীফ পেলো শরীফার হওয়ার সুযোগ”, “জেন্ডার ডিসফোরিয়া রোগীদের স্বীকৃতি নয়, চিকিৎসা দিন”, “সমকামীরা লিঙ্গ পরিবর্তনের নামে ট্রান্ডজেন্ডার বেশ ধারণ করে”, ট্রান্সেজেন্ডার-লিঙ্গ পরিবর্তন-সমকামীতা-শাস্তিযোগ্য অপরাধ ৩৭৭ ধারা”, “শিক্ষা কারিকুলামে এনজিও ফান্ডিং বন্ধ করো”, “লিঙ্গ পরিবর্তনের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করতে হবে”, “No place for gay rights” ইত্যাদি।

1

পুলিশ সুপারের কার্যালয় সাতক্ষীরার মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত:

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২২ এম
পুলিশ সুপারের কার্যালয় সাতক্ষীরার মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত:

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সাতক্ষীরার সম্মেলন কক্ষে ফেব্রুয়ারি-২০২৬ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল,বিপিএম মহোদয়।

অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সাতক্ষীরা জেলার ফেব্রুয়ারি-
২০২৬ মাসের অপরাধ পরিসংখ্যান,আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মামলা রুজু ও নিষ্পত্তি,গুরুত্বপূর্ণ মামলা সমূহের তদন্তের অগ্রগতি, ওয়ারেন্ট ও সমন তামিল,আলামত ও অপমৃত্যু মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, ট্রাফিক আইনের প্র‍য়োগ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়। জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গোয়েন্দা নজরদারির উপর জোর দিয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহের প্রতি পুলিশ সুপার মহোদয় গুরুত্বারোপ করেন। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে সকল সার্কেল অফিসার ও থানার অফিসার ইনচার্জদের পুলিশ সুপার মহোদয় নিয়মিত মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান পরিচালনা করাসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), জনাব মোঃ শাহীনুর চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল), জনাব মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) জনাব মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (তালা সার্কেল), জনাব শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব মোঃ ইমরান খান, সাতক্ষীরা সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, ওসি (ডিবি), টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

1

সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২০ এম
সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম মহোদয়।

কল্যাণ সভার শুরুতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), জনাব মোঃ শাহীনুর চৌধুরী বিগত মাসের কার্যবিবরণীর গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন এবং চলতি মাসে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন আবেদন সমূহ উপস্থাপন করেন।

পুলিশ সুপার মহোদয় সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অধিকাংশ সমস্যার তাৎক্ষনিক সমাধানসহ বাকি সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। পুলিশ সুপার মহোদয় সকল অফিসার ফোর্সদের উদ্দেশ্যে সার্ভিসরুলস মেনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে ডিউটি করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। মেসে উন্নত খাবার পরিবেশন,ড্রেসরুলস মেনে পোশাক পরিধান করা, ছুটি ও টিএ বিলে ন্যায্যতা রাখা,স্বাস্থ্য সচেতনতা, ব্যক্তিগত ও আবাসস্থলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিদ্যুৎ এর সঠিক ব্যবহার এবং জনসাধারণের সাথে উত্তম ব্যবহারসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

পরবর্তীতে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান করেন পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা মহোদয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল), জনাব মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) জনাব মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (তালা সার্কেল), জনাব শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব মোঃ ইমরান খান, ডাঃ আবু হোসেন, পুলিশ হাসপাতাল, সাতক্ষীরা সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, ওসি (ডিবি), টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের সকল পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

1

সাতক্ষিরা কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির চোরাচালান বিরোধী অভিযানে প্রায় এক লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৭ এম
সাতক্ষিরা কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির চোরাচালান বিরোধী অভিযানে প্রায় এক লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ মাদরা বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের আভিযানিক দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় পাতার বিড়ি ও ঔষধ আটক করে।

মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩ এস এর ১১ আরবি হতে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন চান্দা মাঠ নামক স্থান হতে ১০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় পাতার বিড়ি আটক করে।

এছাড়া ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের বিশেষ আভিযানিক দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন তুজলপুর নামক স্থান হতে ৭০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

আভিযানিক দল সর্বমোট=৮০,০০০/-(আশি হাজার) টাকা মূল্যের চোরাচালানী মালামাল আটক করে।

চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। বিজিবি টহলদল কর্তৃক উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমস এ জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।