বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

রাজশাহীর এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৫:১২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রাজশাহীর এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।

 

জাকারিয়া আল ফয়সাল, জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী

রাজশাহীর এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। ওই ব্যবসায়ীর কাছে ২৮ লাখ টাকা দাবী করে বোয়ালিয়া মডেল থানার এসআই আবু তাহের। টাকা না পেয়ে সাদিয়া এবং শিউলি নামের দুইজন মহিলাকে দিয়ে ধর্ষণের মামলা করিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ধর্ষণ মামলার শিকার ওই ব্যবসায়ীর নাম রেজাউল করিম। তার বাসা বাগমারা উপজেলার বিনোদপুর গ্রামে। তিনি এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের ব্যবসার সাথে জড়িত। গত বছরের ২ জুন বোয়ালিয়া মডেল থানার তৎকালীন এসআই আবু তাহের তার পূর্ব পরিচিত নারীদের দিয়ে রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক কোন ঘটনা ছাড়াই ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।
মামলার দিনই রেজাউল করিমকে ফোন কলে থানায় ডেকে নেন এসআই আবু তাহের। ফোন পেয়ে থানায় হাজির হন রেজাউল করিম। ওই সময় মামলা থেকে রক্ষা পেতে চাইলে রেজাউল করিমের নিকট ২৮ লাখ টাকা দাবী করেন এসআই আবু তাহের। টাকা না দিলে জেলে প্রেরণ করা হবে বলেও হুমকী প্রদান করা হয়।
সাজানো এবং মিথ্যা মামলা থেকে রক্ষা পেতে ওই সময় কোন টাকা দেননি রেজাউল করিম। টাকা না পাওয়ায় ব্যবসায়ী রেজাউল করিমকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছিল। জেলে পাঠানোর পর এসআই আবু তাহের শিউলি নামের আরেক নারীকে দিয়ে রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে আরেকটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এসআই আবু তাহের। মামলার দুই বাদী রাজশাহীতে থাকতেন। সেই মামলার এক বাদীকে দেশের বাইরে পাঠাতে সহযোগিতা করেছেন এসআই আবু তাহের। ওই বাদীর পাসপোর্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলেও তিনি তা শুনেননি।
পরবর্তীতে রেজাউল করিম মহামান্য আদালতের মাধ্যমে ১৩ দিন সাজাভোগ করে জামিনে মুক্তিপান। এরই মধ্যে ওই দুই নারীর মেডিকেল রির্পোট পাওয়া যায়। সেই রিপোর্টে দেখা যায় ধর্ষণ মামলার দুই বাদীর শরীরে ধর্ষণের কোন আলামত নেই। এদিকে জামিনে বেরিয়ে আসার পর থেকে এসআই আবু তাহের রেজাউল করিমের পিছুৃ লাগে।
দিনের পর দিন মুঠোফোনে একেক সময় বিভিন্ন অংকের টাকা দাবী করেন। ওই মামলাগুলো থেকে ছাড়া পেতে চাইলে বিভিন্ন স্থানে টাকা দিতে হবে বলে জানান তিনি। টাকা না দিলে আরো সমস্যা হবে বলেও হুমকী দেন আবু তাহের। এদিকে ব্যবসায়ীক সুনাম রক্ষার পাশাপাশি তাদের পাতানো জাল থেকে রক্ষা পেতে এসআই আবু তাহেরের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর এবং অন্যদিন সরাসরি আর্থিক লেনদেন করেন রেজাউল করিম।
এসআই আবু তাহের চক্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে রেজাউল করিম পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেন। পরবর্তীতে পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তদন্ত শুরু হয় এসআই আবু তাহেরের বিরুদ্ধে। সেই সাথে ওই মামলার বাদীদেরকেউ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
তারা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শিকার করে এসআই আবু তাহের তাদের দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের মামলা করিয়ে নেন। বিভাগীয় তদন্ত শুরু হলে সমস্যায় পড়ে যায় এসআই আবু তাহের। এদিকে চাকারী বাঁচাতে ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের বাসায় ছুটে আসেন। মামলা দেয়া ঠিক হয়নি বলে ক্ষমা চান রেজাউল করিম সহ তার পরিবারের সদস্যদের কাছে।
এরই মধ্যে এসআই আবু তাহেরের বদলী হন আরএমপির পবা থানায়। মিথ্যা মামলা হলেও ২৮ লাখ টাকা না পাওয়ায় মামলা দুটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেননি। বদলী হলেও ওই ধর্ষণ মামলা দুটি কারো কাছে হস্তান্তর করেননি আবু তাহের। মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিড়ম্বনায় পড়েন ব্যবসায়ী রেজাউল করিম।
কোর্টে হাজিরাও দিয়েছেন অনেক বার। সাজানো ধর্ষণ মামলায় হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে গত বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টম্বর ২০২৪) আরএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হাজির হন রেজাউল করিম। ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের নিকট থেকে বিস্তারিত শুনে দ্রুত আরএমপির পবা থানায় কর্মরত এসআই আবু তাহেরকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজের আদেশ দেন।
মামলার বাদী সাদিয়া ব্যবহৃত দুটি ফোন নম্বরে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও বন্ধ পাওয়া যায়। সে কারণে বাদীর মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ কমিশনারের জিজ্ঞাসাবাদের সময় সাদিয়া বলেন, আমি রেজাউল করিমের নামে মামলা দিতে চাইনি। আমি অন্য জনের নামে মামলা করতে চাইছিলাম। কিন্তু এসআই আবু তাহের জোর পূর্বক রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে মামলা করে নেন। যার রেকর্ড সংরক্ষিত আছে।

ষড়যন্ত্রমূলক মামলার আসামী ব্যবসায়ী রেজাউল করিম জানান, আমাকে ফাঁসাতে এসআই আবু তাহের নারীদের ব্যবহার করেন। তারা ভেবেছিল আমার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দিলে আমি তাদেরকে ২৮ লাখ টাকা দিয়ে দেবো। ব্যবসায়ীকভাবে আমার মান ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে তারা এই মামলা দুটি দায়ের করে। মামলা দুটি আদালতে বিচারাধিন চলামান। সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানাচ্ছি।
এছাড়াও গত এপ্রিল মাসে রাজশাহী মহানগরীতে দুইজন টিকেট কালোবাজারিকে ধরে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এসআই আবু তাহেরের বিরুদ্ধে।
এসআই আবু তাহেরের ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগের করা হলে তিনি বলেন, মামলাটি এখনো আমার কাছে আছে। আমি পুলিশ লাইন্সে আছি। মামলাটি দ্রুতই হস্তান্তর করা হবে। সেই সাথে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় যে মামলা রুজু করা হয়েছে তা চলমান আছে বলে স্বীকার করেন এসআই আবু তাহের।
পবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এসআই আবু তাহেরকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজের একটি চিঠি পাওয়ার পরই তাকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। কি কারনে এই আদেশ সেটা আমার জানা নেই। আমি সম্প্রতি বদলী হয়ে পবা থানায় এসেছি।
এ ঘটনায় আরএমপির পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান জানান, এরই মধ্যে এসআই আবু তাহেরকে পুলিশ নাইন্সে ক্লোজ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।

1

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ পিএম
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দেশে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে নতুন করে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে “সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ”-এর কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বাংলা পোর্টালের সম্পাদক ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি আলী আজগর ইমন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টায় সংগঠনের এক ভার্চুয়াল সভা শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধে শিগগিরই ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল ঘোষণা করা হবে। এতে সাংবাদিকদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মধ্যে থাকবেন আইনজীবী, ইমাম, পুরোহিত, চিকিৎসক, শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, নারী নেত্রী, ছাত্রনেতা, এনজিও প্রতিনিধি, আইটি বিশেষজ্ঞ, শ্রমিক নেতা ও মানবাধিকার কর্মীরা। সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই সংগঠনটি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সহযোগী সংগঠন হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে গেলে এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠনটি কার্যক্রম বিস্তৃত করে। সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিক ভার্চুয়াল সভায় কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনয়নের মাধ্যমে বাকি পদগুলো দ্রুত পূরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। হেড লাইন চেঞ্জ করে দিন

1

নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

 

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগম মনোনীত হয়েছেন। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাছিম উদ্দিন আহমদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ মনোনয়ন প্রদান করা হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের গভর্নিং বডি (সংশোধিত) বিধিমালা ২০১৯-এর ৭ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে আগামী দুই বছর তিনি গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে বিশেষ প্রয়োজনে ভাইস-চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ মনোনয়ন প্রত্যাহারের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

একই আদেশে কলেজটির পূর্ণাঙ্গ গভর্নিং বডি গঠনের লক্ষ্যে সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগমের সুপারিশক্রমে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রিধারী তিনজন শিক্ষানুরাগী সদস্যের নাম প্রস্তাব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দায়িত্ব পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মনোয়ারা বেগম বলেন, “নাগরপুর মহিলা কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতিতে আমি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।”

এদিকে, তার এ মনোনয়নে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবক মহলে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।