শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩১ ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩১ ১৪৩২

ভারত থেকে আমদানি করা হলো প্রায় ১৪ হাজার মেট্রিক টন চাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৬:১২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভারত থেকে আমদানি করা হলো প্রায় ১৪ হাজার মেট্রিক টন চাল

মনা,যশোর শার্শা প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় তিন মাসে ১৩ হাজার ৯৬৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। ভারত থেকে চাল আমদানি স্বাভাবিক থাকলে ও বেনাপোলসহ যশোরের বাজারগুলোতে কমছে না দাম। উল্টো স্থানীয় বাজারে গত সপ্তাহে প্রকার ভেদে চালের দাম আগের থেকে কেজিপ্রতি এক-দুই টাকা করে বেড়েছে। এ অবস্থায় ভারত থেকে চাল আমদানির সময়সীমা আবারও বাড়ানো হয়েছে। আমদানির জন্য বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত ভারত থেকে চাল আমদানি করতে পারবেন।

গত ৫ ফেব্রয়ারি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারিভাবে নন-বাসমতি সেদ্ধ চাল ও আতপ চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে ঋণপত্র (এলসি) খোলার সময়সীমা আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হলো।

চাল আমদানিকারকরা বলছেন, ভারতে চালের দাম বেশি থাকায় আমদানিকৃত চালের দাম বেশি পড়ছে। ফলে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। এ অবস্থায় দাম কমার কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না তারা।

ক্রেতারা বলছেন, দেশে বর্তমানে ধান-চালের কোনো সংকট নেই। মাস খানেক আগে কৃষকের ঘরে উঠেছে আমন ধান। তারপরও সাধারণ মানুষকে বেশি দামেই চাল কিনতে হচ্ছে। এতে অনেকে আর্থিক সংকটে পড়েছেন। কম দামে চাল না কিনতে পেরে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। সিন্ডিকেট গড়ে ওঠায় দাম কমছে না বলে মনে করছেন তারা। বিশেষ করে বাজার নিয়ন্ত্রণে নজরদারির ব্যবস্থা না থাকায় দাম বাড়ছে বলে জানান ক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, চালের দাম এমন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে, খেটে খাওয়া মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বর্তমানে জিনিসপত্রের দাম বেশি হওয়ায় স্বল্পআয়ের মানুষকে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করতে হচ্ছে। প্রায় প্রতিদিন নিত্যপণ্যসহ বাড়ছে চালের দাম। প্রতি বাজারে এমন কোনও পণ্য নেই যে তার দাম বাড়েনি।

আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চাল আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার পর গত বছরের ১৭ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১৩ ফেব্রয়ারি তিন মাসে বেনাপোল দিয়ে ১৩ হাজার ৯৬৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। সরকার গত ১৭ নভেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন লাখ ৯২ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমোদন দেয়। এ সময়ের মধ্যে আশানুরূপ আমদানি না হওয়ায় সময় বাড়িয়ে ফেব্রুয়ারি ১৫ তারিখ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। তাতেও দেশের বাজারে চালের দাম না কমায় ভারত থেকে আমদানির জন্য আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত এক মাস সময় বাড়িয়েছে সরকার। আশা করা যায়, সামনে কমবে। আমদানিকারকদের ভাষ্যমতে, ভারতে চালের দাম বেশি। এ কারণে আমদানিকৃত চাল কম দামে বাজারে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

চলতি মৌসুমে ধানের দাম বেশি, যে কারণে কমছে না চালের দাম এমনটাই বলছেন অটোরাইস মিল মালিক ও ধান ব্যবসায়ীরা। নাভারণ বাজারের সবচেয়ে বড় চালের আড়ত চৌধুরী রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী রাশেদ চৌধুরী বলেন, মোটা চাল ৫১ টাকা ও স্বর্ণা মোটা চাল ৫৩ টাকা কেজি পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে। নতুন ধানের চাল বাজারে আসতে শুরু করেছে। আমদানিও স্বাভাবিক রয়েছে। যদিও এবার অতিবৃষ্টির কারণে উৎপাদন কমেছে। সে কারণে আমদানি চলমান থাকবে।

বেনাপোলসহ শার্শার কয়েকটি রাইস মিলে সরেজমিনে দেখা যায়, আশানুরূপ ধান কিনতে পারেননি মিল মালিকরা। দাম বাড়ার আশায় কৃষকরা ধান মজুদ রেখেছেন। তবে মিল মালিকরা অন্য জেলা থেকে ধান কিনে আনছেন। এসব ধান থেকে চাল করতে খরচ পড়ছে ৫০ টাকার ওপরে এবং চিকন চাল খরচ পড়ছে প্রায় ৬৩ টাকার মতো। এমনটিই বলছে মিল মালিকরা।

বেনাপোল বাজারের পাইকারি চাল ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান বলেন, বর্তমানে মোটা চাল ৫২, হীরা চাল ৪৮, উনপঞ্চাশ চাল ৫৬, আঠাশ ৫৯-৬০, জিরাশাইল ৭৬, মিনিকেট ৬৭, ইন্ডিয়ান মিনিকেট ৭৬, বাসমতি ৯৩-৯৫, পাইজাম ৫৭, স্বর্ণা ৫৪-৫৬ ও নাজিরশাইল ৮৩ টাকায় খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে।

বেনাপোল বাজারে চাল কিনতে আসা আব্দুল মান্নান বলেন, দেশে পর্যাপ্ত ধানের মজুদ রয়েছে, আবার ভারত থেকে আমদানি হচ্ছে। তারপরও দাম কমছে না কেন ? প্রতি বছর এই সময়ে নতুন ধান উঠলে বাজারে চালের দাম অনেক কমে আসে। কিন্তু এবার বাজারের চিত্র ভিন্ন। সিন্ডিকেটের কারসাজি আছে কিনা খতিয়ে দেখা দরকার।

আরেক চাল ক্রেতা রেজাউল ইসলাম বলেন, গেল মৌসুমে পর্যাপ্ত ধানের আবাদ হয়েছে। তারপরও দাম কমছে না। আমরা গরিব মানুষ। দাম না কমলে কীভাবে চলবো? হয়তো সিন্ডিকেটের কারণে দাম কমছে না। তাই আমি মনে করি, প্রশাসন বাজারে নজরদারি বাড়ালে দাম অনেকটা কমে আসবে।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন, আটটি চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গত ১৭ নভেম্বর থেকে ১৩ ফেব্রয়ারি পর্যন্ত ১৩ হাজার ৯৬৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি করেছে। সারাদেশে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ৯২ প্রতিষ্ঠানকে। দুই লাখ ৭৩ হাজার মেট্রিক টন সেদ্ধ এবং এক লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল তাদের। অনেক প্রতিষ্ঠান এই সময়ের মধ্যে আমদানি করতে পারেনি। সরকার ২৫ দিন সময় নির্ধারণ করে দেয় আমদানিকৃত চাল বাজারজাত করার জন্য। পরে তা ১৫ ফেব্রয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে ধীরগতিতে চলছে আমদানি। পর্যাপ্ত পরিমাণ আমদানি না হওয়ায় আরও এক মাস সময় বাড়িয়েছে সরকার।

বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারি পরিচালক কাজী রতন বলেন, গত বছরের ১৭ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১৩ ফেব্রয়ারি তিন মাসে বেনাপোল দিয়ে ১৩ হাজার ৯৬৮ মেট্রিক টন চাল শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি হয়েছে। যেহেতু চাল নিত্যপণ্য এবং দেশের বাজারে চাহিদা ব্যাপক, সেহেতু আমদানিকৃত চাল বন্দরে আসা মাত্রই আমরা দ্রুত ছাড় করার ব্যবস্থা করছি।

1

মাদারীপুরে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ আতশবাজিসহ যুবক গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৫ পিএম
মাদারীপুরে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ আতশবাজিসহ যুবক গ্রেপ্তার

 

​এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

​মাদারীপুরে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ও ধর্মীয় পরিবেশে ব্যাঘাত ঘটানোর অভিযোগে বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ আতশবাজিসহ ইসরাফিল সর্দার (৪৯) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার খাগদী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
​​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে মাদারীপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে সন্ধ্যার পর, বিশেষ করে ইফতার ও তারাবি নামাজের সময় বিকট শব্দে আতশবাজি ফোটানো হচ্ছিল। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি মুসল্লিদের ইবাদতে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছিল। স্থানীয়দের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাদারীপুর পুলিশ সুপারের নির্দেশে গোয়েন্দা পুলিশ বিশেষ অভিযানে নামে।
​জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল বুধবার সদর থানার খাগদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ইসরাফিল সর্দারকে আটক করে। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ২২ প্যাকেটে মোট ৪৮৪টি আমদানি নিষিদ্ধ আতশবাজি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ইসরাফিল সদর উপজেলার ঘটমাঝি এলাকার মৃত সিদ্দিক সর্দারের ছেলে।
​​মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, জনবিরক্তি ও আতঙ্ক সৃষ্টির দায়ে আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জেলাজুড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

1

মরণ নেশা ক্রিস্টাল আইস (মেথামফেটামিন) এর বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল সহ ১ নারীকে আটক করেছে যশোর ডিবি পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৩ পিএম
মরণ নেশা ক্রিস্টাল আইস (মেথামফেটামিন) এর বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল সহ ১ নারীকে আটক করেছে যশোর ডিবি পুলিশ

 

মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

ইং ১২/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত আনুমানিক ২১:০০ ঘটিকায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), যশোর এসআই(নিঃ)/অলক কুমার দে পিপিএম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয় একটি চৌকস টিম কোতোয়ালি থানাধীন মনিহার সিনেমা হল সংলগ্ন ঈগল কাউন্টারের সামনে অবস্থানরত ঈগল পরিবহনের মধ্যে এক জন মাদক ব্যবসায়ী অবস্থান করছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ভাবে অভিযান পরিচালনা করে শাপলা খাতুন @ সপ্না (২৮) নামক একজন নারী কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে তার কাছে মাদক তৈরীর কাঁচামাল আছে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে ঈগল পরিবহনের বক্সে তল্লাশী করে দুটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর এফিড্রিন বা সিউডোএফিড্রিন (২৫ কেজি) ও পিউরিফাইড এসিড (হাইড্রোক্লোরিক এসিড) ৬ লিটার উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। এই কাঁচামালের মাধ্যমে মরণ নেশা ক্রিস্টাল আইস (মেথামফেটামিন) তৈরী করা হয়।

আসামীকে ইং ১৩/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

আসামীর নাম ও ঠিকানাঃ-
০১। শাপলা খাতুন @ সপ্না (২৮)
পিতাঃ- আক্তারুজ্জামান
সাং- আখড়া খোলা
থানা- সাতক্ষীরা সদর
জেলা- সাতক্ষীরা।

জব্দঃ
০১। এফিড্রিন বা সিউডোএফিড্রিন (২৫ কেজি)
০২। পিউরিফাইড এসিড (হাইড্রোক্লোরিক এসিড) ৬ লিটার।

1

মাদকের বিরুদ্ধে পোস্ট করায় সাংবাদিক নাজিমুল ইসলাম নিরাপত্তাহীনতায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
মাদকের বিরুদ্ধে পোস্ট করায় সাংবাদিক নাজিমুল ইসলাম নিরাপত্তাহীনতায়

 

মোঃ রানা ইসলাম = ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করায় দৈনিক বিজয় নিউজের ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ নাজিমুল ইসলাম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, গতকাল রাতে তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে ভূল্লী থানার ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মাটিগাড়া ও কেয়ারীগাঁও এলাকায় মাদকের বিস্তারের বিষয়ে একটি পোস্ট করেন। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ রয়েছে, আজ সকালে অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি তার বাবার কাছে গিয়ে উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন। এ ঘটনায় তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।
সাংবাদিক নাজিমুল ইসলাম বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।