সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ২৬ ১৪৩২
সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ২৬ ১৪৩২

আখেরি মোনাজাতে লাখো মুসল্লীর আমিন আমিন ধব্বনিতে মুখরিত ফান্দাউকের মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৬:১৫ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
আখেরি মোনাজাতে লাখো মুসল্লীর আমিন আমিন ধব্বনিতে মুখরিত ফান্দাউকের মাহফিল

 

ঐতিহ্যবাহী ফান্দাউক দরবার শরীফের দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ঈসালে সাওয়াব গত শুক্রবার বাদ জুমা শুরু হয়ে মাহফিল আজ রবিবার বাদ ফজর মিলাদ ও আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। লাখো লাখো ভক্ত মুরিদের অশ্রুভেজা আমীন আমীন ধ্বনিতে মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরিয়াদ করেন ঐতিহ্যবাহী ফান্দাউক দরবার শরীফের বর্তমান পীর ও বাংলাদেশ আঞ্জুমানে খাদিমুল ইসলামের আমীর মাওলানা মুফতী সৈয়দ ছালেহ আহমাদ মামুন আল-হোসাইনী। এর শেষ দিন শনিবার বাদ মাগরিব তালীম পরবর্তী আলোচনায় বর্তমান পীর সাহেব গুরুত্বপূর্ণ নসিহত পেশ করে বলেন-আমাদের পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের অস্থিরতা দূর করে স্থায়ীভাবে শান্তি চাইলে আমার নবীর সুন্নতের অনুসরণ ও নবীজীর জিন্দেগীর অনুকরণের কোন বিকল্প নাই। গোটা পৃথিবীতে অশান্তির মূল কারণ আমরা নবীজীর তরিকা ছেড়ে পশ্চিমাদের প্রেসক্রিপশন গ্রহণ করছি। তাই আজকে আমাদের সন্তানগুলো উচ্চ শিক্ষিত হচ্ছে কিন্তু সুশিক্ষা তথা কুরআনের শিক্ষা না থাকায় আমাদের পরিবার চুড়ান্ত ধ্বংসের দিকে নিপতিত হচ্ছে। সন্তান পিএইচডি হোল্ডার হয়ে বড় চাকুরী করে কিন্তু শেষ বয়সে বাবা-মাকে বিদ্যাশ্রমে পাঠায়। আপনাদের পরিবারের সুখ শান্তি চাইলে কুরআনের শিক্ষা ও নবীজীর সুন্নতের বাস্তবায়ন করেন তবেই পরিবারে চিরস্থায়ী শান্তি আসবে।

পীর সাহেব আরও বলেন, সমাজে যদি শান্তি চান তবে ইমাম খতিবদের যথাযথ মূল্যায়ন করুন এবং মিম্বরে তাদের হক্ব কথা বলার জন্য সাহস জোগান। মসজিদ কমিটি ও মাহফিল কমিটি থেকে সুদখোর, ঘুষখোর বেনামাজিদের বয়কট করুণ। এদের হাতে যতদিন পর্যন্ত এই সমাজের নেতৃত্ব থাকবে ততদিন সমাজে শান্তি আসবেনা। আর সমাজে শান্তি না আসলে দেশ ও জনগণ কখনোই শান্তিতে থাকবে না। সমাজে অশান্তি বিরাজ করার জন্য কথিত কিছু আলেম নামধারী শায়েখও দায়ী যারা ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ, শবেবরাত, শবে মিরাজ এসব মহিমান্বিত রাত আসলে উম্মতকে ইবাদত থেকে সরিয়ে মনগড়া ফতোয়া দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। মনে রাখবেন এদের ইসলামে নূন্যতম অবদান নেই। আপমারা জানেন বাংলাদেশে ইসলাম এসেছে ওলী-আউলিয়ার মাধ্যমে। এদেশের মানুষ ঈমান ও ইসলাম পেয়েছে হক্কানি ওলীদের মাধ্যমে অথচ আজ একদল পথভ্রষ্ট লোক পীর মুরিদীর বিরুদ্ধে শিরকের ফতোয়া দেয়। অন্য দিকে এদের মতো কথিত ইসলামি দলের নেতারাদের মূর্তি পাহারা দিতে মন্দিরে দেখা যায়। যারা মানুষকে পৌত্তলিকতা থেকে রক্ষা করে ঈমানের পথে সিরাতে মোস্তাকিমের পথে পরিচালিত করছেন হজরত শাহজালাল রহঃ এবং ওনার সঙ্গীদের মাজার ভাঙ্গতেও তাদের ভূমিকা এদেশের ইসলাম প্রিয় মানুষ ইতিমধ্যেই দেখেতে পেয়েছে। মনে রাখবেন তারা আমাদের ইবাদতে নাপিতগিরী করতেছে, তারাবির নামাজ বিশ রাকাআতের জায়গায় আট রাকাআতের কথা বলে বিতিরের নামাজ তিন রাকাআত থেকে এক রাকাআত পড়ার কথা বলে সহীহ হাদিসে কথা মূলত হাদীস ও সুন্নতের বিরোধীতা করে তারা কখনো আহলে হাদীস হতে পারেনা বরং তারা লামাযহাবী নামক বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় ফেৎনাবাজ। তারা কলে কৌশলে মূলত ইহুদিদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। তাদেরকে বয়কট করতে হবে। এদের ওয়াজ শোনা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনভাবেই এসব ঘোমটাওয়ালা শায়েখদের খপ্পরে পরা যাবেনা। আমাদের যুব সমাজ আজ তাদের ধোঁকায় পড়ে প্রতিনিয়ত ঈমান হারা হচ্ছে। এদের মধ্যে কিছু স্কলার এমনও যারা আমার নবীর ব্যাপারে ও আম্মাজানদের শানে করুচিপূর্ণ শব্দ প্রয়োগ করে মুসলমানদের হৃদয় থেকে নবীর মহব্বত ও তাজিম নষ্ট করে দিচ্ছে।
পীর সাহেব কিবলা আরও বলেন এই দেশে ঈমান, ইসলাম ও শান্তি নিয়ে এসেছেন ওলী-আউলিয়া ও হক্কানি দরবারের পীর মাশায়েখগণ। এই ফান্দাউক দরবারের খেদমতের কথা যদি বলতে চাই তাহলে দেখবেন প্রায় সাতশো বছর ধরে শুধু এই উপমহাদেশেই খেদমত চলমান আছে। আমাদের পূর্বপুরুষ সিপাহসালার সৈয়দ নাসিরুদ্দিন রহঃ যিনি আরবদেশ থেকে এই দেশে শুভাগমন করেছিলেন। এভাবে প্রতিটি হক্ব সিলসিলার খেদমতের কারণেই এই উপমহাদেশের ঈমান, ইসলাম ও সঠিক আক্বিদার অনুসারী হয়ে খাঁটি মানুষে পরিণত হয়েছে। তাই আমরা যেন প্রতিটি হক্ব দরবারকে হৃদয় থেকে ভালোবাসি এবং ভন্ডামি থেকে মুক্ত থেকে দেশ ও জাতী গঠনে ভূমিকা রাখতে পারি এই আহবান করছি।
পীর সাহেব কিবলার মোনাজাতের পূর্বে দ্বিতীয় দিনের প্রধান মেহমান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন। তিনি বলেন- ফান্দাউক দরবার বাংলাদেশের হক্ব দরবার গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি দরবার। যাদের খেদমতের কারণে আজ লক্ষ লক্ষ ভক্ত মুরিদ ও ইসলাম প্রিয় সত্যিকার দেশ প্রেমিক মানুষ এখানে সমবেত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ ইসলাম ও আলেম ওলামা এবং পীর মাশায়েখদের কতটা সম্মান করে আজকের মাহফিল তার জ্বলন্ত প্রমাণ। এই দেশে আল্লাহর ওলীদের নেক দোয়ার কারণেই মূলত শান্তি বিরাজ করছে। ভবিষ্যতে যারাই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিবেন আপনাদের অবশ্যই এই জনশক্তির বিষয় মাথায় নিয়ে ইসলামকে প্রাধান্য দিয়েই চিন্তা করতে হবে। নতুবা অতীতের মতো আপনাদেরও পরিণতি ভোগ করতে হবে। এবং ইসলাম নিয়ে যারা ব্যবসা করে তারাও ক্ষমতায় আসতে পারবেনা। প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা এই দরবারগুলোতে আসলেই পাওয়া যায়।
২য় দিন মাহফিলে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন- মৌকারা দরবার শরীফের পীর মাওলানা নেছারুদ্দীন ওয়ালী উল্লাহী, ঢাকা নেছারিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ ড. কাফিল উদ্দিন সরকার সালেহী,দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসার হেড মুহাদ্দিস মুফতি আব্দুল লতিফ শেখ, অধ্যাপক ড. এবিএম আব্দুস সালাম, মুফতি আলাউদ্দিন জিহাদি, মুফতি নেছার উদ্দিন ফেনী, মাওলানা হাফেজ ওয়ালি, মাওলানা জামিল আহমদ চৌধুরী প্রমূখ। উপস্থিত ছিলেন পিজি হাসপাতালের নাক কান গলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ কামরুল হাসান তরফদার, কবি ও সাহিত্যিক মাওলানা শাহ মাসুদ, মাওলানা ডাঃ শাহ সাফিউর রহমান বালাউটী, সিঙ্গারকুড়ি সাহেবজাদা মাওলানা ফাহিম আহমদ চৌধুরী প্রমূখ।
মাহফিলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন পীরজাদা মাওলানা মুফতী সৈয়দ মঈনুদ্দিন আহমাদ আল-হোসাইনী, মাওলানা মুফতী সৈয়দ আবুবকর সিদ্দিক আল-হোসাইনী, মাওলানা মুফতী সৈয়দ বাকের মোস্তফা আল-হোসাইনী।

1

উল্লাপাড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৩ পিএম
উল্লাপাড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

যথাযোগ্য মর্যাদায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও প্রশিক্ষিত নারীদের হস্তশিল্পের কারুকাজ প্রদর্শন করা হয়। আজ রবিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে দিবসটির আয়োজন করা হয়।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন আক্তার রিমা’র সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উল্লাপাড়া-সলঙ্গা আসনের সংসদ সদস্য মাও: রফিকুল ইসলাম খান। এ সময় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি,উপজেলা জামায়াতের আমির ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহজাহান আলী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা,নারী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ এবং সুধীজন।
আলোচনা সভায় বক্তারা নারীর অধিকার,ক্ষমতায়ন এবং সমাজের সর্বক্ষেত্রে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, নারীর শিক্ষা,কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে দেশ আরও এগিয়ে যাবে।
শেষে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে নারীদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

1

সন্ধ্যার আগে সলঙ্গায় ইফতারি বাজারে ব্যস্ততা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩০ পিএম
সন্ধ্যার আগে সলঙ্গায় ইফতারি বাজারে ব্যস্ততা

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র রমজান মাস এলেই সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা এলাকার হাট-বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে ভিন্ন এক প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়। বিকেলের দিকে এসব স্থানে জমে ওঠে জমজমাট ইফতারি বাজার।ঝকঝকে দোকান বা আধুনিক পরিবেশ না থাকলেও কাঠের টেবিলের ওপর পলিথিন বিছিয়ে সাজানো হয় নানা রকম ইফতারি সামগ্রী।স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে এসব ইফতারি বাজার যেন স্বস্তির ঠিকানা।
বাজারগুলোতে ছোলা,বুন্দিয়া,মুড়ি, পিয়াজু,বেগুনি,আলুর চপ,জিলাপি, খেজুর,নিমকিসহ নানা মুখরোচক খাবার সাজিয়ে রাখা হয়।দুপুরের পর থেকেই দোকানিরা ইফতারি প্রস্তুত করে রাখেন,তবে বিকেলের দিকে ক্রেতা-বিক্রেতার উপচে পড়া ভীড়ে পুরো বাজার প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
বিশেষ করে ঘোলের দোকানগুলোতে সারিবদ্ধভাবে বোতলে সাজানো থাকে ঠান্ডা ও সুস্বাদু ঘোল।অনেকেই আবার ফুটপাতের ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে ইফতারের জন্য বিরিয়ানির প্যাকেটও কিনে নিচ্ছেন।অধিকাংশ ইফতারি আইটেমের দাম ২০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে হওয়ায় সাধারণ রোজাদারদের ভীড় বেশি দেখা যায় এসব দোকানে।
বওলাতলা গ্রামের ক্রেতা হোসেন আলী বলেন,“ইফতারের সময় পরিবার নিয়ে বিভিন্ন আইটেম খেতে ভালো লাগে। তাই বাজারে এসে নিজের পছন্দমতো ইফতারি কিনছি।”
সলঙ্গা বাজারের হোটেল মালিক আব্দুল আলিম জানান,রমজানের প্রথম দিন থেকেই ইফতারির ভালো বেচাকেনা হচ্ছে।তিনি বলেন,“বিকেলের পর থেকে রোজাদারদের ইফতারি দিতে দোকানে প্রচুর চাপ থাকে।আশা করছি পুরো মাসই এমন ভালো বেচাকেনা হবে ইনশাআল্লাহ।”
অন্যদিকে সলঙ্গা বাজারের পাপিয়া হোটেলের মালিক শহিদুল ইসলাম বলেন,“রমজান মাস এলেই সকাল থেকেই ইফতারি প্রস্তুত করি।বিকেল থেকে বিক্রি শুরু হয়,আর সন্ধ্যা যত ঘনিয়ে আসে মানুষের তাড়াহুড়াও তত বাড়ে।”
দশানী পাড়ার দোকানি শাহাদাত হোসেন জানান,সারা বছর তিনি ঝালমুড়ি বিক্রি করেন।তবে রমজান এলেই ছোলা ও বুন্দিয়া বিক্রি শুরু করেন।তিনি বলেন, “মাগরিবের আজান পড়তেই মুহূর্তে ফাঁকা হয়ে যায় ফুটপাতের এসব ইফতারি দোকান।তখন সবাই দ্রুত ইফতার করতে চলে যায়।”
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,পুরো রমজান জুড়ে যদি এমন ক্রেতার সমাগম থাকে তাহলে তাদের ব্যবসা ভালো হবে।তবে ক্রেতাদের দাবি, ইফতারি পণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন।

1

নবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালিও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:২০ পিএম
নবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালিও আলোচনা সভা

মোঃ রেজুয়ান বাদশা = দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, নারী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় নারীরা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, সমাজের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নারীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে এবং তাদের ক্ষমতায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
পরে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নারী অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমাজে নারীর ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।