শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৬ ১৪৩২
শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৬ ১৪৩২

অরিজিন হাসপাতালে ইনজেকশনের ১০ মিনিট পর মৃত শিশু প্রসব, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:১১ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
অরিজিন হাসপাতালে ইনজেকশনের ১০ মিনিট পর মৃত শিশু প্রসব, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

প্রতিবেদক: সাইদ,

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের কোটবাজারে অবস্থিত অরিজিন হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় ৭ মাসের গর্ভবতী নারী মৃত শিশুর জন্ম দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী গর্ভবতী রহিমা আক্তার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মনি মার্কেট এলাকার মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী।

ভুক্তভোগীর স্বামী মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করে বলেন, “সকালে বুকে ব্যথা অনুভব করলে আমার স্ত্রীকে কোটবাজার অরিজিন হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিফুর জামান কোনো ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই ব্যথার ইনজেকশন দেন। ইনজেকশন দেওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যেই আমার স্ত্রী দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মৃত শিশুর প্রসব করেন। এরপর ডাক্তার আরিফুর জামান হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যান।”

পরে আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্ট গাইনী চিকিৎসক রুমি দেখলে তিনি জানান, সবকিছু স্বাভাবিক ছিল এবং ইনজেকশনের প্রতিক্রিয়াতেই এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে অরিজিন হাসপাতালের পরিচালক শাহ নেওয়াজ বলেন, “ঘটনার সময় আমি পারিবারিক কারণে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলাম না। নার্স ও চিকিৎসকদের মাধ্যমে জেনেছি, একজন গর্ভবতী নারী বুকে ব্যথা নিয়ে আসেন। ডাক্তার তাকে রেফার করার পরও তিনি হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন। রোগীর কথার ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং চিকিৎসার মাঝেই মৃত শিশুর প্রসব হয়। পরে গাইনি চিকিৎসক এসে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন।”

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোসেইন জানান, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ হাসপাতালে যায়। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

1

মারা গেছেন সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী ও এমপি রমেশ চন্দ্র সেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৩ এম
মারা গেছেন সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী ও এমপি রমেশ চন্দ্র সেন

 

মোঃ রানা ইসলাম = ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

দিনাজপুর কারাগারে বন্দী অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন (৮৫) মারা গেছেন। শনিবার(৭ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
কারাগার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রমেশ চন্দ্র সেন বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। আজ সকালে কারাগারে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাঁকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
গত ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া এলাকার নিজ বাসভবন থেকে রমেশ চন্দ্র সেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে দিনাজপুর কারাগারে বন্দী ছিলেন।

রমেশ চন্দ্র সেন ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি দলটির সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়ামের সদস্য ছিলেন।

1

শিবচরে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৯ পিএম
শিবচরে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শিবচর মাদারীপুরের শিবচরে পুকুরের পানিতে ডুবে আদনান নামে দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিবচর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের খানকান্দি এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
​নিহত শিশু আদনান ওই এলাকার সৈয়দ জনির ছেলে।
​ঘটনার বিবরণ: পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির উঠানে খেলতে গিয়ে সবার অলক্ষ্যে পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায় আদনান। দীর্ঘক্ষণ তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভাসতে দেখা যায়।
​দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আদনানকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটির অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
​পুলিশের বক্তব্য: শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
​ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এই ধরণের দুর্ঘটনা রোধে আমাদের সবাইকে আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

1

ক্ষমতায় গেলে ‘স্বর্ণের বাংলা’ গড়ার প্রতিশ্রুতি পীর সাহেবের চরমোনাইয়ের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৬ পিএম
ক্ষমতায় গেলে ‘স্বর্ণের বাংলা’ গড়ার প্রতিশ্রুতি পীর সাহেবের চরমোনাইয়ের

 

​ এস এম সোহাগ কাজী =মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

​ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সবুজ বাংলা বা ডিজিটাল বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে এ দেশে প্রকৃত ‘স্বর্ণের বাংলা’ নির্মাণ করবে।
​বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাদারীপুর শহরের স্বাধীনতা অঙ্গনে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
​বক্তব্যের মূল বিষয়সমূহ:
​জনসভায় মুফতি রেজাউল করিম বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ইসলামের সুশাসন নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেন:
​একমাত্র বিকল্প: তিনি দাবি করেন, দেশের একমাত্র দল হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামের পক্ষে নির্বাচন করছে এবং ভোটারদের ‘হাতপাখা’ মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
​ তার মতে, সুনির্দিষ্ট নীতি ও যোগ্য নেতা ছাড়া দেশের মানুষের প্রকৃত মুক্তি সম্ভব নয়।
​ইসলামের মানবিক রূপ: পীর সাহেব বলেন, “ইসলাম শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, বরং সব মানুষ এমনকি একটি পিঁপড়িকার স্বাধীনতার গ্যারান্টিও ইসলাম দেয়।”
​ তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে অনেক নেতার নীতি দেখা গেলেও বাস্তবে মানুষ যা চায়, তার প্রতিফলন ঘটেনি।
​​মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আমিনুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন:
​মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম: সিনিয়র নায়েবে আমির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
​মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী: কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক।
​মাওলানা আকবার হোসাইন: প্রার্থী, মাদারীপুর-১ আসন।
​মাওলানা আলী আহমাদ চৌধুরী: প্রার্থী, মাদারীপুর-২ আসন।
​মাওলানা আজিজুল হক: প্রার্থী, মাদারীপুর-৩ আসন।
​বক্তারা আসন্ন নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশে ইসলামী শাসনতন্ত্র কায়েমের জন্য কর্মীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।