সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ ১৪৩২
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ ১৪৩২

ডালিয়ার ১৪ বিয়ে: প্রতারণা চলমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫, ৮:৩৬ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ডালিয়ার ১৪ বিয়ে: প্রতারণা চলমান

হাফিজুর রহমান:

গল্পটা সিনেমার নয়। তবে এ কাহিনী সিনেমার গল্পকেও হার মানাবে। টুঙ্গিপাড়ার কোটালীপাড়ার মেয়ে ডালিয়া। এই ডালিয়া কখনও নৃত্য শিল্পী, কখনো গায়িকা আবার কখনো তিনি প্রেমিকা। ফাঁদে ফেলে বিয়ে করাই তার পেশা। বিভিন্ন সময়ে নানান পেশার পুরুষকে বিয়ে করে গড়েছেন কোটি টাকার সম্পদ। এ পর্যন্ত তার ১৪ জন স্বামীর সন্ধান পাওয়া গেছে।ডালিয়া নিজেকে মডেল আর অভিনেত্রীর পরিচয় দেন। ইউটিউবার হিসেবেও কাজ করেন তিনি। আসলে বিয়ে করাই তার নেশা ও পেশা। ডালিয়া কখনো আক্তার সাথী, কখনো ডালিয়া খানম, আবার কখনো মায়া নামে পরিচয় দেন। তার স্বামীর তালিকায় রয়েছেন র‌্যাব সদস্য, আনসার সদস্য, পুলিশ কনস্টেবল, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, বেসরকারি চাকরিজীবী, প্রবাসীসহ আরও অনেকেই। ডালিয়ার ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হয়েছেন প্রত্যেকেই। চাকরি হারিয়ে র‌্যাব সদস্য এখন মুদি দোকানি। আনসার সদস্য এখন অটোরিকশা চালক। প্রথম স্বামী ডালিয়ার নির্যাতন থেকে বাঁচতে দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ফেলে ভারতে পালিয়ে যান। বর্তমানে তিনি নিঃস্ব। দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চিত্র। তাদের অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত ডালিয়ার ১৪ টি বিয়ের সন্ধান পাওয়া গেছে।গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কুশলা ইউনিয়নে বেড়ে উঠেছেন ডালিয়া। পড়েছেন মাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত। ডালিয়ার ছোট ভাই, তার তিনজন সাবেক স্বামী এবং বর্তমান স্বামী, বিয়ের কাজী, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ অনেকেই ডালিয়ার বেপরোয়া জীবন ও বিয়ে বাণিজ্য নিয়ে কথা বলেছেন। তার বিয়ে বাণিজ্য এবং বেপরোয়া জীবনের যাবতীয় নথি উঠে এসেছে ওই প্রতিবেদনে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একের পর এক বিয়ের পর স্বামীকে নির্যাতন শেষে দেনমোহরের টাকা নিয়ে দেন ডিভোর্স। এভাবেই ১৪ জন স্বামীর কাছ থেকে কথিত মডেল ডালিয়া হাতিয়েছেন কোটি টাকা।ডালিয়া অসামাজিক অভিনয় করেন নাম সর্বস্ব কিছু ইউটিউব চ্যানেলে। এসব থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপরই খুলে বসেন বিয়ের দোকান। মাত্র ৩৩ বছর বয়সে ১৪ জনকে বিয়ের ফাঁদে ফেলেন ডালিয়া। তার প্রথম স্বামী সোহেল খান, বাড়ি টুঙ্গিপাড়ার কোটালিপাড়ায়। দ্বিতীয় স্বামী হুমায়ুন তার বাড়িও টুঙ্গিপাড়ার কোটালিপাড়া। ৩ নম্বরে রয়েছে টাঙ্গাইলের সোহাগ। চতুর্থ রিপন মণ্ডল, ৫ম স্বামী হবিগঞ্জের আনসার সদস্য সুনির্মল বিশ্বাস, ৬ষ্ঠ খুলনার আমিরুল ইসলাম (র‌্যাবের সাবেক সার্জেন্ট), ৭ম কনস্টেবল মো. রাজু আহমেদ, ৮ম সিরাজগঞ্জের আব্দুল খালেক- মালয়েশিয়া প্রবাসী। ৯ম বরিশালের রেজাউল শেখ, ১০ম যাত্রাবাড়ীর শাহ আলম, ১১তম নরসিংদীর সৌদি প্রবাসী এনামুল, ১২ তম স্বামী ওমান প্রবাসী সাকিব,তবে এ প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত ১৩ ও ১৪ নাম্বার স্বামীর ঠিকানা জানা যায়নি।তার উদ্দেশ্য হচ্ছে,প্রতারণার মাধ্যমে ছেলেদেরকে বিয়ে করে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করা। ইতিমধ্যেই সে অনেক ছেলেদেরকে প্রতারণার মাধ্যমে নিঃস্ব করে দিয়েছে এবং এখনো তার প্রতারণা চলমান রয়েছে।

ডালিয়ার বিয়ে বাণিজ্যের এ ব্যাপারে তার আপন ছোট ভাই হাসিবুর শেখ বলেন, ‘আমার বোন ভালো না। তার সমস্যা আছে। তিনি আমাদের কথা শোনেন না। বেপরোয়া চলা-ফেরা করে। আমরা তার জন্য এলাকায় মুখ দেখাতে পারি না। তার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট (র‌্যাব) চাকরিচ্যুত অফিসার আমিনুলের বাড়ি খুলনা শহর থেকে জেলখানা ফেরিঘাট ও রূপসা নদী পার হয়ে রূপসা থানার জুগিরহাট গ্রামে। চাকরি হারিয়ে এখন মুদি দোকানের মালিক তিনি। আমিনুল সেনাবাহিনী থেকে বদলি হয়ে আসেন র‌্যাব সদরদপ্তরে। তার অধীন আনসার সদস্য সুনির্মলকে বিয়ে করেন ডালিয়া। এ নিয়ে দেন ধর্ষণ মামলা। সেই মামলার রফাদফা করার দায়িত্ব পান তৎকালীন র‌্যাবের সার্জেন্ট আমিনুল। আর সেই বিচার করতে গিয়ে ডালিয়ার পাতা ফাঁদে পা দেন আমিনুল। এক সময় বিয়ে করতে বাধ্য হন ডালিয়াকে। এরপরই পুরনো কৌশলে হাতিয়ে নেন টাকা। করেন নারী নির্যাতন মামলা। সেই শোকেই মারা যান আমিনুলের বাবা।ডালিয়ার ছোট ভাই হাসিবুর শেখ আমিনুল বলেন, ‘চাকরিরত থাকলে এখন আমি সার্জেন্ট থেকে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে প্রমোশন পেতাম। কিন্তু ডালিয়ার ফাঁদে পড়ে আমার জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে। বিয়ের পর ডালিয়ার বাবাকে ব্যবসা করার জন্য ৮ লাখ টাকা দেন। বাসার আসবাবসহ অসংখ্য টাকা ব্যয় করেন। এই টাকা উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে বর্তমানে একটি প্রতারণা ও অর্থ উদ্ধার মামলা চলমান রয়েছে। সেই মামলায় ডালিয়ার বাবা লিয়াকত ১ মাস জেল খেটেছেন।’কুশলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘ডালিয়ার এসব নোংরা কাণ্ডে বিব্রত এলাকার মানুষ। এই মহিলাটি আসলে ভালো না, নোংরা। তার কয়েকটি বিয়ে আছে এটা আমি জানি। আমার টেবিলেও অনেক অভিযোগ আছে।ডালিয়া একজন পেশাদার প্রতারক। সে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা অবৈধ অর্থ অর্জন করেছে। সে তার এই প্রতারণা কাজে গত স্বৈরাচার সরকারের পুলিশের ডিআইজি হাবিব সহ আওয়ামী লীগের বড় নেতাদের ব্যবহার করত। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ হওয়ায় বাড়তি সুবিধা নিত সব জায়গা থেকে যাত্রা, মডেলিং এর নাম করে সে দেহব্যবসা করে যাচ্ছে। তার এসব কর্মকাণ্ডে অনেক ছেলে পথে বসে গেছে চাকরি হারিয়েছে, জেল খেটেছে, সংসার ভেংগে গেছে।এবিষয়ে ডালিয়ার দাবি, তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন কিন্তু কোন স্বামীকে তালাক না দিয়ে নতুন করে বিয়ে করেননি

1

যশোর বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক দের কাছে দোয়া চাইলেন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক দের কাছে দোয়া চাইলেন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন

মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে,
বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর শ্রমিকদের দের কাছে দোয়া চাইলেন, ৮৫ যশোর -১ (শার্শা) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন।

রবিবার ( ৮ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬) সকাল ৯ টার সময় বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর মিটিং কক্ষে, হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি
তবিবুর রহমান তবি ও ৯২৫ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী কে নিয়ে,স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং হাজার হাজার সাধারণ লেবার শ্রমিকদের কাছে দোয়া চাইলেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

এ সময় আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন বলেন,আগামী নির্বাচনে জয়ী হলে, বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিকদের জন্য একটি আধুনিক মানের হসপিটাল নির্মাণ করবো,শার্শা উপজেলাকে একটি আধুনিক, সন্ত্রাসমুক্ত ও শান্তিময় জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
তিনি শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, “প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। জনগণ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও তাদের অধিকার ফিরে পেতে নির্বাচনের অপেক্ষায় উন্মুখ হয়ে আছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ সভাপতি ইদ্রিস মালেক, বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তবিবুর রহমান তবি,সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মজিদ,সহ-সাধারণ সম্পাদক(২) মোঃ জিয়াউর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইদ্রিস আলী ডাক্তার, কোষাধ্যক্ষ মোঃ সবুজ হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোঃ ওমর ফারুক,বন্দর বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্বাস আলী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান,মোঃ ইছাহক মেম্বার,মোঃ জুলু মেম্বার,লিংকন মেম্বার,লেবার সরদার মোঃ হাসেম আলীসহ ৯২৫ এর সকল নেতাকর্মী ও সাধারণ শ্রমিক বৃন্দ্যরা উপস্থিত ছিলেন।

1

তাড়াশে ধানের শীষের জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
তাড়াশে ধানের শীষের জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত

সাহেদ আলী= সিরাজগঞ্জ :

১২ ফেব্রুয়ারির ‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হকের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় তাড়াশ উপজেলা বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ‎রবিবার বিকেলে তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে আয়োজিত এ জনসভাটি জনসমুদ্রে রুপ নেয়। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মাঠে এসে জড়ো হন।স্লোগান,ব্যানার-ফেস্টুন ও ধানের শীষের প্রতীকে মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
‎এ জনসভায় তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি স.ম আফসার আলীর সভাপতিত্বে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
‎‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্ময় খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর।সাবেক এমপি মরহুম আব্দুল মান্নান তালুকদারের পুত্র,জেলা বিএনপির সদস্য রাহিদ মান্নান লেনিন,
‎‎জনসভাটি সঞ্চালনা করেন,তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান টুটুল। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,
‎তাড়াশ পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক তপন গোস্বামী,পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল বারিক খন্দকার,উপজেলা যুবদলের  আহব্বায়ক এফ এম শাহআলম, সদস্য সচিব রাজীব আহম্মেদ মাসুম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ ফকির, সদস্য সচিব খন্দকার শাহাদাৎ হোসেন, তাড়াশ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহাদাৎ হোসেন, সদস্য সচিব সাইফুল খান,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা,সদস্য সচিব হাসান মির্জা সহ
‎উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীগণ।


1

হাসপাতাল থেকে ফিরেই আকবর আলীর নির্বাচনী মাঠে বিএনপি নেতা আফছার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৪ পিএম
হাসপাতাল থেকে ফিরেই আকবর আলীর নির্বাচনী মাঠে বিএনপি নেতা আফছার

সাহেদ আলী=সিরাজগঞ্জ :

১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪, (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি এম. আকবর আলী তার সহধর্মিনী ও নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তাকে বিজয়ী করতে সলঙ্গার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের দবিরগঞ্জ বাজার,সুতাহাটি বাজার,চৈত্রহাটি বাজার, মাহমুদপুর বাজার,অলিদহ বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ করছেন রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আফছার উদ্দিন।
আজ সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন বাজার ও গ্রামে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের সঙ্গে ভোট প্রার্থনা ও মতবিনিময় সভা করেন। উল্লাপাড়া-সলঙ্গা আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি এম. আকবর আলী নির্বাচিত হওয়ার পর সব সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতির আশ্বাস দেন। আফছার উদ্দিন জানান,গত ২৭ জানুয়ারী রাতে হঠাৎ স্ট্রোক করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলাম। আল্লাহর রহমতে আমি কিছুটা সুস্থ হয়ে আবার আপনাদের কাছে এসেছি। আমার খুব ভালো লাগছে অনেকেই আমার শারীরিক খোঁজ খবর নিয়েছেন এবং সবার আন্তরিক দোয়ায় আল্লাহ পাক আমাকে সুস্থ করে আপনাদের মাঝে ফিরিয়ে এনেছেন। এ জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন,উল্লাপাড়া-সলঙ্গা অঞ্চলের উন্নয়নের রুপকার এম আকবর আলীর জন্য দোয়া ও ধানের শীষে ভোট চাইতে এসেছি। নিশ্চয়ই তিনি নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য ভালো কিছু করবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু মুসা সরকার,কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির আহবায়ক হাফিজুর রহমান সরকার, ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক পদপ্রার্থী আব্দুল মালেক মেম্বর,থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আসাদুল ইসলাম আসাদ,যুগ্ম আহবায়ক আহবায়ক এম আরিফুল ইসলাম,ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদ রানা,থানা সাইবার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা-সহ প্রমুখ।