অবৈধভাবে জনবসতি এলাকায় খমতার দাপটে পোল্ট্রি মুরগির খামার

স্টাফ রিপোর্টার :
সিলেট দক্ষিণ সুরমা উপজেলা সিলাম ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামে একটি বসত বাড়িতে গড়ে তোলেন মুরগির খামার।খামারের বিষ্ঠার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ উঠেছে , নীতিমালা উপেক্ষা করে গ্রামের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় খামারগুলো স্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইউএনও, সহকারী কমিশনার ভূমি কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে গ্রামবাসি। জানা যায়, প্রায় কয়েক বছর আগে ওই গ্রামের জহিরুল ইসলাম নামে এই ব্যাক্তি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় তার নিজ বসত বাড়িতে পোল্ট্রি মুরগির খামার স্থাপন করেন। বতর্মানে খামারে পাঁচ হাজার পোল্ট্রি মুরগি রয়েছে। পোল্ট্রি মুরগির বিষ্ঠার দুর্গন্ধের কারনে এলাকায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। মুরগির বিষ্ঠার দূর্গন্ধে খামারের চারপাশে থাকা মানুষের বসবাস করা দায় হয়ে পরছে। নীতিমালা অনুযায়ী, একটি মুরগির খামার স্থাপনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ও প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হতে হবে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং জনগণের ক্ষতি হয় এমন স্থানে খামার স্থাপন করা যাবে না। বিগত কয়েক বছর ধরে জহিরুল ইসলাম নামে এই পোল্ট্রি খামার ব্যবসায়ী। তাহার বসত বাড়ি একটি পোল্ট্রি মুরগির খামার গড়ে তুলার করনে বিষ্ঠার দুর্গন্ধে চারপাশে সংযুক্ত বাড়ি ঘরের পরিবাররা বসবাস করা দায় হয়ে পরেছে। মুরগির বিষ্ঠার দুর্গন্ধে চারপাশে থাকা সংযুক্ত বাড়ি গুলোতে ছোট বড় সকলে প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পরছে, একাধিকবার মুরগির খামার সরিয়ে নেয়ার কথা বলেন, ভুক্তভোগীরা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা, কিন্তু জহিরুল ইসলাম করো কোন কথা শুনছেন না, তিনি বলেন আমার বাড়িতে খামার করেছি এতে কারো সমস্যা হয়ে থাকলে তাতে আমার কিছু আসে যায় না। জহিরুল ইসলাম পোল্ট্রি মুরগি খামার করে মুরগি বিক্রি করে লাভবান হওয়ার গায়ের জোরে পুনরায় তাহার বসত বাড়িতে আরো একটি নতুন পোল্ট্রি খামার গড়ে তুলেন। জহিরুল ইসলাম প্রভাবশালী হওয়ায় তাহার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রভাবশালী জহিরুল ইসলামের বসত বাড়িতে, নিয়মবহির্ভূত অবৈধ ভাবে জনবসতি এলাকায় দুটি ব্রয়লার মুরগির খামার গড়ে তোলে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করছে।
জহিরুল ইসলাম বাড়ির আসে পাশে থাকা বাড়ি গুলোর মানুষের চলাফেরা করতে অনেক অসুবিধা হচ্ছে।










