সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ ১৪৩২
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ ১৪৩২

মহররম: রক্তজবাদের প্রতিশ্রুতি ও নৈতিক বিপ্লবের বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫, ৭:৫৭ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মহররম: রক্তজবাদের প্রতিশ্রুতি ও নৈতিক বিপ্লবের বার্তা

 

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান:

সময়ের নদী যখন হিজরি নববর্ষের কিনারায় এসে দাঁড়ায়, তখন তার ঢেউয়ে বয়ে আসে মহররমের নামে এক অদ্ভুত একাকিত্ব। এ মাস যেন কালের এক নিঃশব্দ আখ্যান, যে আখ্যানের প্রতিটি শব্দে লেখা আছে আত্মত্যাগের গাথা, প্রতিরোধের ইতিহাস এবং রক্তের দামে কেনা সততার সনদ। এ মাস শুধুই একটি তারিখ নয়—এ এক রূহানিয়াতের উদার খোলা জানালা, যেখান দিয়ে ঢুকে পড়ে ঈমান, একাগ্রতা আর ত্যাগের আলোকধারা।

পৃথিবীর সব পঞ্জিকাই সময়ের হিসাব রাখে, কিন্তু হিজরি বর্ষপঞ্জিকার মহররম মাস সেই ব্যতিক্রম, যে ক্যালেন্ডার কেবল সময়কে মাপে না—তা মাপে আত্মত্যাগের পরিমাপ, নৈতিকতার মানদণ্ড। এ মাসে আসমানের দরজা খুলে যায় নীরব ধ্বনির মতো। বাতাসে ভেসে বেড়ায় কারবালার ধূলিকণার নিঃশব্দ ক্রন্দন।

মহররম—আল্লাহর মাস।
এমন এক মহান উপাধি, যা কুরআনে অবতীর্ণ হয়েছে স্বয়ং পরম প্রভুর ঘোষণা হিসেবে:
“নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট মাসসমূহের সংখ্যা বারোটি, যেদিন তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন; এর মধ্যে চারটি সম্মানিত মাস।”
(সূরা আত-তাওবা, আয়াত: ৩৬)

এই চার মাসের অন্যতম মহররম। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) একে বিশেষ মর্যাদার আসনে বসিয়েছেন। তিনি বলেন—
“রোজা রাখার জন্য রমজানের পর সর্বোত্তম মাস হলো আল্লাহর মাস—মহররম।”
(সহিহ মুসলিম: ১১৬৩)

কী অপার্থিব এক উচ্চারণ—‘আল্লাহর মাস’। মহররমের এমন সুমহান মর্যাদা যেন শুধু সময়ের প্রাচীন রেখা নয়, বরং তা চেতনাকে আলোড়িত করে, জাগিয়ে তোলে নৈতিক বিপ্লবের চেতনা।

আশুরা—মহররমের দশম দিন। ইতিহাসের এক অলঙ্ঘনীয় প্রান্তর। একই দিনে কত অনন্য ঘটনাই না ঘটেছে! হযরত মূসা (আ.) তাঁর জাতিকে ফেরাউনের জুলুম থেকে মুক্তি দেন, নূহ (আ.)-এর কিশতিকে থামিয়ে দেয় ধরণী। আদম (আ.)-এর তাওবা কবুল হয়, হযরত ঈসা (আ.) আসমানে তোলা হন।

এই দিনটি সম্পর্কে প্রিয়নবী (সা.) বলেন:
“আশুরার দিনে রোজা রাখলে পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।”
(সহিহ মুসলিম: ১১৬২)

আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন উদারতায় মোড়ানো ক্ষমার ঘোষণা, যা আমাদের জীবনের ব্যর্থতায় নত মস্তককে আশার দীপ্তিতে উজ্জ্বল করে।

কিন্তু আশুরা মানেই কেবল ঐতিহাসিক স্মৃতি নয়; এর রক্তিম পটভূমিতে রয়েছে এক হৃদয়বিদারক আখ্যান—কারবালা।

কারবালা!
শব্দটি উচ্চারণ করতেই যেন দিগন্তরেখায় সূর্য থমকে দাঁড়ায়। নিসর্গ স্তব্ধ হয়। বালুরঙা প্রান্তরের বুকে গড়িয়ে পড়ে এক শিশুর তৃষ্ণার্ত কান্না, এক পিতার অটল দৃষ্টি, এক পরিবারের নিঃশেষ আত্মত্যাগ।

ইমাম হুসাইন (রা.)—নবীজি (সা.)-এর দৌহিত্র, জান্নাতের যুবকদের নেতা, যে হৃদয় নবীর বুকের সাথে লেপ্টে ছিল। তাঁর জীবন কেবল আত্মমর্যাদার পাঠশালা নয়, বরং সত্য ও ন্যায়ের এক রক্তঝরা ব্যাখ্যা।

৬১ হিজরির মহররম। ইয়াজিদের স্বৈরশাসনের মুখে হুসাইন (রা.) মাথা নত করেননি। অন্যায়ের সাথে আপস নয়, বরং সত্যের জন্য জীবন বিসর্জনের সিদ্ধান্ত নিলেন। স্ত্রী-সন্তান, আত্মীয়-স্বজন, এমনকি নিঃসন্তান শিশু আলী আসগরও কারবালার পাষাণ বুকে শহীদ হন। খোলা প্রান্তরে, তপ্ত মরুর মাঝখানে পিপাসিত মুখে, রক্তাক্ত হৃদয়ে ইমাম হুসাইন পৃথিবীকে এক চিরন্তন বার্তা দিয়ে গেলেন—আত্মত্যাগই প্রকৃত বিজয়।

কারবালার শোক শুধু ইতিহাস নয়, তা এক জীবন্ত শিক্ষা। প্রতিটি হৃদয়ে যদি হুসাইনের আত্মা জেগে ওঠে, তবে সমাজ থেকে মুছে যাবে অন্যায়, নিপীড়ন, দুর্নীতি। একবিংশ শতাব্দীর চেতনাবিহীনতার ভিড়ে হুসাইনের আদর্শ আমাদের আত্মা জাগিয়ে তোলে—জিজ্ঞাসা করে, ‘তুমি কি সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে প্রস্তুত?’

নবীজি (সা.) হুসাইনের এই আত্মত্যাগকে পূর্ব থেকেই অনুধাবন করেছিলেন। একবার তিনি বলেন:
“হুসাইন আমার অংশ এবং আমি হুসাইনের অংশ। যে তাকে ভালোবাসবে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসবেন।”
(তিরমিজি: ৩৭৮০)

হায়! কী হৃদয়বিদারক পরিণতি! হুসাইন শহীদ হন, কিন্তু সত্য শহীদ হয় না। কারবালার ধুলো রক্তে লাল হলেও, সেখান থেকে জন্ম নেয় চিরকালীন এক জ্যোতির্ময়তা। কারবালায় হুসাইন পরাজিত হননি, বরং সময়কে জয় করেছেন। দুঃসহ যন্ত্রণার মাঝে তিনি রচনা করেছেন এক আত্মিক বিপ্লবের ইতিহাস, যা কেবল শোক নয়, বরং অনুপ্রেরণার শিখা।

মহররম মানে শুধু তাজিয়া মিছিল নয়, বা রক্তাক্ত শরীর নিয়ে শোক পালন নয়—মহররম মানে আত্মনিরীক্ষা, নিজেকে প্রশ্ন করা: আমি কোন পথের যাত্রী? সত্যের না স্বার্থের? হুসাইনের না ইয়াজিদের?

আশুরার শিক্ষা তাই দ্বিমুখী। একদিকে রোযার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি, অন্যদিকে কারবালার মাধ্যমে আত্মত্যাগের পরাকাষ্ঠা। ইসলাম শুধু নামায-রোযা-হজ-যাকাতের ইবাদতে সীমাবদ্ধ নয়; তা এক পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যেখানে জুলুমের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া ইবাদতেরই অংশ। হুসাইনের কারবালা সেই জীবন্ত শিক্ষা।

আধুনিক সমাজের প্রতিটি কোণে কোণে ইয়াজিদি মানসিকতার দাপট দেখা যায়—ক্ষমতার লালসা, ন্যায়ের বিপক্ষে মিথ্যার উল্লাস, দুর্বলকে পদদলিত করার সংস্কৃতি। এমন সমাজে হুসাইন যেন প্রজ্জ্বলিত এক বাতিঘর, যিনি শেখান—“তোমার তলোয়ার না থাকুক, তবুও ন্যায় পরিত্যাগ করো না।”

কারবালার একটি শিক্ষাও যদি সমাজে প্রতিফলিত হয়, তবে সমাজ বদলে যেতে পারে। হুসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগ কেবল মুসলিম সমাজের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য এক অনন্ত নৈতিক সংবেদনার নাম।

এই মহররম আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, ঈমান মানে শুধু আল্লাহকে মানা নয়—তা হলো সত্য ও ন্যায়ের জন্য নিজের সমস্ত কিছু বিলিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার। আশুরার প্রতিটি মুহূর্ত যেন বলে ওঠে,
“তোমার জীবন এক কারবালা—তুমি কি হুসাইন হতে পেরেছ?”

আসুন, এই মহররমে আমরা শুধু চোখের অশ্রুতে সীমাবদ্ধ না থেকে অন্তরকে রক্তাক্ত করি নৈতিকতায়। একবার অন্তত নিজের ভিতরের ইয়াজিদি প্রবৃত্তিকে চিনে নিই, এবং হুসাইন হয়ে ওঠার সাধনায় বুক বেঁধে যাই। শোক হোক শক্তির নামান্তর, এবং কারবালা হোক আমাদের প্রতিটি প্রতিবাদের রূহানী উৎস।

আজ আমরা যখন সমাজে সত্যবিমুখতা, ভোগবাদ ও আত্মমর্যাদাহীনতায় নিমজ্জিত, তখন হুসাইনের আদর্শ এক সাহসিক পথ দেখায়। মহররম আসে বারবার, কিন্তু আমাদের আত্মা কি প্রতিবার নবজীবনের দিকে হাঁটে?

এবারের মহররমে প্রতিজ্ঞা হোক—আমি কারবালাকে শুধু স্মরণ করবো না, বরং জীবনে ধারণ করবো। কারণ হুসাইন শুধুই ইতিহাসের চরিত্র নন, তিনি হলেন প্রতিটি বিবেকবান হৃদয়ের চিরন্তন প্রতীক।

 

লেখক ও কলামিস্ট শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো,মিশর
✆ +201503184718
mdraiyan6790@gmail.co

1

যশোর বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক দের কাছে দোয়া চাইলেন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক দের কাছে দোয়া চাইলেন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন

মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে,
বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর শ্রমিকদের দের কাছে দোয়া চাইলেন, ৮৫ যশোর -১ (শার্শা) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন।

রবিবার ( ৮ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬) সকাল ৯ টার সময় বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর মিটিং কক্ষে, হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি
তবিবুর রহমান তবি ও ৯২৫ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী কে নিয়ে,স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং হাজার হাজার সাধারণ লেবার শ্রমিকদের কাছে দোয়া চাইলেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

এ সময় আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন বলেন,আগামী নির্বাচনে জয়ী হলে, বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিকদের জন্য একটি আধুনিক মানের হসপিটাল নির্মাণ করবো,শার্শা উপজেলাকে একটি আধুনিক, সন্ত্রাসমুক্ত ও শান্তিময় জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
তিনি শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, “প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। জনগণ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও তাদের অধিকার ফিরে পেতে নির্বাচনের অপেক্ষায় উন্মুখ হয়ে আছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ সভাপতি ইদ্রিস মালেক, বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তবিবুর রহমান তবি,সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মজিদ,সহ-সাধারণ সম্পাদক(২) মোঃ জিয়াউর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইদ্রিস আলী ডাক্তার, কোষাধ্যক্ষ মোঃ সবুজ হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোঃ ওমর ফারুক,বন্দর বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্বাস আলী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান,মোঃ ইছাহক মেম্বার,মোঃ জুলু মেম্বার,লিংকন মেম্বার,লেবার সরদার মোঃ হাসেম আলীসহ ৯২৫ এর সকল নেতাকর্মী ও সাধারণ শ্রমিক বৃন্দ্যরা উপস্থিত ছিলেন।

1

তাড়াশে ধানের শীষের জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
তাড়াশে ধানের শীষের জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত

সাহেদ আলী= সিরাজগঞ্জ :

১২ ফেব্রুয়ারির ‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হকের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় তাড়াশ উপজেলা বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ‎রবিবার বিকেলে তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে আয়োজিত এ জনসভাটি জনসমুদ্রে রুপ নেয়। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মাঠে এসে জড়ো হন।স্লোগান,ব্যানার-ফেস্টুন ও ধানের শীষের প্রতীকে মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
‎এ জনসভায় তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি স.ম আফসার আলীর সভাপতিত্বে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
‎‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্ময় খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর।সাবেক এমপি মরহুম আব্দুল মান্নান তালুকদারের পুত্র,জেলা বিএনপির সদস্য রাহিদ মান্নান লেনিন,
‎‎জনসভাটি সঞ্চালনা করেন,তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান টুটুল। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,
‎তাড়াশ পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক তপন গোস্বামী,পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল বারিক খন্দকার,উপজেলা যুবদলের  আহব্বায়ক এফ এম শাহআলম, সদস্য সচিব রাজীব আহম্মেদ মাসুম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ ফকির, সদস্য সচিব খন্দকার শাহাদাৎ হোসেন, তাড়াশ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহাদাৎ হোসেন, সদস্য সচিব সাইফুল খান,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা,সদস্য সচিব হাসান মির্জা সহ
‎উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীগণ।


1

হাসপাতাল থেকে ফিরেই আকবর আলীর নির্বাচনী মাঠে বিএনপি নেতা আফছার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৪ পিএম
হাসপাতাল থেকে ফিরেই আকবর আলীর নির্বাচনী মাঠে বিএনপি নেতা আফছার

সাহেদ আলী=সিরাজগঞ্জ :

১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪, (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি এম. আকবর আলী তার সহধর্মিনী ও নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তাকে বিজয়ী করতে সলঙ্গার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের দবিরগঞ্জ বাজার,সুতাহাটি বাজার,চৈত্রহাটি বাজার, মাহমুদপুর বাজার,অলিদহ বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ করছেন রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আফছার উদ্দিন।
আজ সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন বাজার ও গ্রামে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের সঙ্গে ভোট প্রার্থনা ও মতবিনিময় সভা করেন। উল্লাপাড়া-সলঙ্গা আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি এম. আকবর আলী নির্বাচিত হওয়ার পর সব সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতির আশ্বাস দেন। আফছার উদ্দিন জানান,গত ২৭ জানুয়ারী রাতে হঠাৎ স্ট্রোক করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলাম। আল্লাহর রহমতে আমি কিছুটা সুস্থ হয়ে আবার আপনাদের কাছে এসেছি। আমার খুব ভালো লাগছে অনেকেই আমার শারীরিক খোঁজ খবর নিয়েছেন এবং সবার আন্তরিক দোয়ায় আল্লাহ পাক আমাকে সুস্থ করে আপনাদের মাঝে ফিরিয়ে এনেছেন। এ জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন,উল্লাপাড়া-সলঙ্গা অঞ্চলের উন্নয়নের রুপকার এম আকবর আলীর জন্য দোয়া ও ধানের শীষে ভোট চাইতে এসেছি। নিশ্চয়ই তিনি নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য ভালো কিছু করবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু মুসা সরকার,কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির আহবায়ক হাফিজুর রহমান সরকার, ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক পদপ্রার্থী আব্দুল মালেক মেম্বর,থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আসাদুল ইসলাম আসাদ,যুগ্ম আহবায়ক আহবায়ক এম আরিফুল ইসলাম,ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদ রানা,থানা সাইবার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা-সহ প্রমুখ।