শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঢাকায় গতিমাপক যন্ত্র ছাড়াই চলছে গাড়ি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮, ১০:৩৪ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঢাকায় গতিমাপক যন্ত্র ছাড়াই চলছে গাড়ি

সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশার গতিমাপক মিটার বলে কিছু নেই। ছবি: প্রথম আলো

ঢাকায় ছুটে চলা জীবনে নানা ধরনের ছোট-বড় যানই হচ্ছে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যাওয়ার ভরসা। বাস, মিনিবাস বা টেম্পো-লেগুনার মতো কোনো যানে উঠলে শাঁই করে আপনাকে পৌঁছে দেবে গন্তব্যে! কিন্তু সে যানের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পরিমাপক যন্ত্রটি কি ঠিক আছে? আদৌ আছে কি না, সেটাও দেখার বিষয়।

কারণ, ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন সড়কে বেশির ভাগ দুর্ঘটনাই ঘটে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণহীন গতির কারণে, বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর ফলে।

একটি বাসের ভাঙাচোরা ড্যাশবোর্ড। ছবি: প্রথম আলো

দেখা গেছে, রাজধানীর গণপরিবহনের বেশির ভাগ গাড়ি চলে ‘চোখের আন্দাজে’ বা ‘হাতের মাপে’। কারণ, এ শহরে স্বল্প দূরত্বের জন্য বেশির ভাগ চালক বা সংশ্লিষ্ট লোকজন গতিমাপক মিটারের (স্পিডোমিটার) প্রয়োজন অনুভব করেন না। এ জন্য গাড়িতে এই গতিমাপক মিটার থাকল কি থাকল না, এ নিয়ে তাঁদের তেমন মাথাব্যথাও নেই। কোনো কোনো গাড়িতে তো ড্যাশবোর্ড বলেই কিছু নেই, যেখানে ওই মিটার বসানো থাকে।

গত মঙ্গলবার ৫০টিরও বেশি বাস, মিনিবাস, লেগুনা ও সিএনজিচালিত গাড়ির ড্যাশবোর্ড দেখে ও চালকদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা যায়। গতিমাপক যন্ত্র না থাকায় চালক জানেন না গাড়িটি কত কিলোমিটার গতিতে চলছে। অথচ প্রচলিত নিয়মে এই মিটার না থাকাটা বেআইনি।

সিএনজিচালিত অটোরিকশার অকেজো গতিমাপক মিটার। ছবি: প্রথম আলো

 

গতি না বুঝে কীভাবে গাড়ি চালান, তা জানতে চাইলে মারফত নামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক চালক বলেন, ‘আইডিয়ার ওপর চালাই। বারো বছর ধরে চালাচ্ছি।’

অনেক এলাকায় লেখা থাকে ‘গতি নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল’ বা ‘সর্বোচ্চ গতি ৪০ কিলোমিটার’। সে ক্ষেত্রে কী করেন? এ ব্যাপারে চালক বলেন, ‘এ রকম থাকলে একটু “হালকা” চালাই আরকি!’

শুধু অটোরিকশার চালক নন, বাস ও লেগুনাচালকদের মুখেও একই কথা।
অর্ক ট্রান্সপোর্টের চালক তহিদুল বলেন, ‘১৮ বছর ধরে গাড়ি চালাই। হাতের আন্দাজ হয়ে গেছে। সে হিসাবেই চালাই। অসুবিধা হয় না।’

সিএনজিচালিত অটোরিকশার অকেজো গতিমাপক মিটার। ছবি: প্রথম আলো

 

গাড়ির গতিনির্দেশক মিটার কাজ করে কি না, জানতে চাইলে আলিফ পরিবহনের এক চালক ড্যাশবোর্ড দেখিয়ে বলেন, ‘এই তেলের মিটারটা চলে। বাকিগুলোর খবর জানি না।’

মতিঝিল-বাড্ডা চলাচলকারী ‘৬ নম্বর বাস’ নামে পরিচিত একটি বাসে উঠে দেখা যায়, ভাঙাচোরা ড্যাশবোর্ড। গতিনির্দেশক মিটার বলেও কিছু নেই।

এগুলো কেন ঠিক করেন না—এমন প্রশ্নের উত্তরে গতিনির্দেশক মিটারের দিকে নির্দেশ করে সুমন নামে ওই গাড়ির চালক বলেন, ‘এটা মালিকের ব্যাপার। আমি জানি না।’

এ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘হ্যাঁ, হয়! এই সেদিন ফার্মগেটে একটা গাড়িতে লাগল। কয়েকজন আহতও হয়।’

সিএনজিচালিত অটোরিকশার অকেজো গতিমাপক মিটার। ছবি: প্রথম আলো

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, চালকেরা জানেনই না যে ড্যাশবোর্ড ও গতিনির্দেশক মিটার কাকে বলে এবং এর প্রয়োজনীয়তা কী।

নিকেতন-ফার্মগেট সড়কপথে চলাচলকারী লেগুনার এক চালক বলেন, ‘এসব বুঝি না ভাই, হাতের মাপে চালাই।’

বাংলাদেশের দ্য মোটর ভেহিকলস অরডিন্যান্স ১৯৮৩-এর আর্টিকেল ৭১-এর ৩ (বি)-তে গাড়ি চালানোর অনুমোদনের কিছু শর্ত দেওয়া আছে। সব ধরনের ‘অনুমোদনের জন্য শর্ত’ অংশে বলা আছে, ‘কোনো অনুমোদিত গাড়ি তার গতির চেয়ে বেশি গতিতে চালায় কি না, তা দেখতে হবে।’

অথচ গতিনির্দেশক মিটার না থাকায় চালকের পক্ষে সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন গতি মেনে গাড়ি চালানো অসম্ভব।

দ্রুত বেগে বাস চলছে। তবে গতিমাপক মিটার দেখাচ্ছে শূন্য গতি। ছবি: প্রথম আলো

এ বিষয়ে আজ বুধবার সকালে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উপপরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) আ স ম হাসান আল আমিন বলেন, ‘এ ধরনের গাড়ির যাত্রী ও পথচারী উভয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা প্রতিনিয়ত এ রকম গাড়ির জরিমানা করছি। কালও (সোমবার) চারটি গাড়ি জরিমানা করেছি।’

বিআরটিএর পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং উইং) মো. নূরুল ইসলাম বলেন, একটি গাড়ির অবশ্যই গতিমাপক মিটার থাকতে হবে। তিনি বলেন, গতিমাপক মিটার না থাকলে একটি গাড়ি কখনোই রাস্তায় চলার অনুমোদন পেতে পারে না।

1

বকশীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ২:৫৪ এম
বকশীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন   উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে জামালপুরে চালু হতে যাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।

প্রাথমিকভাবে এই কর্মসূচির আওতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের  টালিয়া পাড়া ও সাতভিটা  গ্রামে ১ হাজার ২৯৫ টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

আগামি ১৬ মে শনিবার বগারচর ইউনিয়নের সারমারা নাসির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন।

তিনি জানান, বর্তমান সরকারের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য সরকার কার্যক্রম শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড , বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও খাল পুন:খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বকশীগঞ্জ উপজেলাতেও ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোছা. কনিকা খাতুন জানান, বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টালিয়া পাড়া ও সাতভিটা গ্রামে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।শনিবার উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হবে ফ্যামিলি কার্ড।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনে আরো উপস্থিত থাকবেন জামালপুর জেলার আরো ৫ জন সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দরা ।

প্রেস ব্রিফিংকালে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

1

নাগরপুরে গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম
নাগরপুরে গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ী

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে উপজেলার রাথুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাথুরা এলাকার বিশু মার্কেট সংলগ্ন সালামের চায়ের দোকানের সামনে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় সন্দেহজনকভাবে অবস্থানরত দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে মোট ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আরশেদ আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম রাজিব (২৬) ও মৃত শ্যামল কৃষ্ণ সাহার ছেলে রবিন্দ্র সাহা (৪০)। এর মধ্যে রাজিবের কাছ থেকে ৯ পিস এবং রবিন্দ্র সাহার কাছ থেকে ৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন নাগরপুর থানার এসআই (নিঃ) রাকিব কায়নার শুভ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন এএসআই আবু তাহের, এএসআই আতিকুর রহমান এবং কনস্টেবল রিয়াজ উদ্দীন। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে রাথুরাসহ আশপাশের এলাকায় মাদকসেবীদের কাছে চাহিদা অনুযায়ী ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিল। নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মুরাদ হোসেন মুঠোফোনে বলেন,“মাদকের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানা পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে সাউথ আফ্রিকা-মরিশাস প্রবাসী সাজুর মানবিক উদ্যোগে এতিমখানায় তিনটি ফ্যান প্রদান করেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১০:২৭ এম
বকশীগঞ্জে সাউথ আফ্রিকা-মরিশাস প্রবাসী সাজুর মানবিক উদ্যোগে এতিমখানায় তিনটি ফ্যান প্রদান করেন

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোর বীরগাঁও মাদ্রাসা বাড়ির সোবহানিয়া হাফিজিয়া এতিমখানার কোমলমতি এতিম শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে আবারও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সাউথ আফ্রিকা ও মরিশাস প্রবাসী সাজু। সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নীরবে-নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রচণ্ড গরমে এতিমখানার শিক্ষার্থীরা কষ্ট করে পড়াশোনা করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে এতিমখানার পক্ষ থেকে তিনটি ফ্যানের আবেদন করা হয়। সাংবাদিক আলীমজনু বাবুর মাধ্যমে বিষয়টি প্রবাসী সাজু  কাছে পৌঁছালে তিনি তাৎক্ষণিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং খুব দ্রুত তিনটি ফ্যানের ব্যবস্থা করে দেন।
পরবর্তীতে বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোতালেব সরকার, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খোকন মন্ডল, ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম  এতিমখানার হুজুরের হাতে ফ্যানগুলো তুলে দেন।
ফ্যান পেয়ে এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, গরমের কষ্ট কমে যাওয়ায় এখন শিশুরা আরও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করতে পারবে।
এসময় এতিমখানার পক্ষ থেকে সাউথ আফ্রিকা-মরিশাস প্রবাসী সাজু প্রতি – ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। পাশাপাশি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয়, তিনি যেন সবসময় এভাবেই মানবিক ও কল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকতে পারেন।