সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ২৬ ১৪৩২
সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ২৬ ১৪৩২

হিন্দুদের অস্ত্র হাতে তুলে নিতে আহবান দায়ভার কে নিবে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪, ১১:৩৮ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হিন্দুদের অস্ত্র হাতে তুলে নিতে আহবান দায়ভার কে নিবে?

নাসের আবু খালেদ, কুয়েত বিশেষ  প্রতিনিধি:

🗣️জ্বী ইসকন এমন আহবানে করে চট্টগ্রামে জয়শ্রীরাম স্লোগান দিতেও আমরা শুনেছি এবং দলবদ্ধ ভাবে আইশৃঙ্খলা বাহিনির উপর হামলা করা হয়েছে এটা বাংদেশের মানুষ দেখেছে। কিন্তু কি চাইছে ওরা বাংলাদেশের বর্তমানের রাজনৈতিক কোন দল নাকি সাবেক কোন দল কেন বা তাদের আহবান এমনটা হবে তাদের মূল উদ্দেশ্য কি? মুসলিম কে হত্যার মিশন কখন থেকে ভারত থেকে আসল বাংলাদেশে বিজেপি,RAW এবং সাবেক সৈরাচারী দল এর সাথে ইসকনের কি সম্পর্ক আছে?

আসুন প্রথম ইসকন 🗣️নবনির্মিত মন্দির করা হয়েছে। নান্দনিক কারুকার্য শান্তি এই মন্দিরের নামকরণ করা হয়েছে ‘ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দির’। ২০০৭ সালের ২৩ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন শ্রীল জয়পতাকা স্বামী। তিনতলা বিশিষ্ট এই মন্দিরের নকশা করেছেন ভারতীয় স্থাপত্যবিদ পুণ্ডরিক বিদ্যাদাস ব্রহ্মচারী। ১৯২১ সালে পাঁচলাইশের গোলপাহাড়ে সংঘের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯২১-৪১ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ২৮ একর জমি কিনে বর্তমানের ইসকন।
চট্টগ্রামে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে ইসকন মন্দির। পুরো মন্দিরটি নির্মিত হয়েছে রাজস্থানের মাকরানা মার্বেল দিয়ে । দরজা-জানালার কাঠ সংগ্রহ করা হয়েছে আফ্রিকা ও মায়ানমার থেকে। পুরো মন্দিরের দৈর্ঘ্য ১শ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট এবং উচ্চতা ৬৫ ফুট। ১৮ গণ্ডা জায়গায় ৯টি গম্বুজবিশিষ্ট এই মন্দির প্রতিষ্ঠিত।

২০১০ সাল থেকে শুরু হয় কর্মযজ্ঞ। ভারতীয় ৩০ জন ও বাংলাদেশী অর্ধশত শ্রমিক মিলে ৯ বছর ধরে একটানা কাজ করে গড়ে তুলেছেন পুরো মন্দিরের কাঠামো। ২০১৩ সাল থেকে রাজস্থানের শ্রমিকরা মার্বেল পাথরে সনাতনী চিত্রকলা খোদাই করে তা প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করেন।
ইসকন এর এই দেশের সনাতন হিন্দু ধর্মের প্রতিনিধি নয়, তাদের প্রতিনিধিত্বশীল স্থানীয় কোনো ধর্ম প্রতিষ্ঠানও নয়। বিশেষত তাদের আন্তর্জাতিক ‘করপোরেট অপারেশান’কে মহামতি শ্রী চৈতন্যের জাতপাতবিরোধী সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলন ও জয়শ্রীরাম বলে মানুষ কে উগ্রবাদী করতে কার্যক্রম চালায় বাংলাদেশে। ইসকনের সমালোচনা, পর্যালোচনা এবং তাদের কার্যক্রমের বিরোধিতা সনাতন হিন্দুধর্মের বিরোধিতা নয়; বরং বাংলার ঐতিহ্যবাহী ধর্ম ও ভাবের বিকৃতি রোধের জন্যই তা দরকারি।
ইসকন এর ধর্মের আড়ালে যে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল এবং গুপ্ত হামলা মানুষ হত্যার উগ্রতা দেখা যায় তা বিগত কালের অনেক হুমকীতে তা প্রকাশিত হয়। ইসকন মন্দির এর ভিতর ছোট বাচ্চাদের জয়শ্রীরাম স্লোগান দেওয়ার জন্য আলাদা শিক্ষা ব্যবস্থায় ভারতীয় মন যেমন বাংলাদেশ ভারতের অংশ এমন শিক্ষা দেওয়ার অভিযোগ আছে। সর্বশেষ আমরা গত সরকার পলায়ন হওয়ার পর থেকে ইসকন বার বার সাহাবাগ সহ ঢাকা ঘেরাও করার হুমকি দিয়ে আসছে। এই হুমকির পিছনে ভারতীয় শ্রীরাম স্লোগান এবং উগ্রবাদী সংগঠন সহ বিজেপি সরকার এর মদত আছে এবং তাঁরা সৈরাচারী আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনীর সাথে একমত হয়ে আজ বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে আর্ন্তজাতিক মহলে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তাই এখনই শক্ত হাতে ইসক কে রুখে দিতে বাংলাদেশের অনেক হিন্দুদের ইসকন এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলছেন। আসলে ইসকন কোন ধর্মাবলম্বী নয় এরা উগ্রবাদী ভারতীয় এজেন্ডা এরা মানুষ হত্যার মিশনে নেমেছে।

1

উল্লাপাড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৩ পিএম
উল্লাপাড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

যথাযোগ্য মর্যাদায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও প্রশিক্ষিত নারীদের হস্তশিল্পের কারুকাজ প্রদর্শন করা হয়। আজ রবিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে দিবসটির আয়োজন করা হয়।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন আক্তার রিমা’র সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উল্লাপাড়া-সলঙ্গা আসনের সংসদ সদস্য মাও: রফিকুল ইসলাম খান। এ সময় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি,উপজেলা জামায়াতের আমির ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহজাহান আলী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা,নারী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ এবং সুধীজন।
আলোচনা সভায় বক্তারা নারীর অধিকার,ক্ষমতায়ন এবং সমাজের সর্বক্ষেত্রে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, নারীর শিক্ষা,কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে দেশ আরও এগিয়ে যাবে।
শেষে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে নারীদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

1

সন্ধ্যার আগে সলঙ্গায় ইফতারি বাজারে ব্যস্ততা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩০ পিএম
সন্ধ্যার আগে সলঙ্গায় ইফতারি বাজারে ব্যস্ততা

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র রমজান মাস এলেই সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা এলাকার হাট-বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে ভিন্ন এক প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়। বিকেলের দিকে এসব স্থানে জমে ওঠে জমজমাট ইফতারি বাজার।ঝকঝকে দোকান বা আধুনিক পরিবেশ না থাকলেও কাঠের টেবিলের ওপর পলিথিন বিছিয়ে সাজানো হয় নানা রকম ইফতারি সামগ্রী।স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে এসব ইফতারি বাজার যেন স্বস্তির ঠিকানা।
বাজারগুলোতে ছোলা,বুন্দিয়া,মুড়ি, পিয়াজু,বেগুনি,আলুর চপ,জিলাপি, খেজুর,নিমকিসহ নানা মুখরোচক খাবার সাজিয়ে রাখা হয়।দুপুরের পর থেকেই দোকানিরা ইফতারি প্রস্তুত করে রাখেন,তবে বিকেলের দিকে ক্রেতা-বিক্রেতার উপচে পড়া ভীড়ে পুরো বাজার প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
বিশেষ করে ঘোলের দোকানগুলোতে সারিবদ্ধভাবে বোতলে সাজানো থাকে ঠান্ডা ও সুস্বাদু ঘোল।অনেকেই আবার ফুটপাতের ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে ইফতারের জন্য বিরিয়ানির প্যাকেটও কিনে নিচ্ছেন।অধিকাংশ ইফতারি আইটেমের দাম ২০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে হওয়ায় সাধারণ রোজাদারদের ভীড় বেশি দেখা যায় এসব দোকানে।
বওলাতলা গ্রামের ক্রেতা হোসেন আলী বলেন,“ইফতারের সময় পরিবার নিয়ে বিভিন্ন আইটেম খেতে ভালো লাগে। তাই বাজারে এসে নিজের পছন্দমতো ইফতারি কিনছি।”
সলঙ্গা বাজারের হোটেল মালিক আব্দুল আলিম জানান,রমজানের প্রথম দিন থেকেই ইফতারির ভালো বেচাকেনা হচ্ছে।তিনি বলেন,“বিকেলের পর থেকে রোজাদারদের ইফতারি দিতে দোকানে প্রচুর চাপ থাকে।আশা করছি পুরো মাসই এমন ভালো বেচাকেনা হবে ইনশাআল্লাহ।”
অন্যদিকে সলঙ্গা বাজারের পাপিয়া হোটেলের মালিক শহিদুল ইসলাম বলেন,“রমজান মাস এলেই সকাল থেকেই ইফতারি প্রস্তুত করি।বিকেল থেকে বিক্রি শুরু হয়,আর সন্ধ্যা যত ঘনিয়ে আসে মানুষের তাড়াহুড়াও তত বাড়ে।”
দশানী পাড়ার দোকানি শাহাদাত হোসেন জানান,সারা বছর তিনি ঝালমুড়ি বিক্রি করেন।তবে রমজান এলেই ছোলা ও বুন্দিয়া বিক্রি শুরু করেন।তিনি বলেন, “মাগরিবের আজান পড়তেই মুহূর্তে ফাঁকা হয়ে যায় ফুটপাতের এসব ইফতারি দোকান।তখন সবাই দ্রুত ইফতার করতে চলে যায়।”
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,পুরো রমজান জুড়ে যদি এমন ক্রেতার সমাগম থাকে তাহলে তাদের ব্যবসা ভালো হবে।তবে ক্রেতাদের দাবি, ইফতারি পণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন।

1

নবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালিও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:২০ পিএম
নবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালিও আলোচনা সভা

মোঃ রেজুয়ান বাদশা = দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, নারী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় নারীরা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, সমাজের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নারীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে এবং তাদের ক্ষমতায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
পরে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নারী অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমাজে নারীর ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।