শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

কয়রায় চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আ’লীগ নেতা বাহারুলের বিরুদ্ধে মামলা।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৩:৩৬ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কয়রায় চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আ’লীগ নেতা বাহারুলের বিরুদ্ধে মামলা।

 

হাফিজুর রহমান, (কয়রা প্রতিনিধি)

খুলনার কয়রা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিগত সরকারের ইউপি চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) উপজেলার ৪ নং কয়রা গ্রামের মোঃ নুরুল ইসলামের পূত্র মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (৩৮) বাদি হইয়া কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা সংস্থার উপর ন্যস্ত করেছেন বলে জানা গেছে।

মামলার অন্য আসামীরা হলেন- এস এম লুৎফর রহমান (৩৮), অহিদ মোড়ল (৫৫), জিয়াদ আলী সরদার (৫৫), মিজানুর রহমান (৪৫), তৌফিকী হান্নান (৪২), আলামিন (৩৫), আছাফুর মোড়ল (৩৭), বিজয় সরদার (৫০), লিটন মোড়ল (৪০) সহ অজ্ঞাত আরো ৭০/৮০ জন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় আসামীদের একমাত্র কাজই ছিল এলাকার নিরীহ-নিপীড়িত ও ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের ব্যক্তিদেরকে বিভিন্ন সময়ে হয়রানি,চাঁদাবাজি, হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে সম্পত্তি ও টাকা আত্মসাৎ করা এবং এলাকা ছাড়া করা। অপরদিকে বাদী একজন নিরীহ, সহজ, সরল, ব্যবসায়ী ও বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।

মামলার এজাহারে আরো জানা যায়- বাদী ৪ নং কয়রা সুন্দরবন যুব সংঘ ক্লাবের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।আসামীগণ উক্ত ক্লাব ঘরটি দখল ও সুন্দরবনে অবৈধভাবে ব্যবসার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে বাদী সহ ক্লাব ঘরের সদস্যবৃন্দ বাধা দিলে আসামীগণ বাদীকে এই বলে যে, “তুই এবং তোর পরিবার এলাকায় থাকিতে চাইলে এবং ব্যবসা করতে চাইলে মাসে ২০০০০/( বিশ হাজার টাকা) চাঁদা দিতে হবে এবং আমাদের কাজে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবি না”।

বাদী অত্যান্ত অসহায় জীবন যাপন করিলেও আসামীদের দাবিকৃত চাঁদা পূরণ করার পরেও তাদের চাঁদার পরিমাণ দিন দিন বাড়তে থাকে, ফলে বাদী তাদের চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি এবং অপারগতা প্রকাশ করিলে আসামীগণ বাদীকে অবৈধ বল প্রয়োগ করে জীবনের ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি অব্যাহত রাখে এবং বড় ধরণের ক্ষতিসাধনের জন্য ওতপেতে থাকে।

সেই সূত্র ধরব বিগত ইং ১২/০১/২০১৩ তারিখে সময় বিকাল আনুমানিক ৩ঃ৩০ ঘটিকায় বাদী এবং সাক্ষীগণ ক্লাবে থাকাকালীন সময়ে আসামীগণসহ অজ্ঞাত্নামা আরো ৭০/৮০ পূর্ব পরিক্লপনামাফিক আগ্নেয়াস্ত্র,ধারালো ছুরি,রাম দা,লোহার রডসহ অন্যান্ন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে বেআইনিভাবে ক্লাব ঘরে প্রবেশ করিয়া ০১ নং আসামী এই বলে হুকুম প্রদান করে যে, “শালাকে আজ জীবনে শেষ করে দে,আমাদের চাঁদা না দেয়ার সাধ মিটায় দে,ক্লাব ঘর ছেড়ে না দেয়ার সাধ মিটায় দে,আমাদের কাজে বাধা প্রদান করার সাধ মিটায় দে”।

১ নং আসামীর হুকুম পাওয়া মাত্র আসামীদের মধ্যে দুইজন বাদীর গলার রশি দিয়ে দুই দিকে টান দিয়ে শাসরুদ্ধ করার চেষ্টা করে। মামলার ৩ নং আসামী বাদীর তলপেটে সজোরে লাথি মারে।ইহাতে বাদী দম বন্ধ হয়ে মৃত্যুর উপক্রম হয়। তখন ১ নং আসামী পূণরায় হুকুম প্রদান করে যে ” শালা এখনও মরেনি?, শালাকে এখনি শেষ করে দে”। হুকুম পাওয়া মাত্র ২ নং আসামী বাদীর গলায় পা চেপে ধরে হত্যাচেষ্টা করে।

৪ নং আসামী তার হাতে থাকা রড দিয়ে বাদীকে প্রাণে শেষ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করিলে বাদীর ঘাড়ের উপরের অংশে লাগিলে বাদী গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ২ নং আসামী বাদীর গলায় ধারালো ছুরি ধরে বলে যে, “তোর কোথায় কত টাকা আছে এখনি বল”,
বাদী বলে- “আমার কাছে নগত ৫০০০/( পাচ হাজার টাকা) ছাড়া আর কোন টাকা নেই”, তখন ২ নং আসামী অন্যান্ন আসামীদেরকে বলে যে, “এর কাছে যা যা আছে সব লুটপাট করে নে,শালা নড়লে গলায় ছুরি চালিয়ে শেষ করে দিব”।

বাদী জীবনের ভয়ে তটস্থ হইয়া চিৎকার করিলে ১ আসামী বাদীর গলায় পূণরায় ধারালো ছুরি ধরে বলে যে, ” তোর কাছে যা আছে দিয়ে দে” বলিয়ে বাদীর বুক পকেটে থাকা নগত ৫০০০/ (পাচ হাজার টাকা) জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় এবং ২নং আসামী এক স্বাক্ষীর হাতে থাকা স্যামসাং মোবাইল ফোন যার মূল্য (২০০০০) টাকা সেটি ছিনিয়ে নেয়, অন্যান্ন আসামীগণ বাদী এবং বাদীর মাকে মারপিট করে মারাত্মক জখম করে থাকে।

অদ্য বাদী আসামীদের নামে মামলা দায়ের করে সুবিচার পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

1

সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের সলিমাবাদ ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আবেগঘন পরিবেশে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ, জাতি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরীফ উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো এসএসসি পরীক্ষা। তোমাদের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যয়ন এবং আত্মবিশ্বাসই তোমাদের সফলতার চাবিকাঠি। তোমরা ভালো ফলাফল অর্জন করে বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাকি মিয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের সফল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম খান, মোঃ সুমন সিকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ সালাউদ্দিন এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। বক্তারা শিক্ষার্থীদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেন এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।

পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। অনেকেই তাদের বিদ্যালয় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রীবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন

1

কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
‎ এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
আজ  মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ফাঁসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের বিভিন্ন সেবা  নিয়ে আলোচনা করেন
‎ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন।ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে প্রকল্প হতে প্রেরিত গ্রাম আদালতের লিফলেট বিতরণ করেন এবং গ্রাম আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আলোচনা করি। গ্রাম আদালতে কি কি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে এবং গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সবোর্চ্চ কত টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে
‎সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন ।উপজেলা কো-অর্ডিনেটর বলেন ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের এবং পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন সবাইকেই গ্রাম আদালতে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা লিফলেটের মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত অল্প সময়ে স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পাওয়া যায়। গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলার ফি ১০ টাকা দেওয়ানি মামলার ফি ২০ টাকা এ ছাড়া এ আদালতে আর কোন টাকা-পয়সা লাগে না। তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন গ্রাম আদালতের প্রচার করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে এবং গ্রাম আদালতের সুবিধা গুলো সাধারনত জনগনকে জানাতে হবে। আপনাদের প্রচারের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষ যেন ছোট ছোট বিরোধ গুলো ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের নিষ্পত্তি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে ন্যায়বিচার পায় সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের সকলের কাজ করতে হবে। ইউনিয়ন  পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলবো
‎অল্প সময়ে স্বল্প খরচে ন্যায় বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে।

1

সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৭ পিএম
সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঢাকার সাভার সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন অভিযোগ করেছেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই একটি চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি সব সময় সরকারি নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিয়মবহির্ভূত কাজ করাতে ব্যর্থ হয়ে এখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। এতে আমার স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং আমাকে নিয়মিত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আমার কাজের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।’

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সাভারে মোট ২৪ হাজার ১১৬টি দলিল নিবন্ধিত হয়, যার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হয় ২৬৬ কোটি ৬৯ লাখ ৭ হাজার ২৫৬ টাকা। ২০২৫ সালে দলিলের সংখ্যা ছিল ২৪ হাজার ৫৫টি এবং রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৯ কোটি ২১ লাখ ৮ হাজার ১০৯ টাকা।

এছাড়া ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে ৬ হাজার ১৪৪টি দলিল থেকে ৬৫ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪৬ টাকা রাজস্ব আদায় হয়। অপরদিকে ২০২৬ সালের একই সময়ে ৫ হাজার ৪৩৪টি দলিল নিবন্ধিত হলেও রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ৩৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ টাকা।

তিনি দাবি করেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।’

অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।