মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

চকরিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত ৫: থানায় মামলা দায়ের, আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ২:৫৮ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
চকরিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত ৫: থানায় মামলা দায়ের, আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে 

ওবাইদুল হক,স্টাফ রিপোর্টারঃ

চকরিয়ার দরবেশ কাটার মেহেন্নি পাড়ায় সন্ত্রাসী মোহাম্মদ মিন্টু (৪২), সাইফুল ইসলাম (৩৫), আকিদুল হক আকিদ (৩৫) ও রবিউল্লাহ (৩৫) এর হামলায় ৪ নারীসহ মোট ৫ জন গুরুতরভাবে আহত হয়। সন্ত্রাসী আকিদুল হক আকিদ ৩ মাসের অন্তসত্ত্বা রুজিনা আক্তারকে লাথি মেরে ভ্রুণ নষ্ট করে এবং লোহার রড় দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। সন্ত্রাসী মোহাম্মদ মিন্টু ও সাইফুল ইসলাম ভুক্তভোগী ইয়াসমিন কাউছার মুন্নিকে এলোপাতাড়ি মারধর করে বাম হাতের হাড় ভেঙ্গে ফেলে এবং ডান হাতে উপর্যুপরি আঘাতসহ সর্বশরীরে আঘাত করে মারাত্মকভাবে জখম করে। সন্ত্রাসী সাইফুল ইসলাম ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম কে মারাত্মকভাবে আঘাত করে একটি দাঁত ফেলে দেয় এবং দুটি দাঁত ভেঙ্গে ফেলে। আসামী রবিউল্লাহ ও সাইফুল ইসলাম ভুক্তভোগী জোবাইদা বেগম ও মোশারফা কে হাত পা সহ সর্বশরীরে আঘাত করে জখম করে।

এ বিষয়ে বিগত ২৯/১২/২০২৪ ইং তারিখ ভুক্তভোগী ইয়াসমিন কাউছার মুন্নি বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চকরিয়ায় সি.এর মামলা নং- ৩০৪৭/২০২৪ দাখিল করেন। আদালত চকরিয়া থানায় এজাহার গ্রহণের আদেশ প্রদান করেন। আদলতের আদেশ অনুসারে চকরিয়া থানায় বিগত ০১/০১/২০২৫ ইং তারিখ ০১/০১ নং মামলা গৃহীত হয়।কিন্তু আসামীরা প্রকাশ্য দিবালোকে ঘোরাফেরা করলেও অদ্যাবধি কেউ গ্রেফতার হননি। অভিযোগকারী ইয়াসমিন কাউছার মুন্নি অভিযোগ করেন, “আসামীদের গ্রেফতার না করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো: শফিকুল ইসলাম রাজা আমাকে ও সাক্ষীদেরকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি ধমকি প্রদর্শন করছেন। পুলিশ চাইলে অনেক কিছু করতে পারেন। থানায় মামলা না করে কোর্টে মামলা করেছেন কেন?” এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চকরিয়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মো: শফিকুল ইসলাম রাজার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ” আমি বিবাদী ও সাক্ষীগণকে থানায় মামলা রুজু না করে কোর্টে কেন মামলা রুজু করেছেন তা জানতে চেয়েছি।” এছাড়া অভিযোগকারী কর্তৃক তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অন্যান্য অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মঞ্জুর কাদের ভুইয়া এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোকারীকে তাঁর সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। তিনি আসামীদের গ্রেফতারের ব্যবস্থা করবেন এবং তদন্ত কর্মকর্তার কোন পক্ষপাতমূলক আচরণ পরিলক্ষিত হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন মর্মে আশ্বস্ত করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উল্লেখিত সন্ত্রসীরা দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেনের খরিদা জমি জোরপূর্বক দখল করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল। সন্ত্রাসীরা বিগত ২২/১২/২০২৪ ইং তারিখ মাওলানা আনোয়ার হোসেনের খরিদা নামজারী জমাভাগ খতিয়ান ২০৩৫ খতিয়ানের বিএস ১৯৭ দাগের উপর স্থিত জমি দখলে নেয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন আর্মি ক্যাম্প, চকরিয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চকরিয়া এবং চকরিয়া থানা বরাবর প্রতিকার প্রাপ্তির নিমিত্তে অভিযোগ দাখিল করলে সন্ত্রাসীরা মাওলানা আনোয়ার হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকী প্রদর্শন করে এবং বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করবে মর্মে হুমকী প্রদর্শন করে। বিগত ২৪/১২/২০২৪ ইং তারিখ বিকাল আনুমানিক ৩:০০ টায় সন্ত্রাসীরা মারাত্মক অবৈধ অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আনোয়ার হোসেনের ক্রয়কৃত জমির মাটি কাটতে থাকে। আনোয়ার হোসেন, তার স্ত্রী ইয়াসমিন কাউছার মুন্নি, আনোয়ার হোসেনের ভাগ্নি রুজিনা আক্তার, আনোয়ার হোসেনের ভাতিজি জোবাইদা বেগম, আনোয়ার হোসেনের ভাগিনা নুরুল ইসলাম সন্ত্রাসীদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা তাদেরকে আক্রমণ করে প্রচন্ডভাবে মারধর করে জখম করে।

1

নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

মোঃ রেজুয়ান বাদশা =নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলঘাট গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদর বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে,ততই বাজারে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মতো।সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে কেনাবেচার ব্যস্ততা অব্যাহত থাকছে।
সলঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ, তৈরি পোশাকের দোকান,শাড়ি ও কাপড়ের দোকান,পাদুকা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।গত বছরের তুলনায় অনেক পোশাকের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।তবে নতুন ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় পোশাক বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেড়েছে।
বাজারের হাজী মার্কেট,মহির উদ্দিন সুপার মার্কেট,মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট এবং অগ্রণী ব্যাংক মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণি বিতানে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে।এ ছাড়াও শাড়ি-কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ও তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার।
অনেক নারী ক্রেতা পছন্দের পোশাক তৈরি করার জন্য ছিট কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভীড় করছেন।তবে পোশাকের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়েছেন।বড় শপিংমলে না গেলেও অনেকে ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো কেনাকাটা করছেন।
সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরু থেকেই ঈদের কেনাকাটা কিছুটা ছিল।তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের ভীড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দোকানগুলোতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য পোশাকের সমারোহ থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজারের পাদুকা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও সমান ব্যস্ততা দেখা গেছে।একই সঙ্গে চিনি,সেমাই,লাচ্ছাসহ ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের দোকানেও চলছে ব্যাপক কেনাবেচা।
শুধু সলঙ্গা বাজারেই নয়,আশপাশের হাটিকুমরুল,সাহেবগঞ্জ,ঘুড়কা বেলতলা, ভুইয়াগাতী,মালতীনগর আমতলা,নলকা,হরিনচড়া,দবিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটবাজারেও ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ রমজান) সলঙ্গা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, বাচ্চাদের জন্য যে বাজেট নিয়ে এসেছিলেন,বাজারে এসে দেখছেন অনেক পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি।ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,ঈদের আগের দিনগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে এবং বেচাকেনাও সন্তোষজনক হবে।

1

কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

৯ মার্চ (সোমবার) বিকাল ৫ টায়,কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হোটেল নূরজাহান অডিটোরিয়াম হলে,
লালমাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামি’র আয়োজনে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে,”ইফতার মাহাফিল” আয়োজন করেন,
উক্ত ইফতার মাহাফি’লে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
তিনি রমযানের গুরুত্ব আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বলেন রমযান আমাদের জন্য অফার নিয়ে এসেছে, কোন মার্কেটে অফার দিলে মানুষ যেমন হুমরি খেয়ে পড়ে, সেই রকম প্রথম দিকে মসজিদে যে পরিমাণ মোসল্লি হয়,রমযান যত কমতে থাকে মোসল্লির সংখ্যা ও তত কমতে থাকে,তবে রমযান যত কমতে থাকে ফজিলতের দিনের সংখ্যা তত বাড়িতে থাকে,সামনে ১০ দিন বেজুড় রাত্রি গুলোতে সবে কদর তালাশ করতে হবে, যে দিন আকাশে ঈদের চঁাদ উঠে সে দিন মুসলিমদের ৫ টি ফজিলত পূর্ণ দিনের মধ্যে একটি অথচ সেই দিন এশার নামাজে মসজিদে যায়না,সেই রাত্রিতে মুসলিম সমাজে আতসবাজি দেখা যায়, এইযে আমরা মুসলমান হওয়ার পরেও সুযোগ গ্রহণ করছি না অফার গ্রহন করছি না,এটি শুধু রমযান নয় আমাদের গোটা জিন্দেগীতে দেখাযায় সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারছিনা,বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতির কাছে সুযোগ এসেছিলো কালো টাকা কে প্রত্যাখ্যান করে বুর্জোয়া রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করে ন্যায় এবং ইনসাফের রাজনীতিকে গ্রহণ করা, একটি আলোকিত সমাজ গড়া, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা যারা গ্রহণ করতে চেয়েছি আমাদের গ্রহন করতে দেয়নাই আবার একটা অংশ চায় নাই,,
লালমাইয়ে ৪২% জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,,
“লালমাই উপজেলা বিলুপ্ত নয় বরং সীমানা বৃদ্ধি করে লালমাই অঞ্চলকে নিয়ে পুনর্গঠন করাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমাই উপজেলা আমীর মাও.মোহাম্মদ আবদুন নূর,
সঞ্চালনা করেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার অফিস সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব গোলাম সরওয়ার মজু. কামাল, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব, মাওলানা মফিজুর রহমান, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়,
ইফতারে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুল মুত্তালিব মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কবির হোসেন নোমান হোসেন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা ও পেশাজীবিরা।
আলোচনা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন পরতি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. আব্দুর রব