মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

হাতিয়ায় দলীয় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:০০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হাতিয়ায় দলীয় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে

মামুন রাফী, স্টাফ রিপোর্টার:

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার খাসেরহাট মাজেদিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী আজহারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, আজহার উদ্দিন মাদ্রাসায় উপস্থিত না হয়ে দলীয় প্রভাব বিস্তার করে মাদ্রাসা প্রধান শিক্ষককে ম্যানেজ করে বাহিরে ঘুরে বেড়ান। এমনকি, তিনি মাদ্রাসার গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো পরিত্যাগ করে অন্য স্থানে সময় কাটাচ্ছেন, যার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তা বিলম্বিত হচ্ছে বলে জানা যায়।

আজহার উদ্দিন মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মকর্তা (অফিস সহকারী), বাহিরে পরিচয় দেন শিক্ষক হিসেবে এবং হাতিয়া উপজেলায় গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি পরিচয় দিয়ে হাতিয়ায় বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন অনিয়ম করে বেড়াচ্ছে নিজের পার্সোনাল কাজে ভি পি নুরুল হক নুরের নাম ও গণ অধিকার পরিষদের নাম বিক্রয় করে প্রশাসনিক ও আইনশৃংখলা লোকজনকে কাজে লাগিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের টাকা।

সরকারি জায়গা দখল করে বিক্রয় করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে হাতিয়া তমরদ্দি রোডের খাসের হাট বাজারের পশ্চিম মাথায় রাস্তার উত্তর পাশে ৪ ডিং জায়গা বিক্রয় করেন মাকছুদ নামের ব্যক্তির কাছে, সেই জায়গায় মাকছুূদ ঘর তৈরী করতে গেলে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চরশ্বঈর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তছিলদার আব্দুল হান্নান কাজ বন্ধ করে দেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, আজহার মাদ্রাসায় না গিয়ে প্রায়ই বাইরে ঘুরে বেড়ান এবং প্রধান শিক্ষক আবু জাফরকে ম্যানেজ করে তাঁর অনুপস্থিতি গোপন রাখার চেষ্টা করেন। এতে মাদ্রাসার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষকদের ও ছাত্রদের নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। মাদ্রাসার অভিভাবকরা এ বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করে নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্রী বলেন, আজহার ভাই মাদ্রাসার অফিস সহকারী, উনার কাছে আমরা কোন কাজে গেলে, উনি এমন ব্যবহার করে যেন সেই মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। আবার উনি মাসে ৪-৫ দিন মাদ্রাসায় আসে, আর বাকী সময় উনার বই দোকানে থাকেন, বাজারে বসে থাকেন, মাদ্রাসায় আসলেও খুবই কম সময় থাকেন।

এই বিষয়ে ভুক্তভোগী মাকসুদ জানান, আজহার উদ্দিন ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে আমার থেকে জমি বিক্রি করে, আমি জানতাম না এটা সরকারি জমি, এখন ঘর তুলতে গিয়েছি তছিলদার হান্নান ঘর তুলতে দিচ্ছে না সরকারি খাস জমি বলে। আমি এটার সমাধান চাই।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আজহার উদ্দিন জানান, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করতেছে, আমি নিয়মিত মাদ্রাসা উপস্থিত থাকি, যদি অনিয়ম করতাম তাহলে প্রধান শিক্ষক সহ যারা রয়েছেন তারা তো অবশ্যই বিষয়টা নজরে নিবেন। কোন ছাত্রীরা অভিযোগ করেছে তাদেরকে আমার কাছে আসতে বলেন।

সরকারি জমি বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন জমি অনেক আগেই বিক্রি করেছি, কেনার সময় তো দেখে কিনেছে এখন সরকারি জমি কিভাবে হয়। তিনি নিজেকে সাপ্তাহিক হাতিয়ার কথা পত্রিকার সাংবাদিক বলে দাবী করেন এবং তিনি সাংবাদিকতা কিভাবে করতে হয় সেটাও তিনি জানেন।

এই বিষয়ে সাপ্তাহিক হাতিয়া কথা পত্রিকার সম্পাদক মোঃ কেফায়েত উল্ল্যাহ জানান, আজহার উদ্দিন হাতিয়ার কথার কোন প্রতিনিধি নন। তিনি প্রতিনিধি না হয়ে নিজেকে সাংবাদিক দাবী করতে পারেন না অবশ্যই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এই বিষয়ে তসিলদার আব্দুল হান্নান জানান, আমি কাজ বন্ধ করিনি এটা হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনে জায়েদ আল হাসান বন্ধ করেছেন আমিও সাথে ছিলাম। যেই জমি নিয়ে সমস্যা সেটা খালের জমি সরকারি খাস জমি যদি এখানে ঘর দেওয়া হয় তাহলে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে পড়বে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা গণ অধিকার পরিষদের সাবেক আহাবায়ক তাইজুল ইসলাম জানান, হাতিয়া উপজেলায় গণ অধিকার পরিষদের কোন কমিটি নেই।

প্রধান শিক্ষক মাওলানা আবু জাফর জানান, আজহার উদ্দিন অফিস সহকারী, অফিসের যত কাজ থাকে তাকেই করতে হয়, কাজের সুবাদে ওছখালীতে যেতে হয় তখন হয়তো তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে বসে। দলীয় প্রভাব বিস্তার করে কি হবে অফিসের যত কাজ তাকেই তো করতে হবে।
কোন ছাত্রী যদি অভিযোগ করে আমার কাছে আসেনি কেন, আমার কাছে অভিযোগ দেওয়া উচিত ছিলো। আজহার উদ্দিন অফিসের বাহিরে দলীয় প্রভাব বিস্তার করে কিনা সেটা আমার জানার দরকার নেই। তবে সে হাতিয়া উপজেলার গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি বলে পরিচয় দেয়।

1

নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

মোঃ রেজুয়ান বাদশা =নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলঘাট গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদর বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে,ততই বাজারে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মতো।সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে কেনাবেচার ব্যস্ততা অব্যাহত থাকছে।
সলঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ, তৈরি পোশাকের দোকান,শাড়ি ও কাপড়ের দোকান,পাদুকা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।গত বছরের তুলনায় অনেক পোশাকের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।তবে নতুন ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় পোশাক বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেড়েছে।
বাজারের হাজী মার্কেট,মহির উদ্দিন সুপার মার্কেট,মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট এবং অগ্রণী ব্যাংক মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণি বিতানে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে।এ ছাড়াও শাড়ি-কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ও তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার।
অনেক নারী ক্রেতা পছন্দের পোশাক তৈরি করার জন্য ছিট কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভীড় করছেন।তবে পোশাকের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়েছেন।বড় শপিংমলে না গেলেও অনেকে ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো কেনাকাটা করছেন।
সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরু থেকেই ঈদের কেনাকাটা কিছুটা ছিল।তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের ভীড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দোকানগুলোতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য পোশাকের সমারোহ থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজারের পাদুকা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও সমান ব্যস্ততা দেখা গেছে।একই সঙ্গে চিনি,সেমাই,লাচ্ছাসহ ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের দোকানেও চলছে ব্যাপক কেনাবেচা।
শুধু সলঙ্গা বাজারেই নয়,আশপাশের হাটিকুমরুল,সাহেবগঞ্জ,ঘুড়কা বেলতলা, ভুইয়াগাতী,মালতীনগর আমতলা,নলকা,হরিনচড়া,দবিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটবাজারেও ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ রমজান) সলঙ্গা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, বাচ্চাদের জন্য যে বাজেট নিয়ে এসেছিলেন,বাজারে এসে দেখছেন অনেক পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি।ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,ঈদের আগের দিনগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে এবং বেচাকেনাও সন্তোষজনক হবে।

1

কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

৯ মার্চ (সোমবার) বিকাল ৫ টায়,কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হোটেল নূরজাহান অডিটোরিয়াম হলে,
লালমাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামি’র আয়োজনে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে,”ইফতার মাহাফিল” আয়োজন করেন,
উক্ত ইফতার মাহাফি’লে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
তিনি রমযানের গুরুত্ব আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বলেন রমযান আমাদের জন্য অফার নিয়ে এসেছে, কোন মার্কেটে অফার দিলে মানুষ যেমন হুমরি খেয়ে পড়ে, সেই রকম প্রথম দিকে মসজিদে যে পরিমাণ মোসল্লি হয়,রমযান যত কমতে থাকে মোসল্লির সংখ্যা ও তত কমতে থাকে,তবে রমযান যত কমতে থাকে ফজিলতের দিনের সংখ্যা তত বাড়িতে থাকে,সামনে ১০ দিন বেজুড় রাত্রি গুলোতে সবে কদর তালাশ করতে হবে, যে দিন আকাশে ঈদের চঁাদ উঠে সে দিন মুসলিমদের ৫ টি ফজিলত পূর্ণ দিনের মধ্যে একটি অথচ সেই দিন এশার নামাজে মসজিদে যায়না,সেই রাত্রিতে মুসলিম সমাজে আতসবাজি দেখা যায়, এইযে আমরা মুসলমান হওয়ার পরেও সুযোগ গ্রহণ করছি না অফার গ্রহন করছি না,এটি শুধু রমযান নয় আমাদের গোটা জিন্দেগীতে দেখাযায় সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারছিনা,বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতির কাছে সুযোগ এসেছিলো কালো টাকা কে প্রত্যাখ্যান করে বুর্জোয়া রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করে ন্যায় এবং ইনসাফের রাজনীতিকে গ্রহণ করা, একটি আলোকিত সমাজ গড়া, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা যারা গ্রহণ করতে চেয়েছি আমাদের গ্রহন করতে দেয়নাই আবার একটা অংশ চায় নাই,,
লালমাইয়ে ৪২% জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,,
“লালমাই উপজেলা বিলুপ্ত নয় বরং সীমানা বৃদ্ধি করে লালমাই অঞ্চলকে নিয়ে পুনর্গঠন করাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমাই উপজেলা আমীর মাও.মোহাম্মদ আবদুন নূর,
সঞ্চালনা করেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার অফিস সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব গোলাম সরওয়ার মজু. কামাল, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব, মাওলানা মফিজুর রহমান, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়,
ইফতারে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুল মুত্তালিব মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কবির হোসেন নোমান হোসেন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা ও পেশাজীবিরা।
আলোচনা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন পরতি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. আব্দুর রব