শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩

আখেরি মোনাজাতে লাখো মুসল্লীর আমিন আমিন ধব্বনিতে মুখরিত ফান্দাউকের মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৬:১৫ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
আখেরি মোনাজাতে লাখো মুসল্লীর আমিন আমিন ধব্বনিতে মুখরিত ফান্দাউকের মাহফিল

 

ঐতিহ্যবাহী ফান্দাউক দরবার শরীফের দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ঈসালে সাওয়াব গত শুক্রবার বাদ জুমা শুরু হয়ে মাহফিল আজ রবিবার বাদ ফজর মিলাদ ও আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। লাখো লাখো ভক্ত মুরিদের অশ্রুভেজা আমীন আমীন ধ্বনিতে মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরিয়াদ করেন ঐতিহ্যবাহী ফান্দাউক দরবার শরীফের বর্তমান পীর ও বাংলাদেশ আঞ্জুমানে খাদিমুল ইসলামের আমীর মাওলানা মুফতী সৈয়দ ছালেহ আহমাদ মামুন আল-হোসাইনী। এর শেষ দিন শনিবার বাদ মাগরিব তালীম পরবর্তী আলোচনায় বর্তমান পীর সাহেব গুরুত্বপূর্ণ নসিহত পেশ করে বলেন-আমাদের পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের অস্থিরতা দূর করে স্থায়ীভাবে শান্তি চাইলে আমার নবীর সুন্নতের অনুসরণ ও নবীজীর জিন্দেগীর অনুকরণের কোন বিকল্প নাই। গোটা পৃথিবীতে অশান্তির মূল কারণ আমরা নবীজীর তরিকা ছেড়ে পশ্চিমাদের প্রেসক্রিপশন গ্রহণ করছি। তাই আজকে আমাদের সন্তানগুলো উচ্চ শিক্ষিত হচ্ছে কিন্তু সুশিক্ষা তথা কুরআনের শিক্ষা না থাকায় আমাদের পরিবার চুড়ান্ত ধ্বংসের দিকে নিপতিত হচ্ছে। সন্তান পিএইচডি হোল্ডার হয়ে বড় চাকুরী করে কিন্তু শেষ বয়সে বাবা-মাকে বিদ্যাশ্রমে পাঠায়। আপনাদের পরিবারের সুখ শান্তি চাইলে কুরআনের শিক্ষা ও নবীজীর সুন্নতের বাস্তবায়ন করেন তবেই পরিবারে চিরস্থায়ী শান্তি আসবে।

পীর সাহেব আরও বলেন, সমাজে যদি শান্তি চান তবে ইমাম খতিবদের যথাযথ মূল্যায়ন করুন এবং মিম্বরে তাদের হক্ব কথা বলার জন্য সাহস জোগান। মসজিদ কমিটি ও মাহফিল কমিটি থেকে সুদখোর, ঘুষখোর বেনামাজিদের বয়কট করুণ। এদের হাতে যতদিন পর্যন্ত এই সমাজের নেতৃত্ব থাকবে ততদিন সমাজে শান্তি আসবেনা। আর সমাজে শান্তি না আসলে দেশ ও জনগণ কখনোই শান্তিতে থাকবে না। সমাজে অশান্তি বিরাজ করার জন্য কথিত কিছু আলেম নামধারী শায়েখও দায়ী যারা ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ, শবেবরাত, শবে মিরাজ এসব মহিমান্বিত রাত আসলে উম্মতকে ইবাদত থেকে সরিয়ে মনগড়া ফতোয়া দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। মনে রাখবেন এদের ইসলামে নূন্যতম অবদান নেই। আপমারা জানেন বাংলাদেশে ইসলাম এসেছে ওলী-আউলিয়ার মাধ্যমে। এদেশের মানুষ ঈমান ও ইসলাম পেয়েছে হক্কানি ওলীদের মাধ্যমে অথচ আজ একদল পথভ্রষ্ট লোক পীর মুরিদীর বিরুদ্ধে শিরকের ফতোয়া দেয়। অন্য দিকে এদের মতো কথিত ইসলামি দলের নেতারাদের মূর্তি পাহারা দিতে মন্দিরে দেখা যায়। যারা মানুষকে পৌত্তলিকতা থেকে রক্ষা করে ঈমানের পথে সিরাতে মোস্তাকিমের পথে পরিচালিত করছেন হজরত শাহজালাল রহঃ এবং ওনার সঙ্গীদের মাজার ভাঙ্গতেও তাদের ভূমিকা এদেশের ইসলাম প্রিয় মানুষ ইতিমধ্যেই দেখেতে পেয়েছে। মনে রাখবেন তারা আমাদের ইবাদতে নাপিতগিরী করতেছে, তারাবির নামাজ বিশ রাকাআতের জায়গায় আট রাকাআতের কথা বলে বিতিরের নামাজ তিন রাকাআত থেকে এক রাকাআত পড়ার কথা বলে সহীহ হাদিসে কথা মূলত হাদীস ও সুন্নতের বিরোধীতা করে তারা কখনো আহলে হাদীস হতে পারেনা বরং তারা লামাযহাবী নামক বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় ফেৎনাবাজ। তারা কলে কৌশলে মূলত ইহুদিদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। তাদেরকে বয়কট করতে হবে। এদের ওয়াজ শোনা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনভাবেই এসব ঘোমটাওয়ালা শায়েখদের খপ্পরে পরা যাবেনা। আমাদের যুব সমাজ আজ তাদের ধোঁকায় পড়ে প্রতিনিয়ত ঈমান হারা হচ্ছে। এদের মধ্যে কিছু স্কলার এমনও যারা আমার নবীর ব্যাপারে ও আম্মাজানদের শানে করুচিপূর্ণ শব্দ প্রয়োগ করে মুসলমানদের হৃদয় থেকে নবীর মহব্বত ও তাজিম নষ্ট করে দিচ্ছে।
পীর সাহেব কিবলা আরও বলেন এই দেশে ঈমান, ইসলাম ও শান্তি নিয়ে এসেছেন ওলী-আউলিয়া ও হক্কানি দরবারের পীর মাশায়েখগণ। এই ফান্দাউক দরবারের খেদমতের কথা যদি বলতে চাই তাহলে দেখবেন প্রায় সাতশো বছর ধরে শুধু এই উপমহাদেশেই খেদমত চলমান আছে। আমাদের পূর্বপুরুষ সিপাহসালার সৈয়দ নাসিরুদ্দিন রহঃ যিনি আরবদেশ থেকে এই দেশে শুভাগমন করেছিলেন। এভাবে প্রতিটি হক্ব সিলসিলার খেদমতের কারণেই এই উপমহাদেশের ঈমান, ইসলাম ও সঠিক আক্বিদার অনুসারী হয়ে খাঁটি মানুষে পরিণত হয়েছে। তাই আমরা যেন প্রতিটি হক্ব দরবারকে হৃদয় থেকে ভালোবাসি এবং ভন্ডামি থেকে মুক্ত থেকে দেশ ও জাতী গঠনে ভূমিকা রাখতে পারি এই আহবান করছি।
পীর সাহেব কিবলার মোনাজাতের পূর্বে দ্বিতীয় দিনের প্রধান মেহমান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন। তিনি বলেন- ফান্দাউক দরবার বাংলাদেশের হক্ব দরবার গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি দরবার। যাদের খেদমতের কারণে আজ লক্ষ লক্ষ ভক্ত মুরিদ ও ইসলাম প্রিয় সত্যিকার দেশ প্রেমিক মানুষ এখানে সমবেত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ ইসলাম ও আলেম ওলামা এবং পীর মাশায়েখদের কতটা সম্মান করে আজকের মাহফিল তার জ্বলন্ত প্রমাণ। এই দেশে আল্লাহর ওলীদের নেক দোয়ার কারণেই মূলত শান্তি বিরাজ করছে। ভবিষ্যতে যারাই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিবেন আপনাদের অবশ্যই এই জনশক্তির বিষয় মাথায় নিয়ে ইসলামকে প্রাধান্য দিয়েই চিন্তা করতে হবে। নতুবা অতীতের মতো আপনাদেরও পরিণতি ভোগ করতে হবে। এবং ইসলাম নিয়ে যারা ব্যবসা করে তারাও ক্ষমতায় আসতে পারবেনা। প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা এই দরবারগুলোতে আসলেই পাওয়া যায়।
২য় দিন মাহফিলে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন- মৌকারা দরবার শরীফের পীর মাওলানা নেছারুদ্দীন ওয়ালী উল্লাহী, ঢাকা নেছারিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ ড. কাফিল উদ্দিন সরকার সালেহী,দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসার হেড মুহাদ্দিস মুফতি আব্দুল লতিফ শেখ, অধ্যাপক ড. এবিএম আব্দুস সালাম, মুফতি আলাউদ্দিন জিহাদি, মুফতি নেছার উদ্দিন ফেনী, মাওলানা হাফেজ ওয়ালি, মাওলানা জামিল আহমদ চৌধুরী প্রমূখ। উপস্থিত ছিলেন পিজি হাসপাতালের নাক কান গলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ কামরুল হাসান তরফদার, কবি ও সাহিত্যিক মাওলানা শাহ মাসুদ, মাওলানা ডাঃ শাহ সাফিউর রহমান বালাউটী, সিঙ্গারকুড়ি সাহেবজাদা মাওলানা ফাহিম আহমদ চৌধুরী প্রমূখ।
মাহফিলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন পীরজাদা মাওলানা মুফতী সৈয়দ মঈনুদ্দিন আহমাদ আল-হোসাইনী, মাওলানা মুফতী সৈয়দ আবুবকর সিদ্দিক আল-হোসাইনী, মাওলানা মুফতী সৈয়দ বাকের মোস্তফা আল-হোসাইনী।

1

যশোরের শার্শা উপজেলার উলশি “জিয়া খাল” পরিদর্শনে আসেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৩ পিএম
যশোরের শার্শা উপজেলার উলশি “জিয়া খাল” পরিদর্শনে আসেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ
মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
জিয়ার খাল পরিদর্শনে আসেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।বাংলাদেশ সরকারের মাননীয়  পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশীর জিয়া খাল পরিদর্শন করেছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে তিনি খালটি সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং এর সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে খালটির উন্নয়ন, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সৌন্দর্যবর্ধন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। আসন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে সামনে রেখে এলাকার অবকাঠামোগত প্রস্তুতি যাচাইয়ের অংশ হিসেবেই এই পরিদর্শন করা হয় বলে জানা গেছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা প্রশাসক (ডিসি) আশেক হাসান, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাবিরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শহীদ আলী এবং শার্শা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিমসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান, জিয়ার খাল এলাকার উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সাথে খালটির পরিবেশ ও সৌন্দর্য বজায় রেখে এলাকাকে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে আগত অতিথিদের সামনে একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি উপস্থাপন করা যায়।

1

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৯ পিএম
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

মো. শাহীন আলম, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) সকাল প্রায় ১০টার দিকে উপজেলার জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চানপুর গজারিয়া হাঁটি গ্রামের তিন যুবক ধান কাটতে হাওরে যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. নুর জামাল (২৬), জালাল (২২) ও তোফাজ্জল হোসেন (২২) নিজ বসতঘর থেকে বের হয়ে পাগনা হাওরের নিলক্যা হাওরে তাদের জমিতে ধান কাটছিলেন। দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টিসহ বজ্রপাত শুরু হলে বজ্রাঘাতে নুর জামাল ও তোফাজ্জল হোসেন গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুর জামালকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তোফাজ্জল হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে জামালগঞ্জ থানার এসআই সুপ্রাংশু দে দিলুকে সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।

জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বন্দে আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে একই দিনে উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের চান্দবাড়ি গ্রামে বজ্রপাতে দুটি গাভীর মৃত্যু হয়েছে। চান্দবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গাভী দুটি স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া (৫০) ও রুকুল মিয়া (৪৭)-এর মালিকানাধীন বলে জানা গেছে।

1

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার উপর হামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৮ পিএম
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার উপর হামলা

oplus_0

 মোঃ ইমরান আকন্দ, জামালপুর জেলা প্রতিনিধঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে সেচ্ছাসেবক দল নেতার উপর হামলাকারী আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল আলম বাবুর বিরুদ্ধে থানা পুলিশ মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ  করেছে বিএনপির নেতারা।

শনিবার ১৮ই এপ্রিল  দুপুরে  হাইস্কুল মোড় এলাকায়, ইউনিয়ন বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা

ভুক্তভোগী বিএনপি নেতারা সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, গত ১০ এপ্রিল রাতে উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কামালেরবাত্তি এলাকায় উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের উপর হামলা করে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু এবং তার লোকজন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়ার ৮ দিন অতিবাহিত হলেও মামলা নেয়নি পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক খোরশেদ আলম,

সাধুরপাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আনার আলী ও নিলক্ষীয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আল আমিন সহ আরো অনেকেই।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দরা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বাবুকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন জানান,

বিষয়টি সমাধানে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত মাহমুদুল আলম বাবু সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বরখাস্তকৃত সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি।