বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩

তরুণ আইটি উদ্যোক্তা ও সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ: মোঃ হাবিবুর রহমান।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৯:২৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তরুণ আইটি উদ্যোক্তা ও সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ: মোঃ হাবিবুর রহমান।

 

আব্দুর রহমান  আয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি :

মোঃ হাবিবুর রহমান আছিফ, লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার চরবংশী গ্রামের সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ ও আইটি উদ্যোক্তা মোঃ হাবিবুর রহমান আছিফ রায়পুর উপজেলার ২ নং ইউনিয়ন এর ৮ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা, প্রাথমিক শিক্ষা প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজে শেষ করে বর্তমানে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অধ্যয়নরত, মোঃ হাবিবুর রহমান আছিফ ApexClass IT নামক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, যা ইন্টারনেট নিরাপত্তা ও সাইবার সিকিউরিটি সেবাগুলির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও প্রতিষ্ঠানকে সুরক্ষা দেয়।

তিনি অনলাইনে হ্যারেজমেন্টের শিকার হওয়া মানুষদের সহায়তা করেন এবং তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট রক্ষা করেন। বিভিন্ন সেলিব্রেটি, রাজনৈতিক নেতা, এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করছেন। ফেসবুক পেজ এবং প্রোফাইলের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া, কপিরাইট সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান, এবং অনলাইন নিরাপত্তা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন।

এছাড়াও, তিনি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ওয়েবসাইটের সুরক্ষার কাজ করেন এবং সাইবার আক্রমণ থেকে সেগুলো রক্ষা করেন। একজন উদ্যোক্তা হিসেবে তার লক্ষ্য হচ্ছে দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নে অবদান রাখা। তার মতে, সরকার যদি তাকে সমর্থন করে, তিনি দেশের সাইবার সিকিউরিটি খাতকে আরো উন্নত করতে পারেন এবং দেশের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের কাজ শুধু হ্যাকিং প্রতিরোধে সীমাবদ্ধ নয়; তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির অনলাইন কার্যক্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তথ্য সুরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করে এবং গুরুত্বপূর্ণ ডেটা লিকের মতো সমস্যা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। একজন আইটি উদ্যোক্তা হিসেবে মোঃ হাবিবুর রহমান আছিফ দেশের প্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করছেন এবং সমাজে অনলাইন নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন।

1

সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের সলিমাবাদ ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আবেগঘন পরিবেশে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ, জাতি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরীফ উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো এসএসসি পরীক্ষা। তোমাদের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যয়ন এবং আত্মবিশ্বাসই তোমাদের সফলতার চাবিকাঠি। তোমরা ভালো ফলাফল অর্জন করে বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাকি মিয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের সফল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম খান, মোঃ সুমন সিকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ সালাউদ্দিন এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। বক্তারা শিক্ষার্থীদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেন এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।

পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। অনেকেই তাদের বিদ্যালয় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রীবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন

1

কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
‎ এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
আজ  মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ফাঁসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের বিভিন্ন সেবা  নিয়ে আলোচনা করেন
‎ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন।ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে প্রকল্প হতে প্রেরিত গ্রাম আদালতের লিফলেট বিতরণ করেন এবং গ্রাম আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আলোচনা করি। গ্রাম আদালতে কি কি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে এবং গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সবোর্চ্চ কত টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে
‎সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন ।উপজেলা কো-অর্ডিনেটর বলেন ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের এবং পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন সবাইকেই গ্রাম আদালতে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা লিফলেটের মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত অল্প সময়ে স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পাওয়া যায়। গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলার ফি ১০ টাকা দেওয়ানি মামলার ফি ২০ টাকা এ ছাড়া এ আদালতে আর কোন টাকা-পয়সা লাগে না। তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন গ্রাম আদালতের প্রচার করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে এবং গ্রাম আদালতের সুবিধা গুলো সাধারনত জনগনকে জানাতে হবে। আপনাদের প্রচারের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষ যেন ছোট ছোট বিরোধ গুলো ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের নিষ্পত্তি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে ন্যায়বিচার পায় সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের সকলের কাজ করতে হবে। ইউনিয়ন  পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলবো
‎অল্প সময়ে স্বল্প খরচে ন্যায় বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে।

1

সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৭ পিএম
সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঢাকার সাভার সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন অভিযোগ করেছেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই একটি চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি সব সময় সরকারি নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিয়মবহির্ভূত কাজ করাতে ব্যর্থ হয়ে এখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। এতে আমার স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং আমাকে নিয়মিত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আমার কাজের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।’

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সাভারে মোট ২৪ হাজার ১১৬টি দলিল নিবন্ধিত হয়, যার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হয় ২৬৬ কোটি ৬৯ লাখ ৭ হাজার ২৫৬ টাকা। ২০২৫ সালে দলিলের সংখ্যা ছিল ২৪ হাজার ৫৫টি এবং রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৯ কোটি ২১ লাখ ৮ হাজার ১০৯ টাকা।

এছাড়া ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে ৬ হাজার ১৪৪টি দলিল থেকে ৬৫ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪৬ টাকা রাজস্ব আদায় হয়। অপরদিকে ২০২৬ সালের একই সময়ে ৫ হাজার ৪৩৪টি দলিল নিবন্ধিত হলেও রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ৩৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ টাকা।

তিনি দাবি করেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।’

অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।