সোমবার, ৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩

শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থানান্তরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৩১ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থানান্তরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

 

 

মো: গোলাম কিবরিয়া- ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:

রাজশাহীতে শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থানান্তরের প্রতিবাদে মানববন্ধন কীা হয়।
রাজশাহীর সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র নাটোরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ‘রাজশাহীর সর্বস্তরের জনগণ ও দুস্থ শিশুদের অভিভাবক’-এর ব্যানারে বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে নগরের সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে রাজশাহীর সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপ-প্রকল্প পরিচালক কামাল উদ্দিন চৌধুরীকে ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর’ উল্লেখ করে তার অপসারণও দাবি করেন বক্তারা। তারা বলেন, রাজশাহী বিভাগীয় শহর। এ শহর থেকে কোনো প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর করতে দেওয়া হবে না। এর আগে রেলওয়ে স্টেশন, টিভি সেন্টার ও পোস্টাল একাডেমিসহ কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ষড়যন্ত্র করে অন্য জেলায় নেওয়ার পাঁয়তারা করা হয়। সেই সময়ে রাজশাহীর মানুষ তা রুখে দেয়। এবারও তাই করা হবে।

সমাজসেবক ওয়ালিউল হক বাবুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, রাজশাহী মহানগর জাতীয় পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন মিন্টু, অভিভাবক শিরিলা হেমব্রম ও রোজিবা বেগম। রাজশাহী মহানগর জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন আলী মানববন্ধন পরিচালনা করেন।

পথশিশুসহ ঝুঁকিপূর্ণ ও নির্যাতিত শিশুদের নানা হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে রাজশাহীতে একটি ভবন ভাড়া নিয়ে সমন্বিত শিশু সুরক্ষা কেন্দ্র চালু করা হয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘সার্ভিসেস ফর চিলড্রেন এট রিস্ক’ প্রকল্পের আওতায় ২০১২ সালের নভেম্বরে কেন্দ্রটি চালু করা হয়। বর্তমানে এখানে ১৪০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশু আছে।

 

এটি স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে বিভাগীয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক সৈয়দ মোস্তাক হাসান বলেন, ‘নাটোরে আমাদের নিজস্ব জায়গা আছে। সেখানে ভবন করা হবে। রাজশাহীতে প্রতিমাসে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ভবন ভাড়া লাগছে। রাজশাহীতে যদি পরবর্তীতে জায়গার ব্যবস্থা হয়, সেক্ষেত্রে এখানেও সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র করা হবে।’

1

যশোর বেনাপোল পুটখালী সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৫ বোতল মাদকদ্রব্যসহ আটক-১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
যশোর বেনাপোল পুটখালী সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৫ বোতল মাদকদ্রব্যসহ আটক-১
মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
যশোরের বেনাপোল পুটখালী সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৫  বোতল ভারতীয় ESKUF সিরাপসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা।
আটক আসামি হলেন, বেনাপোল পোর্টথানার পুটখালীর বালুন্ড গ্রামের মোহর আলীর ছেলে জাকির হোসেন।
খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, বিজিবি’র অভিযান কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত চোরাচালানী মালামাল এবং মাদকসহ পাচার চক্র আটকের ক্ষেত্রে সীমান্তে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারী ও টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ( ০৪ মে) সকালে পুটখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৫ বোতল ভারতীয় ESKUF সিরাপসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।
আটককৃত মাদকের আনুমানিক সিজার মূল্য ২,০০০/- টাকা। বিজিবি অধিনায়ক আরো জানান যে, দেশের সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অন্যান্য চোরাচালানীসহ যে কোন ধরণের চোরাচালান বন্ধে বিজিবি’র এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তা।

1

দুই কিডনি বিকল, বাঁচার আকুতি বিষু ব্যাপারীর : সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৪:৫৩ পিএম
দুই কিডনি বিকল, বাঁচার আকুতি বিষু ব্যাপারীর : সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বাবনাপাড়া (বেপাড়িপাড়া) এলাকার মৃত আব্দুল হামিদ ব্যাপারীর ২৭ বছর বয়সী ছেলে মোঃ বিষু ব্যাপারী দুই কিডনি বিকল হয়ে চরম শারীরিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে তিনি ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD)-এর শেষ পর্যায় (ESRD)-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন। চিকিৎসা সূত্রে জানা যায়, বিষু ব্যাপারীর উভয় কিডনি প্রায় সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হয়ে গেছে। বর্তমানে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছেন এবং নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে জীবনধারণের চেষ্টা করছেন। মৃত আব্দুল হামিদ ব্যাপারী পেশায় ছিলেন চিড়ামুড়ির টানা বিক্রেতা। বাপের সেই ঐতিহ্যবাহী পেশাকেই ধারণ করে বিষু ব্যাপারীও একই ব্যবসা শুরু করেন এবং তার সামান্য আয়ের ওপরই মা মমতাজ বেগম ও দুই বোনের সংসার চলত। বড় ভাই আলাদা হয়ে যাওয়ার পর পরিবারের পুরো দায়িত্ব ছিল তার কাঁধে। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় এখন পরিবারের আয়ের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবার জানায়, এখন পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ টাকা চিকিৎসার পেছনে ব্যয় হয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য আরও ২ থেকে ৩ লাখ টাকার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি নিয়মিত ওষুধ ও চিকিৎসা বাবদ প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে, যা দরিদ্র পরিবারের পক্ষে বহন করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিষু ব্যাপারীদের নিজস্ব কোনো বসতভিটা নেই। বাবনাপাড়া ওয়ার্ডের মৃত রহম আলী মেম্বার নঙ্গিনাবাড়ি মসজিদ কমিটির জায়গা ভাড়া নিয়ে তাদের বসবাসের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। সেখানেই তারা বর্তমানে কোনোমতে বসবাস করছেন। বিষুর মা মমতাজ বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলেই ছিল সংসারের একমাত্র ভরসা। এখন সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমরা খুব কষ্টে আছি। চিকিৎসার খরচ চালাতে পারছি না। সমাজের বিত্তবানদের কাছে আমার ছেলেকে বাঁচানোর জন্য সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি।” বিষুর স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন, “আমার স্বামী খুব অসুস্থ। ডাক্তার বলেছেন তার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা খুব কষ্টে আছি। চিকিৎসার খরচ চালাতে পারছি না। সমাজের বিত্তবানদের কাছে আমার স্বামীকে বাঁচানোর জন্য সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি।” অসুস্থ বিষু ব্যাপারী বলেন, “ডাক্তার বলেছেন আমার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। আমি বাঁচতে চাই। আবার সুস্থ হয়ে মা ও বোনদের পাশে দাঁড়াতে চাই। সবাই একটু সাহায্য করুন।” এ বিষয়ে নাগরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কুদরত আলী বলেন, “বিষু ব্যাপারীর পরিবার অত্যন্ত অসহায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য যে অর্থ প্রয়োজন, তা তাদের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। আমি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।” বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে রয়েছে। মানবিক এই সময়ে সমাজের সহৃদয় ও বিত্তবান ব্যক্তিদের কাছে বিষু ব্যাপারীর জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সহায়তা পাঠানোর বিকাশ (পারসোনাল): ০১৭৮৫৭৭২৬৮৫

1

সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার জাকির ক্লোজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৭:২৩ পিএম
সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার জাকির ক্লোজ

শাহাদাৎ হোসেন সরকার, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঢাকার সাভারে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অবশেষে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের এক অফিস আদেশে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বর্তমান দায়িত্ব থেকে অপসারণসদৃশ অবস্থায় সংযুক্ত (অ্যাটাচ) করা হয়েছে মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন দপ্তরে। অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণ এবং বিধি ৩(ঘ) অনুযায়ী দুর্নীতিপরায়ণতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা নং-০১/২০২৬ দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাকে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে প্রত্যাহার করে নিবন্ধন অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে অবিলম্বে বর্তমান দায়িত্বভার হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব (রেজিস্ট্রেশন) হাসান মাহমুদুল ইসলাম এবং সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ আযিজুর রহমানের যৌথ স্বাক্ষরে জারি করা এই আদেশ কার্যত তাকে কর্মহীন অবস্থায় ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংযুক্ত অবস্থায় তার নিয়মিত বেতন-ভাতাও স্থগিত করা হয়েছে, যা প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে এক ধরনের প্রাথমিক বরখাস্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, দলিল নিবন্ধনে অনিয়ম, সাধারণ সেবা প্রার্থীদের হয়রানি, দালালচক্রের সঙ্গে যোগসাজশসহ নানা অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে উঠে আসছিল। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি উচ্চ পর্যায়ে গুরুত্ব পায়। এমনকি অভিযোগ রয়েছে, এসব অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের হুমকি, হামলা ও অপহরণের চেষ্টার ঘটনাও ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তোলে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৬ সালে কোনো সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিভাগীয় মামলা দায়ের এবং তাৎক্ষণিক সংযুক্তির ঘটনা নজিরবিহীন। এতে করে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। সূত্র আরও জানায়, আগামী রোববার তদন্ত কর্মকর্তা তার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবেন। তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। এরপর অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে স্থায়ী বরখাস্তসহ আরও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সার্বিক পরিস্থিতিতে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে শুধু একজন দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই নয়, বরং পুরো ব্যবস্থার মধ্যে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি শক্ত বার্তা দেওয়া হয়েছে।