সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ ১৪৩২
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ ১৪৩২

ঠাকুরগাঁওয়ে ইউনিয়ন বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির রিপোর্ট করাই নৃশংস ভাবে সাংবাদিক পেটানোর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:৪৩ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঠাকুরগাঁওয়ে ইউনিয়ন বিএনপির নেতার  বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির রিপোর্ট করাই নৃশংস ভাবে সাংবাদিক পেটানোর অভিযোগ

ফজলুর রহমান,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

ঠাকুরগাঁওয়ে দৈনিক দেশবাংলার প্রতিনিধি সাংবাদিক মামুনের ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপি নেতা যুবাইদুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে সাংবাদিক মামুনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যাবেলা সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের কালিবাড়ি বাজারে ঘটনাটি ঘটে।

 

এ সময় ঘটনার প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ের সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের সামনে এক ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তারা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

 

জানা যায়, সন্ধ্যায় বাজারের এক চায়ের দোকানে অবস্থান করছিলেন মামুন। কিছুক্ষণ পর আখানগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি যুবাইদুর চৌধুরী তার দলবল নিয়ে অতর্কিত হামলা চালান। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই মামুনকে নির্মমভাবে মারধর করা হয় এবং হত্যার উদ্দেশ্যে তার গলা চেপে ধরা হয়। একপর্যায়ে তার অণ্ডকোষে লাথি মারলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলে এই বর্বর শারীরিক নির্যাতন।

 

এ বিষয়ে আহত সাংবাদিক মামুন অর রশিদ বলেন, “কয়েক মাস আগে আমি তাকে নিয়ে চাঁদাবাজির একটি রিপোর্ট করেছিলাম। এরপর থেকেই সে আমাকে মুঠোফোনে হুমকি দিত। আজকে সে পরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। হায়াত ছিল বলে প্রাণে বেঁচে ফিরেছি। আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

 

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর এমন হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর আঘাত। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

 

সাংবাদিক তানভীর হাসান তানু বলেন, “সাংবাদিকরা নিরপেক্ষভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেন। কোনো রিপোর্ট বা লেখার কারণে তাদের ওপর হামলা হলে তা গণতন্ত্রের জন্য ভয়ানক সংকেত। আমরা মামুনের পাশে আছি।”

 

সাংবাদিক রবিউল এহসান রিপন বলেন, “এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলার মাধ্যমে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করবই। প্রশাসনের উচিত দ্রুততম সময়ে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা।”

 

রুহিয়া থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি বাদল মিয়া বলেন, “একজন সাংবাদিকের ওপর এমন বর্বর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।”

 

অভিযুক্ত বিএনপি নেতা যুবাইদুর চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “সাংবাদিক আমার বিরুদ্ধে লিখেছে তাকে পিটাবেনা তো কি করবো। পেটানো কম হয়েগেছে। এই বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

 

রুহিয়া থানা বিএনপির সভাপতি জব্বার বলেন, “মামুন একজন ভালো ছেলে। তার ওপর হামলার ঘটনা দুঃখজনক। আমরা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।”

 

রুহিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদের বলেন, “আমরা হামলার  বিষয়টি শুনেছি। আমাদের কে অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নিব।

 

ঠাকুরগাঁও মেডিকেল অফিসার রকিবুল আলম চয়ন বলেন, “সাংবাদিক মামুনের শরীরে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিশেষ করে গলা ও অণ্ডকোষে গুরুতর আঘাতের করা হয়েছে ।

1

সলঙ্গায় ঈদের রাতে আগুনের তাণ্ডব : পুড়লো দোকানীদের স্বপ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৯:১৬ পিএম
সলঙ্গায় ঈদের রাতে আগুনের তাণ্ডব : পুড়লো দোকানীদের স্বপ্ন

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

ঈদের আনন্দ যখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার কথা,ঠিক তখনই সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় নেমে আসে আগুনের বিভীষিকা।রাতের নীরবতা ভেঙে মুহূর্তেই আতঙ্কে পরিণত হয় সলঙ্গার চর বাজার।আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বেশ কয়েকটি দোকানপাট। নিঃশেষ হয়ে যায় একাধিক ব্যবসায়ীদের জীবিকা।
মঙ্গলবার ঈদের রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সলঙ্গা থানার ধুবিল ইউনিয়নের সলঙ্গার চর বাজারে এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণা,বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত।প্রথমে বিএনপি নেতা প্রয়াত আবু হাসেমের রাইস মিল থেকে আগুন জ্বলে ওঠে, পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানগুলোতে।
দেখতে দেখতেই আগুন গ্রাস করে ফেলে কয়েকটি দোকান ঘর।খবর পেয়ে ব্যবসায়ীরা ছুটে আসে নিজেদের দোকান বাঁচাতে,কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল এবং বিদ্যুৎ লাইন চালু থাকায় স্থানীয়রা কিছুই রক্ষা করতে পারে নি।
অগ্নিকাণ্ডে মুকুল হোসেন ইসা মেম্বরের সার,ঔষধ,কীটনাশক ও লোডের দোকান,নাজমুল হাসানের ঔষধের দোকান,দুটি কম্পিউটারসহ গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম,ওয়াসিমের সেলুন ঘর, অন্তরের ইলেকট্রনিক দোকান, আলামিনের মনোহারী দোকান,১৫০ সিসি সচল মোটরসাইকেলসহ বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।স্থানীয়দের প্রাথমিক হিসাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধ কোটি।
খবর পেয়ে রায়গঞ্জ ফায়ার সার্ভিস টিম দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেও সরু রাস্তার কারণে তাদের পৌঁছাতে দেরি হয়।এর আগেই স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে।তাদের এই মানবিক ও সাহসী উদ্যোগ বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে বাজারের অন্যান্য দোকানকে রক্ষা করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের চোখে এখন হতাশা আর অনিশ্চয়তার ছাপ।ঈদের আনন্দ তাদের জন্য পরিণত হয়েছে দুঃস্বপ্নে।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল খালেক পাটোয়ারী জানান,ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।মানবিক সহায়তা ও দ্রুত পুনর্বাসনের দাবী এখন এলাকাবাসীর।

1

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যশোর পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সুপার মহোদয়ের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ও মধ্যাহৃভোজ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যশোর পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সুপার মহোদয়ের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ও মধ্যাহৃভোজ অনুষ্ঠিত

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
অদ্য ২১/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ পবিত্র ঈদ উল ফিতর। সারা দেশের ন্যায় যশোর জেলা পুলিশ উৎসবমুখর পরিবেশেষে ঈদ উল ফিতর উদযাপন করছে। পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়, পুলিশ লাইন্স মেসে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও মিষ্টিমুখ এবং পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে জেলা পুলিশের আয়োজনে অত্র ইউনিটে কর্মরত পুলিশের সকল পদমর্যাদার সদস্যদের সাথে দুপুরের খাবার গ্ৰহণ করেন যশোর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম সেবা মহোদয়।

আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব রাজিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার “খ” সার্কেল, জনাব আহসান হাবীব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার “ক” সার্কেল, যশোরসহ জেলা পুলিশের সকল পদমর্যাদার সদস্যগণ।

1

ডিআইজির নেতৃত্বে ১০০ একর জমি দখল, অনুসন্ধানে দুদক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৬ পিএম
ডিআইজির নেতৃত্বে ১০০ একর জমি দখল, অনুসন্ধানে দুদক

ডিআইজি মঈনুল হক। ছবি : সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশ পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মঈনুল হক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ১০০ একর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার থাকাকালীন মঈনুলের নেতৃত্বে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিমালিকানাধীন ও বন বিভাগের জমি জবরদখল করা হয়। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরই মধ্যে বিশেষ অনুসন্ধানী টিমও গঠন করা হয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-১ এর উপপরিচালক রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি এশিয়া পোস্টের হাতে এসেছে। ওই চিঠিতে ডিআইজি মঈনুলে বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, সম্প্রতি ডিআইজি মঈনুল হকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার থাকাকালীন প্রায় ১০০ একর জমি দখলের অভিযোগ জমা পড়ে কমিশনে। যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযোগটি আমলে নিয়ে অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

সূত্র আরও জানায়, অভিযুক্ত ডিআইজি মঈনুলের গভীর সখ্য ছিল বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা ও ডিবির সাবেক প্রধান হারুন-অর-রশিদের সঙ্গে। হারুনের মাধ্যমেই মঈনুল ডিআইজি পদে পদোন্নতি বাগিয়ে নেন। পরে খুলনা রেঞ্জের দায়িত্ব পেতেও হারুনের সহায়তা নিয়েছেন তিনি।

দুদকের চিঠিতে অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়েছে, মঈনুল হক, সাবেক পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ ও সাবেক খুলনা বিভাগীয় পুলিশের ডিআইজি (খুলনা রেঞ্জ)-সহ অন্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিমালিকানাধীন ও বন বিভাগের প্রায় ১০০ একর জমি জবরদখলের অভিযোগ রয়েছে।

চিঠিতে দুদকের অনুসন্ধানী টিমের প্রতি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ ও দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ অনুসরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এশিয়া পোস্টকে বলেন, ডিআইজি মঈনুল হকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্বপালনকালে বন বিভাগের ও ব্যাক্তিমালিকানাধীন ১০০ একর জমি দখলের অভিযোগ জমা পড়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের গোয়েন্দা ইউনিট প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া বিষয়টি কমিশন আমলে নিয়েছেন। ইতোমধ্যেই প্রকাশ্য অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২২ সালের নভেম্বরে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পান মঈনুল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাকে ওএসডি করে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে সংযুক্ত করা হয়। গত বছরের ৭ আগস্ট তাকে সরদা পুলিশ একাডেমিতে সংযুক্ত করা হয়।

দুদকের অনুসন্ধান ও জমি দখলের অভিযোগের বিষয়ে জানতে ডিআইজি মঈনুল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কাগজে-কলমে তিনি সারদায় কর্মরত আছেন বলা হলেও সেখানে খোঁজ নিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

সূত্রঃ এশিয়া পোস্ট