বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২

গুলিস্তানে হোটেলে গরুর গোশত না রাখায় মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৫, ৫:১৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
গুলিস্তানে হোটেলে গরুর গোশত না রাখায় মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের প্রতিবাদ

গোলাম আলী নাইম ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধি:

গুলিস্তানে যে সমস্ত খাবার হোটেলে গরুর গোস্ত রাখেনা তারা ভারত ও হিন্দুবাদীদের দালাল। এদের বয়কট করতে হবে

-মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদ

“গুলিস্তানে যে সমস্ত খাবার হোটেলে গরুর গোস্ত থাকেনা, সেই সমস্ত খাবার হোটেলগুলো হিন্দুত্ববাদীদের দালাল; তাদেরকে বর্জন করুন”- এমন দাবীতে সমাবেশ করেছে মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদ নামক একটি সংগঠন। আজ ২রা জানুয়ারী, ২০২৫, রোজ-বৃহস্পতিবার, রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র গুলিস্তানে হযরত গোলাপ শাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি মাজার শরীফ সংলগ্ন হোটেল রাজধানী, হোটেল নিউ রাজধানী ও হোটেল রাজের সামনে তারা এই সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে তারা প্রত্যেকটি খাবার হোটেলে বাধ্যতামূলক গরুর গোশত রাখার দাবী জানান। অন্যথায় এসব হোটেল বন্ধ করে দেয়ার দাবী জানান।

সমাবেশে মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের বক্তাগণ বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ অর্থাৎ শতকরা ৯৮ জন মানুষ হচ্ছেন মুসলমান। মুসলমানরা খাবার হোটেলে গরুর গোশত খেতে চায়। কিন্তু গরুর গোশতের ব্যাপক চাহিদা থাকার পরও গুলিস্তানের হোটেল রাজধানী, নিউ রাজধানী বা হোটেলে রাজ কর্তৃপক্ষ হিন্দুত্ববাদীদের কথা বলে হোটেলে গরুর গোশত রাখে না। এতে মুসলিম ভোক্তারা প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। হিন্দুত্ববাদীদের কথা চিন্তা করে হোটেলকে গরুর গোশত না রাখা একটি জঘন্য অপরাধ ও সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের খাদ্য অধিকার হরণ।

মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের বক্তাগণ বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী ভারতে প্রতিনিয়ত গরুর গোশতের জন্য মুসলমানদের নির্মমভাবে শহীদ করা হচ্ছে। এই দৃশ্য দেখার পরও যে সব হোটেল মালিক হিন্দুত্ববাদীদের পক্ষ নিয়ে তাদের হোটেলে গরুর গোশত রাখে না, তারা ভারতের উগ্রহিন্দুবাদীদের দালাল ও বিজেপির এজেন্ট। তারা বাংলাদেশকে ভারত বানাতে চায়। হিন্দুত্ববাদী পরিবেশ তৈরী করতে চায়, যেখানে গরুর গোশত নিষিদ্ধ বলে সবাই জানবে।

মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের বক্তাগণ বলেন, মুসলিম নাম দিয়ে হোটেল খুললেও এদের অনেক স্টাফ হিন্দুত্ববাদী, যারা গরুর গোবর বা চনাকে পবিত্র মনে করে। হিন্দু কাস্টমার যেহেতু তাদের মূল টার্গেট তাই এদের খাবারে গো-চনা মিশ্রিত থাকলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের বক্তাগণ বলেন, গরুর গোশত খাওয়া ফরজ নয় তবে দ্বীন ইসলামের শিয়ার বা নির্দশন। তাই হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আকিদার বিষয়টি যখন আসবে, তখন গরুর গোশত খাওয়া ঈমানের অঙ্গ হওয়ার কারণে ফরজ হয়ে যাবে। এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফের সূরা বাকারার ২০৮ নম্বর আয়াত শরীফের শানে নুযূল বলা হয়েছে- বিশিষ্ট ছাহাবী আব্দুল্লাহ বিন সালাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহু পূর্বে ইহুদী ধর্মের অনুসারী ছিলেন। ইহুদীরা উটের গোশত খায় না। সে কারণে আব্দুল্লাহ বিন সালাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহু কখনও উটের গোশত খান নাই। যেহেতু তিনি উটের গোশত কখনও খান নাই সেহেতু ঈমান এনে মুসলমান হওয়ার পর উটের গোশত খাওয়া উনার জন্য বিব্রতকর ছিলো। তিনি একদিন বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমিতো কখনো উটের গোশত খাই নাই, আমাকে উটের গোস্ত না খাওয়ার অনুমতি দিন। এসময় আল্লাহ পাক ওহী নাজিল করলেন- “হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইসলামে পরিপূর্ণ ভাবে প্রবেশ কর। শয়তানকে অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।” (সূরা বাক্বারা শরীফ : ২০৮) অর্থাৎ যদিও উটের গোশত খাওয়া ফরজ নয়, কিন্তু এ আয়াত শরীফ অনুসারে, ইহুদী ধর্মের বিষয়টি যখন সামনে আসছে, তখন উটের গোশত একজন মুসলমানের জন্য ফরজ হয়ে গেছে, ঈমানের অঙ্গ হয়ে গেছে। তেমনি গরুর গোশত খাওয়া ফরজ নয়। ঠিক তেমনি হিন্দু ধর্মের আকিদার বিষয়টি যখন আসে, তখন মুসলমানদের জন্য গরুর গোশত খাওয়া ফরজ হয়ে যায়, ঈমানের অঙ্গ হয়ে যায়। তাই হিন্দু তোষণের উদ্দেশ্যে কোন খাবার হোটেল মালিক যদি গরুর গোশত না রাখে, তবে সে কুফরী করবে। কারণ সে গরুর গোস্তকে ইহানত করেছে শিয়ারুল ইসলাম হওয়ার পরও। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়ার (নির্দশন) সমূহকে ইহানত বা হারাম করো না ” (সূরা মায়েদা শরীফ : ২) এজন্য তাকে তওবা করতে হবে, নয়ত সে ঈমানহারা হয়ে মারা যাবে। কবরে ফিরিশতা এদের দ্বীন সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তারা ‘দ্বীন ইসলাম’ বলতে পারবে না, তাদের দ্বীন ‘হিন্দু ধর্ম’ বলবে, কারণ এরা হিন্দুদের কথা চিন্তা করে মুসলমানদের গরুর গোশত থেকে বঞ্চিত করেছিলো।

মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের বক্তাগণ বলেন, ইউরোপ-আমেরিকায় ইহুদী খ্রিস্টানরা মুসলমানদের কথা বিবেচনা করে কখনই হোটেলে হালাল খাবার রাখে না। বাধ্য হয়ে মুসলমানরা নিজেদের জন্য পৃথক হালাল হোটেল খুলে। হিন্দুদের যদি প্রয়োজন হয়, তবে তারা নিজেদের জন্য হিন্দু নাম দিয়ে পৃথক হোটেল খুলুক, কিন্তু মুসলিম হোটেলে হিন্দুদের জন্য মুসলমানদের বঞ্চিত করে তারা গরুর গোশত বন্ধ রাখবে এমনটা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।

মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের বক্তাগণ বলেন, মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের বক্তাগণ বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসা করতে হলে খাবার হোটেলগুলোকে বাধ্যতামূলক গরুর গোশত রাখতে হবে। হোটেলে গরুর গোশত থাকা প্রমাণ করবে ঐ হোটেল মালিক ভারত কিংবা হিন্দুত্ববাদীদের দালাল নয়। যদি কোন হোটেলে একটিও গরুর গোশতের তরকারী না থাকে, তবে সে হোটেলটি হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় হোটেল ও ভারতের দালাল বলে প্রমাণিত হবে। সেই হোটেলটিকে সারা দেশব্যাপী বর্জনের ডাক দেয়া হবে।

সমাবেশে মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের কয়েকশ’ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

1

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

আনোয়ার হোসেন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সাথে জনাব মোঃ আজমুল হক অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ঢাকা মহোদয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজনে উপজেলা প্রশাসন সভা কক্ষে এই মত বিনিময় সভা শুরু হয় । অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক)ঢাকা মোঃ আজমুল হক ,মির্জাপুর উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল ৭ মির্জাপুর আসনে নির্বাচন বিশৃঙ্খলা মুক্ত সুন্দর সুষ্ঠু নির্বাচন হয় সে লক্ষ্যে সকলেই কাজ করবেন । মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন , সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ তারেক আজিজ , মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ও সি )আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এসময় উপস্থিত ছিলেন ।

1

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সৌজন্য সাক্ষাৎ

 

আনোয়ার হোসেন:

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সাংবাদিকবৃন্দ ।
২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার দুপুরে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মহোদয়ের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাংবাদিকদের সাথে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন বলেন মির্জাপুর একটি শান্তিপূর্ণ উপজেলা । তিনি সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ প্রকাশ করার কথা বলেন এবং সব সময় সাংবাদিকদের প্রয়োজনে পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান,।সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান অরেঞ্জ , সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুবেল মিয়া , প্রচার সম্পাদক সাইদুর রহমান শাকিল , দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম মিয়া ,কার্যকারী সদস্য আনোয়ার হোসেন আবিদ ,মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া ও জাহাঙ্গীর আলম ।

1

গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৭ পিএম
গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ

 

এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

গ্রাম আদালতের বিচার্য মামলা কোনো অবস্থাতেই শালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাবে না—এমন মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) মোছাঃ জেসমিন আকতার বানু।
গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম, কাজীবাকাই ও ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি জানান, বালিগ্রাম ইউনিয়নে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৭৩টি মামলা দায়ের হয় এবং সবগুলোই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।
অপরদিকে কাজীবাকাই ইউনিয়ন পরিষদে একই সময়ে মোট ৬৬টি মামলা দায়ের, ৬৬টি নিষ্পত্তি এবং ৬৬টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এখানে আদায়কৃত মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৪১ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা।
ডাসার ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৪৪টি মামলা দায়ের হয়। এছাড়া উচ্চ আদালত থেকে প্রাপ্ত ১টি মামলাসহ মোট ৪৫টি মামলা গ্রাম আদালতে নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৭ হাজার টাকা।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আরও বলেন, গ্রাম আদালতের সকল নথি ও রেজিস্টার নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে হবে এবং এজলাসে বসেই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে।
তিনি জানান, গ্রাম আদালতে দেওয়ানি মামলার ফি মাত্র ২০ টাকা এবং ফৌজদারি মামলার ফি ১০ টাকা। এ ছাড়া আদালতে কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয় না। নির্ধারিত দিনে প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের শুনানি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ আল মামুন, ডাসার উপজেলা (মাদারীপুর)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডাসার ও কালকিনি উপজেলা গ্রাম আদালতের কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন, বালিগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এএসিও, কাজীবাকাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এএসিও এবং ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এএসিওসহ গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।