মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

লালমাইয়ের মেয়ে রুবির প্রতারণায় নিঃস্ব হয়েছেে একাধিক পুরুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:৩৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
লালমাইয়ের মেয়ে রুবির প্রতারণায় নিঃস্ব হয়েছেে একাধিক পুরুষ

কুমিল্লা প্রতিনিধি

 

কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার মগের কলমিয়া গ্রামের তালেব মিয়ার মেয়ে রুবি আক্তারের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক পুরুষ থেকে মোটা অংকের টাকা ও জিনিসপত্র হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মগের কলমিয়া গ্রামের তালেব মিয়ার মেয়ে রুবি আক্তারের সাথে চান্দিনা উপজেলার মহারল গ্রামের মোঃ জহির এর সাথে প্রথমে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়, কিন্তু এই সংসারে থাকা কালীন সময়ে তারই বাতিজার সাথে পরক্রীয়া করে চাচাকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন পোলোভন দেখিয়ে তারই প্রভাসী বাতিজা সোহাগ হোসেন কে বিয়ে করে, কিন্ত বিয়ের পর সোহাগ বিদেশ চলে যায় এর সুযোগে রুবি গোপনে সোহাগ না জানিয়ে আরো অনেক ছেলে সাথে আবার ও পরক্রীয়ায় জড়িয়ে পড়ে, এ বিষয়ে সোহাগকে কোন কিছু বুঝতে দেয়নি রুবি, এদিকে সোহাগের সাথেও সে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ঠিক রেখে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা নিতো রুবি এবং তাকে টাকা দিতে বাধ্য করতো, এক পর্যায়ে ১৩/০৩ /২৪ ইং তারিখে সে যখন দেশে আসার সিদ্ধান্ত নেয় তখন রুবি আক্তার একটি প্রোবক্স মাইক্রো নিয়ে তার (রুবির) পরক্রীয়া প্রমিক গাড়ী ড্রাইভার সহ আরো দুজন মিলে ইয়ারপোটে তাকে রিসিভ করেত যায়, ইয়ারপোট থেকে নিয়ে আসার সময় গাড়ির মধ্যে তাকে বিভিন্ন পোলোভন দেখিয়ে চান্দিনা তার বাড়িতে না নিয়ে লালমাই উপজেলার দত্তপুর এলাকায় আসলে তাকে পানি আনার জন্য গাড়ি থেকে নামিয়ে দেয়, এর পরই রুবি কৌশলে ড্রাইভারের সহযোগিতায় তার বিদেশ থেকে আনা তিন ভরি স্বর্ণ নগদ ১,৫০,০০০ / টাকা ওতার ভিসা পাসপোর্টসহ প্রায় ৭,০০,০০০/ টাকা মালামাল নিয়ে পালিয় যায়, তখন প্রবাস ফেরত সোহাগ কোন কুল কিনারা না পেয়ে তখন লালমাই থানায় একটি অভিযোগ করে পুলিশের সহযোগিতায় দত্তপুর এলাকা থেকে রুবির ভাড়া বাসা থেকে সোহাগের ভিসা পাসপোর্ট ও সামন্যকিছু মালা মাল ফেরত পায়, বাকী মালামাল টাকা ও স্বর্ণ অলংকার পরে ফেরত দিবে বলে আশ্বাস দিলে সোহাগ তার নিজ বাড়ী চান্দিনা চলে যায়, তদন্ত সূত্রে জানা যেই বাড়ি থেকে মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে রুবি তার পরক্রীয়া প্রমিক নিয়ে সেই বাসা থাকতেন, ততকালীন সময়ে তার পরক্রীয়া প্রেমিকদের সহায়তায় রুবি তার বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে উপজেলা প্রশাসন মেনেছ করে রুবি কে দিয়ে তারা মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে জানা যায়, পরক্ষণে সোহাগ তার টাকাও জিনিস উদ্বারের জন্য অনেক বার চেষ্টা করলেও তার বাকী মালামাল ও টাকা গুলি রুবি ফেরত দেয়নি, তখন সে আবার বিদেশে চলে যায, কিন্তু এর পরেও রুবি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে এবং তার পরিবারকে হয়রানী করে আসছে, সে এখনো বিভিন্ন সময়ে সোহগের মাকে ফোন দিয়ে গালা গালি করে থাকে এবং বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে যায়, তাই ছেলের বিদেশ আনা মাল গুলো ফেরত পাওয়ার জন্য সোহাগের মা শিরিন বেগম বাদী হয়ে গত ১৬-২-২০২৫ তারিখে লালমই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন, ভোক্তভোগী সোহাগ বলেন, রুবি প্রথমে আমার চাচর সাথে প্রতারনা করেছে পরে সে আমাকে সরল পেয়ে বিভিন্ন প্রোলোভনে পেলে আমাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে, আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, আমি পরে জানতে পারি যে এটা তার ব্যবসা, সে তার রুপের পান্দে ফেলে অনেক ছেলের জীবন নষ্ট করেছে, এবং তার পুরা পরিবার এর সাথে জড়িত,তাই তাকে আইনের আওতায় এনে তার সঠিক বিচার করা হোক, যাতে তার অপকর্মের কারনে আর কোন ছেলের জীবন নষ্ট না হয়।

1

নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

মোঃ রেজুয়ান বাদশা =নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলঘাট গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদর বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে,ততই বাজারে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মতো।সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে কেনাবেচার ব্যস্ততা অব্যাহত থাকছে।
সলঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ, তৈরি পোশাকের দোকান,শাড়ি ও কাপড়ের দোকান,পাদুকা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।গত বছরের তুলনায় অনেক পোশাকের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।তবে নতুন ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় পোশাক বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেড়েছে।
বাজারের হাজী মার্কেট,মহির উদ্দিন সুপার মার্কেট,মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট এবং অগ্রণী ব্যাংক মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণি বিতানে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে।এ ছাড়াও শাড়ি-কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ও তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার।
অনেক নারী ক্রেতা পছন্দের পোশাক তৈরি করার জন্য ছিট কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভীড় করছেন।তবে পোশাকের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়েছেন।বড় শপিংমলে না গেলেও অনেকে ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো কেনাকাটা করছেন।
সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরু থেকেই ঈদের কেনাকাটা কিছুটা ছিল।তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের ভীড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দোকানগুলোতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য পোশাকের সমারোহ থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজারের পাদুকা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও সমান ব্যস্ততা দেখা গেছে।একই সঙ্গে চিনি,সেমাই,লাচ্ছাসহ ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের দোকানেও চলছে ব্যাপক কেনাবেচা।
শুধু সলঙ্গা বাজারেই নয়,আশপাশের হাটিকুমরুল,সাহেবগঞ্জ,ঘুড়কা বেলতলা, ভুইয়াগাতী,মালতীনগর আমতলা,নলকা,হরিনচড়া,দবিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটবাজারেও ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ রমজান) সলঙ্গা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, বাচ্চাদের জন্য যে বাজেট নিয়ে এসেছিলেন,বাজারে এসে দেখছেন অনেক পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি।ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,ঈদের আগের দিনগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে এবং বেচাকেনাও সন্তোষজনক হবে।

1

কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

৯ মার্চ (সোমবার) বিকাল ৫ টায়,কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হোটেল নূরজাহান অডিটোরিয়াম হলে,
লালমাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামি’র আয়োজনে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে,”ইফতার মাহাফিল” আয়োজন করেন,
উক্ত ইফতার মাহাফি’লে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
তিনি রমযানের গুরুত্ব আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বলেন রমযান আমাদের জন্য অফার নিয়ে এসেছে, কোন মার্কেটে অফার দিলে মানুষ যেমন হুমরি খেয়ে পড়ে, সেই রকম প্রথম দিকে মসজিদে যে পরিমাণ মোসল্লি হয়,রমযান যত কমতে থাকে মোসল্লির সংখ্যা ও তত কমতে থাকে,তবে রমযান যত কমতে থাকে ফজিলতের দিনের সংখ্যা তত বাড়িতে থাকে,সামনে ১০ দিন বেজুড় রাত্রি গুলোতে সবে কদর তালাশ করতে হবে, যে দিন আকাশে ঈদের চঁাদ উঠে সে দিন মুসলিমদের ৫ টি ফজিলত পূর্ণ দিনের মধ্যে একটি অথচ সেই দিন এশার নামাজে মসজিদে যায়না,সেই রাত্রিতে মুসলিম সমাজে আতসবাজি দেখা যায়, এইযে আমরা মুসলমান হওয়ার পরেও সুযোগ গ্রহণ করছি না অফার গ্রহন করছি না,এটি শুধু রমযান নয় আমাদের গোটা জিন্দেগীতে দেখাযায় সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারছিনা,বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতির কাছে সুযোগ এসেছিলো কালো টাকা কে প্রত্যাখ্যান করে বুর্জোয়া রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করে ন্যায় এবং ইনসাফের রাজনীতিকে গ্রহণ করা, একটি আলোকিত সমাজ গড়া, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা যারা গ্রহণ করতে চেয়েছি আমাদের গ্রহন করতে দেয়নাই আবার একটা অংশ চায় নাই,,
লালমাইয়ে ৪২% জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,,
“লালমাই উপজেলা বিলুপ্ত নয় বরং সীমানা বৃদ্ধি করে লালমাই অঞ্চলকে নিয়ে পুনর্গঠন করাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমাই উপজেলা আমীর মাও.মোহাম্মদ আবদুন নূর,
সঞ্চালনা করেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার অফিস সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব গোলাম সরওয়ার মজু. কামাল, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব, মাওলানা মফিজুর রহমান, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়,
ইফতারে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুল মুত্তালিব মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কবির হোসেন নোমান হোসেন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা ও পেশাজীবিরা।
আলোচনা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন পরতি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. আব্দুর রব