মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

৮ দিন পর মাসীর বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে, কঠোর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫, ৯:০১ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
৮ দিন পর মাসীর বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে, কঠোর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী

বদরগঞ্জ,রংপুর,প্রতিনিধিঃ

রংপুর বদরগঞ্জে ,বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের নির্দেশনা মোতাবেক রংপুর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের ৭২ পদাতিক ব্রিগেড হতে ৩৪ ইষ্ট বেংগলের দায়িত্ব পুর্ন এলাকা তারাগঞ্জ ও বদরগঞ্জে অবস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের রথের ফিরতি যাত্রা আজ ৫ জুলাই ২০২৫ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। হিন্দু সমপ্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ এই রথ যাত্রা সুষ্ঠ , নিরাপদ, স্বাভাবিক ও নিরাপত্তার সাথে সম্পন্ন করতে তারাগঞ্জ আর্মি ক্যাম্প গত ২৭ জুন ২০২৫ হতে অদ্যাবধি বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহন করেছে।
হিন্দুদের এই রথ যাত্রা যাহাতে খুব সুন্দর ও নিরাপত্তার সাথে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে পালন করতে পারে সেই জন্যে সরজমিনে উপস্থিত ছিলেন ৩৪ ইষ্ট বেংগলের তারাগঞ্জ সেনাক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন তাসফিন ইসলাম ফাহিম, ক্যাপ্টেন রাকিবুল
এছাড়াও ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিক বৃন্দ।
উপস্থিত হিন্দু সম্প্রদায় ও স্থানীয় জনগনের উদ্দেশ্যে সেনা কমান্ডার বলেন আপনারা ইতিমধ্যে দেখেছেন এবার হিন্দুদের মন্দির গুলো ও রথ যাত্রা নিরাপত্তার সাথে যাহাতে পালন করতে পারে সেনাবাহিনী ২৪ ঘন্টা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। মন্দির ও এর আশেপাশের এলাকায় ২৪ ঘন্টা সেনাবাহিনী ও পুলিশের মাধ্যমে যৌথ টহল পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি বলেন তারাগঞ্জ ক্যাম্প হতে বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জের স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও রথ যাত্রায় স্বস্থি দিতে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারির সুবিধার্থে বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জে স্থায়ী পোস্ট স্থাপন করে ষ্ট্যান্ডিং পেট্রোল করানো হয়েছে যা চলমান থাকবে।
ক্যাম্প কমান্ডার আরো বলেন স্বার্বক্ষনিক নজরদারির জন্যে বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ বাজার এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ক্যাম্প হতে ২৪ ঘন্টা মনিটরিং করার জন্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন স্থানীয় দের সাথে যোগাযোগ উন্নতির লক্ষ্যে ক্যাম্প হতে নিয়মিত পেট্রোল এর মাধ্যমে স্থানীয় বাজার, থানা-পুলিশ, সাংবাদিক, সাধারণ মানুষ, গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ উন্নতির লক্ষ্যে ক্যাম্পে অভিযোগ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে যেখানে সকলেই আপনারা সমস্যা জানাতে পারেন।
ক্যাম্প কমান্ডার বলেন রথ যাত্রা খুব সুন্দর ভাবে যেমন হয়েছে। তেমনি এই দুই থানার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমান এর সকল কার্যক্রম চলমান থাকবে।
পাশাপাশি তিনি বলেন এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে সেনাবাহিনীর রিজার্ভ সৈন্য প্রস্তুত রহেছে। যেকোন হুমকি আসলে সেনাবাহিনী তা শক্ত হাতে গুড়িয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রছেছে।
তিনি সাংবাদিক ও স্থানীয় জনতাকে বলেন ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন এই থানা দুইটিতে যাহাতে অপরাধীরা অবাধে তাদের কার্যক্রম না করতে পারে সে জন্যে পুলিশ, বেসামরিক প্রশাসন , মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, স্থানীয় সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ দের সহায়তায় নিয়মিত মাদক নিয়ন্ত্রণ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
হিন্দুদের রথ যাত্রার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ক্যাম্প কমান্ডার বলেন দুই থানার ওসিদের কে প্রয়োজনে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং করে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ।
এছাড়াও ক্যাম্প কমান্ডার বলেন পুলিশ, স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিক আপনারা যারা যেখানেই আছেন যার যার অবস্থান হতে যেকোন দুর্ঘটনা মোকাবেলায় সেনাবাহিনী কে দ্রুত তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করেন।
তিনি বলেন সেনাবাহিনী তার কাজ করেই ছাড়বে। জন-নিরাপত্তার জন্য হুমকি এমন যে কোন কাজ যেই হউক সেনাবাহিনী কঠোর হস্তে দমন করবে।

1

নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

মোঃ রেজুয়ান বাদশা =নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলঘাট গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদর বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে,ততই বাজারে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মতো।সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে কেনাবেচার ব্যস্ততা অব্যাহত থাকছে।
সলঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ, তৈরি পোশাকের দোকান,শাড়ি ও কাপড়ের দোকান,পাদুকা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।গত বছরের তুলনায় অনেক পোশাকের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।তবে নতুন ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় পোশাক বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেড়েছে।
বাজারের হাজী মার্কেট,মহির উদ্দিন সুপার মার্কেট,মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট এবং অগ্রণী ব্যাংক মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণি বিতানে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে।এ ছাড়াও শাড়ি-কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ও তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার।
অনেক নারী ক্রেতা পছন্দের পোশাক তৈরি করার জন্য ছিট কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভীড় করছেন।তবে পোশাকের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়েছেন।বড় শপিংমলে না গেলেও অনেকে ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো কেনাকাটা করছেন।
সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরু থেকেই ঈদের কেনাকাটা কিছুটা ছিল।তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের ভীড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দোকানগুলোতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য পোশাকের সমারোহ থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজারের পাদুকা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও সমান ব্যস্ততা দেখা গেছে।একই সঙ্গে চিনি,সেমাই,লাচ্ছাসহ ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের দোকানেও চলছে ব্যাপক কেনাবেচা।
শুধু সলঙ্গা বাজারেই নয়,আশপাশের হাটিকুমরুল,সাহেবগঞ্জ,ঘুড়কা বেলতলা, ভুইয়াগাতী,মালতীনগর আমতলা,নলকা,হরিনচড়া,দবিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটবাজারেও ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ রমজান) সলঙ্গা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, বাচ্চাদের জন্য যে বাজেট নিয়ে এসেছিলেন,বাজারে এসে দেখছেন অনেক পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি।ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,ঈদের আগের দিনগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে এবং বেচাকেনাও সন্তোষজনক হবে।

1

কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

৯ মার্চ (সোমবার) বিকাল ৫ টায়,কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হোটেল নূরজাহান অডিটোরিয়াম হলে,
লালমাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামি’র আয়োজনে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে,”ইফতার মাহাফিল” আয়োজন করেন,
উক্ত ইফতার মাহাফি’লে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
তিনি রমযানের গুরুত্ব আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বলেন রমযান আমাদের জন্য অফার নিয়ে এসেছে, কোন মার্কেটে অফার দিলে মানুষ যেমন হুমরি খেয়ে পড়ে, সেই রকম প্রথম দিকে মসজিদে যে পরিমাণ মোসল্লি হয়,রমযান যত কমতে থাকে মোসল্লির সংখ্যা ও তত কমতে থাকে,তবে রমযান যত কমতে থাকে ফজিলতের দিনের সংখ্যা তত বাড়িতে থাকে,সামনে ১০ দিন বেজুড় রাত্রি গুলোতে সবে কদর তালাশ করতে হবে, যে দিন আকাশে ঈদের চঁাদ উঠে সে দিন মুসলিমদের ৫ টি ফজিলত পূর্ণ দিনের মধ্যে একটি অথচ সেই দিন এশার নামাজে মসজিদে যায়না,সেই রাত্রিতে মুসলিম সমাজে আতসবাজি দেখা যায়, এইযে আমরা মুসলমান হওয়ার পরেও সুযোগ গ্রহণ করছি না অফার গ্রহন করছি না,এটি শুধু রমযান নয় আমাদের গোটা জিন্দেগীতে দেখাযায় সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারছিনা,বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতির কাছে সুযোগ এসেছিলো কালো টাকা কে প্রত্যাখ্যান করে বুর্জোয়া রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করে ন্যায় এবং ইনসাফের রাজনীতিকে গ্রহণ করা, একটি আলোকিত সমাজ গড়া, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা যারা গ্রহণ করতে চেয়েছি আমাদের গ্রহন করতে দেয়নাই আবার একটা অংশ চায় নাই,,
লালমাইয়ে ৪২% জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,,
“লালমাই উপজেলা বিলুপ্ত নয় বরং সীমানা বৃদ্ধি করে লালমাই অঞ্চলকে নিয়ে পুনর্গঠন করাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমাই উপজেলা আমীর মাও.মোহাম্মদ আবদুন নূর,
সঞ্চালনা করেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার অফিস সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব গোলাম সরওয়ার মজু. কামাল, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব, মাওলানা মফিজুর রহমান, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়,
ইফতারে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুল মুত্তালিব মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কবির হোসেন নোমান হোসেন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা ও পেশাজীবিরা।
আলোচনা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন পরতি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. আব্দুর রব