মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

জামালগঞ্জে সূর্যোদয়ের প্রথম প্রহরেই শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক, দিনব্যাপী কর্মসূচিতে বিজয় দিবস উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:০৩ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
জামালগঞ্জে সূর্যোদয়ের প্রথম প্রহরেই শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক, দিনব্যাপী কর্মসূচিতে বিজয় দিবস উদযাপন

মো. শাহীন আলম, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

মহান বিজয় দিবস–২০২৫ উপলক্ষে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জামালগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ইউনিয়ন পরিষদ, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

সকাল ৮টায় জামালগঞ্জ মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয় দিবসের মূল কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুশফিকীন নূর। জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ও শেরমস্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শুভ্রা চক্রবর্তীর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বন্দে আলী, সমাজসেবা কর্মকর্তা সাব্বির সারোয়ার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পিযুষ কান্তি মজুমদার, কৃষি কর্মকর্তা সুমন কুমার সাহা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ মো. আজগর আলী, ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ বিজয় সিং, জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফুর রহমান, জামালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান ভূষণ চক্রবর্তী, সাচনা বাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া ও ভীমখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী ও আনসার-ভিডিপি সদস্যদের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাচ, গান, অভিনয়, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, খেলাধুলাসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে জামালগঞ্জ উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারবর্গকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, এনজিও ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে বিজয় মেলার আয়োজন করা হয়।

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও জামালগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ ভক্তি, শ্রদ্ধা ও উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর প্রায় ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। এই ঐতিহাসিক দিনটি বাঙালি জাতির স্বাধীনতা ও বিজয়ের চূড়ান্ত প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

1

নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

মোঃ রেজুয়ান বাদশা =নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলঘাট গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদর বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে,ততই বাজারে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মতো।সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে কেনাবেচার ব্যস্ততা অব্যাহত থাকছে।
সলঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ, তৈরি পোশাকের দোকান,শাড়ি ও কাপড়ের দোকান,পাদুকা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।গত বছরের তুলনায় অনেক পোশাকের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।তবে নতুন ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় পোশাক বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেড়েছে।
বাজারের হাজী মার্কেট,মহির উদ্দিন সুপার মার্কেট,মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট এবং অগ্রণী ব্যাংক মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণি বিতানে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে।এ ছাড়াও শাড়ি-কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ও তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার।
অনেক নারী ক্রেতা পছন্দের পোশাক তৈরি করার জন্য ছিট কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভীড় করছেন।তবে পোশাকের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়েছেন।বড় শপিংমলে না গেলেও অনেকে ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো কেনাকাটা করছেন।
সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরু থেকেই ঈদের কেনাকাটা কিছুটা ছিল।তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের ভীড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দোকানগুলোতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য পোশাকের সমারোহ থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজারের পাদুকা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও সমান ব্যস্ততা দেখা গেছে।একই সঙ্গে চিনি,সেমাই,লাচ্ছাসহ ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের দোকানেও চলছে ব্যাপক কেনাবেচা।
শুধু সলঙ্গা বাজারেই নয়,আশপাশের হাটিকুমরুল,সাহেবগঞ্জ,ঘুড়কা বেলতলা, ভুইয়াগাতী,মালতীনগর আমতলা,নলকা,হরিনচড়া,দবিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটবাজারেও ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ রমজান) সলঙ্গা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, বাচ্চাদের জন্য যে বাজেট নিয়ে এসেছিলেন,বাজারে এসে দেখছেন অনেক পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি।ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,ঈদের আগের দিনগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে এবং বেচাকেনাও সন্তোষজনক হবে।

1

কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

৯ মার্চ (সোমবার) বিকাল ৫ টায়,কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হোটেল নূরজাহান অডিটোরিয়াম হলে,
লালমাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামি’র আয়োজনে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে,”ইফতার মাহাফিল” আয়োজন করেন,
উক্ত ইফতার মাহাফি’লে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
তিনি রমযানের গুরুত্ব আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বলেন রমযান আমাদের জন্য অফার নিয়ে এসেছে, কোন মার্কেটে অফার দিলে মানুষ যেমন হুমরি খেয়ে পড়ে, সেই রকম প্রথম দিকে মসজিদে যে পরিমাণ মোসল্লি হয়,রমযান যত কমতে থাকে মোসল্লির সংখ্যা ও তত কমতে থাকে,তবে রমযান যত কমতে থাকে ফজিলতের দিনের সংখ্যা তত বাড়িতে থাকে,সামনে ১০ দিন বেজুড় রাত্রি গুলোতে সবে কদর তালাশ করতে হবে, যে দিন আকাশে ঈদের চঁাদ উঠে সে দিন মুসলিমদের ৫ টি ফজিলত পূর্ণ দিনের মধ্যে একটি অথচ সেই দিন এশার নামাজে মসজিদে যায়না,সেই রাত্রিতে মুসলিম সমাজে আতসবাজি দেখা যায়, এইযে আমরা মুসলমান হওয়ার পরেও সুযোগ গ্রহণ করছি না অফার গ্রহন করছি না,এটি শুধু রমযান নয় আমাদের গোটা জিন্দেগীতে দেখাযায় সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারছিনা,বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতির কাছে সুযোগ এসেছিলো কালো টাকা কে প্রত্যাখ্যান করে বুর্জোয়া রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করে ন্যায় এবং ইনসাফের রাজনীতিকে গ্রহণ করা, একটি আলোকিত সমাজ গড়া, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা যারা গ্রহণ করতে চেয়েছি আমাদের গ্রহন করতে দেয়নাই আবার একটা অংশ চায় নাই,,
লালমাইয়ে ৪২% জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,,
“লালমাই উপজেলা বিলুপ্ত নয় বরং সীমানা বৃদ্ধি করে লালমাই অঞ্চলকে নিয়ে পুনর্গঠন করাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমাই উপজেলা আমীর মাও.মোহাম্মদ আবদুন নূর,
সঞ্চালনা করেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার অফিস সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব গোলাম সরওয়ার মজু. কামাল, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব, মাওলানা মফিজুর রহমান, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়,
ইফতারে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুল মুত্তালিব মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কবির হোসেন নোমান হোসেন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা ও পেশাজীবিরা।
আলোচনা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন পরতি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. আব্দুর রব