শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাভারে মিস্ত্রি থেকে পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর, জানালেন গ্রামবাসী 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১:৫৬ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সাভারে মিস্ত্রি থেকে পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর, জানালেন গ্রামবাসী 

মোঃ শান্ত খান,ঢাকা জেলা প্রতিনিধিঃ

 

১৫ বছর আগে, গরুর খামারের তত্ত্বাবধায়ক ও সৌদি আরবে প্রবাস জীবনে ছোটখাটো যন্ত্রপাতির কাজে পটু কারিগর বা মিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়নের চাকুলিয়া গ্রামের মৃত আফসার উদ্দিন সেন্টুর ছেলে মো: কাজী জাবের (৩৩)।

শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর গ্রামের পদ্মা পাড়ে অবস্থিত সুরেশ্বর দরবার শরীফে মুরিদ হয়ে নাম পরিবর্তন করে নিজে পীর সেজে এখন নাম রেখেছেন পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর।

এক সময় তিনি মাটির ঘরে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। এখন পীর হয়ে চিকিৎসা দেয়ার নামে তাবিজ-কবজ দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গড়ে তুলেছেন বিলাসবহুল একটি মাজার শরীফ। সেই মাজারে বিভিন্ন জেলা থেকে মুরিদরা ও পার্শ্ববর্তী ধামরাই ও কেরানীগঞ্জ উপজেলার কিছু লোকজন এসে কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের পায়ে সেজদা দেয়।

শুধু তাই নয় পীর হয়ে নারী-পুরুষদের নিয়ে রাত জেগে মাদক সেবন এবং নাচগান করেন তিনি।
কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের ইসলামরিরোধী কর্মকাণ্ড ফাঁস এবং বিতর্কিত একাধিক বয়ানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

এ ঘটনায় সাভার, বনগাঁও ইউনিয়ন ও চাকুলিয়া  গ্রামের বাসিন্দারা সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত সাভার উপজেলা পরিষদ চত্বরে পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের আস্তানা উচ্ছেদ ও তার কার্যকলাপ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানবন্ধন করেছে।

বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন থেকে চাকুলিয়ার ভন্ড পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড ও সাধারণ মুসল্লিদের উপর বর্বরোচিত আক্রমণের প্রতিবাদ এবং গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ভন্ডপীর জাবেরকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। এতে প্রায় সহস্রাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর একজন ভণ্ড পীর। তিনি কয়েক বছর আগে এলাকায় গরুর খামারের তত্ত্বাবধায়ক এবং প্রবাসে মিস্ত্রির কাজ করতেন। ১৫ বছর পূর্বে কাজী জাবেরের বাবা ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে বিপথগামীতায় জড়িয়ে ধর্মান্তরিত হয়ে খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণ করেন এবং তিনি ধর্মান্তরিত হওয়ার পর খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকা সাভারের বিরুলিয়া ও ধরেন্ডা এলাকায় অবস্থান করে খ্রিস্টানদের উপাসনালয় গির্জায়া ধর্মীয় উপাসনার জন্য নিয়মিত যাতায়াত করতেন। ২০০৮ সালে কাজী জাবেরের বাবা মৃত্যুবরণ করলে খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী ও কয়েকজন খ্রিস্ট ধর্মগুরু বাড়িতে এসে কাজী জাবেরের বাবা আফসার উদ্দিন সেন্টুকে খ্রিস্টান ধর্মের বিধি অনুযায়ী সমাহিত করার চেষ্টা চালায়। তবে এলাকাবাসীর আপত্তির ভিত্তিতে তাকে মুসলিম ধর্মের বিধি অনুযায়ী জানাযা শেষে স্থানীয় পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত হলেও ধর্ম ব্যবসায়ী ভন্ডপীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর জানাযার পর উপস্থিত জনতাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কৌশলে সময় ক্ষেপণ করে রাতের অন্ধকারে কাউকে কোন কিছু না জানিয়ে নিজ বসত ঘরের মেঝেতে আফসার উদ্দিন সেন্টুর লাশ সমাহিত করেন। এর কয়েকদিন পর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে কবরটিকে মাজার হিসেবে রূপদান করেন। কাজী জাবের নিজেকে খেলাফত প্রাপ্ত পীর হিসেবে প্রচার চালিয়ে ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মভীরু ও মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে মুসল্লিদের মধ্যে ফাটল ধরানোর সর্বাত্মক চেষ্টা চালায়।

বক্তারা বলেন, কিছু ভণ্ড লোকের প্ররোচনায় প্রথমে আধ্যাত্মিক জগতের বেশ, পরে ভণ্ড পীর হয়েছেন তিনি। আস্তানা করে কিছু সহজ সরল মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তাবিজ-কবজের মাধ্যমে বশীভূত করেন এবং তার পায়ে সেজদা করান। ওরশের নামে নারী-পুরুষদের দিয়ে রাতভর নাচানাচি করেন। শুধু তাই নয় তার আস্তানায় মাদক সেবন করে নিঃসন্তান নারীদের ভিন্ন পর পুরুষদের সঙ্গে মেলামেশা করিয়ে কবিরাজি চিকিৎসা করেন তিনি। এ কারণে সমাজের নারী পুরুষ ও যুবকরা কুসংস্কার ও ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই ভণ্ড পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের আস্তানা উচ্ছেদ ও তার কার্যকলাপ বন্ধ করা প্রয়োজন।

বক্তারা আরো বলেন, অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ ও সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার জন্য স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও কয়েকজন মুসল্লী গত ২৯ সেপ্টেম্বর এশার নামাজের পর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের বাড়িতে গেলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগে তাদের উপর গরম ফুটানো পানি শরীরে ঢেলে দিয়ে অতর্কিত আক্রমণ করে ইট পাটকেলসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিক্ষেপ করলে  মাওলানা তৈয়বুর রহমান, মাওলানা সাইদুর রহমান, মোশারফ, সাকিব ও পরশ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।

বক্তারা বলেন, স্থানীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা সাইদুর রহমানসহ আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকাকালে কাজী জাবের তার অনুসারীদের দিয়ে নিজের বাড়িতে নিজেই ভাঙচুর জ্বালিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পীরের বাড়িতে হামলা হয়েছে মর্মে অপপ্রচার চালিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের ভুল বুঝিয়ে সংবাদের শিরোনাম হয়। আহতরা সুস্থ হলে সাভার মডেল থানায় কাজী জাবেরসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রকৃত ঘটনাটি আড়াল করতে কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর বাদী হয়ে ঘটনার বিষয়ে আরেকটি কাউন্টার মামলা দায়ের করে। সেখানে হয়রানির উদ্দেশ্যে স্থানীয় ইমাম ও ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আসামী করে গ্রামের কয়েকশ সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়। সেই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ ভন্ডপীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর বলেন, আমরা মুসলমান। ইসলামবিরোধী কোনো কাজ করি না। এলাকার এক শ্রেণির লোক আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। আমাদের মাজার শরীফে সেজদা দেয়া নিষেধ। তাছাড়া এখানে খারাপ কোনো কাজ হয় না।

1

নাগরপুরের গর্ব: যুক্তরাজ্য থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি পেলেন ইউসুফ হোসেন লেনিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:০২ পিএম
নাগরপুরের গর্ব: যুক্তরাজ্য থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি পেলেন ইউসুফ হোসেন লেনিন

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার কৃতি সন্তান সাংবাদিক ইউসুফ হোসেন লেনিন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব ইংল্যান্ড ব্রিস্টল থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গত,  বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল শহরের বিকন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক এই এল.এল.বি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করার খবর ছড়িয়ে পড়লে, তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান নাগরপুর উপজেলা সংশ্লিষ্ট নেটিজেনরা।

যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ইউসুফ হোসেন লেনিন মুঠোফোনে বলেন, ইউকে থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করতে পেরে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ এবং অত্যন্ত আনন্দিত। ভবিষ্যতে আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার পরিকল্পনা আমার রয়েছে। সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য। এই সকল অর্জনকে কাজে লাগিয়ে আমার এলাকার জনসাধারণের কল্যাণে কাজ করতে চাই।

উল্লেখ্য, নাগরপুর উপজেলার ধুবড়িয়া ইউনিয়নের বিষমপুর গ্রামের কৃতি সন্তান ইউসুফ হোসেন লেনিন। তিনি দীর্ঘদিন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত ছিলেন। তিনি ঢাকা তেজগাঁও কলেজ থেকে ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয়ে ২০১৯ সালে বিবিএ (স্নাতক) এবং ২০২১ সালে এমবিএ (স্নাতকোত্তর) সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধুবড়িয়া ইউনিয়ন থেকে নিজেকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন তিনি।

1

জামালগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই শহিদ দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৮ পিএম
জামালগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই শহিদ দিবস পালিত

 

মো. শাহীন আলম, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে ‘জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রাণী মোদক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিনহাজুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও শিল্পী রাণী মোদক বলেন, “জুলাই শহিদরা ন্যায় ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের অগ্রসৈনিক। তাঁদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য এক অমূল্য সম্পদ। নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁদের অবদান তুলে ধরা এবং শহিদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেম, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ মো. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহিদরা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করে একটি জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
তিনি বলেন, “শহিদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। তাঁদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা ও মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”

এ সময় আরও বক্তব্য দেন জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল বাতেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মালেক, যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ শাহজাহান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুলফিকার চৌধুরী রানা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমির হাবিবুর রহমান, জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান, সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাসুক মিয়া, এনসিপির সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল হক, জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শাহীন আলম, সাধারণ সম্পাদক তাহের আহমদ, সিনিয়র সাংবাদিক তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ, জুলাই শহিদ পরিবারের পক্ষ থেকে শহিদ সোহাগের ভাই বিল্লাল মিয়া এবং জুলাই আন্দোলনে আহত যোদ্ধা বিপুলা বেগম।
বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁদের আদর্শ ও আত্মদানের চেতনা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। বৈষম্যহীন, মানবিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান তারা।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পীযূষ কান্তি মজুমদার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাব্বির সারোয়ার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ আজগার আলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাম কুমার সাহা, জামালগঞ্জ সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজল চন্দ্র সাহা, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা খালেদ আহমদ, জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন, জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমান প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা আব্দুল আহাদ, জামালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান ভূষণ চক্রবর্তী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক স্বপনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক, জনপ্রতিনিধি, সুধীজনসহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

1

বকশীগঞ্জে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
বকশীগঞ্জে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬  উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)  বিকালে  উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেনের  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক আসমা-উল – হুসনা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ আমিনুল ইসলাম, বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল, উপজেলা গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক শাহরিয়া আহম্মেদ সুমন, উপজেলা ছাত্র দলের আহ্বায়ক জুবাইদুল ইসলাম শামীম, জুলাই আহত শহিদুল ইসলাম সানিসহ উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যানগণ ও জুলাই যোদ্ধার পরিবারের সদস্য বৃন্দরা বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,জুলাই শহীদদের আত্মদান কেবল একটি আন্দোলনের স্মৃতি নয়, এটি অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর প্রতীক। তাঁদের ত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সত্য, ন্যায়, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করবে।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে জুলাইয়ের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।