মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাভারে মিস্ত্রি থেকে পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর, জানালেন গ্রামবাসী 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১:৫৬ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সাভারে মিস্ত্রি থেকে পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর, জানালেন গ্রামবাসী 

মোঃ শান্ত খান,ঢাকা জেলা প্রতিনিধিঃ

 

১৫ বছর আগে, গরুর খামারের তত্ত্বাবধায়ক ও সৌদি আরবে প্রবাস জীবনে ছোটখাটো যন্ত্রপাতির কাজে পটু কারিগর বা মিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়নের চাকুলিয়া গ্রামের মৃত আফসার উদ্দিন সেন্টুর ছেলে মো: কাজী জাবের (৩৩)।

শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর গ্রামের পদ্মা পাড়ে অবস্থিত সুরেশ্বর দরবার শরীফে মুরিদ হয়ে নাম পরিবর্তন করে নিজে পীর সেজে এখন নাম রেখেছেন পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর।

এক সময় তিনি মাটির ঘরে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। এখন পীর হয়ে চিকিৎসা দেয়ার নামে তাবিজ-কবজ দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গড়ে তুলেছেন বিলাসবহুল একটি মাজার শরীফ। সেই মাজারে বিভিন্ন জেলা থেকে মুরিদরা ও পার্শ্ববর্তী ধামরাই ও কেরানীগঞ্জ উপজেলার কিছু লোকজন এসে কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের পায়ে সেজদা দেয়।

শুধু তাই নয় পীর হয়ে নারী-পুরুষদের নিয়ে রাত জেগে মাদক সেবন এবং নাচগান করেন তিনি।
কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের ইসলামরিরোধী কর্মকাণ্ড ফাঁস এবং বিতর্কিত একাধিক বয়ানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

এ ঘটনায় সাভার, বনগাঁও ইউনিয়ন ও চাকুলিয়া  গ্রামের বাসিন্দারা সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত সাভার উপজেলা পরিষদ চত্বরে পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের আস্তানা উচ্ছেদ ও তার কার্যকলাপ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানবন্ধন করেছে।

বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন থেকে চাকুলিয়ার ভন্ড পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড ও সাধারণ মুসল্লিদের উপর বর্বরোচিত আক্রমণের প্রতিবাদ এবং গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ভন্ডপীর জাবেরকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। এতে প্রায় সহস্রাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর একজন ভণ্ড পীর। তিনি কয়েক বছর আগে এলাকায় গরুর খামারের তত্ত্বাবধায়ক এবং প্রবাসে মিস্ত্রির কাজ করতেন। ১৫ বছর পূর্বে কাজী জাবেরের বাবা ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে বিপথগামীতায় জড়িয়ে ধর্মান্তরিত হয়ে খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণ করেন এবং তিনি ধর্মান্তরিত হওয়ার পর খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকা সাভারের বিরুলিয়া ও ধরেন্ডা এলাকায় অবস্থান করে খ্রিস্টানদের উপাসনালয় গির্জায়া ধর্মীয় উপাসনার জন্য নিয়মিত যাতায়াত করতেন। ২০০৮ সালে কাজী জাবেরের বাবা মৃত্যুবরণ করলে খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী ও কয়েকজন খ্রিস্ট ধর্মগুরু বাড়িতে এসে কাজী জাবেরের বাবা আফসার উদ্দিন সেন্টুকে খ্রিস্টান ধর্মের বিধি অনুযায়ী সমাহিত করার চেষ্টা চালায়। তবে এলাকাবাসীর আপত্তির ভিত্তিতে তাকে মুসলিম ধর্মের বিধি অনুযায়ী জানাযা শেষে স্থানীয় পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত হলেও ধর্ম ব্যবসায়ী ভন্ডপীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর জানাযার পর উপস্থিত জনতাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কৌশলে সময় ক্ষেপণ করে রাতের অন্ধকারে কাউকে কোন কিছু না জানিয়ে নিজ বসত ঘরের মেঝেতে আফসার উদ্দিন সেন্টুর লাশ সমাহিত করেন। এর কয়েকদিন পর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে কবরটিকে মাজার হিসেবে রূপদান করেন। কাজী জাবের নিজেকে খেলাফত প্রাপ্ত পীর হিসেবে প্রচার চালিয়ে ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মভীরু ও মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে মুসল্লিদের মধ্যে ফাটল ধরানোর সর্বাত্মক চেষ্টা চালায়।

বক্তারা বলেন, কিছু ভণ্ড লোকের প্ররোচনায় প্রথমে আধ্যাত্মিক জগতের বেশ, পরে ভণ্ড পীর হয়েছেন তিনি। আস্তানা করে কিছু সহজ সরল মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তাবিজ-কবজের মাধ্যমে বশীভূত করেন এবং তার পায়ে সেজদা করান। ওরশের নামে নারী-পুরুষদের দিয়ে রাতভর নাচানাচি করেন। শুধু তাই নয় তার আস্তানায় মাদক সেবন করে নিঃসন্তান নারীদের ভিন্ন পর পুরুষদের সঙ্গে মেলামেশা করিয়ে কবিরাজি চিকিৎসা করেন তিনি। এ কারণে সমাজের নারী পুরুষ ও যুবকরা কুসংস্কার ও ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই ভণ্ড পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের আস্তানা উচ্ছেদ ও তার কার্যকলাপ বন্ধ করা প্রয়োজন।

বক্তারা আরো বলেন, অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ ও সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার জন্য স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও কয়েকজন মুসল্লী গত ২৯ সেপ্টেম্বর এশার নামাজের পর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরের বাড়িতে গেলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগে তাদের উপর গরম ফুটানো পানি শরীরে ঢেলে দিয়ে অতর্কিত আক্রমণ করে ইট পাটকেলসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিক্ষেপ করলে  মাওলানা তৈয়বুর রহমান, মাওলানা সাইদুর রহমান, মোশারফ, সাকিব ও পরশ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।

বক্তারা বলেন, স্থানীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা সাইদুর রহমানসহ আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকাকালে কাজী জাবের তার অনুসারীদের দিয়ে নিজের বাড়িতে নিজেই ভাঙচুর জ্বালিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পীরের বাড়িতে হামলা হয়েছে মর্মে অপপ্রচার চালিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের ভুল বুঝিয়ে সংবাদের শিরোনাম হয়। আহতরা সুস্থ হলে সাভার মডেল থানায় কাজী জাবেরসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রকৃত ঘটনাটি আড়াল করতে কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর বাদী হয়ে ঘটনার বিষয়ে আরেকটি কাউন্টার মামলা দায়ের করে। সেখানে হয়রানির উদ্দেশ্যে স্থানীয় ইমাম ও ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আসামী করে গ্রামের কয়েকশ সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়। সেই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ ভন্ডপীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পীর কাজী জাবের আল জাহাঙ্গীর বলেন, আমরা মুসলমান। ইসলামবিরোধী কোনো কাজ করি না। এলাকার এক শ্রেণির লোক আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। আমাদের মাজার শরীফে সেজদা দেয়া নিষেধ। তাছাড়া এখানে খারাপ কোনো কাজ হয় না।

1

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।

1

 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩০ পিএম
 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।

1

বিদেশে বিনিয়োগের নামে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ: লালমাইয়ের কামালের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫২ পিএম
বিদেশে বিনিয়োগের নামে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ: লালমাইয়ের কামালের বিরুদ্ধে মামলা

 

মোহাম্মদ উল্লাহ কুমিল্লা প্রতিনিধি

সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট ব্যবসার দেওয়ার কথা বলে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে কুমিল্লার লালমাই’র কামাল আহমেদ নামের একজন সুইজারল্যান্ডের প্রবাসী। টাকা ফেরত চাইতে উল্টা নানা রকমের হয়রানিসহ হত্যার হুমকি দিচ্ছে আত্মসাৎকারী। প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করায় কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সাউথ আফ্রিকার প্রবাসী কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া গ্রামের আবু বাহার। ২০২৫ সালের মামলাটি চলতি বছরের আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করলে পরে আদালত চলতি মাসের ১৫ তারিখে কামাল আহমেদ আসামি বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
অভিযুক্ত কামাল আহমেদ লালমাই উপজেলার অশ্বদিয়া গ্রামের ছোয়াব আহমেদের ছেলে।সুইজারল্যান্ড লুজানে রয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দেশে বাংলা বাজরে কয়েকটি মার্কেট ও অশ্বদিয়া গ্রামে তার একটি বাড়ি রয়েছে। মামলার ঘটনা জানার পর কামাল আহমেদ সুযোগ বুঝে পরিবার নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন।
মামলার সুত্রে জানা গেছে,নাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া গ্রামের আবু তাহের ছেলে আবু তাহের আবু বাহার সাউথ আফ্রিকার একজন প্রবাসী।তিনি দীর্ঘ বছর ধরে সাউথ আফ্রিকায় ব্যবসা করছেন।সাউথ আফ্রিকার প্রবাসী আবু বাহারকে সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট দেওয়া বলে তার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন কামাল আহমেদ।উভয়ে বাংলাদেশি হওয়ায় খুব দ্রুত তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি হয়।এক পর্যায়ে ২০২২সালে আবু বাহারের নামে সুইজারল্যান্ড লুজানে একটি হোটেল এবং রেষ্টুরেন্টে ব্যবসা করার উদ্দেশ্য
স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে দেয় কামাল আহমেদ।একই বছরের সেই চুক্তির টাকা লেনদেন করার জন্য প্রবাস থেকে দেশে আসেন কামাল আহমেদ ও আবু বাহার।২০২২ সালের ৩০ জুলাই লাকসাম পৌর শহরের বাইপাস নদীবাংলা ভুঁইয়া টাওয়ার এলাকায় কামালের সেই চুক্তি স্বাক্ষর স্ট্যাম্পে পেপার টি
উপস্থিতি স্বাক্ষীগণদের মাধ্যমে আবু বাহারকে বুঝিয়ে দিয়ে তার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন কামাল আহমেদ। এদিকে
কয়েক মাস পর আবু বাহার সুইজারল্যান্ড লুজানে গিয়ে জানতে পায় কামাল আহমেদ তার সাথে প্রতারণা করে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট দোকানটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিটক বিক্রি করে দেয়। কামাল আহমেদের কথা ও কাজের মিল না পেয়ে তাকে সন্দেহ করতে শুরু করেন আবু বাহার। আবু বাহার টাকা ও দোকানের জন্য একাধিকবার দেশে ও প্রবাসে কথা হলেও প্রতারক কামাল আহমেদ তালবাহানা শুরু করেন।অবশেষে পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো কামাল আহমেদ ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগী আবু বাহারকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে।
ভুক্তভোগী আবু তাহের আবু বাহার বলেন, সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট নামে একটি দোকান দিবে বলে কামাল আহমেদ স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর দেন।সেই পেপারটি নিয়ে দেশে এসে আমার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা নেন। আমি বিদেশে গিয়ে জানতে পারলাম সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্টটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে দেয় কামাল আহমেদ। সে আমার সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করেছে।এ ঘটনার পর থেকে কামাল আহমেদ আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে উল্টো নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাই গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে কামাল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা আহমেদসহ ৪ জনকে আসামি করে কুমিল্লায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।
রোববার (২৬ জুলাই) এ ব্যাপারে জানতে চাইলে লালমাই থানার (ওসি) মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন,আদালত থেকে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি কোন নথি থানায় আসেনি,গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাতে পেলে অল্প সময়ের মধ্যেই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে।’এছাড়াও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির লোকেশন নজরদারিতে রাখা হবে। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভুক্তভোগী আবু তাহের আবু বাহার বলেন, সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট নামে একটি দোকান দিবে বলে কামাল আহমেদ স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর দেন।সেই পেপারটি নিয়ে দেশে এসে আমার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা নেন। আমি বিদেশে গিয়ে জানতে পারলাম সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্টটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে দেয় কামাল আহমেদ। সে আমার সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করেছে।এ ঘটনার পর থেকে কামাল আহমেদ আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে উল্টো নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাই গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে কামাল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা আহমেদসহ ৪ জনকে আসামি করে কুমিল্লায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।