বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

রমজানের শেষ দশক, আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাতের অমিত আলোয় উদ্ভাসিত এক অমূল্য মুহূর্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫, ৮:৫৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রমজানের শেষ দশক, আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাতের অমিত আলোয় উদ্ভাসিত এক অমূল্য মুহূর্ত

 

লেখক 🖊️জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান:

রমজানের শেষ দশক মুসলিমদের জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত ও মাগফিরাত লাভের সুবর্ণ সুযোগ। এটি এমন একটি সময়, যখন মুসলিমরা আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমা ও বরকত লাভের জন্য নিজেদের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে, ইবাদত ও দোয়ার মাধ্যমে তার নৈকট্য লাভের চেষ্টা করে। এই সময়ের মধ্যে কিছু বিশেষ আমল রয়েছে, যা মুসলিমদের আত্মিক উন্নতি এবং আল্লাহর রহমত লাভে সাহায্য করে।

ঈতেকাফ: আল্লাহর সান্নিধ্যে একান্ত সময় কাটানোর অমূল্য সুযোগ

রমজানের শেষ দশকে ঈতেকাফ একটি বিশেষ আমল, যার মাধ্যমে মুসলিমরা মসজিদে অবস্থান করে একান্তভাবে আল্লাহর ইবাদত এবং স্মরণে সময় কাটান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ দশকে ঈতেকাফ করতেন এবং এটি মুসলিমদের জন্য এক অনন্য সুযোগ হয়ে থাকে আল্লাহর সান্নিধ্যে থাকার জন্য। হাদিসে বর্ণিত আছে, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ দশকে ঈতেকাফ করতেন।” (বুখারি, হাদিস: 2026)।

ঈতেকাফের মাধ্যমে একজন মুসলিম দুনিয়ার সমস্ত প্রলোভন থেকে মুক্ত হয়ে একান্তভাবে আল্লাহর ইবাদত করে। এটি আত্মিক উন্নতি ও পরিশুদ্ধির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

লাইলাতুল কদর: এক রাতের অমূল্য রহমত

রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর বা ক্ষমতার রাত আসে, যা হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।” (সূরা কদর, আয়াত 3)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর পায়, সে তার পূর্বের সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়ে যায়।” (বুখারি, হাদিস: 2013)। এই রাতটি এমন একটি রাত, যখন আল্লাহ তার বান্দাদের ক্ষমা করেন এবং তাদের দোয়া কবুল করেন।

লাইলাতুল কদরের রাতে বেশি বেশি দোয়া, ইবাদত ও কোরআন তিলাওয়াত করা এক উত্তম আমল, যা মুসলিমদের জন্য ক্ষমা ও মাগফিরাত লাভের এক অমূল্য সুযোগ এনে দেয়।

দোয়া ও যিকির: আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার সময়

  1. রমজানের শেষ দশকে দোয়া এবং যিকির আল্লাহর কাছ থেকে রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রমজানের শেষ দশকে আল্লাহ তার বান্দাদের ক্ষমা করেন।” (মুসলিম, হাদিস: 1160)। এই সময়টিতে মুসলিমরা আল্লাহর প্রতি নিজের সমস্ত পাপ, দুঃখ ও সংকট তুলে ধরে ক্ষমা চায়।

আল্লাহ তাআলা বলেন, “তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমি তোমাদের স্মরণ করব।” (সূরা বাকারা, আয়াত 152)। আল্লাহর যিকির ও দোয়ার মাধ্যমে বান্দা তার সম্পর্ক আল্লাহর সাথে আরো গভীর করে এবং তার ইবাদত গ্রহণযোগ্য হয়।

সাদকা ও দান: মানবতার কল্যাণে অবদান রাখার এক মহান সুযোগ

রমজানে সাদকা বা দান করার এক বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, বিশেষত রমজানের শেষ দশকে। এটি আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমজান মাসে সাদকা দেয়, তার পাপ মাফ করা হয়।” (বুখারি, হাদিস: 1894)।

সাদকা, শুধু অর্থের দান নয়, বরং সমাজের দরিদ্র ও অসহায়দের সাহায্য করা। এই সময়টিতে, দানের মাধ্যমে আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ করা সম্ভব হয়। যারা সাদকা দেয়, তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে এবং সামাজিক কল্যাণে অংশগ্রহণ করে।

কোরআন তিলাওয়াত: আল্লাহর বাণী হৃদয়ে ধারণ করার সুযোগ

রমজানের শেষ দশকে কোরআন তিলাওয়াত করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসের শেষ দশকে অধিক কোরআন তিলাওয়াত করতেন। হাদিসে এসেছে, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ দশকে সর্বাধিক কোরআন তিলাওয়াত করতেন।” (মুসলিম, হাদিস: 1155)।

কোরআন তিলাওয়াত আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর বাণী হৃদয়ে ধারণ করার একটি মাধ্যম। এটি মুসলিমদের জন্য আধ্যাত্মিক শুদ্ধতা অর্জনের পথপ্রদর্শক। কোরআনের প্রতিটি বাণী আমাদের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করে এবং আল্লাহর সাহায্য ও অনুগ্রহ লাভের পথ প্রশস্ত করে।

আল্লাহর রহমতের সময়: রমজানের শেষ দশকের সুযোগ

রমজানের শেষ দশক আল্লাহর বিশেষ রহমত ও ক্ষমা লাভের সময়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রমজানের শেষ দশকে আল্লাহ তার বান্দাদের ক্ষমা করে দেন এবং তাদের মুক্তি দেন।” (মুসলিম, হাদিস: 1163)। এই সময়টিতে, আল্লাহ তার বান্দাদের পাপ থেকে মুক্তি দিয়ে তাদের জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দেন।

এই বিশেষ সময়টিতে, মুসলিমরা আল্লাহর কাছ থেকে তার অশেষ রহমত লাভের জন্য সমস্ত আমল ও ইবাদত করে থাকে, যার মাধ্যমে তারা তার ইবাদত গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করে এবং পৃথিবী ও পরকালে সুখী ও সফল হয়।

1

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে স্কুলের টিউবওয়েলের বিষাক্ত পানি পান করে অসুস্থ ৩০ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ভর্তি — পরিদর্শনে এমপি লাভলু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৭:৪৯ পিএম
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে স্কুলের টিউবওয়েলের বিষাক্ত পানি পান করে অসুস্থ ৩০ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ভর্তি — পরিদর্শনে এমপি লাভলু

 

নিজস্ব প্রতিবেদন :

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলের পানি পান করে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন কোমলমতি শিক্ষার্থী। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দ্রুত উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে গুরুতর অবস্থায় থাকা দুইজন শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা মামুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলে বিষাক্ত কোনো রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে দেয়। ফলে পানি বিষাক্ত হয়ে পড়ে এবং সেই পানি পান করেই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার ( গত, ২৩ জুন) রাতে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের বর্তমান অবস্থা জানতে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন টাঙ্গাইল-৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু।
এ সময় তাঁর সহধর্মিনী, নাগরপুর মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মনোয়ারা বেগম মুকুল উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে এমপি লাভলু চিকিৎসকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন এবং এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।
এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নাগরপুর উপজেলা শাখা ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক উদ্বেগ, আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

1

বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৫:০৬ পিএম
বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন

oplus_0

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের হলরুমে বীরমুক্তিযোদ্ধা আফসার আলীর উদ্যোগে কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সাদিয়া আফরিন ।

বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আফসার আলীর সভাপতিত্বে কুইজ প্রতিযোগিতায় এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ আমিনুল ইসলাম,  চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, সমাজ সেবক দেলুয়ার হুসেনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞান ভিত্তিক এই কুইজ প্রতিযোগিতায় উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন অতিথি’রা।

1

বকশীগঞ্জে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ‘পার্টনার’ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৬:৩৩ পিএম
বকশীগঞ্জে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ‘পার্টনার’ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে

Oplus_131072

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)” প্রকল্পের আওতায়‘পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা সরকারি গণগন্থাগার  হল রুমে এই পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  জামালপুর জেলার খামার বাড়ীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আলম শরিফ খান ।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি জামালপুরের  প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা পিনক কুমার সাহা ,  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা নওশেদ আলী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রমুখ।

দিনব্যাপী এই কংগ্রেসে পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক টেকসই কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় পর্যায়ের কৃষি উদ্যোক্তা, সফল চাষী এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।