শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

চান্দামারী ফাজিল মাদ্রাসায় ছাত্রদের মধ্যে মধ্যে উত্তেজনা, সাংবাদিক অবরুদ্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:০৯ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
চান্দামারী ফাজিল মাদ্রাসায় ছাত্রদের মধ্যে মধ্যে উত্তেজনা, সাংবাদিক অবরুদ্ধ

 

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-

রোববার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং ০৬:৫৯ পিএম.কুড়িগ্রামের রাজারহাটে চান্দামারী ফাজিল মাদ্রাসায় দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা কে কেন্দ্র করে ছাত্রদের দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এই উত্তেজনার এক পর্যায়ে দুই পক্ষ হাতাহাতি পর্যায়ে জড়িয়ে পড়েন।

রোববার ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১ঃ০০ ঘটিকায় রাজারহাট উপজেলার চান্দামারী ফাজিল মাদ্রাসায় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শাহ আলম সরকার গত দুই সাপ্তাহ ধরে চলমান উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে আসেন। এর আগে অত্র মাদ্রাসার দুই শিক্ষক এর বিরুদ্ধে ওই মাদ্রাসার ২৪জন ছাত্রী শ্রেণি কক্ষে শরীরে হাত দিয়ে শাসন করা ও অশালীন কথাবার্তা বলার অভিযোগ তুলে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা বেগম বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

ছাত্রীদের অভিযোগ তদন্তে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শাহ আলম সরকার কে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে চান্দামারী উপজেলার ফাজিল মাদ্রাসায় পাঠান। ওনি মাদ্রাসার অফিস রুমে বসে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকদের সাথে মত বিনিময় করেন। কিন্তু তিনি শারিরীক ভাবে অসুস্থ থাকায় তদন্তের শুনানি পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে পরামর্শ করে জানাবেন বলে উপস্থিত সকল কে জানান।

রাজারহাট উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শাহ আলম সরকার মাদ্রাসা থেকে চলে যাবার পরে দুই পক্ষ ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয় এবং দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা সাংবাদিক ইব্রাহিম আলম সবুজ তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ সম্প্রচার করলে বহিরাগত একদল উশৃঙ্খল যুবক তাকে চারিদিক থেকে ঘিরে অবরুদ্ধ করে রাখে। এক পর্যায়ে কয়েকজন সাংবাদিকের হস্তক্ষেপে ইব্রাহিম আলম সবুজকে ছেড়ে নিয়ে পরিবেশ শান্ত করে।

পরে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মুস্তাফিজুর রহমান কে সাংবাদিক অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয় টি জানালে তিনি ঘটনাস্থলে এক ভ্যান পুলিশ পাঠিয়ে দিয়ে পরিবেশ শান্ত করেন।

1

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন
মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান ড. ইসরাফিল শাহীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ড. ইসরাফিল শাহীন (মোহাম্মদ ইসরাফিল) ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান থিয়েটার নির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। ভারতের ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে ১৯৯১ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৯৯ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের স্ট্রিট থিয়েটার বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, ফিলিপাইন, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রে কর্মশালা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
পদ্ধতিগত অভিনয়, স্থানীয় নাট্যরীতি, নৃবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং মিতব্যয়ী দৃশ্যরূপে তাঁর কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত। থিয়েটারকে সমাজমুখী ও অংশগ্রহণমূলক ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় জেলাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Oplus_131072

 মোঃ ইমরান আকন্দ, (জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ কালে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে এই জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ সময় শ্রীবরদী উপজেলার কোর্নঝোড়া ইউনিয়নের জাহান আলী ছেলে শাকিল মিয়া কে আটক করা হয়। পরে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল- হুসনা, ট্যাগ অফিসার কামরুজ্জামান সহ অনেকেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরাকে জানান, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত তেল নেয়া, মজুত রাখা, প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।