শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬ ১৪৩২
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬ ১৪৩২

1

সলঙ্গায় হলুদের মাঠে মৌমাছির গুঞ্জণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:৪০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সলঙ্গায় হলুদের মাঠে মৌমাছির গুঞ্জণ

সাহেদ আলী,সিরাজগঞ্জ :

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় দিগন্তজোড়া মাঠজুড়ে এখন শুধুই হলুদের সমারোহ। যেদিকে চোখ যায়,সেদিকেই শুধু সরিষা ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্য।প্রজাপতির ঝাঁক আর মৌমাছির গুঞ্জণে মুখরিত সরিষার মাঠ যেন প্রকৃতির এক অনন্য রূপকল্প।কৃষকদের মুখে ফুটে উঠেছে সোনালী হাসি।ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সলঙ্গার মাঠে মাঠে হলুদ ফুলের সমারোহ দেখা যায়।কৃষকদের প্রচেষ্টা ও আধুনিক জাতের সরিষা চাষে এবার আশার স্বপ্ন বুনছেন কৃষকেরা।আবার অনেকেই বলছেন সরকারি কৃষি প্রণোদনার ফলে এবারে সলঙ্গা বিপ্লব ঘটেছে সরিষা আবাদে।
​সরেজমিনে সলঙ্গার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরিষার মাঠ ঘুরতে গিয়ে দেখা হয়, সলঙ্গা ব্লকের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সোহেল আরমান এর সাথে।তিনি জানান,ভোজ্যতেলের আকাশচুম্বী দামের কারণে কৃষকরা নিজেদের তেলের চাহিদা মেটাতে এবং বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে সরিষার চাষে বেশি ঝুঁকছেন।কৃষি বিভাগ থেকে সময় মতো কৃষি প্রণোদনা সার,বীজ ও পরামর্শ পাওয়ায় তারা এবার বড় ধরনের লাভের আশা করছেন।সরিষার মাঠে ছবি তুলতে আসা প্রকৃতি প্রেমীরা জানায়,সরিষার মাঠ শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জীবনমান বদলাচ্ছে না,বরং কৃষকদের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও বাড়িয়ে তুলছে।তাই তো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে কিশোর-কিশোরীসহ নানা বয়সীরা প্রতিদিনই সরিষার মাঠে সেলফি তোলা ও ঘোরাঘুরিতে আনন্দ করছেন।হলুদের রাজ্যে ঘুরতে আসা প্রকৃতিপ্রেমীরা আরও জানায়,সূর্যের আলো পড়তেই হলুদ গালিচার মত ঝলমল করতে শুরু করে সরিষার মাঠ।শীতের শিশিরভেজা সকালে সরিষা ফুলের সুবাস বাতাসে ভাসছে।হলুদ ফুলের মৌ মৌ গন্ধ আর ফুলে ফুলে মৌমাছিরা মধু সংগ্রহে ভিড় করছে।অনেক মৌয়ালরা সরিষা ক্ষেতের পাশে সারিবদ্ধভাবে তাদের মৌ-বক্স বসিয়েছেন।এতে একদিকে যেমন খাঁটি মধু উৎপাদিত হচ্ছে,অন্যদিকে পরাগায়নের ফলে সরিষার ফলনও বৃদ্ধি পাচ্ছে।এ
যেন ক্ষেতে সরিষা,চাকে মধু।
কয়েকজন কৃষকরা জানান,সরিষা ক্ষেতগুলো দেখে মনে হয় যেন প্রকৃতিতে আল্লাহ নিজ হাতে হলুদ চাদর বিছিয়ে দিয়েছে।হলুদের মায়া সরিষার আবাদে বদলে যাচ্ছে সলঙ্গার ফসলি মাঠ।উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুবর্না ইয়াসমিন সুমির বক্তব্য মতে,চলতি মৌসুমে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২৪ হাজার ৫৭০ হেক্টর।উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৪৩ হাজার ৫৮ টন।গত বছরের তুলনায় আবাদও বেড়েছে।তিনি আরো বলেন,
কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তেলের আমদানি নির্ভরতা কমাতে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে,উল্লাপাড়ার এই চিত্র তারই প্রতিফলন।আশা করা যাচ্ছে,আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে চলতি মৌসুমে এ এলাকায় সরিষার রেকর্ড উৎপাদন হবে,যা স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

মতিহার থানা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩০ পিএম
মতিহার থানা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জাকারিয়া আল ফয়সালঃ

রাজশাহীর মতিহার থানা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক ভূমি মন্ত্রী মরহুম অ্যাডভোকেট কোভিদ হোসেন অস্তিরের রুহের মাগফেরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মতিহার থানা বিএনপির সভাপতি একরাম আলী এবং সঞ্চালনা করেন রাজশাহী মহানগরের মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাসির হোসেন অস্তির।

বক্তারা মরহুম নেতৃবৃন্দের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন, তাদের রাজনৈতিক আদর্শ ও ত্যাগ নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণা হয়ে থাকবে। সংগঠনকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিতদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।

1

আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাভার ও আশুলিয়ার জনগণের আস্থার নাম রাকিব দেওয়ান রকিব।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৩ পিএম
আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাভার ও আশুলিয়ার জনগণের আস্থার নাম রাকিব দেওয়ান রকিব।

মোঃ মাসুদ রানা, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ছাত্র রাজনীতি থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে হাতে খড়ি। পড়াশোনার পাশাপাশি রাজনীতি যার নেশা হয়ে ওঠে। তবুও থেমে থাকেননি চালিয়ে গেছেন লেখাপড়া হয়েছেন ছাত্রনেতা
হয়েছেন ধামরাই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এ,জি,এস। মেধাবী ও কর্মঠ এবং পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্ব নিয়ে যিনি রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি হলেন পাথালিয়া ইউনিয়নের ধনিয়া গ্রামের স্বনামধন্য রাজনীতি ব্যক্তিত্ব পরিবারের সন্তান জনাব মোঃ রাকিব দেওয়ান রকিব।
ভাই ও বোনদের মধ্যে তিনি হলেন সবার চেয়ে ছোট অতি আদরের এবং স্নেহের। বড় ভাই হলেন আশুলিয়া থানা বিএনপির সহ সভাপতি বাসেদ দেওয়ান ও আশুলিয়া থানার বিএনপির যুবদল নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সোলায়মান দেওয়ান।
পুরো পরিবারটি যেন বিএনপির রাজনীতির একচ্ছত্র একটি পরিবার। পড়ালেখা শেষ করে যুবদলে যোগদান করেন ।সাভার ও আশুলিয়ার গণমানুষের আস্থাভাজন এমপি ডাক্তার দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুর হাত ধরে।
অনেক ত্যাগ ,তিতিক্ষা ও কষ্টের বিনিময়ে হয়েছেন আশুলিয়া থানার যুবদলের সভাপতি ও ঢাকা।জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি।
রাকিব দেওয়ান রকিব পাথালিয়া ইউনিয়নের গর্ব অসহায়, নিপীড়িত ,মানুষের কল্যাণে যিনি সবসময় নিজেকে বিলিয়ে দেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির জন্য যিনি সবসময় , মাঠে ,ময়দানে দিনরাত, অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন ।
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে হয়েছেন নির্যাতিত ,নিপীড়িত ,হামলা মামলার শিকার তবুও থেমে থাকেনি তার রাজনীতি ।রাজপথে দাপটের সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে চালিয়ে গেছেন সংগ্রাম। আর এই সংগ্রাম করতে গিয়ে বারবার তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে।
৫ ই আগস্টের পর আওয়ামী লীগ সরকার বিতাড়িত হওয়ার পর আশুলিয়া থানা যুবদল ও ঢাকা জেলা যুবদলের নেতা কর্মীদের নিয়ে রাজপথে মিটিং, মিছিল ও যুবদলকে একচ্ছত্র করতে দিনরাত পরিশ্রম করে গেছেন এবং পেয়েছেন সফলতা।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১৯ আসন থেকে ডাক্তার দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু হয়েছেন সংসদ সদস্য। রাকিব দেওয়ান রকিব সৎনিষ্ঠা, জন বান্ধব, ত্যাগী ও কর্মঠ,পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হওয়ায়।
সাভার ও আশুলিয়ার সর্বস্তরের জনগণ ও বিএনপি’র রাজনীতি মহল থেকে আগামী সাভার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনাব রাকিব দেওয়ান রকিবকে সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় সাভার ও আশুলিয়া সর্বস্তরের জনগণ।

1

আমের মুকুলের মিষ্টি মৌ মৌ ঘ্রাণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৮ পিএম
আমের মুকুলের মিষ্টি মৌ মৌ ঘ্রাণ

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

গ্রাম বাংলায় আম মানেই এক আবেগ,এক অনির্বচনীয় ভালোবাসা।আর সেই আবেগে নতুন রঙ ছড়িয়েছে আম গাছের মুকুল।ফাল্গুনি হাওয়ার ছোঁয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মিষ্টি মৌ মৌ ঘ্রাণ।ঋতুরাজ বসন্ত যেন আগাম বার্তা দিচ্ছে—আসছে মধুমাস,আসছে রসাল আমের দিন।
সলঙ্গা থানার ৬ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,বাড়ির আঙিনা,রাস্তার ধার,পুকুরপাড়,জমির আইল কিংবা বসতঘরের পাশের টিনের চাল ছুঁয়ে থাকা ডাল—যেদিকেই চোখ যায়,সেদিকেই হলদে-সবুজ মুকুলে ভরা আমগাছ।থোকা থোকা মুকুলের ভারে অনেক গাছের ডাল নুয়ে পড়েছে।প্রকৃতির এই অপরূপ সাজে চোখ ফেরানো দায়।
মুকুলের সৌরভে সুরভিত হয়ে উঠেছে সলঙ্গার পুরো জনপদ।ব্যস্ত মৌমাছিরা মধু আহরণে ছুটে বেড়াচ্ছে ডাল থেকে ডালে।বসন্তের সুবাতাস যেন আগাম সুখের বার্তা বয়ে আনছে—ডালে ডালে ঝুলবে রসাল আম,আর সেই আম-কে ঘিরেই প্রাণ ফিরে পাবে গ্রাম বাংলার অর্থনীতি ও স্বপ্ন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,সলঙ্গা এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে বড় বড় আমবাগান না থাকলেও প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই রয়েছে এক বা একাধিক আমগাছ।কেউ শখ করে লাগিয়েছেন দেশি জাত,আবার অনেকেই বিদেশি ও উন্নত কলম জাতের আমগাছ রোপণ করেছেন।এসব গাছেও এবার ব্যাপক হারে মুকুল ধরেছে,যা দেখে খুশি সাধারণ আমচাষিরা।
তবে ভালো ফলনের আশায় কেউ কেউ মুকুল আসার আগেই ভিটামিন ও হরমোন প্রয়োগ করেছেন।আবার পোকামাকড়ের আক্রমণ ও মুকুল ঝরা রোধে নিয়মিত ঔষধ স্প্রে করছেন অনেকেই।কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে,অনুকূল আবহাওয়া বজায় থাকলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না এলে এ বছর আমের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কিছু কিছু গাছে এত বেশি মুকুল এসেছে যে,ভারে ডাল ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।এমন দৃশ্য গ্রামবাংলার মানুষের মনে জাগাচ্ছে জ্যৈষ্ঠের মধুমাসের প্রতীক্ষা।মন যেন এখন থেকেই পাকা আমের স্বাদ কল্পনা করে পাগলপারা।
আমের মুকুলে সেজেছে সলঙ্গা। প্রকৃতির এই নব রূপ শুধু সৌন্দর্য নয়,এটি গ্রাম বাংলার আশা,স্বপ্ন আর অর্থনীতিরও প্রতীক।এখন সবার চোখ আকাশের দিকে—প্রকৃতি সহায় হলেই ডালে ডালে ঝুলবে সোনালি সুখ।