বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

স্বচ্ছতার সাথে এগিয়ে চলছে পবা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা আশ্রয়ণ প্রকল্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১০:৪৫ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্বচ্ছতার সাথে এগিয়ে চলছে পবা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা আশ্রয়ণ প্রকল্প

ডেইলি নিউজ বাংলা ২৪ ডেক্স রিপোর্ট :

পবা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি বাড়ির নির্মাণ কাজ স্বচ্ছতার সাথে এগিযে চলছে। পবা উপজেলার সদ্য বিদায়ী নির্বাহী অফিসার আবু সালেহ্ মোহাম্মদ হাসনাত। তিনি স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে গেলেও একটি মহল তাকে পবা উপজেলা থেকে সরিয়ে দিতে নানা পদক্ষেপ গ্রহন করে। শুধু তাই নয় তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। তবে এ বিষয়ে নির্বাহী অফিসার আবু সালেহ্ মোহাম্মদ হাসনাত প্রতিবাদ করেন এবং বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকায় প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি দেন।

তাঁর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ বিষয়ে সরেজমিনে তদন্ত করতে গেলে পাওয়া যায় ভিন্ন তথ্য। যাদের বক্তব্য দিয়ে প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছিলো তারাই বলছেন উল্টো কথা। তাদের কথা অনুযায়ী আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে ইউএনও আবু সালেহ্ মোহাম্মদ হাসনাত কে জড়িয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উপস্থাপিত তথ্যগুলো বেশ মনগড়া ও তথ্যহীন মনে হয়েছে।

সদ্য বিদায়ী ইউএনও নাকি ৩০টি বাড়ি নির্মাণে যেসব ইট লেগেছে তা একটি ইটভাটার মালিকের নিকট থেকে পুকুর কাটতে দেয়ার অনুমতির বিপরীতে ঘুষ হিসেবে নেয়া হয়েছিলো। এছাড়াও অন্য ইট ভাটার মালিকদেরও কোন টাকা দেননি তিনি। কিন্তু ইটভাটার মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় ভিন্ন তথ্য। বাড়ি নির্মাণের জন্য তিনি প্রায় ২০টি ইট ভাটা থেকে ইট ক্রয় করেন। তবে ইট সরবরাহ নিশ্চিত করা মাত্রই বিল/ভাউচারের বিপরীতে ভাটা মালিকদের নগদ অর্থে মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানান সরবরাহকারিরা।

সরবরাহকারী ইট ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি ও ক্যাশিয়ারসহ বেশ কয়েকটি ইট ভাটার মালিক যেমন মেসার্স এসএমআই ব্রিকস ভাটার মালিক মুকুল হোসেন, আরবিআর ব্রিকস’র স্বত্বাধিকার আক্তার হোসেন, এমএবি ব্রিকসের মালিক সানু ও এসকেএস ব্রিকসের মালিক সালাম সহ অন্যান্য সরবরাহকারিরা বলেন, ইট সরবরাহের বিপরীতে পুকুর খননের অনুমতির বিষয়টি সম্পূর্ণরূপেই ভিত্তিহীন। প্রতি হাজার ইটের মুল্য নয় হাজার টাকা দরে ইউএনও’র একজন প্রতিনিধি তাদের ভাটা থেকে নগদমূল্যে ইট কিনেছেন। কাটাখালি ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুস সালাম শেখ জানান, “পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দিষ্ট একটি ভাটা থেকে ইট কেনার প্রস্তাব দেয়া হলেও, তিনি সকল ইট ভাটা থেকে সমহারে ইট কেনার সিদ্ধান্ত নেন।”

বসবাসকারি ও সুবিধাভোগীরা বলেন, প্রকল্পের পুরোতন টিন সেড ঘর ভেঙ্গে যে বাড়িগুলো নির্মিত হয়েছে সেগুলোর গুণগতমান পার্শ্ববর্তী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২৬টি বাড়ির চাইতে অনেকগুণে ভাল বলে মন্তব্য করেন। এছাড়া ও প্রতিটি পিলারে চারটি করে রড ব্যবহার করা হয়েছে।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাভোগী ও বসবাসকারিরা জানান, প্রথমে কয়েক ট্রলি দুই নাম্বার ইট পাঠানো হয়েছিল ইট ভাটা থেকে। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ইউএনও স্যারকে ফোন দিলে তিনি এসে সেগুলো ফেরত পাঠান এবং ভালমানের ইট সরবরাহ নিশ্চিত করতে বলেন। সে মোতাবেক পরবর্তী সময়গুলোতে আর খারাপ ইট এখানে আসেনি। আরো উল্লেখ করা হয় প্রকল্প নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভা হয়নি। কিন্তু আশ্রয়ণ প্রকল্প ও এর অগ্রগতি নিয়ে গঠিত কমিটির সদস্যরা গত ৩০ জুলাই ও ১৮ আগস্ট সহ একাধিক সভা করেছেন এবং সরেজমিনে চলমান প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনও করেছেন। কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষরিত উপস্থিতি সভার দাপ্তরিক ডকুমেন্ট আছে কার্যালয়ে।

এদিকে খড়খড়ি হাট নিয়ে অনুসন্ধান করলে জানা যায় ইউএনও’র নিকট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে “নির্ধারিত টোলের চেয়ে অধিক হারে খাজনা আদায়” শিরোনামে একটি অভিযোগ দাখিল করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করে। এ প্রেক্ষিতে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অভিযোগের সত্যতা আছে মর্মে হাটের ইজারা বাতিলের প্রস্তাব দিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ইউএনও বিধি অনুযায়ী উপজেলা কমিটির সভায় প্রায় এক কোটি মূল্যমানের সেই হাটের ইজারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন এবং ইজারা বাতিল করে খাস আদায়ের জন্য এসিল্যান্ডকে দায়িত্ব দেন। এই ধরনের পজিটিভ সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণে ইউএনও এর সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট হাটের সংক্ষুব্ধ ইজারাদারগণ কিংবা অন্যকোন সুবিধাভোগী মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করেছে বলে মন্তব্য স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের।

আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণে নিয়মানুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন কাজটি বাস্তবায়ন করে থাকে। এই কমিটির আহ্বায়ক ইউএনও। আর সদস্য সচিব হচ্ছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী আবু বাশির (পিআইও)। এছাড়াও ঐ কমিটিতে আছেন, সাবেক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) অভিজিত সরকার, স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রকৌশলী মকবুল হোসেন ও হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। তাঁরা জানান, প্রকল্পের কাজ চলমান। বিভিন্ন সময় মিটিং হয়েছে। মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হয়। সরেজমিনে প্রকল্প স্থান পরিদর্শন করেছেন এবং কাজের মান ভাল পেয়েছেন বলে জানান। আর উপকারভোগীগণ কেউ কাজের মান বিষয়ে কোন প্রকার অভিযোগ করেননি বলে জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে সদ্য বিদায়ী নির্বাহী অফিসার আবু সালেহ্ মোহাম্মদ হাসনাত বলেন, তিনি প্রায় এক বছর ধরে এই উপজেলায় সম্মানের সাথে সরকারি সেবা জনগণকে প্রদান করেছেন। তাঁর সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ হয়ে থাকতে পারে। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বাস্তব অবস্থা তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন তিনি।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।

1

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ পিএম
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দেশে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে নতুন করে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে “সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ”-এর কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বাংলা পোর্টালের সম্পাদক ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি আলী আজগর ইমন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টায় সংগঠনের এক ভার্চুয়াল সভা শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধে শিগগিরই ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল ঘোষণা করা হবে। এতে সাংবাদিকদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মধ্যে থাকবেন আইনজীবী, ইমাম, পুরোহিত, চিকিৎসক, শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, নারী নেত্রী, ছাত্রনেতা, এনজিও প্রতিনিধি, আইটি বিশেষজ্ঞ, শ্রমিক নেতা ও মানবাধিকার কর্মীরা। সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই সংগঠনটি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সহযোগী সংগঠন হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে গেলে এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠনটি কার্যক্রম বিস্তৃত করে। সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিক ভার্চুয়াল সভায় কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনয়নের মাধ্যমে বাকি পদগুলো দ্রুত পূরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। হেড লাইন চেঞ্জ করে দিন

1

নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

 

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগম মনোনীত হয়েছেন। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাছিম উদ্দিন আহমদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ মনোনয়ন প্রদান করা হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের গভর্নিং বডি (সংশোধিত) বিধিমালা ২০১৯-এর ৭ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে আগামী দুই বছর তিনি গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে বিশেষ প্রয়োজনে ভাইস-চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ মনোনয়ন প্রত্যাহারের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

একই আদেশে কলেজটির পূর্ণাঙ্গ গভর্নিং বডি গঠনের লক্ষ্যে সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগমের সুপারিশক্রমে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রিধারী তিনজন শিক্ষানুরাগী সদস্যের নাম প্রস্তাব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দায়িত্ব পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মনোয়ারা বেগম বলেন, “নাগরপুর মহিলা কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতিতে আমি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।”

এদিকে, তার এ মনোনয়নে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবক মহলে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।