মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

1

শীতে গরমের উষ্ণতা পেতে ফুটপাতের দোকানে ভীড়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:৪৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শীতে গরমের উষ্ণতা পেতে ফুটপাতের দোকানে ভীড়

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

সাহেদ আলী.সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

উত্তরের হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা।তীব্র শীতের প্রকোপে জনজীবন বিপর্যস্ত। গত কয়েকদিন ধরে অনুভূত হচ্ছে শীতের তীব্রতা।গ্রামাঞ্চলে বসবাসরত মানুষদের খুব বেশী ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।বিশেষ করে চরম কষ্টে দিন কাটছে দিন মজুরদের।দুপুর পর্যন্ত সূর্যের তেমন দেখা মেলে না।আবার সন্ধ্যার পর পরই জনশুন্য হয়ে পড়ে হাট-বাজার গুলো।মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।ঘন কুয়াশা আর হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।ঠান্ডায় সাধারণ মানুষ যবুথবু হয়ে পড়েছে।
পৌষের কনকনে শীতের কারণে ঠান্ডা জনিত রোগও বেড়েই চলেছে।তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী,ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষগুলো।শীত বেশি পড়ায় শিশু ও বয়:বৃদ্ধদের বেগ পোহাতে হচ্ছে। প্রশাসন ও বিত্তবানদের কাছে সমাজের অসহায় ও গরিব মানুষেরা শীত নিবারনের জন্য গরম কাপড় কম্বলের আশা করছে।এখনও এ এলাকায় মানবতার হাত বাড়িয়ে শীতবস্ত্র বিতরণের কোন খবর জানা যায়নি। গরম কাপড়ের অভাবে অতি কষ্টে রাত কাটাচ্ছে তারা।তাই তো সিরাজগঞ্জের সলঙ্গাবাসী শীত নিবারনে ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভীড় করেছে।নিম্ন ও মধ্যবিত্তরাই ফুটপাতের দোকানে বেশী কেনাকাটা করছে।শীতে কাবু মানুষেরা সোয়েটার,জ্যাকেট,চাদর,মাফলার,মুজা,উলের টুপি ও জাম্পার কিনছে দোকান থেকে।শীতের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলেছে।প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সলঙ্গা বাজারের মাংশ হাটা হতে ভূষাল হাটা পর্যন্ত ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে ভীড় বেড়েছে।নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা সাধ্যমত তাদের পরিবারের জন্য শীতের পোশাক কিনছে।বড়
মার্কেট ও বিপণী দোকানগুলোতে যে পোশাক ১ হাজার থেকে ১২শ’ টাকায় কিনতে হয়,সেই পোশাক ফুটপাতের দোকান ৬ থেকে ৭ শ’ টাকায় কিনছে তারা।রিক্সা চালক ছমির মোল্লা জানায়,এত শীতে রিক্সা চালাতে চরম কষ্ট হচ্ছে।তাই তো ফুটপাতের দোকান থেকে কম দামে জ্যাকেট কিনতে এসেছি।ফুটপাতে কিনতে আসা ক্রেতারা আরও জানায়,বাসায় ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা আছে,তাদের জন্যই শীতের পোশাক কিনতে এসেছি।আরেকজন অসচ্ছল ক্রেতা জানায়,টাকা পয়সা নেই।বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা আছে।তবুও তাদের কথা ভেবে বাজারে ঢোপ ঘর ও ফুটপাতের দোকান থেকে শীতের কাপড় কিনতে এসেছি।ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানদার আরজু,রাসেল,নান্নু,শাহ আলম জানায়,আমরা এই সিজনে শীতের পোশাক কম দামে বেশী বিক্রি করে থাকি।বাজারের বড় ব্যবসায়ীদের সাথেই মোকাম থেকে পোশাক নিয়ে থাকি।আমাদের দোকান ভাড়া,জামানত,কর্মচারি বিল,বিদ্যুৎ বিল কিছুই দিতে হয় না,তাই আমরা কম লাভে বেশী বিক্রি করি বলেই এতে আমাদের পরিবার চলে।ভ্যান গাড়িতে করে বিক্রি করা ভ্রাম্যমান পুরাতন জ্যাকেট বিক্রেতা,সলঙ্গার সুপরিচিত মোফাজ্জল হোসেন জানান,শীতের সময় এলেই ভ্যানে করে সলঙ্গাসহ আশেপাশের বিভিন্ন জায়গায় শীতবস্ত্র জ্যাকেট,জাম্পার,সুয়েটার কম দামে বিক্রি করে থাকি।এত শীতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবী।এমন সময়ে সরকারি,বেসরকারি ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান সলঙ্গার সচেতন মহল।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।

1

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ পিএম
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দেশে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে নতুন করে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে “সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ”-এর কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বাংলা পোর্টালের সম্পাদক ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি আলী আজগর ইমন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টায় সংগঠনের এক ভার্চুয়াল সভা শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধে শিগগিরই ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল ঘোষণা করা হবে। এতে সাংবাদিকদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মধ্যে থাকবেন আইনজীবী, ইমাম, পুরোহিত, চিকিৎসক, শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, নারী নেত্রী, ছাত্রনেতা, এনজিও প্রতিনিধি, আইটি বিশেষজ্ঞ, শ্রমিক নেতা ও মানবাধিকার কর্মীরা। সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই সংগঠনটি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সহযোগী সংগঠন হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে গেলে এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠনটি কার্যক্রম বিস্তৃত করে। সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিক ভার্চুয়াল সভায় কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনয়নের মাধ্যমে বাকি পদগুলো দ্রুত পূরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। হেড লাইন চেঞ্জ করে দিন

1

নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

 

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগম মনোনীত হয়েছেন। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাছিম উদ্দিন আহমদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ মনোনয়ন প্রদান করা হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের গভর্নিং বডি (সংশোধিত) বিধিমালা ২০১৯-এর ৭ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে আগামী দুই বছর তিনি গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে বিশেষ প্রয়োজনে ভাইস-চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ মনোনয়ন প্রত্যাহারের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

একই আদেশে কলেজটির পূর্ণাঙ্গ গভর্নিং বডি গঠনের লক্ষ্যে সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগমের সুপারিশক্রমে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রিধারী তিনজন শিক্ষানুরাগী সদস্যের নাম প্রস্তাব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দায়িত্ব পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মনোয়ারা বেগম বলেন, “নাগরপুর মহিলা কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতিতে আমি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।”

এদিকে, তার এ মনোনয়নে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবক মহলে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।