রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ ১৪৩২
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ ১৪৩২

1

বিদেশি নম্বর থেকে হুমকি, পরদিনই গুলি করে হত্যা—শিবালয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বিদেশি নম্বর থেকে হুমকি, পরদিনই গুলি করে হত্যা—শিবালয়ে চাঞ্চল্য

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তেওতা বালুমহালে দায়িত্ব পালনকে কেন্দ্র করে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ কাওছার আলম খান শিবালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঘটনার পরদিনই সংশ্লিষ্ট বালুমহালের এক ম্যানেজারকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটায় এলাকায় চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।

জিডি সূত্রে জানা যায়, মোঃ কাওছার আলম খান (৩৬) টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার জাঙ্গালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে শিবালয় থানাধীন তেওতা বালিমহলে বালির দায়িত্বে কর্মরত রয়েছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৫টা ৯ মিনিটে একটি অজ্ঞাত বিদেশি নম্বর (+৯৬৬৫৫৬৭৩০৭৫৬) থেকে তার ব্যক্তিগত মোবাইলে হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় তেওতা চর থেকে বাল্কহেড জাহাজে বালি বিক্রি অব্যাহত রাখলে তাকে খুন-জখম করার হুমকি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে কাওছার আলম খান ২ এপ্রিল শিবালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। তার জিডি নম্বর ৮৮ এবং ট্র্যাকিং নম্বর XBFM35।

ভুক্তভোগী কাওছার আলম খান বলেন, “অজ্ঞাত নম্বর থেকে এমন হুমকি পাওয়ার পর আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বিষয়টি থানায় নথিভুক্ত করেছি।”

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হুমকির ঘটনার পরদিনই বালুমহালের ইজারাদার সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা দলের সদস্য ম্যানেজার মিরাজকে সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে। নিহত মিরাজের বাড়ি পাবনা জেলার দাপুনিয়া গ্রামে বলে জানা গেছে।

হুমকি ও হত্যার এই ধারাবাহিক ঘটনায় তেওতা বালিমহল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে বালুমহাল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, আমি বিষয়টা শুনেছি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

1

যশোর বেনাপোল স্থলবন্দরে আবারো ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, প্রায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থলবন্দরে আবারো ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, প্রায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
যশোরের বেনাপোল  স্থলবন্দরে আবারও ঘোষণাবহির্ভূত বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করেছে কাস্টম। সিন্থেটিক ফেব্রিক্স ঘোষণার আড়ালে লুকিয়ে আনা ৬৭৯ পিস উন্নতমানের শাড়ি জব্দ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সরকারের প্রায় এক কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (৫ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দরের ১৯ নম্বর শেডে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারি সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন ও মুক্তা চৌধূরী।
কাস্টমস সূত্র জানায়, ঢাকার ‘নুসরাত ট্রেডিং’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আমদানিকৃত চালানটি ‘সিন্থেটিক ফেব্রিক্স অ্যান্ড লেস’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। চালানটির সিএন্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করে ‘খাজা এন্টারপ্রাইজ’। ম্যানিফেস্ট নম্বর ৬০১/২০২৬/০০২০০২৫/০৪, তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৬।
ঘোষণা অনুযায়ী প্যাকেজ সংখ্যা ছিল ২৬০টি। তবে গণনার সময় অতিরিক্ত ৭টি প্যাকেজ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৮টি প্যাকেজে পাওয়া যায় ঘোষণাবহির্ভূত উন্নতমানের শাড়ি-যার মধ্যে ২৫০টি মিডিয়াম মানের এবং ৪২৯টি গর্জিয়াস শাড়িসহ মোট ৬৭৯ পিস।
পণ্যগুলো ভারত থেকে দুটি ট্রাকে করে আনা হয়। ডব্লিউবি-২৫-ডি-১২৩৫ নম্বর ট্রাকে ১২৫ প্যাকেজ এবং এনএল-০২-এন-৮৩৮৩ নম্বর ট্রাকে ২৩৫ প্যাকেজ নিয়ে আসার কথা।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ঘটনাস্থল ১৯ নাম্বারের শেড ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, ঘোষণাবহির্ভূত ও ঘোষণার বাইরে অতিরিক্ত পণ্য পাওয়ায় তা জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
কাস্টমস সূত্র আরও জানায়, প্রতি পিস শাড়ির মূল্য প্রায় ৪০ ডলার এবং শুল্ক ১২৯ শতাংশ  প্রযোজ্য ছিলো। সে হিসেবে জব্দকৃত শাড়িগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৭৭ লাখ ৭৪ হাজার ৫৫০ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান ‘খাজা এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক মৃত আবুল হোসেনের পক্ষে কাজ করা প্রতিনিধি ইব্রাহীমকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে পণ্যটি রিসিভ করেন একই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ইমরান হোসেন (কার্ড নং ৮২/২০)।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, এ ধরনের শুল্ক ফাঁকি নিয়মিত ঘটছে, যার ফলে সৎ ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন এবং রাজস্ব খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে।
এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান চলমান ছিল।

1

যশোর কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া স্বর্ণালংকার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৪ পিএম
যশোর কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া স্বর্ণালংকার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার
মনা  = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
ভুক্তভোগী মোছাঃ জেসমিন নাহার (৩০), পিতা: মোঃ জাহাঙ্গীর খন্দকার, মাতা: হামিদা বেগম, গ্রাম-পাঁচবাড়ীয়া ডাক্তার পাড়া, ইউনিয়ন/ওয়ার্ড -৪-নোয়াপাড়া, থানা -কোতয়ালী, জেলা -যশোর থানাতে হাজির হয়ে সাধারণ ডায়রীর আবেদন করে যে, ইং-২৩/০৩/২০২৬ তারিখে বেলা অনুমান ০৪:৩০ ঘটিকার সময় যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন নিউমার্কেট শিশু হাসপাতাল হতে ০৬:০০ ঘটিকার সময় রিক্সা যোগে (লাল নীল রং এর রিক্সা এবং পিছনে আর্ট নজরুল লেখা ছিল) বারান্দীপাড়া লিচুতলা পূজা মন্দির এর সামনে পৌছালে দেখেন যে, তার নিকটে থাকা গোলাপী রং এর ভ্যানিটি ব্যাগ তার নিকট নাই। ব্যাগটির ভিতরে ৫ আনা ওজনের ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ৩ আনা ওজনের ১টি স্বর্ণের আংটি, ৫ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, এছাড়াও নগদ কিছু টাকা এবং ০১টি বাংলালিংক সিম ছিল। অফিসার ইনচার্জ, কোতয়ালী মডেল থানা, যশোর উক্ত জিডি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এএসআই (নিঃ) শেখ আঃ বাতেন এর নামে হাওলা করে।
পুলিশ সুপার, যশোর মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ, কোতয়ালী মডেল থানা, যশোর এর তত্ত্বাবধানে কোতয়ালী মডেল থানাধীন সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই(নিঃ) মোঃ নূর-উন-নবী, এএসআই (নিঃ) শেখ আঃ বাতেন সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয় একটি চৌকস টিম ঘটনাস্থল ও তাহার আশে পাশের একাধিক সিসিটিভি পর্যালোচনাসহ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হারিয়ে যাওয়া ৫ আনা ওজনের ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ৩ আনা ওজনের ১টি স্বর্ণের আংটি, ৫ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ০৩/০৪/২৬ খ্রিঃ সময় রাত ০২.৩০ ঘটিকায় যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ইং- ০৫/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ যশোর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম সেবা মহোদয় উক্ত হারিয়ে যাওয়া স্বর্নলংকার সহ ব্যাগটি  বাদীর নিকট প্রদান করেন।

1

 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ আটক ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ আটক ১
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ১০ বোতল উইনিক্স সিরাপ, ১১ বোতল ESKUF সিরাপ ও ১টি ইজি বাইকসহ এক মাদক চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা।
আটক আসামি হলেন, বেনাপোল পোর্টথানার পুটখালী গ্রামের মৃত বকবু সরকারের ছেলে কালাম হোসেন (৩৫)।
খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, বিজিবি’র অভিযান  কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত চোরাচালানী মালামাল এবং মাদকসহ পাচার চক্র আটকের ক্ষেত্রে সীমান্তে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারী ও টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ( ০৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ)  গোগা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০ বোতল উইনিক্স সিরাপ, ১১ বোতল ESKUF সিরাপ এবং ১টি ইজি বাইকসহ এক মাদক চোরাকারবারিকে আটক করা হয়।
যার আনুমানিক সিজার মূল্য ২,০৮,৪০০/- টাকা।
বিজিবি অধিনায়ক আরো জানান যে, দেশের সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অন্যান্য চোরাচালানীসহ যে কোন ধরণের চোরাচালান বন্ধে বিজিবি’র এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে