1
বিদেশি নম্বর থেকে হুমকি, পরদিনই গুলি করে হত্যা—শিবালয়ে চাঞ্চল্য

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তেওতা বালুমহালে দায়িত্ব পালনকে কেন্দ্র করে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ কাওছার আলম খান শিবালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঘটনার পরদিনই সংশ্লিষ্ট বালুমহালের এক ম্যানেজারকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটায় এলাকায় চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।
জিডি সূত্রে জানা যায়, মোঃ কাওছার আলম খান (৩৬) টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার জাঙ্গালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে শিবালয় থানাধীন তেওতা বালিমহলে বালির দায়িত্বে কর্মরত রয়েছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৫টা ৯ মিনিটে একটি অজ্ঞাত বিদেশি নম্বর (+৯৬৬৫৫৬৭৩০৭৫৬) থেকে তার ব্যক্তিগত মোবাইলে হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় তেওতা চর থেকে বাল্কহেড জাহাজে বালি বিক্রি অব্যাহত রাখলে তাকে খুন-জখম করার হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে কাওছার আলম খান ২ এপ্রিল শিবালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। তার জিডি নম্বর ৮৮ এবং ট্র্যাকিং নম্বর XBFM35।
ভুক্তভোগী কাওছার আলম খান বলেন, “অজ্ঞাত নম্বর থেকে এমন হুমকি পাওয়ার পর আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বিষয়টি থানায় নথিভুক্ত করেছি।”
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হুমকির ঘটনার পরদিনই বালুমহালের ইজারাদার সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা দলের সদস্য ম্যানেজার মিরাজকে সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে। নিহত মিরাজের বাড়ি পাবনা জেলার দাপুনিয়া গ্রামে বলে জানা গেছে।
হুমকি ও হত্যার এই ধারাবাহিক ঘটনায় তেওতা বালিমহল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে বালুমহাল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, আমি বিষয়টা শুনেছি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।










