বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩

1

দুই কিডনি বিকল, বাঁচার আকুতি বিষু ব্যাপারীর : সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৪:৫৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
দুই কিডনি বিকল, বাঁচার আকুতি বিষু ব্যাপারীর : সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বাবনাপাড়া (বেপাড়িপাড়া) এলাকার মৃত আব্দুল হামিদ ব্যাপারীর ২৭ বছর বয়সী ছেলে মোঃ বিষু ব্যাপারী দুই কিডনি বিকল হয়ে চরম শারীরিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে তিনি ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD)-এর শেষ পর্যায় (ESRD)-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন। চিকিৎসা সূত্রে জানা যায়, বিষু ব্যাপারীর উভয় কিডনি প্রায় সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হয়ে গেছে। বর্তমানে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছেন এবং নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে জীবনধারণের চেষ্টা করছেন। মৃত আব্দুল হামিদ ব্যাপারী পেশায় ছিলেন চিড়ামুড়ির টানা বিক্রেতা। বাপের সেই ঐতিহ্যবাহী পেশাকেই ধারণ করে বিষু ব্যাপারীও একই ব্যবসা শুরু করেন এবং তার সামান্য আয়ের ওপরই মা মমতাজ বেগম ও দুই বোনের সংসার চলত। বড় ভাই আলাদা হয়ে যাওয়ার পর পরিবারের পুরো দায়িত্ব ছিল তার কাঁধে। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় এখন পরিবারের আয়ের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবার জানায়, এখন পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ টাকা চিকিৎসার পেছনে ব্যয় হয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য আরও ২ থেকে ৩ লাখ টাকার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি নিয়মিত ওষুধ ও চিকিৎসা বাবদ প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে, যা দরিদ্র পরিবারের পক্ষে বহন করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিষু ব্যাপারীদের নিজস্ব কোনো বসতভিটা নেই। বাবনাপাড়া ওয়ার্ডের মৃত রহম আলী মেম্বার নঙ্গিনাবাড়ি মসজিদ কমিটির জায়গা ভাড়া নিয়ে তাদের বসবাসের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। সেখানেই তারা বর্তমানে কোনোমতে বসবাস করছেন। বিষুর মা মমতাজ বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলেই ছিল সংসারের একমাত্র ভরসা। এখন সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমরা খুব কষ্টে আছি। চিকিৎসার খরচ চালাতে পারছি না। সমাজের বিত্তবানদের কাছে আমার ছেলেকে বাঁচানোর জন্য সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি।” বিষুর স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন, “আমার স্বামী খুব অসুস্থ। ডাক্তার বলেছেন তার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা খুব কষ্টে আছি। চিকিৎসার খরচ চালাতে পারছি না। সমাজের বিত্তবানদের কাছে আমার স্বামীকে বাঁচানোর জন্য সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি।” অসুস্থ বিষু ব্যাপারী বলেন, “ডাক্তার বলেছেন আমার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। আমি বাঁচতে চাই। আবার সুস্থ হয়ে মা ও বোনদের পাশে দাঁড়াতে চাই। সবাই একটু সাহায্য করুন।” এ বিষয়ে নাগরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কুদরত আলী বলেন, “বিষু ব্যাপারীর পরিবার অত্যন্ত অসহায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য যে অর্থ প্রয়োজন, তা তাদের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। আমি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।” বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে রয়েছে। মানবিক এই সময়ে সমাজের সহৃদয় ও বিত্তবান ব্যক্তিদের কাছে বিষু ব্যাপারীর জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সহায়তা পাঠানোর বিকাশ (পারসোনাল): ০১৭৮৫৭৭২৬৮৫

1

বকশীগঞ্জে আইন – শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:৩২ পিএম
বকশীগঞ্জে আইন – শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

oplus_0

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

 

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় আইন – শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন )  সকাল ১১ টায় উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় এসময় বক্তব্য রাখেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক আসমা- উল – হুসনা

বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন ,উপজেলা প্রণীসম্পদ কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন, উপজেলা কৃষি অফিসার আমিনুল ইসলাম হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মানিক সওদাগর, সাধারন সম্পাদক জাহিদুর ইসলাম প্রিন্স , বিজিবির কম্পানি কমান্ডার বিল্লাল হোসেন,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক  বীরমুক্তিযোদ্ধা নওশেদ আলী, মেরুচর ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মন্জু, বগারচর ইউনিয়র পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত)  চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ, বাট্টাজোড় ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান লিটন আকন্দ, বকশীগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাবের উপজেলা প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালন ও  উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও আরটিভির প্রতিনিধি জিএম ফাতিউর হাফিজ বাবুসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।

সভায়, সীমান্তে পুশইন নিয়ে উত্তেজনা, পৌর শহরে ফুটপাত দখলমুক্ত করা, যানজট নিরসনে উদ্যোগ গ্রহণ করা, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা , হাসপাতালে দালাল নির্মূল করা, মাদকের  বিরুদ্ধে  অভিযান পরিচালনা করা, চুরি ছিনতাইসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

1

বকশীগঞ্জে জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:২৬ পিএম
বকশীগঞ্জে জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে।

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরের বকশীগঞ্জে দেশীয় ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি, পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফল মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ ফল মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আসমা উল হুসনা, প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া আফরিন,  কৃষি অফিসার আমিনুল ইসলাম , উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্সসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় ও মৌসুমি ফলের মনোমুগ্ধকর প্রদর্শনী করা হয়। দর্শনার্থীরা ফলের বিভিন্ন জাত, পুষ্টিগুণ ও চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন। এ সময় বক্তারা দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ফল চাষে কৃষকদের আরও উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

1

পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে নিয়ম মেনে পাসপোর্টের আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিলে ত্রুটি দেখিয়ে বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। তবে দালল ধরে ফরম জমা দিলে সেটি সহজেই জমা দেওয়া যাচ্ছে। এর জন্য দালালদের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসকে দিতে হচ্ছে ঘুষ। অনিয়ম-দুর্নীতি যেন এখানে নিয়ম ও নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
হাসমত আলীর বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামে। নিজের পাসপোর্টের আবেদন ফরম জমা দিতে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস। তাঁর কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, আবেদনপত্রের একটি বিশেষ পাতা। ওই পাতায় লেখা একটি বিশেষ ‘সংকেত’। সেই সংকেতটি ইংরেজিতে লেখা দুইটি বর্ণ। বর্ণের পাশে হাইফেন দিয়ে লেখা দুইটি ইংরেজি সংখ্যা। এ কোড দেখে পাসপোর্ট অফিসের ফরম জমা নেওয়া কর্মচারী কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই আবেদনটি জমা নিয়ে নিলেন। গত ১০ জুন বেলা পৌনে বারোটার দিকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে এমন ঘটনা ঘটে।
এর কিছুক্ষণ আগে আবেদন জমা দিতে না পেরে হতাশ হয়ে বের হন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আজমতপুর এলাকার তরুণ রাব্বি আহমেদ। তাঁর আবেদনটি ‘ত্রুটি’ থাকায় জমা নেওয়া হয়নি। এরপর রাব্বি আহমেদ তাঁর দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে অফিসের বাইরে একটি দোকানে যান দালাল ধরতে। রাব্বি আহমেদ বলেন, ‘আমার সব কাগজ ঠিকই ছিল। তবে জমা না নিয়ে পরের দিন যেতে বলল।’
এক শ্রেনীর দালাল চ্যানেল ফাইল করে দেয় বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫ শত টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসকে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে।
সরেজমিনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সামনে দেখা যায়, সকাল থেকেই সেখানে অনেক দালাল ঘুরতে থাকে। পাসপের্ট আবেদন করার জন্য লোক আসামাত্রই দালালরা সেবা গ্রহীতাদের ইশারায় এবং কখনো সরাসরি তাদের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে বলে। দালালদের মাধ্যমে জমা দেওয়া পাসপোর্টের আবেদন ফরমকে বলা হয় ‘চ্যানেল ফাইল’। চ্যানেল ফাইলের বিষয়ে কথা হয় তিনজন দালালের সঙ্গে। শুরুতে তাঁরা এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। পরে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা জানান, পাসপোর্ট অফিসের এ ধরনের দালালির বিষয়টি মোটামুটি ‘ওপেন সিক্রেট’। প্রতিটি দোকান থেকে চ্যানেল ফাইল করে দেওয়া হয়। বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে। এভাবে ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে।
চ্যানেল ফাইলটি করা হয় অত্যন্ত কৌশলে। আবেদপত্রটি জমা দেওয়ার সময় যেকোন একটি কাগজের দুটি কপি করা হয়। অতিরিক্ত ওই কপিতে লেখা হয় গোপন সংকেতটি। পরে অফিসে জমার নেওয়ার পর সংকেত লেখা অতিরিক্ত কাগজটি খুলে ফেলা হয়। খুলে ফেলা কাগজটি গোপনে সংরক্ষণ করেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মী। পরে গোপনে জমা রাখা ওইসব কাগজ দেখে হিসাব করে দালালদের কাছে থেকে সপ্তাহের প্রতি বুধবার ‘পাওয়া’ টাকা আদায় করে পাসপোর্ট অফিস। এভাবেই দিনের পর দিন চলছে ঘুষ বাণিজ্য।
এসব অভিযোগের বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালকে আশিষ কুমার দাসের                                                                                                                                                                                                                                                                                                  মুখোমুখি হলে তিনি বলেন, আমি নতুন এসেছি এই বিষয়ে আমার জানা নেই। সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকলে, লিখিত ভাবে আমার কাছে দেন, আমি দেখবো। আমার জানামতে এখানে কোন ঘুষ বানজ্য হয় না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘুষে আদায়কৃত বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পান সহকারী-পরিচালক আশিষ কুমার দাস  ও উপ-সহকারী পরিচালক । বাকি টাকা দারোয়ান থেকে শুরু করে অফিস স্টাফদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করা হয়। এছাড়া ঘুষের ভাগ পান কতিপয় রাজনৈতিক দলের নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অসাধু সদস্য এবং অখ্যাত পত্রিকার নামধারী সাংবাদিক। তবে এসব বিষয়ে সরাসরি কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়নি।
দুদক অফিস পাশে, তবুও নীরবতা!
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয় এই পাসপোর্ট অফিসের পাশের ভবনেই অবস্থিত। ৫ আগস্টের পর দুদক ময়মনসিংহের বিভিন্ন সরকারি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করলেও পাসপোর্ট অফিসে কখনো কোন অভিযান পরিচালনা করেনি। এ বিষয়ে দুদকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রনজিৎ কুমার কর্মককার মুঠোফোনে বলেন, আমি তিন মাস আগে ময়মনসিংহের দায়িত্ব পেয়েছি এরমধ্যে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান পরিচালনা হয়নি। আমার জানামতে ৫ আগস্টের পর কোন অভিযান পরিচালিত হয়নি।