সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

রাজশাহীতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৩০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রাজশাহীতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন।

জাকারি আল ফয়সাল, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে রাজশাহীতে নিহত শিক্ষার্থী সাকিব আনজুমের মরদেহ ৭২ দিন পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৮টায় আদালতের নির্দেশে নগরীর টিকাপাড়া কবরস্থান থেকে মরদেহ তোলা হয়। মরদেহ উত্তোলনের সময় রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অয়ন ফারহান শামস, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ও নিহতের পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী নগর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মশিয়ার রহমান জানান, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশ ও চিকিৎসক না পাওয়ার কারণে সাকিব আনজুমের মরদেহ সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছিল। সেকারনে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা মরদেহ কবর থেকে তুলতে আদালতে আবেদন করে। আদালতের নির্দেশ দিলে আজ নিহতের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে একই কবরস্থানে দাফন করা হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাকিব আনজুম নিহতের ঘটনায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা করে নিহতের বাবা মাইনুল হক। শুরুতে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরে এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় নগর ডিবি পুলিশ।

রাজশাহী নগর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মশিয়ার রহমান জানান, এই মামলায় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, যুবলীগ নেতার রুবেল সহ বেশ কয়েকজন গ্রেফতার রয়েছে। এরমধ্যে ডাবলু সরকারকে ১৬ দিনের দুই দফা রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৫ আগস্ট রাজশাহীতে ছাত্র-জনতার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের সংঘর্ষের সময় শাহমুখদুম কলেজের পাশে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান সাকিব আনজুম। তাকে দুই দফা গুলি করে হত্যা করে। নিহত সাকিবের বাড়ি নগরীর রাণীনগর এলাাকায়। তিনি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের ছাত্র ছিলেন।

1

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।

1

 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩০ পিএম
 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।

1

বিদেশে বিনিয়োগের নামে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ: লালমাইয়ের কামালের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫২ পিএম
বিদেশে বিনিয়োগের নামে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ: লালমাইয়ের কামালের বিরুদ্ধে মামলা

 

মোহাম্মদ উল্লাহ কুমিল্লা প্রতিনিধি

সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট ব্যবসার দেওয়ার কথা বলে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে কুমিল্লার লালমাই’র কামাল আহমেদ নামের একজন সুইজারল্যান্ডের প্রবাসী। টাকা ফেরত চাইতে উল্টা নানা রকমের হয়রানিসহ হত্যার হুমকি দিচ্ছে আত্মসাৎকারী। প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করায় কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সাউথ আফ্রিকার প্রবাসী কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া গ্রামের আবু বাহার। ২০২৫ সালের মামলাটি চলতি বছরের আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করলে পরে আদালত চলতি মাসের ১৫ তারিখে কামাল আহমেদ আসামি বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
অভিযুক্ত কামাল আহমেদ লালমাই উপজেলার অশ্বদিয়া গ্রামের ছোয়াব আহমেদের ছেলে।সুইজারল্যান্ড লুজানে রয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দেশে বাংলা বাজরে কয়েকটি মার্কেট ও অশ্বদিয়া গ্রামে তার একটি বাড়ি রয়েছে। মামলার ঘটনা জানার পর কামাল আহমেদ সুযোগ বুঝে পরিবার নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন।
মামলার সুত্রে জানা গেছে,নাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া গ্রামের আবু তাহের ছেলে আবু তাহের আবু বাহার সাউথ আফ্রিকার একজন প্রবাসী।তিনি দীর্ঘ বছর ধরে সাউথ আফ্রিকায় ব্যবসা করছেন।সাউথ আফ্রিকার প্রবাসী আবু বাহারকে সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট দেওয়া বলে তার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন কামাল আহমেদ।উভয়ে বাংলাদেশি হওয়ায় খুব দ্রুত তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি হয়।এক পর্যায়ে ২০২২সালে আবু বাহারের নামে সুইজারল্যান্ড লুজানে একটি হোটেল এবং রেষ্টুরেন্টে ব্যবসা করার উদ্দেশ্য
স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে দেয় কামাল আহমেদ।একই বছরের সেই চুক্তির টাকা লেনদেন করার জন্য প্রবাস থেকে দেশে আসেন কামাল আহমেদ ও আবু বাহার।২০২২ সালের ৩০ জুলাই লাকসাম পৌর শহরের বাইপাস নদীবাংলা ভুঁইয়া টাওয়ার এলাকায় কামালের সেই চুক্তি স্বাক্ষর স্ট্যাম্পে পেপার টি
উপস্থিতি স্বাক্ষীগণদের মাধ্যমে আবু বাহারকে বুঝিয়ে দিয়ে তার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন কামাল আহমেদ। এদিকে
কয়েক মাস পর আবু বাহার সুইজারল্যান্ড লুজানে গিয়ে জানতে পায় কামাল আহমেদ তার সাথে প্রতারণা করে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট দোকানটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিটক বিক্রি করে দেয়। কামাল আহমেদের কথা ও কাজের মিল না পেয়ে তাকে সন্দেহ করতে শুরু করেন আবু বাহার। আবু বাহার টাকা ও দোকানের জন্য একাধিকবার দেশে ও প্রবাসে কথা হলেও প্রতারক কামাল আহমেদ তালবাহানা শুরু করেন।অবশেষে পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো কামাল আহমেদ ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগী আবু বাহারকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে।
ভুক্তভোগী আবু তাহের আবু বাহার বলেন, সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট নামে একটি দোকান দিবে বলে কামাল আহমেদ স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর দেন।সেই পেপারটি নিয়ে দেশে এসে আমার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা নেন। আমি বিদেশে গিয়ে জানতে পারলাম সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্টটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে দেয় কামাল আহমেদ। সে আমার সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করেছে।এ ঘটনার পর থেকে কামাল আহমেদ আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে উল্টো নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাই গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে কামাল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা আহমেদসহ ৪ জনকে আসামি করে কুমিল্লায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।
রোববার (২৬ জুলাই) এ ব্যাপারে জানতে চাইলে লালমাই থানার (ওসি) মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন,আদালত থেকে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি কোন নথি থানায় আসেনি,গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাতে পেলে অল্প সময়ের মধ্যেই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে।’এছাড়াও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির লোকেশন নজরদারিতে রাখা হবে। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভুক্তভোগী আবু তাহের আবু বাহার বলেন, সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট নামে একটি দোকান দিবে বলে কামাল আহমেদ স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর দেন।সেই পেপারটি নিয়ে দেশে এসে আমার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা নেন। আমি বিদেশে গিয়ে জানতে পারলাম সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্টটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে দেয় কামাল আহমেদ। সে আমার সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করেছে।এ ঘটনার পর থেকে কামাল আহমেদ আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে উল্টো নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাই গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে কামাল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা আহমেদসহ ৪ জনকে আসামি করে কুমিল্লায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।