বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩

কুমিল্লায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় দাউদকান্দি থানা পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৪, ৯:৪৫ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কুমিল্লায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় দাউদকান্দি থানা পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

 

শাহাদাত কামাল শাকিল :

কুমিল্লায় দাউদকান্দি থানা পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করার জেরে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় থানার ওসিসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১০-১৫জনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮শে আগষ্ট) কুমিল্লার কোতয়ালি মডেল থানায় মামলার এজাহার দায়ের করেন দৈনিক মুক্ত খবরের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক আলোকিত প্রতিদিনের ক্রাইম রিপোর্টার ভুক্তভোগী সাংবাদিক আবু বকর সিদ্দিক। এজাহারে দাউদকান্দি মডেল থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে ১নং, কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলি এলাকার
মৃত আমির হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন জাকিরকে ২নং, দাউদকান্দি মডেল থানার এসআই এনামুল হককে ৩নং,
থানার কথিত ক্যাশিয়ার কনস্টেবল আলী আক্কাশকে ৪নং ও এসআই সরোয়ার হোসেনকে ৫নং এবং অজ্ঞাতনামা আরো ১০-১৫জনকে আসামী করা হয়। বাদীর এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, বিগত দিনে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনার ঘনিষ্ট পরিচয়ে দীঘদিন যাবৎ ক্ষমতার প্রভাব খাঁটিয়ে এবং অনৈতিকভাবে কুমিল্লার স্থানীয় সাধারণ জনগণ, বিভিন্ন মতের ও রাজনৈতিক নেতা-কমীদের উদ্দেশ্যপ্রণীতভাবে রাতের আধারে বাসা থেকে তুলে এনে হয়রানির উদ্দেশে হামলা- মামলাসহ অত্যাচার করে আসছিলো দাউদকান্দি থানা পুলিশ তথা মামলার আসামিরা। এতে ওই সাংবাদিক থানার বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে গত ১২, ১৩ ও ১৪ই জুন- ২৪ইং তারিখে জাতীয় দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকায় “কুমিল্লায় ক্যাশিয়ার পরিচয়ে আক্কাশের চাঁদাবাজি, পরে সাংবাদিককে ঘুষ দিতে ওসি মোজাম্মেলের চেষ্টা” শিরোনামে এবং ২৪শে জুন- ২৪ইং তারিখে “কুমিল্লা দাউদকান্দির রায়পুর এলাকায় সড়কে অবৈধ স্ট্যান্ড, নেপথ্যে চাঁদাবাজি” শিরোনামে দুটি নিউজ প্রকাশিত করে। ফলে দাউদকান্দি থানা পুলিশের তথা আসামিদের যোগসাজগে ও পরিকল্পনায় তারা বিভিন্ন ব্যক্তিকে দিয়ে ওই সাংবাদিককে বিভিন্ন ধরণের ব্লাকমেইলিংসহ বিভিন্ন হুমকি দিতে থাকতো। এ ঘটনায় ২৭শে জুন- ২৪ইং তারিখে কুমিল্লার তৎকালিন পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নানকে ব্যবস্থা নিতে ওই ভুক্তভোগী সাংবাদিক অভিযোগ (৪১৭১/m) দিলেও সে সময় তিনি তাৎক্ষনিকভাবে তেমন কোন ব্যবস্থা নেননি। এতে পুলিশের হেডকোয়ার্টার থেকে জেলা পুলিশকে তদন্তপূর্বক ২১ কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেন। এতে আসামিরা স্বপদে বহাল থাকায়
প্রভাব বিস্তার করে সন্ত্রাসী জাকির হোসেনকে ঠিক করে ওই সাংবাদিককে হত্যা করতে। ফলে সন্ত্রাসী জাকির হোসেন ওই সাংবাদিককে আগে থেকে চিনতেন বলে প্রাথমিকভাবে তাকে মুঠোফোনে ফোন দিয়ে সাবধান করে আর যেন কোন নিউজ
প্রকাশ না করা হয় এজন্য ওই সাংবাদিককে সতর্ক করে দেয়। কিন্তু ওই সাংবাদিকের নিকট দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মাদকের জব্দ তালিকায় গড়মিল, কারচুপি ও নিরিহ মানুষকে হয়রানিসহ জ্ঞাত-আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আসায় তথ্য অনুসন্ধান করতে চেষ্টা করলে আসামি এসআই এনামুল ও সরোয়ার বিষয়টি জানতে পারলে তারা বিষয়টি ওসি মোজাম্মেলকে অবহিত করে। এতে আসামিরা তথা দাউদকান্দি থানা পুলিশ সন্ত্রাসী জাকির হোসেনকে আবারো ঠিক করে ওই সাংবাদিককে হত্যা করতে। এতে সন্ত্রাসী জাকির এক ব্যক্তিকে ঠিক করেন ওই সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা করতে। কিন্তু ওই সাংবাদিকের বাসায় কড়া পাহাড়া থাকায় পরিকল্পনা ভেঙ্গে যায়। ফলে সন্ত্রাসী জাকির ওই সাংবাদিককে ২৮শে জুন রাত অনুমান সাড়া ১০টায় ফোন দিয়ে কুমিল্লা প্রেসক্লাবে আসতে বলেন। এতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই সাংবাদিক নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের একজন দায়িত্বশীলকে ফোন দিয়ে বিষয়টি অবগত করেন এবং কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সামনে যান। এসময় প্রেসক্লাব বন্ধ থাকায় সন্ত্রাসী জাকির প্রেসক্লাবের সামনে এবং অজ্ঞাতনামা ৪-৫জনকে কিছুটা দূরে অবস্থান করতে দেখেন ওই সাংবাদিক। এসময় ওই সাংবাদিক বাইক থেকে নামতেই সন্ত্রাসী জাকির তাকে এলোপাথারী চড়থাপ্পর দিতে থাকেন এবং অজ্ঞাতনামা ৪-৫জন ব্যক্তি এগিয়ে এসে তার পাশে দাঁড়ায়। এতে সন্ত্রাসী জাকির তার কাছে থাকা ব্যবহৃত দুটি ফোন কেড়ে নিয়ে বিভিন্ন ধরণের হুমকি দিতে থাকেন এবং বলতে থাকেন যে, তোকে সেদিন ভালো করে রিকোয়েষ্ট করলাম, তোর কানে কথা যায়নি? কুমিল্লার এমপি কে? সিটি মেয়র কে? কুমিল্লা কার কথায় চলে? এগুলো জানিস না? আমরা বাহার ভাইয়ের রাজনৈতি করি, পুলিশকে নিয়ে আমাদের রাজনৈতি আছে। তুই পুলিশের বিরুদ্ধে নিউজ করিস কেন ইত্যাদি। এসময় সন্ত্রাসী জাকির তার কাছে থাকা অস্ত্র বের করে ওই সাংবাদিককে গুলি করতে উদ্যোক্ত হলে সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা ৪-৫জন ব্যক্তি তাকে ধরে থামাতে চেষ্টা করেন। সন্ত্রাসী জাকির তাকে প্রাঁণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আগামীকালকের মধ্যে কুমিল্লা ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বলেন এবং তাকে তার অফিসে বসতে নিষেধ করে তার অফিসে কাল তালা লাগিয়ে দেবেন বলে হুমকি দেন। এরপর সন্ত্রাসী জাকির তাকে দিয়ে ১নং ও ৩নং বিবাদীকে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন দিয়ে তার বুঝতে না পারার কারণে ভুল হয়েছে মর্মে সরি বলতে বলে এবং ভবিষৎে আর কখনো এমন হবে না মর্মে অভয় দিতে তাকে বাধ্য করেন। পরে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ওই ভুক্তভোগী সাংবাদিক মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে এবং পরের দিন ২৯শে জুন দুপুরে বিষয়টি তৎকালীন পুলিশ সুপারকে মৌখিকভাবে জানানোর পরও রাজনৈতিক কারণে এবং ডিআইজির ভয়ে তিনি তখন তেমন কোন ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত ওসিকে সাবধান করেন।

1

নববর্ষের প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪০ পিএম
নববর্ষের প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
সকালে যশোর টাউন হল ময়দান থেকে শুরু হয় এক আনন্দঘন বৈশাখী শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি যশোর প্রধান ডাক অফিস কোটমোর হয়ে পুনরায় টাউন হল ময়দানে এসে শেষ হয়। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ রংবেরঙের বৈশাখী সাজ ও ঐতিহ্যবাহী উপকরণ নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন, যা পুরো শহরে এক আনন্দমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
যশোর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার জনাব  সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম সেবা মহোদয় শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন এবং সর্বস্তরের জনগণের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।উক্ত শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয়সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উৎসবকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে এই প্রাণের উৎসবে অংশ নিতে পারেন।
পুরনো বছরের সব গ্লানি মুছে নতুন বছরের সূচনায় সকলের জীবনে বয়ে আসুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি—এই প্রত্যাশায় যশোর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
যশোর জেলা পুলিশ
“আপনার নিরাপত্তায় সর্বদা প্রস্তুত”

1

যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১৫০ পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ অভয়নগর থানা এলাকার  মাদক সম্রাজ্ঞী লিপি গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০২ পিএম
যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১৫০ পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ অভয়নগর থানা এলাকার  মাদক সম্রাজ্ঞী লিপি গ্রেফতার
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
ইং ১৩/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক ১৮:৪৫ ঘটিকায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), যশোর এসআই(নিঃ)/মোঃ সালাউদ্দিন খান সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয় একটি চৌকস টিম অভয়নগর থানাধীন নওয়াপাড়া পৌরসভা বুইকারা ০৫ নং ওয়ার্ডের জনৈকা মোছাঃ লিপি আক্তার (৪০) এর বাড়ীর সামনে ইটের সলিং রাস্তার উপর একজন মাদক ব্যবসায়ী অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করিতেছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে মোছাঃ লিপি আক্তার (৪০)  নামক একজন নারী কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার হেফাজতে অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট আছে মর্মে স্বীকার করলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীসহ উপস্থিতিতে ধৃত আসামী মোছাঃ লিপি আক্তার (৪০) এর পরিহিত শাড়ির আচঁলে বাধা অবস্থায় ০১ টি নীল রংয়ের জিপারযুক্ত পলিথিনে রক্ষিত ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) পিচ কথিত মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট নারী পুলিশের সহয়তায়  উদ্ধারপূর্বক ঘটনাস্থলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মোছাঃ লিপি আক্তার (৪০) এর বিরুদ্ধে পূর্বের সর্বমোট ২৫ টি মাদকদ্রব্যের মামলা রয়েছে। সে এলাকার একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।
আসামীকে ইং ১৪/০৪/২০২৬খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
আসামীর নাম ও ঠিকানা
১। মোছাঃ লিপি আক্তার (৪০)
স্বামী- মৃত হিরু মোল্লা, পিতা- মৃত সামেদ আকন, সাং- বুইকারা(আকুঞ্জিপাড়া, ০৫ নং ওয়ার্ড, নওয়াপাড়া পৌরসভা), থানা-অভয়নগর, জেলা- যশোর।
জব্দঃ
০১। ১৫০ পিচ ইয়াবা
০২। নগদ ৪০০০/-(চার হাজার) টাকা।

1

বকশীগঞ্জে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন পালিত হয়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৭ পিএম
বকশীগঞ্জে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন পালিত হয়েছে

Oplus_131072

 

জামালপুরজেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে নানা আয়োজনর মধ্যদিয় বাঙ্গালীর প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উদযাপন করা হয়েছে।

শোভাযাত্রা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন আয়োজনে মেতে ওঠে সর্বস্তরের মানুষ।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে নয়টায়  উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৈশাখি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভা যাত্রাটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।

এ সময় উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ও স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় ‘এসো হে বৈশাখ’ শিরোনামে গান ও নৃত্য পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা দেয় ।

বৈশাখি শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন, বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মানিক সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স , পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল, বীরমুক্তিযোদ্ধা নওশেদ আলীসহ অনেকেই। এছাড়াও উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানারা, স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীরা সহ শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

পরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের অংশ গ্রহন কারী  বিজয়ী  শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার তোলে দেন অতিথি’রা।