বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

ক্রীড়াঙ্গনে তায়কোয়ানডোর মাহমুদুল ইসলাম রানা দুর্নীতির শীর্ষে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫, ৮:১৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ক্রীড়াঙ্গনে তায়কোয়ানডোর মাহমুদুল ইসলাম রানা দুর্নীতির শীর্ষে

স্টাফ রিপোর্টার | রাজশাহী

বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানার বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠে আসছে। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছায়াতলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ক্ষমতায় থাকার সুযোগ নিয়ে তিনি ফেডারেশনকে ব্যক্তিগত সম্পত্তির মতো ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি জানা গেছে, স্বাক্ষর জালিয়াতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, মানি লন্ডারিং ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থার লোগোর অবৈধ ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন।

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের স্মারকে তায়কোয়ানদো ফেডারেশনের সভাপতি (ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল) কে
পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর পরই ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর কুক্কিয়ন (Kukkiwon, Korea) -এ মাহমুদুল ইসলাম রানার পাঠানো এক চিঠিতে ফেডারেশনের অব্যাহতি পাওয়া সভাপতির স্বাক্ষর দেওয়া এক চিঠি উঠে এসেছে- যা প্রমান করে মাহমুদুল ইসলাম রানার পাঠানো চিঠিতে থাকা সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়াতি হয়েছে। এই স্বাক্ষর জালিয়াতি চিঠি বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য বিকেএসপি সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলা প্রশাসনের কাছেও পাঠান। আইনজীবীরা বলছেন, এটি বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪২০ (প্রতারণা) ও ৪৬৮ (স্বাক্ষর জালিয়াতি) ধারায় ফৌজদারি অপরাধ।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, ফেডারেশনের আর্থিক লেনদেনের কোনো স্বচ্ছতা নেই। ব্লাকবেল্ট ড্যান সার্টিফিকেট প্রদান, দেশীয় ১ দিনের সাজানো প্রতিযোগীতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা নামে বিপুল অর্থ আদায় করা হলেও তা ফেডারেশনের কাজে ব্যবহৃত হয়নি। এছাড়াও সরকারি অনুদান ও স্পন্সর থেকে পাওয়া অর্থের সঠিক কোন হিসাব নেই। ব্যক্তিগত বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য ফেডারেশনের তহবিল ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে এই রানার বিরুদ্ধে।

তদন্তে আরও দেখা গেছে, মাহমুদুল ইসলাম রানা নিজের ফেসবুক প্রোফাইল, ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিশ্ব তায়কোয়ানডো (WTF), কুক্কিয়ন (Kukkiwon), অলিম্পিক কমিটি (IOC), এশিয়ান তায়কোয়ানডো ইউনিয়ন (ATU)-এর লোগো অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করেছেন।
তিনি নিজেকে “ONLY AUTHORIZED HEAD under WTF & KUKKIWON” হিসেবে দাবি করছেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এমনকি নিজেকে “The Father of Taekwondo in Bangladesh” হিসেবে প্রচার করেছেন, যা কোনো স্বীকৃত সংস্থার স্বীকৃতি পায়নি ও সাউথ এশিয়ান তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও ভুয়া পরিচয় দিয়েছেন। বিশ্ব তায়কোয়ানডো (WTF) ও কুক্কিয়ন (Kukkiwon) সূত্র জানিয়েছে, রানার এসব দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং সংস্থাগুলো তার কোনো অনুমোদন দেয়নি।

ফেডারেশনের সাবেক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২৮ বছর ধরে ক্ষমতায় থেকেও রানা তায়কোয়ানডোর উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখেননি। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে তায়কোয়ানডোর প্রসার ঘটানোর কার্যক্রম নেই, নারীদের আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণের তেমন কোন ব্যবস্থাই করা হয়নি এবং আন্তর্জাতিক মানের কোচ ও খেলোয়াড় তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যর্থ রানা। তিনি আরও জানান, রানার ফেডারেশনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন ও ক্ষমতার অপব্যবহার বিষয়ে,নিজ মন মত গঠনতন্ত্র গঠনের মাধ্যমে একনায়কতন্ত্র কায়েম করেছেন। তিনি একজন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ফেডারেশন পরিচালনার পরিবর্তে নিজের প্রচারে ব্যস্ত , এমনকি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অমান্য করে অব্যাহতভাবে পুরনো কমিটিকে বহাল রেখেছেন।

এই অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন (BOA), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে।

ক্রীড়াবিদ, কোচ ও সংশ্লিষ্টরা দাবি করছেন:
ফেডারেশনের সব অনিয়মের নিরীক্ষা ও তদন্ত করা হোক, স্বাক্ষর জালিয়াতি, প্রতারণা ও দুর্নীতির দায়ে মাহমুদুল ইসলাম রানার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক,ফেডারেশনের বর্তমান নেতৃত্ব পুনর্গঠন করে স্বচ্ছ ও দক্ষ ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া হোক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে রানার অপকর্মের তথ্য পৌঁছে দিয়ে তার ভুয়া পরিচয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বাংলাদেশ ক্রীড়াঙ্গনের স্বচ্ছতা ও উন্নয়নের স্বার্থে দ্রুত এই অনিয়মের বিচার দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। তদন্ত হলে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

1

শ্রীবরদী উপজেলার টিউমারে আক্রান্ত ১১ বছরের রাশেদ, অর্থের অভাবে অনিশ্চিত চিকিৎসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
শ্রীবরদী উপজেলার টিউমারে আক্রান্ত ১১ বছরের রাশেদ, অর্থের অভাবে অনিশ্চিত চিকিৎসা

 

শাওন আহাম্মেদ= স্টাফ রিপোর্টারঃ

“আমি বাঁচতে চাই”—১১ বছরের শিশু মো. রাশেদ মিয়ার এই আকুতি যেন নাড়া দিচ্ছে প্রতিটি মানবিক হৃদয়কে। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ৩ নম্বর কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের এই শিশুটি বর্তমানে পেটে টিউমার নিয়ে গুরুতর অসুস্থ। চিকিৎসকরা দ্রুত চিকিৎসার পরামর্শ দিলেও অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

যে বয়সে রাশেদের মাঠজুড়ে ছুটে বেড়ানোর কথা, বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে সময় কাটানোর কথা, সেই বয়সেই তাকে লড়তে হচ্ছে কঠিন এক রোগের সঙ্গে। অসুস্থতার যন্ত্রণায় তার মুখের হাসি ম্লান হয়ে গেছে। এখন তার একটাই স্বপ্ন—সুস্থ হয়ে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়া।

রাশেদের বাবা মো. রাকিব মিয়া একজন সাধারণ পরিবারের মানুষ। সন্তানের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ধার-দেনা করে অনেক অর্থ ব্যয় করেছেন। চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ ও অন্যান্য খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সন্তানের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

একদিকে সন্তানের জীবন নিয়ে উৎকণ্ঠা, অন্যদিকে অর্থের অভাব—এই দুই দুশ্চিন্তায় দিশেহারা রাশেদের পরিবার। তাই সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের কাছে সন্তানের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতার আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মানুষের সামান্য সহযোগিতাও রাশেদের চিকিৎসার জন্য বড় সহায়তা হতে পারে। অনেক ছোট ছোট সহযোগিতা একত্রিত হলে হয়তো একটি শিশুর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে। আপনার দেওয়া একটি সহায়তা ফিরিয়ে দিতে পারে রাশেদের মুখের হাসি, এনে দিতে পারে নতুন জীবনের স্বপ্ন।

চিকিৎসায় সহযোগিতা

রাশেদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পাঠানো যাবে—

বিকাশ/নগদ: ০১৭৫৫-৭৫৫২৯৯

শুধু আর্থিক সহযোগিতাই নয়, এই মানবিক আবেদনটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেও রাশেদের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। আপনার একটি শেয়ার হয়তো এমন কোনো হৃদয়বান মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে, যিনি তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসবেন।

বিশেষ অনুরোধ: আর্থিক সহযোগিতা পাঠানোর আগে রোগী, পরিবারের পরিচয়, চিকিৎসার কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ছোট্ট রাশেদের চোখে আবারও স্বপ্নের আলো ফিরুক, মুখে ফুটে উঠুক হাসি। সে সুস্থ হয়ে আবারও বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করুক, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক—এটাই এখন তার পরিবার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের একমাত্র প্রত্যাশা।

1

জামালগঞ্জে হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
জামালগঞ্জে হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি


‎সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::
‎সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. কামাল উদ্দিনের ওপর হামলার অভিযোগ এনে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
‎শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৩ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে তিনি শাহপুর বাঁধ বাজারে যান। সেখানে সরকারি কাজে উপস্থিত একজন সার্ভেয়ার বাঁধ বাজারের কয়েকটি দোকান নির্মাণ ও মালিকানা সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, দোকানগুলো প্রায় ২৫ বছর আগে মরহুম আব্দুল মান্নান চৌধুরী ওরফে তেলা মিয়া চৌধুরী নির্মাণ করেছিলেন। এ কথা বলার পরপরই রফিকুল ইসলাম বিন বারী ও তার স্ত্রী রবিকুল বেগম উত্তেজিত হয়ে তাকে লক্ষ্য করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের নির্দেশ দেন এবং ওই সময় পায়েল, খোকন, পল্লব, রিগানসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেন। এসময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং সেখানে তিনি চিকিৎসা নেন।
‎সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রশ্নের উত্তরে নিজের জানা তথ্য প্রকাশ করাই তার অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, একটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কারণে কেন একজন নাগরিককে শারীরিক হামলার শিকার হতে হবে। এ ঘটনায় জামালগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি জিডি করেছেন তিনি।
‎সংবাদ সম্মেলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বিবাদী রফিকুল ইসলাম বিন বারীর আপন ছোট বোন পারভীন আক্তার চৌধুরী এবং আপন ভাতিজা পরাগ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তারা বক্তব্যে অভিযোগ করেন, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত পারিবারিক ভূমি ও সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগদখল করে রেখেছেন রফিকুল ইসলাম বিন বারী। এসময় তারা রফিকুল ইসলাম বিন বারীর বিরুদ্ধে উত্তরাধিকারদের ভূমি দখলের অভিযোগ তুলে ধরেন। এসব বিরোধের কারণে শুধু পরিবারের সদস্যরাই নয়, এলাকার সামাজিক সম্প্রীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
‎সংবাদ সম্মেলনে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
‎এব্যাপারে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম বিন বারী বলেন, আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন। সামাজিকভাবে আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

1

মির্জাপুরে বন্ধ থাকা গোড়াই কটন মিলস পরিদর্শন করলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১০ পিএম
মির্জাপুরে বন্ধ থাকা গোড়াই কটন মিলস পরিদর্শন করলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

 

আনোয়ার হোসেন (মির্জাপুর প্রতিনিধি) :

হাজারো পরিবারের স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ শিল্প কারখানা মির্জাপুরের গোড়াই কটন মিল পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশের মাননীয় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি।

শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ১০ টার সময় উপজেলার এই বন্ধ কারখানাটি পরিদর্শন করেন।জানা যায়,শিল্প কারখানাটি যুগ যুগ ধরে বন্ধ রয়েছে।একসময় এই কারখানায় হাজার হাজার শ্রমিক কাজ করত,যেখানে হাজারো পরিবারের স্বপ্ন লুকিয়ে থাকত।আজ সেই কারখানাটি বন্ধ।এই বন্ধ কারখানা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালু হবে এমন আশ্বাস দেন মাননীয় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি।

কারখানা পরিদর্শনকালে আরোও উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুরের মাননীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এমপি,বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ করপোরেশনের চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এসএম জাহিদ হাসান ও সচিব ফিরোজ আহমেদ, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান সালমান হাবিব সহ প্রমূখ।

পরিদর্শন শেষে মাননীয় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন,আমরা উদ্যোগ নিয়েছি,খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে যতগুলো কারখানা বন্ধ রয়েছে,সবগুলো চালু করা হবে। তিনি আরো বলেন সংশ্লিষ্ট মিলের সাথে এলাকার যোগ্যতা সম্পন্ন লোকজন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ।