বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

নদীভাঙনের কষ্ট হোক কিংবা গণতন্ত্রের লড়াই জনগণের পাশে ছায়ার মতো থাকবো-এস. এ. জিন্নাহ কবীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫, ১:৩০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নদীভাঙনের কষ্ট হোক কিংবা গণতন্ত্রের লড়াই জনগণের পাশে ছায়ার মতো থাকবো-এস. এ. জিন্নাহ কবীর

সোলায়মান ও নান্নু মিয়া, রির্পোটার ডেইলি নিউজ বাংলা২৪:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতিতে যখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু নির্বাচনী প্রস্তুতি, ঠিক তখনই মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে জনমানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিচ্ছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক জনাব এস. এ. জিন্নাহ কবীর।

দীর্ঘ সময় ধরে রাজপথের পরীক্ষিত এই নেতার রাজনৈতিক জীবনজুড়েই রয়েছে ত্যাগ, সংগ্রাম ও কর্মীর প্রতি ভালোবাসার অঙ্গীকার। রাজনীতিতে তাঁর অবস্থান কেবল একজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—তিনি হয়ে উঠেছেন ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়ের সাধারণ মানুষের আশ্রয়স্থল ও আস্থার প্রতীক।

নদীভাঙনে গৃহহারা মানুষের শেষ আশ্রয় ‘জিন্নাহ ভাই’:

পদ্মা ও যমুনা নদীর ভাঙনে ঘরবাড়ি হারানো মানুষের চোখে একটিই পরিচিত মুখ ‘জিন্নাহ ভাই’। গৃহহারা মানুষের খোঁজ নিতে, পাশে দাঁড়াতে, তাদের প্রয়োজনের মুহূর্তে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রথমেই যিনি এগিয়ে আসেন, তিনি এস. এ. জিন্নাহ কবীর।

বছরের পর বছর নদীর ভাঙন তাণ্ডবে পরিবার হারানো মানুষেরা বলছেন, “বিভিন্ন লোকেরা আসে ছবি তুলে চলে যায়, কিন্তু জিন্নাহ ভাই বারবার আসেন খালি হাতে নয়, সহানুভূতি ও সমাধান নিয়ে।”

‘তারেক রহমানের ৩১ দফা’ বাস্তবায়নে রাত-দিন মাঠে:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা জাতীয় রূপকল্প বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে এস. এ. জিন্নাহ কবীরের নেতৃত্বে ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলায় শুরু হয়েছে সচেতনতামূলক গণসংযোগ। ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন জিন্নাহ কবীর। ঘিওর, শিবালয় ও দৌলতপুর উপজেলার প্রতিটি গ্রাম, পাড়া-মহল্লা, এমনকি প্রতিটি ঘরেও তিনি বিএনপির বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন। নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত রাখার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও বিএনপির পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করছেন।

স্থানীয় বিএনপির এক নেতা জানান, “এখন মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির নেতা-কর্মীরা এক নামে চেনে এস. এ. জিন্নাহ কবীরকে। তাঁর নেতৃত্বেই আমরা সংগঠিত হচ্ছি।”

তিনি নিজ হাতে কর্মসূচির কপিগুলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন, জনগণকে বোঝাচ্ছেন—গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন ও শিক্ষার মান উন্নয়নসহ প্রতিটি দফার তাৎপর্য।

তার এক ভাষ্য, “এটা শুধু রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়, বরং জনগণের জন্য আমাদের দায়বদ্ধতা। তারেক রহমানের ৩১ দফা নতুন বাংলাদেশ গঠনের নীলনকশা।”

কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব, সাহসী সংগঠক:

জিন্নাহ কবীরের বড় শক্তি হলো তাঁর অকুতোভয় নেতৃত্ব ও কর্মীবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি। সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় মাঠে থেকে মামলা-হামলার মুখে কর্মীদের আগলে রেখেছেন তিনিই।

শিবালয়ের এক প্রবীণ বিএনপি নেতা বলেন, “দলের জন্য যে রকম ত্যাগ তিনি করেছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। নেতা হিসেবে যেমন কঠোর, তেমনি কর্মীদের প্রতি তাঁর মমত্ববোধ অসাধারণ।”

তিন উপজেলায় বিএনপির ঘুরে দাঁড়ানোর মূল কান্ডারী:

এস. এ. জিন্নাহ কবীরের নিরলস প্রচেষ্টায় মানিকগঞ্জ-১ আসনের তিনটি উপজেলা—ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়ে আবার জেগে উঠেছে বিএনপির ঘাঁটি। দলীয় কার্যক্রম যেমন সুসংগঠিত হয়েছে, তেমনি তৃণমূল কর্মীরা আবারো আশাবাদী হয়ে উঠেছেন গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের জন্য।

গ্রাম থেকে শহর, পাড়া থেকে হাট—সবখানে এখন একটাই আলোচনা, “এই আসনে বিএনপির যোগ্য প্রার্থী হবেন জিন্নাহ”

জনআস্থা ও প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু:

জনগণের আস্থায় ভর করে এস. এ. জিন্নাহ কবীর এখন কেবল বিএনপির নয়, এই আসনের আপামর জনগণের প্রতিনিধি হয়ে উঠেছেন। তরুণ ভোটার থেকে শুরু করে বয়স্ক নাগরিক, কৃষক থেকে দিনমজুর—সবার মুখে একটিই নাম, “জিন্নাহ কবীর।”

মানুষ বিশ্বাস করে, এই নেতা মনোনয়ন পেলে মানিকগঞ্জ-১ আসন থেকে ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তনের সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নিতে পারে।

এস. এ. জিন্নাহ কবীর একজন ত্যাগী, সাহসী, জনদরদী রাজনীতিবিদ, যিনি অতীতের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, আর এখন প্রস্তুত মানিকগঞ্জ-১-এর গণমানুষের পক্ষে কথা বলার জন্য জাতীয় সংসদে প্রবেশ করতে।

 

1

বকশীগঞ্জ উপজেলায় নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৩ পিএম
বকশীগঞ্জ উপজেলায় নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমূলক সভা

 

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

 

বকশীগঞ্জে নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতি মূলক  সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত শিশু কিশোরদের নিয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতি মূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষীবিদ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা যু্ব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা খায়রুল বাশার রাজু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল,বকশীগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক লালন, সাধারণ সম্পাদক আল মোজাহিদ বাবু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, সাংবাদিক রাশেদুল ইসলাম রনি, মতিন রহমান সহ উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত)  চেয়ারম্যান, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, নতুন কঁড়ি স্পোর্টস এ ৮ টি প্রতিযোগিতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন।

একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ দুইটি খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

1

বকশীগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩১ পিএম
বকশীগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর

Oplus_131072

 

 

(জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে একটি খালের ওপর নির্মিত সেতুর দীর্ঘ দিন থেকে  দুই পাশের রেলিং ভেঙে গেছে। জরাজীর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভাঙা এই সেতু দিয়ে সাতটি গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। মাঝেমধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটি সংস্কার বা পুনঃনির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ভোক্তভেগি এলাকাবাসী’রা।

বকশীগঞ্জ পৌরসভার পুরাতন গো- হাটি থেকে  মেষেরচর  যাওয়ার সড়কে খালের ওপর প্রায় ২৮ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সেতুটি নির্মাণ করে। তবে নির্মাণের ১৫ বছর পর এর দুই পাশের রেলিং ভেঙে যায়। বর্তমানে সেতুর বিভিন্ন যায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে । এ ছাড়াও সেতুটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কম হওয়ায় পাশাপাশি দুটি অটোভ্যান চলাচল করতে পারে না।

এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন সাতটি গ্রামের সাধারণ পথচারী, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার মানুষ চলাচল করেন।

গতকাল রোববার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির দুই পাশের রেলিং ভেঙে পড়ায় চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে । এই সেতুর ওপর দিয়ে সাতটি  গ্রামের মানুষ চলাচল করেন। সেতুর ওপর দিয়ে যে কোন যানবাহন চলাচল কষ্টদায়ক ব্যাপার হয়ে উঠেছে। মেষেরচর পূর্বপাড়া, মেষেরচর পশ্চিম পাড়া, বড়ইতারি, সর্দারপাড়া,ঝালরচর গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ।

স্থানীয়রা জানান , দীর্ঘ দিন থেকে রেলিং ভেঙে পড়ায় এই সেতুর ওপর দিয়ে দিনের বেলা কোনো রকমে চলাচল করা গেলেও রাতের বেলা অন্ধকারে চলাচল খুব কষ্ট দায়ক হয়। এ কারণে ওই সেতুর ওপর দিয়ে সাত গ্রামের  প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার মানুষ চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মেষেরচর পূর্ব পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবিরুজ্জামান জনি জানান, প্রায় ১৩ বছর আগে সেতুর দুই পাশের রেলিং ভেঙে যায় এতে করে প্রায় সময় সেখানে দূর্ঘটনা ঘটে এর আগেও ২০২৪ সালে ব্যাটারি চালিত অটো ভ্যান উল্টে এক মহিলার ঘটনার স্থলেই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটি পুনঃনির্মাণের জন্য দাবি জানাচ্ছি।

মেষের চর পূর্ব পাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী চাঁন মিয়া বলেন, সেতুর দুই পাশের রেলিং না থাকায় গত সপ্তাহে দেড় লক্ষ টাকা দামের একটি ষাঁড় গরু সেতু থেকে পড়ে মারা গেছে। এর আগের এই সেতু থেকে পরে দুটি গরু মারা যায়। স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়ার পথে সেতুটির রেলিং না থাকায়  আতঙ্কে  সেতু পারাপার হতে হয় তাদের ।  বৃদ্ধ ও শিশুরা সেতু দিয়ে চলাফেরা করতে পারছে না। মাঝখানে ঢালাই ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয়রা কাঠ ফেলে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।

মেষের চর পূর্বপাড়া গ্রামের পান ব্যবসায়ী আসলাম হোসেন বলেন, রেলিং ভাঙা এই সেতুর ওপর দিয়ে দিনের বেলা কোনো রকমে চলাচল করলেও রাতে ঝুঁকি নিয়ে  চলাচল করতে হয় । এরপরও দাবি জানাই যত দ্রুত সম্ভব সেতুটি সংস্কারের জন্য।

বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শামছুল হক জাতীয় দৈনিক আজকের বসুন্ধরা কে, বলেন সেতুটি নির্মাণের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী জামালপুর বরাবর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ করা হবে সেতুর কাজ।

1

বকশীগঞ্জে পুকুরের পানিতে পড়ে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৬ পিএম
বকশীগঞ্জে পুকুরের পানিতে পড়ে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু

Oplus_131072

 

 

(জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে  রোহান (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার  ( ২০  এপ্রিল) সকাল ১১ টায় উপজেলার বাট্টাজোর  ইউনিয়নের পূর্ব দত্তেরচর  গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু রোহান ওই গ্রামের  মাহমুদুল হাসান রুবেলের ছেলে।

স্থানীয় ও পরিবার  সূত্রে জানা গেছে, সোমবার  সকালে  পরিবারের সবার অজান্তে রোহান বাড়ির সামনে একটি পুকুর পাড়ে খেলা করছিল । খেলার একপর্যায়ে সে পুকুরে পানিতে পড়ে ডুবে যায়। রোহানকে  বাড়িতে দেখতে না পেয়ে বাবা-মাসহ স্বজনরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খৌঁজাখঁজির একপর্যায়ে শিশুটির দাদা আমজাদ হোসেন  বাড়ীর পাশে  পুকুরের পানিতে শিশুটির  মরদেহ  ভাসতে দেখে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে  যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বকশীগঞ্জ  থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন  জানান, খবর পেয়েই ঘটনার  স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এবিষয়ে আইনি পদক্ষেপ  চলমান আছে।‌