শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

মুচকি হাসির  পেছনে এত বড় হারানোর গল্প, সত্যি টাকার জন্য জীবনের সুখ বিক্রি করে দিয়েছে  প্রবাসীরা।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৪৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মুচকি হাসির  পেছনে এত বড় হারানোর গল্প, সত্যি টাকার জন্য জীবনের সুখ বিক্রি করে দিয়েছে  প্রবাসীরা।

নাসের আবু খালেদ, কুয়েত প্রতিনিধি:

ফ্রেঞ্চ ভাষায় বললাম, দুই টাকার বাদাম দেন, উনি বাদাম দিচ্ছেন আর বললেন ভাতিজা কি বাঙালি? বললাম, হা চাচা বললেন! কতদিন থেকে ফ্রান্সে? বললাম, তিন বছর হওয়ার পথে। জিজ্ঞেস করলেন কাগজ পেয়েছি কি’ না? বললাম জ্বি দশ বছরের কাগজ পেয়েছি। দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বললেন, নয়টা বছর হয়ে গেলো,কাগজ পাইনি এখনো দেশে ও যেতে পারিনা।
বাদাম দেয়ার পর টাকা দিতে গেলাম, নিলেন না।
বললেন, কাজ না থাকলে চলো ভাতিজা গল্প করি?
বললাম, কাজ আছে তবে দেড় ঘন্টা পর।

জিজ্ঞেস করলেন, দেশের বাড়ি কোথায়? বিয়ে করছি কি’না, মা বাপ আছেন কি’না। একজন বয়স্ক মানুষ, আমাদের মতো ছেলের বয়সী কাউকে পেলে যা জিজ্ঞেস করেন এমন প্রশ্ন ছিল।

বেশ মোটা মানুষ তার উপর বয়স্ক, এরমধ্যে ইল্লিগ্যাল, বুঝলাম এই জন্য উনারে কেউ কাজে নেয় না।এইজন্যই ফুটপাতে বাদাম বিক্রি করছেন হয়তো।

পকেট থেকে স্যামসাং ফোন বের করে,স্ক্রিনে থাকা একটা মেয়ের ছবি দেখালেন কেমন মেয়েটা সুন্দরী কি’না?

একটা কিশোরী মেয়ের বাড়ন্ত বয়সে যে’রকম সুন্দরী থাকে ওরকমি। বেশ সুন্দর মেয়েটা।বললাম, হা অনেক সুন্দরী। বললাম, চাচা আমার জন্য মেয়ে সেটিং করতেছেন কি’না। আমি আপনাদের ঐ কুমিল্লায় গিয়ে বিয়ে করব না। বললেন, থাম বেটা থাম কাস্টমার বিদায় করি।সিগারেট খাইলে একটা ধরা।

সিগারেট ধরালাম, চাচায় কাস্টমার বিদায় করলেন।তারপর বললেন, এটা আমার মেয়ে। বলেই চাচায় মুচকী হাসি শুরু করলেন। ভারী মুচ আর লাল দাড়ী,রহস্যময় মুচকি হাসি। আমি সিওর চাচায় এবার বলবে,আমার মেয়েরে বিয়ে করবে?

চাচায় কথা বলে থামেন, মুচকি হাসেন, লংটাইম আবার বলেন। চাচা বললেন, আমার এই মেয়ে ক্লাস এইটে গোল্ডেন পেয়েছে। বললাম, চাচা গোল্ডেন কি।চাচা বললেন, এটা কি আর আমি জানি। আমি মুর্খ মানুষ। আমার মেয়েটা পড়ায় খুব ভালো।আমার দুই মেয়ে,এটাই বড়।

আমি রহস্য নিয়ে এগোচ্ছি, কবে চাচা বলে উঠেন,আমার মেয়েরে বিয়ে করবে?

বললাম, চাচা ডেইলি কেমন ইনকাম হয়। বললেন, মনে কর ত্রিশ পয়ত্রিশ,চল্লিশ এরকম। বললাম,অনেক কম।রুমভাড়া, থাকা খাওয়ার বিল দিলে’তো আর বাড়ীতে পঞ্চাশ হাজার ও দিতে পারবেন না। বললেন,টাইনাটুইনা মাসে পঞ্চাশ দেই তোমার চাচীর একাউন্টে।

বললেন, ভাতিজা সম্পদ করছি,নতুন আসার পর ভালো বেতনেই কাজ করছি।বাড়ি’তো আছেই।মেয়েদের নামে ডিপোজিট। আর মনে কর, কুৃমিল্লা শহরে বাসার জায়গা কিনছিলাম পচিশ লাখ দিয়ে,এখন পঞ্চাশ লাখ বিক্রি হবে।আল্লাহ এনাফ দিছেন ভাতিজা।বললাম,চাচা দেশে চলে যান।এই বয়সে আর বিদেশ।বললেন, আগামী বছর কার্ড পাবো তারপর যাবো।ফ্রান্সে নরমালি কেউ টানা দশবছর থাকলে,অটোমেটিক লিগ্যাল কার্ড দিয়ে দেয়।

যাইহোক,বললাম চাচা গিয়ে, গোসল খাওয়া তারপর কাজে যাওয়া, অন্য দিন কথা হবে। ছাড়লেন না,বললেন বিশ মিনিট দাড়াও গল্প করি, তোমার সাথে।না করতে পারলামনা।

বললেন,আমার এই মেয়ে মেট্রিকে এ প্লাস পেয়েছে। পড়ায় খুব ভালো।আমার তো মনে কর, আশা, মেয়েরে টাকা পয়সা খরছ কইরা পড়ামু,ডাক্তার বানামো,রুজি করার দরকার নাই।গরীব মানষের চিকিৎসা করলো।আমার তো আল্লাহ দিলে অনেক আছে,মেয়ে মনে কর,আমার টাকাই বাকি জীবন খরছ করলো।

আমি কিছুতেই বুঝতে পারছিলামনা,চাচা ঘুরেফিরে উনার মেয়ের গল্পেই আসেন কেন।বললেন,ভাতিজা আমি ফেসবুকে ভিডিও দেখলাম,এক ছেলে হেলিকপ্টারে বিয়ে করতেছে।মনে কর, আমি ও খবর নিয়া দেখলাম পাঁচ দশলাখ খরছ করলে হেলিকপ্টার চড়াইয়া আমার মেয়েরে ওর শশুড় বাড়ি পাঠাতে পারবো।বললাম চাচা,আপনার মেয়ে নিয়া’তো দেখি বিশাল স্বপ্ন।

বললেন,ভাতিজা আমাদের এই বয়সে এসে নিজের আর কিচ্ছু আশা আকাঙ্ক্ষার থাকেনা।সব স্বপ্ন থাকে বাচ্চা কাচ্চা নিয়া।বললেন, ভাতিজা মেয়ে মেট্রিক পাশ করার পর বললো,ফোন লাগবে,দিলাম। মাস ছয়েক পরে বলে, আলাদা একলা রুমে থাকবে, ওর পড়ার জন্য।

রুম তো ছিলই দিলাম। আমার মেয়ের একলা রুম ভিডিও কলে দেখি, শুধু খাট আর পড়ার টেবিল আর কিছু নাই।তোমার চাচীরে বলে, একসেট সোফা কিনে দিয়ে রুম একদম সুন্দর করে সাজিয়ে দিলাম।

মেয়ে খুব খুশি হয়েছিল সোফা কিনে দেয়ায়।এরমধ্যে মনে কর ভাতিজা অনেক বিয়ের প্রস্তাব আসা শুরু হলো,ভালো ভালো বিয়ের প্রস্তাব, ছেলে ব্যাবসায়ী,বিদেশে সেটেল্ড ,আরো কত’কি।মেয়ে রাজি না,সে পড়বে।আমি এবার পাক্কা সিওর হলাম, পরিশেষে চাচা বলবেন,তোমার মতো ছেলে পাইলে দিয়ে দিবো।

চাচা বললেন, এই বছর আমার মেয়ের আইএ (এইচএসসি) পরিক্ষা দিতো, দেশে করোনার জন্য পিছিয়ে গেলো।শুন ভাতিজা,একদিন রাতে স্বপ্নে দেখি আমার শরীর মাথা সব জায়গা থেকে আমার সব চুল পড়তেছে,। পড়ে একদম নাই হয়ে গেছে। আমি রাস্তা দিয়ে হাটলে,মানুষ আমাকে দেখলে হাসে।স্বপ্নটা দেখে ঘুম ভেঙ্গে গেলো, রাত বাজে চারটা, বাংলাদেশ টাইম সকাল আটটা।মনের মধ্যে কেমন অশান্তি করতেছে, আমার এই এক অভ্যাস খারাপ লাগলে,আমার মেয়ে দুইটার সাথে কথা বলি। কল দিলাম মেয়ের ফোনে, ও ফোন ধরেনা।ভাবলাম ঘুমে হবে।তোর চাচীর ফোনে ফোন দিলাম।

তোর চাচী চোখে কম দেখে চশমা ব্যাবহার করে।খুব একটা বুড়ী হয়নি, চোখে রোগ ওর, বলে হাঁসলেন চাচা।তোর চাচীরে কল দিলে,ও প্রথমে চশমা পরবো তারপর ফোন খোঁজে বের করবো,তারপর ফোন রিসিভ করবো।কানা মানুষ বুঝলী ভাতিজা, বলে চাচা হাসিতে ফেটে পড়লেন।

তো ফোন দিলাম তোর চাচীর ফোনে,ও ফোন রিসিভ করলো।সালাম কালাম হওয়ার পর জিজ্ঞেস করলাম, মেয়ে ফোন রিসিভ করেনি কেন? ও কই! তোর চাচী বললো ঘুমায়, হয়তো বলতে বলতে ওর রুমে গিয়া দেখে – ও ফাঁসিতে ঝুলছে।

চাচা তবুও হাসছেন,মুচকি হেসেই যাচ্ছেন আর বাদাম নাড়ছেন।বললাম, বলেন কি চাচা?বললেন, হ্যা ভাতিজা মেয়েটা মরার আজ সাইত্রিশ দিন চলছে।আমি মনে কর কার্ড পেলে, দেশে গিয়া, তোর চাচীরে নিয়া হজ্ব কইরা আইসা,মরার জন্য শুইয়া পড়মু।যতক্ষণ না মরছি আর কাঁদবোনা।আরে ব্যাটা,কার জন্য বাঁচবো কষ্ট করবো?

কত কষ্টের মেয়ে,কত আদরের মেয়েটা,কত স্বপ্নের মেয়ে আমার মরে গেলো কোন ছেলের জন্য।

বিলিভ মি- চাচা তবু ও হাসছিলেন! আমি পুরাই হ্যাং হয়ে গেছি কতক্ষণের জন্য। একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে দিয়ে বললাম, চাচা আসি আজ।আবার আসবো শিওর। ফোন নাম্বার দিয়ে বললাম, যখন ইচ্ছে কল দিয়েন,আসবো আপনার সাথে গল্প করতে।

মানুষ মনে হয় কাঁদতে কাঁদতে ক্লান্ত হয়ে হাঁসে অথবা,কান্নাকে অযৌক্তিক মনে করে বা ভয় পায়, কান্না করতে যদি নিজেকে হারিয়ে ফেলে, তখন ভালো থাকার অভিনয়ের জগৎ থেকে প্রবাসীরা সেরা অভিনয় শিল্পী এমন করে অজানা রয়ে যায় লক্ষ লক্ষ প্রবাসীর জীবনে অনেক কথা………..

1

রাজশাহী জেলা ও মহানগর শ্রমিকদলের উদ্যোগে মহান মে দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
রাজশাহী জেলা ও মহানগর শ্রমিকদলের উদ্যোগে মহান মে দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে

জাকারিয়া আল ফয়সালঃ

শুক্রবার (১ মে) নগরীর বাটারমোড় এলাকায় সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে একটি র‍্যালী বের করা হয়। র‍্যালীটি বাটারমোড় থেকে শুরু হয়ে সোনাদীঘির মোড়, জিরো পয়েন্ট ঘুরে পুনরায় বাটারমোড়ে এসে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি রোকনুজ্জামান আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহিন শওকত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ইরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, মহানগর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মামুন অর রশীদ এবং সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হেলাল, জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলাম তোতা, মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল বারেক শেখ, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহরিয়ার আমিন বিপুলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সমাবেশে বক্তারা মহান মে দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। তারা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

1

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন
মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান ড. ইসরাফিল শাহীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ড. ইসরাফিল শাহীন (মোহাম্মদ ইসরাফিল) ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান থিয়েটার নির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। ভারতের ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে ১৯৯১ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৯৯ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের স্ট্রিট থিয়েটার বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, ফিলিপাইন, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রে কর্মশালা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
পদ্ধতিগত অভিনয়, স্থানীয় নাট্যরীতি, নৃবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং মিতব্যয়ী দৃশ্যরূপে তাঁর কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত। থিয়েটারকে সমাজমুখী ও অংশগ্রহণমূলক ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় জেলাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Oplus_131072

 মোঃ ইমরান আকন্দ, (জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ কালে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে এই জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ সময় শ্রীবরদী উপজেলার কোর্নঝোড়া ইউনিয়নের জাহান আলী ছেলে শাকিল মিয়া কে আটক করা হয়। পরে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল- হুসনা, ট্যাগ অফিসার কামরুজ্জামান সহ অনেকেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরাকে জানান, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত তেল নেয়া, মজুত রাখা, প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।