শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

মুচকি হাসির  পেছনে এত বড় হারানোর গল্প, সত্যি টাকার জন্য জীবনের সুখ বিক্রি করে দিয়েছে  প্রবাসীরা।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৪৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মুচকি হাসির  পেছনে এত বড় হারানোর গল্প, সত্যি টাকার জন্য জীবনের সুখ বিক্রি করে দিয়েছে  প্রবাসীরা।

নাসের আবু খালেদ, কুয়েত প্রতিনিধি:

ফ্রেঞ্চ ভাষায় বললাম, দুই টাকার বাদাম দেন, উনি বাদাম দিচ্ছেন আর বললেন ভাতিজা কি বাঙালি? বললাম, হা চাচা বললেন! কতদিন থেকে ফ্রান্সে? বললাম, তিন বছর হওয়ার পথে। জিজ্ঞেস করলেন কাগজ পেয়েছি কি’ না? বললাম জ্বি দশ বছরের কাগজ পেয়েছি। দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বললেন, নয়টা বছর হয়ে গেলো,কাগজ পাইনি এখনো দেশে ও যেতে পারিনা।
বাদাম দেয়ার পর টাকা দিতে গেলাম, নিলেন না।
বললেন, কাজ না থাকলে চলো ভাতিজা গল্প করি?
বললাম, কাজ আছে তবে দেড় ঘন্টা পর।

জিজ্ঞেস করলেন, দেশের বাড়ি কোথায়? বিয়ে করছি কি’না, মা বাপ আছেন কি’না। একজন বয়স্ক মানুষ, আমাদের মতো ছেলের বয়সী কাউকে পেলে যা জিজ্ঞেস করেন এমন প্রশ্ন ছিল।

বেশ মোটা মানুষ তার উপর বয়স্ক, এরমধ্যে ইল্লিগ্যাল, বুঝলাম এই জন্য উনারে কেউ কাজে নেয় না।এইজন্যই ফুটপাতে বাদাম বিক্রি করছেন হয়তো।

পকেট থেকে স্যামসাং ফোন বের করে,স্ক্রিনে থাকা একটা মেয়ের ছবি দেখালেন কেমন মেয়েটা সুন্দরী কি’না?

একটা কিশোরী মেয়ের বাড়ন্ত বয়সে যে’রকম সুন্দরী থাকে ওরকমি। বেশ সুন্দর মেয়েটা।বললাম, হা অনেক সুন্দরী। বললাম, চাচা আমার জন্য মেয়ে সেটিং করতেছেন কি’না। আমি আপনাদের ঐ কুমিল্লায় গিয়ে বিয়ে করব না। বললেন, থাম বেটা থাম কাস্টমার বিদায় করি।সিগারেট খাইলে একটা ধরা।

সিগারেট ধরালাম, চাচায় কাস্টমার বিদায় করলেন।তারপর বললেন, এটা আমার মেয়ে। বলেই চাচায় মুচকী হাসি শুরু করলেন। ভারী মুচ আর লাল দাড়ী,রহস্যময় মুচকি হাসি। আমি সিওর চাচায় এবার বলবে,আমার মেয়েরে বিয়ে করবে?

চাচায় কথা বলে থামেন, মুচকি হাসেন, লংটাইম আবার বলেন। চাচা বললেন, আমার এই মেয়ে ক্লাস এইটে গোল্ডেন পেয়েছে। বললাম, চাচা গোল্ডেন কি।চাচা বললেন, এটা কি আর আমি জানি। আমি মুর্খ মানুষ। আমার মেয়েটা পড়ায় খুব ভালো।আমার দুই মেয়ে,এটাই বড়।

আমি রহস্য নিয়ে এগোচ্ছি, কবে চাচা বলে উঠেন,আমার মেয়েরে বিয়ে করবে?

বললাম, চাচা ডেইলি কেমন ইনকাম হয়। বললেন, মনে কর ত্রিশ পয়ত্রিশ,চল্লিশ এরকম। বললাম,অনেক কম।রুমভাড়া, থাকা খাওয়ার বিল দিলে’তো আর বাড়ীতে পঞ্চাশ হাজার ও দিতে পারবেন না। বললেন,টাইনাটুইনা মাসে পঞ্চাশ দেই তোমার চাচীর একাউন্টে।

বললেন, ভাতিজা সম্পদ করছি,নতুন আসার পর ভালো বেতনেই কাজ করছি।বাড়ি’তো আছেই।মেয়েদের নামে ডিপোজিট। আর মনে কর, কুৃমিল্লা শহরে বাসার জায়গা কিনছিলাম পচিশ লাখ দিয়ে,এখন পঞ্চাশ লাখ বিক্রি হবে।আল্লাহ এনাফ দিছেন ভাতিজা।বললাম,চাচা দেশে চলে যান।এই বয়সে আর বিদেশ।বললেন, আগামী বছর কার্ড পাবো তারপর যাবো।ফ্রান্সে নরমালি কেউ টানা দশবছর থাকলে,অটোমেটিক লিগ্যাল কার্ড দিয়ে দেয়।

যাইহোক,বললাম চাচা গিয়ে, গোসল খাওয়া তারপর কাজে যাওয়া, অন্য দিন কথা হবে। ছাড়লেন না,বললেন বিশ মিনিট দাড়াও গল্প করি, তোমার সাথে।না করতে পারলামনা।

বললেন,আমার এই মেয়ে মেট্রিকে এ প্লাস পেয়েছে। পড়ায় খুব ভালো।আমার তো মনে কর, আশা, মেয়েরে টাকা পয়সা খরছ কইরা পড়ামু,ডাক্তার বানামো,রুজি করার দরকার নাই।গরীব মানষের চিকিৎসা করলো।আমার তো আল্লাহ দিলে অনেক আছে,মেয়ে মনে কর,আমার টাকাই বাকি জীবন খরছ করলো।

আমি কিছুতেই বুঝতে পারছিলামনা,চাচা ঘুরেফিরে উনার মেয়ের গল্পেই আসেন কেন।বললেন,ভাতিজা আমি ফেসবুকে ভিডিও দেখলাম,এক ছেলে হেলিকপ্টারে বিয়ে করতেছে।মনে কর, আমি ও খবর নিয়া দেখলাম পাঁচ দশলাখ খরছ করলে হেলিকপ্টার চড়াইয়া আমার মেয়েরে ওর শশুড় বাড়ি পাঠাতে পারবো।বললাম চাচা,আপনার মেয়ে নিয়া’তো দেখি বিশাল স্বপ্ন।

বললেন,ভাতিজা আমাদের এই বয়সে এসে নিজের আর কিচ্ছু আশা আকাঙ্ক্ষার থাকেনা।সব স্বপ্ন থাকে বাচ্চা কাচ্চা নিয়া।বললেন, ভাতিজা মেয়ে মেট্রিক পাশ করার পর বললো,ফোন লাগবে,দিলাম। মাস ছয়েক পরে বলে, আলাদা একলা রুমে থাকবে, ওর পড়ার জন্য।

রুম তো ছিলই দিলাম। আমার মেয়ের একলা রুম ভিডিও কলে দেখি, শুধু খাট আর পড়ার টেবিল আর কিছু নাই।তোমার চাচীরে বলে, একসেট সোফা কিনে দিয়ে রুম একদম সুন্দর করে সাজিয়ে দিলাম।

মেয়ে খুব খুশি হয়েছিল সোফা কিনে দেয়ায়।এরমধ্যে মনে কর ভাতিজা অনেক বিয়ের প্রস্তাব আসা শুরু হলো,ভালো ভালো বিয়ের প্রস্তাব, ছেলে ব্যাবসায়ী,বিদেশে সেটেল্ড ,আরো কত’কি।মেয়ে রাজি না,সে পড়বে।আমি এবার পাক্কা সিওর হলাম, পরিশেষে চাচা বলবেন,তোমার মতো ছেলে পাইলে দিয়ে দিবো।

চাচা বললেন, এই বছর আমার মেয়ের আইএ (এইচএসসি) পরিক্ষা দিতো, দেশে করোনার জন্য পিছিয়ে গেলো।শুন ভাতিজা,একদিন রাতে স্বপ্নে দেখি আমার শরীর মাথা সব জায়গা থেকে আমার সব চুল পড়তেছে,। পড়ে একদম নাই হয়ে গেছে। আমি রাস্তা দিয়ে হাটলে,মানুষ আমাকে দেখলে হাসে।স্বপ্নটা দেখে ঘুম ভেঙ্গে গেলো, রাত বাজে চারটা, বাংলাদেশ টাইম সকাল আটটা।মনের মধ্যে কেমন অশান্তি করতেছে, আমার এই এক অভ্যাস খারাপ লাগলে,আমার মেয়ে দুইটার সাথে কথা বলি। কল দিলাম মেয়ের ফোনে, ও ফোন ধরেনা।ভাবলাম ঘুমে হবে।তোর চাচীর ফোনে ফোন দিলাম।

তোর চাচী চোখে কম দেখে চশমা ব্যাবহার করে।খুব একটা বুড়ী হয়নি, চোখে রোগ ওর, বলে হাঁসলেন চাচা।তোর চাচীরে কল দিলে,ও প্রথমে চশমা পরবো তারপর ফোন খোঁজে বের করবো,তারপর ফোন রিসিভ করবো।কানা মানুষ বুঝলী ভাতিজা, বলে চাচা হাসিতে ফেটে পড়লেন।

তো ফোন দিলাম তোর চাচীর ফোনে,ও ফোন রিসিভ করলো।সালাম কালাম হওয়ার পর জিজ্ঞেস করলাম, মেয়ে ফোন রিসিভ করেনি কেন? ও কই! তোর চাচী বললো ঘুমায়, হয়তো বলতে বলতে ওর রুমে গিয়া দেখে – ও ফাঁসিতে ঝুলছে।

চাচা তবুও হাসছেন,মুচকি হেসেই যাচ্ছেন আর বাদাম নাড়ছেন।বললাম, বলেন কি চাচা?বললেন, হ্যা ভাতিজা মেয়েটা মরার আজ সাইত্রিশ দিন চলছে।আমি মনে কর কার্ড পেলে, দেশে গিয়া, তোর চাচীরে নিয়া হজ্ব কইরা আইসা,মরার জন্য শুইয়া পড়মু।যতক্ষণ না মরছি আর কাঁদবোনা।আরে ব্যাটা,কার জন্য বাঁচবো কষ্ট করবো?

কত কষ্টের মেয়ে,কত আদরের মেয়েটা,কত স্বপ্নের মেয়ে আমার মরে গেলো কোন ছেলের জন্য।

বিলিভ মি- চাচা তবু ও হাসছিলেন! আমি পুরাই হ্যাং হয়ে গেছি কতক্ষণের জন্য। একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে দিয়ে বললাম, চাচা আসি আজ।আবার আসবো শিওর। ফোন নাম্বার দিয়ে বললাম, যখন ইচ্ছে কল দিয়েন,আসবো আপনার সাথে গল্প করতে।

মানুষ মনে হয় কাঁদতে কাঁদতে ক্লান্ত হয়ে হাঁসে অথবা,কান্নাকে অযৌক্তিক মনে করে বা ভয় পায়, কান্না করতে যদি নিজেকে হারিয়ে ফেলে, তখন ভালো থাকার অভিনয়ের জগৎ থেকে প্রবাসীরা সেরা অভিনয় শিল্পী এমন করে অজানা রয়ে যায় লক্ষ লক্ষ প্রবাসীর জীবনে অনেক কথা………..

1

সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের সলিমাবাদ ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আবেগঘন পরিবেশে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ, জাতি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরীফ উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো এসএসসি পরীক্ষা। তোমাদের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যয়ন এবং আত্মবিশ্বাসই তোমাদের সফলতার চাবিকাঠি। তোমরা ভালো ফলাফল অর্জন করে বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাকি মিয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের সফল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম খান, মোঃ সুমন সিকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ সালাউদ্দিন এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। বক্তারা শিক্ষার্থীদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেন এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।

পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। অনেকেই তাদের বিদ্যালয় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রীবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন

1

কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
‎ এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
আজ  মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ফাঁসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের বিভিন্ন সেবা  নিয়ে আলোচনা করেন
‎ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন।ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে প্রকল্প হতে প্রেরিত গ্রাম আদালতের লিফলেট বিতরণ করেন এবং গ্রাম আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আলোচনা করি। গ্রাম আদালতে কি কি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে এবং গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সবোর্চ্চ কত টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে
‎সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন ।উপজেলা কো-অর্ডিনেটর বলেন ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের এবং পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন সবাইকেই গ্রাম আদালতে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা লিফলেটের মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত অল্প সময়ে স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পাওয়া যায়। গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলার ফি ১০ টাকা দেওয়ানি মামলার ফি ২০ টাকা এ ছাড়া এ আদালতে আর কোন টাকা-পয়সা লাগে না। তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন গ্রাম আদালতের প্রচার করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে এবং গ্রাম আদালতের সুবিধা গুলো সাধারনত জনগনকে জানাতে হবে। আপনাদের প্রচারের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষ যেন ছোট ছোট বিরোধ গুলো ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের নিষ্পত্তি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে ন্যায়বিচার পায় সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের সকলের কাজ করতে হবে। ইউনিয়ন  পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলবো
‎অল্প সময়ে স্বল্প খরচে ন্যায় বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে।

1

সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৭ পিএম
সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঢাকার সাভার সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন অভিযোগ করেছেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই একটি চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি সব সময় সরকারি নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিয়মবহির্ভূত কাজ করাতে ব্যর্থ হয়ে এখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। এতে আমার স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং আমাকে নিয়মিত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আমার কাজের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।’

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সাভারে মোট ২৪ হাজার ১১৬টি দলিল নিবন্ধিত হয়, যার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হয় ২৬৬ কোটি ৬৯ লাখ ৭ হাজার ২৫৬ টাকা। ২০২৫ সালে দলিলের সংখ্যা ছিল ২৪ হাজার ৫৫টি এবং রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৯ কোটি ২১ লাখ ৮ হাজার ১০৯ টাকা।

এছাড়া ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে ৬ হাজার ১৪৪টি দলিল থেকে ৬৫ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪৬ টাকা রাজস্ব আদায় হয়। অপরদিকে ২০২৬ সালের একই সময়ে ৫ হাজার ৪৩৪টি দলিল নিবন্ধিত হলেও রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ৩৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ টাকা।

তিনি দাবি করেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।’

অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।