মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩

1

পূর্ব এনায়েত নগরে মাসিক সমন্বয় সভা: গ্রাম আদালত নিয়ে জনসচেতনতার ডাক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পূর্ব এনায়েত নগরে মাসিক সমন্বয় সভা: গ্রাম আদালত নিয়ে জনসচেতনতার ডাক

 

​ এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

​মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েত নগর ইউনিয়ন পরিষদে মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এই সভায় প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল তৃণমূল পর্যায়ে বিচার ব্যবস্থা সহজীকরণ ও গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা।
​পূর্ব এনায়েত নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নেয়ামুল হক আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় পরিষদের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নারী ও পুরুষ সদস্যবৃন্দ (মেম্বার) এবং হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ আওলাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
​গ্রাম আদালত: স্বল্প সময়ে ও স্বল্প খরচে ন্যায়বিচার
​সভায় গ্রাম আদালতের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন গ্রাম আদালতের ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন। তিনি উপস্থিত সদস্যদের মাঝে প্রকল্প থেকে প্রেরিত সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।
​আলোচনায় তিনি গ্রাম আদালতের গুরুত্ব তুলে ধরে কয়েকটি মূল পয়েন্ট ব্যাখ্যা করেন:
​গ্রাম আদালত কি: এটি স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির একটি আইনি মাধ্যম, যেখানে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমেই ছোটখাটো সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়।
​কেন গ্রাম আদালতে যাবো: আদালত বা থানায় না গিয়ে নিজ এলাকায় দ্রুত, সস্তায় এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে বিচার পাওয়ার জন্য গ্রাম আদালত সেরা বিকল্প।
​আর্থিক এখতিয়ার: গ্রাম আদালত অনধিক ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা পর্যন্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে।
​নামমাত্র খরচ: এখানে মামলার আবেদন ফি অত্যন্ত সীমিত। ফৌজদারি মামলার ফি মাত্র ১০ টাকা এবং দেওয়ানি মামলার ফি মাত্র ২০ টাকা। এর বাইরে অতিরিক্ত কোনো খরচ নেই।
​স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা
​উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন বলেন, “ছোটখাটো বিরোধ নিয়ে সাধারণ মানুষ যেন থানা বা কোর্টে গিয়ে হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য আমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে গ্রাম আদালত সক্রিয় রাখার অনুরোধ জানাই।” তিনি আরও জানান, গ্রাম আদালত সাধারণত ৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানই এই আদালতের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
​জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ
​সভার শেষ পর্যায়ে উপস্থিত মেম্বার ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানান যে, বিতরণকৃত লিফলেটগুলো যেন শুধু নিজেদের কাছে সীমাবদ্ধ না থাকে। এগুলো বাড়ি নিয়ে গিয়ে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং পাড়া-প্রতিবেশীকে পড়ে শোনাতে হবে। সাধারণ মানুষ গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জানলে মামলা-হামলার চাপ কমবে এবং গ্রামীন শান্তি বজায় থাকবে।
​সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান মোঃ নেয়ামুল হক আকন গ্রাম আদালতকে আরও শক্তিশালী করতে এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন

1

বকশীগঞ্জে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন পালিত হয়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৭ পিএম
বকশীগঞ্জে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন পালিত হয়েছে

Oplus_131072

 

জামালপুরজেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে নানা আয়োজনর মধ্যদিয় বাঙ্গালীর প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উদযাপন করা হয়েছে।

শোভাযাত্রা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন আয়োজনে মেতে ওঠে সর্বস্তরের মানুষ।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে নয়টায়  উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৈশাখি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভা যাত্রাটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।

এ সময় উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ও স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় ‘এসো হে বৈশাখ’ শিরোনামে গান ও নৃত্য পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা দেয় ।

বৈশাখি শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন, বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মানিক সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স , পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল, বীরমুক্তিযোদ্ধা নওশেদ আলীসহ অনেকেই। এছাড়াও উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানারা, স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীরা সহ শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

পরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের অংশ গ্রহন কারী  বিজয়ী  শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার তোলে দেন অতিথি’রা।

1

ঠাকুরগাঁওয়ে পালিত হচ্ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
ঠাকুরগাঁওয়ে পালিত হচ্ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

মোঃ রানা ইসলাম = ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

গ্রামবাংলার ঐতিহ্যসমৃদ্ধ নানা বর্নিল আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঠাকুরগাঁওয়ে উদযাপিত হচ্ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করতে জেলার সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিয়েছেন নানা সাংস্কৃতিক, কৃষিভিত্তিক ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোরে শহরের আদালত চত্বরের বটতলায় প্রভাতি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বর্ষবরণের সূচনা হয়। স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন নিক্বণ সংগীত বিদ্যালয়ের শিল্পীরা রাগভৈরবীসহ বিভিন্ন সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানান।

এ সময় রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, লোকগান, ভাওয়াইয়া ও আবৃত্তিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় এক বর্ণিল পরিবেশ।

প্রভাতি অনুষ্ঠানের পর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বের হয় বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন‌, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী সহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা, গ্রামীণ খেলাধুলা ও নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে জেলার কুমারপাড়াগুলোতেও দেখা গেছে ব্যস্ততা। মাটির তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী ও বৈশাখী পণ্যে রঙের ছোঁয়ায় ফুটে উঠেছে বাংলার ঐতিহ্য, যা এই উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পহেলা বৈশাখ শুধু উৎসব নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ঐক্যের প্রতীক। নতুন বছরের প্রথম দিনে অতীতের গ্লানি ভুলে নতুন আশায় পথচলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সবাই।

1

বর্ষবরণ উৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
বর্ষবরণ উৎসব

 

কাব্যশ্রী মো. নজরুল ইসলাম
রঙ বাহারি পাঞ্জাবি আর শাড়ি চুড়ি শোভা,
বাঙালিদের ঐতিহ্যবোধ কতো মনোলোভা।
সাম্য, মৈত্রী বন্ধনে তার খ্যাতি জগৎ জুড়ে,
কালবৈশাখী ঝড়ের দিনে বসত অন্তঃপুরে।
নববর্ষের উৎসবে আজ সব বাঙালি জাতি,
ধর্ম বর্ণের বিভেদ ভুলে ভালো মানুষ খ্যাতি।
বর্ষবরণ উৎসবে আজ প্রাণে উল্লাস জাগে,
“এসো বৈশাখ” গানের সুরে নববর্ষের রাগে।
ঢোলের তালে বাদ্য বাজায় নব বর্ষের মাঝে,
লাল ফিতা ও সাদা শাড়ির ললনাগণ সাজে।
ঢোল পিটিয়ে বাঁশির সুরে ছোট্ট শিশুর দলে,
মণ্ডা-মিঠাই খেয়ে সবাই বৈশাখী গান বলে।
পান্তা ইলিশ আলুর ভর্তা সকাল বেলা খাবে,
এক কাতারে শিল্পীরা সব গান গাহিয়া যাবে।
নানা রকম পশরা আজ আসে মেলার মাঠে,
আনন্দ আর উচ্ছ্বাস ভরা নাগরদোলা ঘাটে।
নববর্ষের মেলার খেলা দোলনা দোলে পাশে,
মনের আশা অনেক দামী বৈশাখী সুর ভাসে।
ছুটির দিনে আনন্দ বেশ বৈশাখ মাসে মিলে,
সবাই মিলে মেলাতে যাই একাত্ম প্রাণ দিলে।