শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

টেকনাফে দেশীয় তৈরী এলজি ও গুলি উদ্ধার, ৩ রোহিঙ্গা আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪, ৫:১২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
টেকনাফে দেশীয় তৈরী এলজি ও গুলি উদ্ধার, ৩ রোহিঙ্গা আটক

জামাল উদ্দীন -কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে ১টি দেশীয় তৈরী এলজি এবং ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসময় জড়িত ডাকাতদলের ৩ সদস্যকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন,উখিয়া উপজেলার ১৫ নম্বর জামতলি ক্যাম্পের আবু আহমেদের ছেলো
এনায়েতুল্লাহ (২৬),একই ক্যাম্পের আব্দুল জব্বারের ছেলে মোহাম্মদ আলম (২৩) ও টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২২ নম্বর উনচিপ্রাং ক্যাম্পের
নূর মোহাম্মদের ছেলে মোহাম্মদ ইয়াছিন(২৯)।

টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক
লেঃ কর্নেল মোঃ মহিউদ্দীন আহমেদ গণমাধ্যমকে।এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, (৩০ অক্টোবর) বুধবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ লেদা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১১ হতে আনুমানিক ৫০০ গজ দক্ষিণ-পূর্ব দিকে নাফ নদীর কিনারায় বাংলাদেশ পার্শ্বে লেদা খালেরমুখ থেকে একটি নৌকা দিয়ে কিছু ডাকাত দলের সদস্য টেকনাফ শহরের দিকে গমন করবে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে লেদা বিওপি’র একটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহলদল লেদা খালেরমুখ এলাকায় গমন করে একটি নৌকা নিয়ে নাফ নদীর কিনারায় কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে। কিছুক্ষণ পর টহলদল তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে নাফনদী দিয়ে টেকনাফ শহরের দিকে আসতে দেখে। উক্ত ব্যক্তিদের গতিবিধি সন্দেহ হওয়ায় পূর্ব থেকেই কৌশলগত অবস্থানে থাকা বিজিবি নৌ টহলদল তাদেরকে ঘেরাও করে আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তিদের তল্লাশী করে তাদের নিকট থেকে ১টি দেশীয় তৈরী এলজি এবং ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে বিভিন্ন সময় টেকনাফ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট, দোকান এবং বাড়ী-ঘরে ডাকাতি করে থাকে।
তিনি আরো জানান,আটককৃত ডাকাত দলের সদস্যদেরকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে বন্যহাতির আক্রমণে ১ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম
বকশীগঞ্জে বন্যহাতির আক্রমণে ১ জনের মৃত্যু

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বন্য হাতির আক্রমণে জয়নাল আবেদীন (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের গারো পাহাড়ের সোমনাথ পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত জয়নাল আবেদীন স্থানীয় মির্ধাপাড়া এলাকার মৃত রমিজ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকালে পাহাড়ে লাকরি সংগ্রহের জন্য বাড়ি থেকে বের হন জয়নাল আবেদীন। সন্ধ্যায় বাড়ি না ফেরায় বাড়ির লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। রাতে তাকে না পেয়ে শনিবার সকালে আবার খোঁজাখুঁজি করেত বের হন বাড়ির লোকজন ও স্বজনরা। পরে পাহাড়ের সোমনাথ পাড়া এলাকার জঙ্গল থেকে থেতলানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে রাতে বন্য হাতির আক্রমণে তিনি মারা গেছেন।
ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাপ জামাল জানান, ভারত থেকে কাটাতার পেরিয়ে আসা বন্য হাতির আক্রমণে জয়নাল আবেদীনের মৃত্যু হয়েছে।
বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)  মুরাদ হোসেন  জানান, বন্যহাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যু খবর শোনেছি । নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হবে।

1

আ.লীগের দোসর জাহাঙ্গীরের মামলায় সম্পাদকসহ ৪ জন অভিযুক্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:৩০ পিএম
আ.লীগের দোসর জাহাঙ্গীরের মামলায় সম্পাদকসহ ৪ জন অভিযুক্ত

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

দর্শনা জয়নগরের হুন্ডি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পত্রিকায় সংবাদ  প্রকাশ করায় দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সোহেল রানাসহ ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন আওয়ামী লীগের দোসর জাহাঙ্গীর হোসেন। ৫ আগষ্ট পরবর্তী সীমান্ত শহর দর্শনা দিয়ে অনেক আ.লীগের দোসর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সহায়তাকারী হুন্ডি ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর আলম কোন ক্ষমতা বলে তার হুন্ডি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নেপথ্যে জাহাঙ্গীরকে কে শক্তি যোগাচ্ছে তা নিয়ে সচেতন মহলের মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে ? অনেকেই মন্তব্য করে বলেছেন হুন্ডি ব্যবসায়ীদের কোন দল থাকে না, যে যখন ক্ষমতায় আসে রাতারাতি খোলস পাল্টে তারা সেই দলের লোক হয়ে যায়। হুন্ডি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আ.লীগের চিহ্নিত দোসর হলেও পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে বর্তমান রাজনীতির সাথে মিশে গেছেন। আর এ কাজের সহযোগি হিসাবে আছেন তার  ভাই সুরুজ মিয়া ও জাহিদ হাসান ও তারেক।
নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী সরকার রাষ্ট্রীয়  ক্ষমতায় আসার পর কুষ্টিয়ার খোকসা থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন চুয়াডাঙ্গা দর্শনা পৌর এলাকার জয়নগরে নানার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সীমান্ত এলাকায় বসবাস করার সুযোগে হুন্ডি ব্যবসার সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। স্বর্ণ ও রূপা চোরাচালান ও মাদকের টাকা তার হাত দিয়ে ভারতে পাচার হতে থাকে। দিন দিন ভারত ও বাংলাদেশের হুন্ডি কারবারিদের সাথে তার চরম সখ্যতা গড়ে ওঠে। কয়েকদিনের ব্যবধানে আলিশান বাড়িসহ খোকসা নিজ এলাকায় নামে বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলেন। ২০১৮ সালের ছোট একটি টোং দোকান থেকে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়া জাহাঙ্গীরকে আর পায়কে। শুধু তাই নয় দেশের গোপনিয় খবর তার মাধ্যমে ভারতে পৌছিয়ে যায় বলে জনশ্রতি রয়েছে। জাহাঙ্গীরের নানা অপকর্ম নিয়ে গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দৈনিক আজকের বসুন্দরাসহ বিভিন্ন  পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে জাহাঙ্গীর  ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। প্রকাশ্যে এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে  প্রাণনাশের হুমকি দেয় পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সোহেল রানাসহ তার সাংবাদিকদের ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ আনুমানিক দুপুর ২ টার দিকে যার কল রেকর্ড সুরক্ষিত আছে  । জীবনের নিরাপত্তা ঝুকির কথা চিন্তা করে সোহেল রানা দর্শনা থানায় ১১.১২.২৫ তারিখে একটি জিডি করেন। দর্শনা থানা পুলিশ জিডি তদন্তপূর্বক আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন সমন জারি হয় জাহাঙ্গীরের নামে। গত মে মাসের ২৫ তারিখে সমন পাওয়ার পর  থেকে বিভিন্ন ফেসবুক ফেক আইডি খুলে পত্রিকার সম্পাদকসহ সাংবাদিকদের নামে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন  জাহাঙ্গীর  এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২  জুন ২০২৬ তারিখে পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সোহেল রানা, পত্রিকার সাংবাদিক হাফিজুর রহমান, রাশেদুল ইসলাম ও আসহাবুল আলমের নামে আদালতে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করে জাহাঙ্গীর। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা ডিবি পুলিশের উপর তদন্তভার দেন। সাংবাদিকদের নামে চিহ্নিত হুন্ডি ব্যবসায়ি মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করায় সাংবাদিক মহলসহ সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে জনশ্রুতি রয়েছে ৫ আগষ্ট পরবর্তী জাহাঙ্গীর আলম কিছুদিন আত্নগোপনে চলে যান। সুযোগ বুঝে এলাকায় ফিরে আসেন এবং জামাত ইসলাম দলে যোগদান করে তার  হুন্ডি ব্যবসার হাল ধরেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে জয়নগর গ্রামের কয়েকজন বলেন, ৫ আগষ্ট পরবর্তী এলাকার চিহ্নিত আ.লীগের দোসরদের রাতে আঁধারে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নিরাপদে ভারতে চলে যাবার সুযোগ করে দেন জাহাঙ্গীর। কারণ তার দেশে এবং ভারতে রয়েছে সিন্ডিকেট। ভারতে পালিয়ে  থাকা আ.লীগের দোষরদের সাথে ভারতীয় সিম ব্যবহার করে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন বলে জোর গুঞ্জণ বাতাসে ভাসছে। বর্তমানে দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার হয়ে যাওয়া হুন্ডি টাকা তার মাধ্যমে পাচার হয়ে থাকে। তাই তিনি প্রকাশে বলে থাকেন আমার হাত অনেক উপরে। তোদের মত সাংবাদিকরা আমার বিরুদ্ধে লিখে কিছু করতে পারবি না। জেলার প্রশাসনের সব বিভাগের সাথে আমার রয়েছে যোগাযোগ। আমার বিরুদ্ধে কিছু লিখলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। ফলে এলাকাবাসির দাবি হুন্ডি ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর সামান্ত এলাকায় বসবাস করে দেশের তথ্য, স্বর্ণ, রুপা ও মাদকের টাকা হুন্ডি মাধ্যমে ভারতে পাচার দেশের জন্য বড়হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। চিহ্নিত হুন্ডি ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের গ্রেফতার জোর দাবি তুলেছে সচেতন মহল। সেই সাথে সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা করায় তিব্র নিন্দা জানিয়েছে সাংবাদিক মহল।

1

মির্জাপুর ভাওড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজে মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
মির্জাপুর ভাওড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজে মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

আনোয়ার হোসেন মির্জাপুর প্রতিনিধি:

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণা মোতাবেক মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল ৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর নির্দেশে ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজে আজ ২৫ জুন ২০২৬ ইং মাদকবিরোধী প্রচারণা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।
এই মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান । ভাওড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেন সম্রাট ।, মোঃ জাহিদ সরকার ,যূগ্ন সম্পাদক ও সভাপতি ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজ এডহক কমিটি। অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোঃ আনোয়ার হোসেন । ভাওড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম খান। মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য শাহ- আলম । । ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর রহমান ।ভাওড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ইউপি সদস্য মোঃ যুবরাজ ইসলাম। ছাত্রদলের আহ্বায়ক খোকন মিয়া ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা , ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক বৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন ।
সকল বক্তাগণ মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান এবং যদি কেউ মাদক গ্রহণ করে তাহলে তাকে ধরে আইনের হাতে সোপর্দ করার জন্য বলেন । বক্তারা আরও বলেন আইন কেউ নিজের হাতে তুলে নেবেন না বাড়ি ঘর ভাঙচুর করবেন না । প্রয়োজনে আমাদেরকে ফোন দিবেন ।
আয়োজনে ভাওড়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন।