শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

জয়পুরহাটে কৃষি অর্থনীতি সম্প্রসারণ করছে পোল্ট্রি, বাড়ছে কর্মসংস্থান।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪, ৭:৩৮ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
জয়পুরহাটে কৃষি অর্থনীতি সম্প্রসারণ করছে পোল্ট্রি, বাড়ছে কর্মসংস্থান।

সুকমল চন্দ্র বর্মন  পিমল, কালাই,জয়পুরহাট ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটে বর্তমানে ৬৫১টি লেয়ার (ডিম উৎপাদন) মুরগির খামার রয়েছে— যেখানে বছরে ডিম উৎপাদন হচ্ছে ৩১ কোটি। জেলায় চাহিদা ৯ কোটি ৯৪ লাখ। উৎপাদিত এই ডিমের বাজার মূল্য এখানে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার উপরে।

কৃষি নির্ভর অর্থনীতির উপর ভর করে চলা জয়পুরহাট জেলায় চাহিদার চেয়ে বেশি ডিম উৎপাদন হচ্ছে। এতে তৈরি হচ্ছে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ। সরকারি-বেসরকারি বহুমুখী প্রচেষ্টায় বড় হচ্ছে জেলার কৃষি অর্থনীতির পরিসরও।

জয়পুরহাটে বর্তমানে ৬৫১টি লেয়ার (ডিম উৎপাদন) মুরগির খামার রয়েছে— যেখানে বছরে ডিম উৎপাদন হচ্ছে ৩১ কোটি। জেলায় চাহিদা ৯ কোটি ৯৪ লাখ। উৎপাদিত এই ডিমের বাজার মূল্য এখানে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার উপরে।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বর্তমানে জেলার চাহিদা মিটিয়ে ২০ কোটির বেশি ডিম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সহবরাহ করা হচ্ছে। মুরগি পালনের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জেলার আড়াই লক্ষাধিক মানুষ জড়িত।

তাদের মধ্যে একজন হলেন জয়পুরহাট সদর উপজেলায় জামালগঞ্জ এলাকায় মঞ্জুরুল ইসলাম।

তার খামারে ডিম উৎপাদনকারী প্রায় ৮ হাজার মুরগি আছে। এখান থেকে প্রতিদিন অন্তত সাড়ে ৩ হাজার ডিম উৎপাদন হয়। গত মাস থেকে এই খামারে প্রতি পিস ডিম বিক্রি হয়েছে ১০ টাকার উপরে।

মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, মুরগির খাবার ও মেডিসিনের বাজারে সরকারি নিয়ন্ত্রণ নেই। এ কারণে ডিমের বাজার চড়া।

তিনি বলেন, তবে আমরা চাই বাজার স্থিতিশীল থাকুক। কারণ বাজার ওঠা-নামা করলে ব্যবসায় লোকসানের আশঙ্কা বেশি থাকে।

২২ বছর ধরে মঞ্জুরুলের তিনতলা খামার দেখাশোনা করছেন আনিসুর রহমান। তিনি জানান, হাইব্রিড জাতের মুরগি ১৪০ দিনেই ডিম দেওয়া শুরু করে। ১৮ মাস পর্যন্ত ভালোভাবে ডিম দেয়। এরপর এসব মুরগি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে বাজারে বিক্রি করা হয়।

ডিম উৎপাদনের সাথে জড়িত একাধিক খামারি বলেন, খাবারের মূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে এখন প্রতি পিস ডিম উৎপাদন করতে খরচ হচ্ছে ৯ টাকার উপরে। বাজারে গিয়ে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকায়।

২০০০ সালের পর মূলত জয়পুরহাটে পোল্ট্রি বিপ্লব ঘটে। এরপর থেকেই জামালগঞ্জের অধিকাংশ বাড়িতে মুরগি পালন শুরু হয়। পোল্ট্রি ছাড়া জয়পুরহাটে অন্য কোনো শিল্প খুব বড় পরিসরে গড়ে ওঠেনি। এ শিল্পে জেলায় দিনে ৪ থেকে ৪.৫ কোটি টাকার লেনদেন হয় বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

বর্তমানে পোল্ট্রি খাতে অনেক শিক্ষিত যুবক যুক্ত হচ্ছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন সদরের মাদারগঞ্জ এলকার দেলোয়ার হোসেন।

দুই হাজার ডিম উৎপাদনকারী মুরগি রয়েছে তার খামারে। দেলোয়ার জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা সফল হওয়ার কারণে জেলায় মুরগি পালনের বিল্পব ঘটেছে বলা যায়। এ কারণে এখানে অনেক মানুষ তাদের কর্মের পথ বেছে নিয়েছেন।

নিরাপদ উপায়ে ডিম বাজারজাতকরণে আমাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে,যোগ করেন দেলোয়ার।

ডিম উৎপাদন কিংবা পোল্ট্রি ব্যবসায়ের উন্নয়নে আধুনিক ব্যবসাবান্ধব পদ্ধতিতে কাজ করে যাচ্ছে জয়পুরহাটের বেসরকারি সংস্থা জাকস ফাউন্ডেশন। তাদের অর্থায়ন করছে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ), পল্লীকর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও ডেনিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ডানিডা)।

রুরাল মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্টের (আরএমটিপি) মাধ্যমে মুরগি পালনের সাথে জড়িত ১০ হাজার মানুষের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে কাজ করছে জাকস।

জয়পুরহাটে পোল্ট্রি সেক্টরের টেকসই উন্নয়নে কাজ করা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জাকসের নির্বাহী পরিচালক মো. নূরুল আমিন বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা নিরাপদ ও টেকসই বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। একই সাথে নিরাপদ পণ্য বাজারজাতকরণের উদ্যোক্তাও তৈরির কাজ করা হচ্ছে।

জেলায় নিরাপদ উপায়ে উৎপাদিত মাংস ও ডিম বিক্রির জন্য গ্রিন হারভেস্ট মিট নামের একটি প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠেছে। সংস্থাটির ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম জানান,নিরাপদ উপায়ে মাংস ও ডিম উৎপাদনকারী ৬০ থেকে ৭০টি খামার রয়েছে। আমরা তাদের কাছ থেকেই পণ্য কিনি। এসব পণ্য স্থানীয় বাজারসহ রাজধানীর ইউনিমার্টে সরবরাহ করে থাকি।

ইউনিমার্টে প্রায় এক বছর ধরে তারা ডিম ও মাংস সরবরাহ করছেন বলে জানান শহিদুল।

বেরসকারি একটি কোম্পানির চাকরি ছেড়ে জয়পুরহাটে এসে ডিমের ব্যবসা করছেন মো. রাশেদুজ্জামান। তিনি প্রতি মাসে অন্তত ১০ ট্রাক (ডিমবহনকারী ছোট যান) ডিম ঢাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করেন।

এই উদ্যোক্তা জানান, ১৬টি খামারির কাছ থেকে মাসে কয়েক লাখ ডিম ঢাকায় সরবরাহ করি। জাকস আমাদের ডিম বিক্রির প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছে। চাকরি ছেড়ে ব্যবসায় এখন খুব ভালো আছি।

জয়পুরহাটে সোনালী মুরগির বিপুল সংখ্যক খামার গড়ে উঠেছে। এ কারণে এখানে ডিম থেকে সোনালী জাতের বাচ্চাও ফুটোনো হয়। গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক হ্যাচারিও। মুরগির খাদ্য উৎপাদনের জন্য রয়েছে ১০টির বেশি ফিড মিল। হ্যাচারিগুলো থেকে বছরে সোনালী জাতের মুরগির ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদন হয় প্রায় ১০ কোটি। জেলায় মুরগীর খামারিদের বাচ্চার চাহিদা ৬ কোটির উপরে। বাকি বাচ্চাগুলো জেলার বাইরে সরবরাহ করা হয়। দিন দিন এই খাতে বাড়ছে কর্মসংস্থান।

দেশব্যাপী নিরাপদ উপায়ে উৎপাদন সফল উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে পিকেএসএফ। দেশের জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগাঁ, রংপুর, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শরিয়তপুর, ফরিদপুর, কক্সবাজারসহ ১২টি জেলায় আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে ৮৬,৫৫৫ জন মানুষকে সেবার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।

পিকেএসএফের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল কাদের জানান, আমাদের আশপাশের অনেকে এখন নিরাপদ পদ্ধতিতে খাদ্য উৎপাদন করছে। আমরা প্রত্যাশা করি, দেশের সবাই নিরাপদ পণ্য তৈরি করবে। তখন বাজারে একটি মৌলিক পরিবর্তন আসবে। আশানুরূপ একটি পরিবর্তন আসুক নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে— যা হবে সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার সিস্টেম।

জয়পুরহাটের অর্থনীতি, কৃষি নির্ভর উল্লেখ করে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মহির উদ্দিন বলেন, এখানে মুরগি পালনকে কেন্দ্র করে কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। তাদের উৎপাদিত পণ্য দেশের মানুষ গ্রহণ করছে। সুতরাং, এই বাজার ব্যবস্থা ধরে রাখতে হবে।

নিরাপদ উপায়ে এখানে ডিম ও মাংস উৎপাদন হচ্ছে— এই বিষয়টি একবার প্রমাণ করা গেলে আজীবন জেলার মানুষ উপকৃত হবেন। এ কারণে আমরা নিরাপদ উপায়ে উৎপাদনের জন্য চাষীদের সাথে কাজ করে যাচ্ছি,যোগ করেন তিনি।

1

মির্জাপুর ভাওড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজে মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
মির্জাপুর ভাওড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজে মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

আনোয়ার হোসেন মির্জাপুর প্রতিনিধি:

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণা মোতাবেক মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল ৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর নির্দেশে ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজে আজ ২৫ জুন ২০২৬ ইং মাদকবিরোধী প্রচারণা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।
এই মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান । ভাওড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেন সম্রাট ।, মোঃ জাহিদ সরকার ,যূগ্ন সম্পাদক ও সভাপতি ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজ এডহক কমিটি। অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোঃ আনোয়ার হোসেন । ভাওড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম খান। মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য শাহ- আলম । । ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর রহমান ।ভাওড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ইউপি সদস্য মোঃ যুবরাজ ইসলাম। ছাত্রদলের আহ্বায়ক খোকন মিয়া ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা , ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক বৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন ।
সকল বক্তাগণ মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান এবং যদি কেউ মাদক গ্রহণ করে তাহলে তাকে ধরে আইনের হাতে সোপর্দ করার জন্য বলেন । বক্তারা আরও বলেন আইন কেউ নিজের হাতে তুলে নেবেন না বাড়ি ঘর ভাঙচুর করবেন না । প্রয়োজনে আমাদেরকে ফোন দিবেন ।
আয়োজনে ভাওড়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন।

1

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে স্কুলের টিউবওয়েলের বিষাক্ত পানি পান করে অসুস্থ ৩০ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ভর্তি — পরিদর্শনে এমপি লাভলু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৭:৪৯ পিএম
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে স্কুলের টিউবওয়েলের বিষাক্ত পানি পান করে অসুস্থ ৩০ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ভর্তি — পরিদর্শনে এমপি লাভলু

 

নিজস্ব প্রতিবেদন :

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলের পানি পান করে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন কোমলমতি শিক্ষার্থী। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দ্রুত উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে গুরুতর অবস্থায় থাকা দুইজন শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা মামুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলে বিষাক্ত কোনো রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে দেয়। ফলে পানি বিষাক্ত হয়ে পড়ে এবং সেই পানি পান করেই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার ( গত, ২৩ জুন) রাতে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের বর্তমান অবস্থা জানতে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন টাঙ্গাইল-৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু।
এ সময় তাঁর সহধর্মিনী, নাগরপুর মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মনোয়ারা বেগম মুকুল উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে এমপি লাভলু চিকিৎসকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন এবং এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।
এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নাগরপুর উপজেলা শাখা ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক উদ্বেগ, আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

1

বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৫:০৬ পিএম
বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন

oplus_0

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের হলরুমে বীরমুক্তিযোদ্ধা আফসার আলীর উদ্যোগে কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সাদিয়া আফরিন ।

বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আফসার আলীর সভাপতিত্বে কুইজ প্রতিযোগিতায় এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ আমিনুল ইসলাম,  চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, সমাজ সেবক দেলুয়ার হুসেনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞান ভিত্তিক এই কুইজ প্রতিযোগিতায় উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন অতিথি’রা।