বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২

নওগাঁর আত্রাইয় কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা প্রায় ৩৬ মনের ষাঁড়, কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়ে শংকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫, ৫:০১ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নওগাঁর আত্রাইয় কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা প্রায় ৩৬ মনের ষাঁড়, কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়ে শংকা

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মফস্বল এলাকায় কোরবানীতে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ৩৬মন ওজনের একটি ষাঁড়। গত প্রায় চার বছর ধরে লালন-পালন করে ষাঁড় প্রস্তুতে সফল হলেও কাঙ্ক্ষিত দর পাওয়া নিয়ে চরম শংকায় পরেছেন তিনি।

ষাঁড়টি প্রস্তুত করেছেন আত্রাই উপজেলার ভোঁপাড়া ইউনিয়নের তিলাবুদুরি মল্লিক পাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে প্রবাস ফেরৎ কৃষক জাহাঙ্গীর আলম ওরফে জাহিদুল মল্লিক।

তিনি জানান, গত ২০১৯সালে সৌদি আরবে গিয়ে দালালের খপ্পরে পরে নিঃস্ব হয়ে মাত্র দুই বছরের মাথায় দেশে ফিরে আসেন। এরপর কৃষি কাজের পাশা পাশি বাড়ীতে গরুর খামার গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন তিনি। সে সময় ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে প্রথমে একটি গরু দিয়ে শুরু করেন খামার।

এরপর জমি বিক্রি করে ধীরে ধীরে খামারের পরিধি বাড়াতে থাকেন। এতে তার খামারে প্রায় ১২টি গরু তোলেন। কিন্তু গো-খাদ্যের আকাশ ছোঁয়া দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গরু পালনে লোকসান হতে থাকলে খামার থেকে গরু বিক্রি করে গরুর সংখ্যা কমে দেন।

তিনি আরও জানান, গত সাড়ে তিন বছর আগে বাড়ীর একটি গাভীকে ফ্রিজিয়ান জাতের বীজ দিয়ে প্রজনন করান। এরপর এই ষাড় জন্ম নেয়। শুরুতেই ষাঁড়ের দৈহিক গঠন দেখে পশু চিকিৎসকের পরামর্শে ষাঁড়টি লালন পালন শুরু করেন। এতে চোখের সামনে ধীরে ধীরে দানব আকার ধারণ করতে থাকে ষাঁড়টি।

কৃষক জাহাঙ্গীর জানান, ষাঁড়ের পরিচর্জায় স্ত্রী-সন্তান সবাই শ্রম দেয়। ষাঁড়টি সম্পন্ন প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। পাকা কলা, গম-ভূট্রার ভূষি আর ঘাস-খর খাইয়ে বড় করা হয়েছে ষাঁড়টি। তবে গ্রামের মধ্যে ছোট্র

এই খামারে এত বড় দানব আকারের ষাঁড় রয়েছে এমনটি কেউ জানতো না। তবে বিক্রির জন্য লোকজনকে বলাবলি করতে থাকলে গ্রামের এবং প্রতিবেশি গ্রামের লোকজন একনজর দেখার জন্য ছুটে আসছেন। এখন প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন এলাকা থেকে ষাঁড়টি দেখতে এবং কিভাবে প্রস্তত করা হয়েছে তা জানতে লোকজন ছুটে আসছেন তার বাড়ীতে।

জাহাঙ্গীর আলম বলছেন, স্বপ্ন ছিল গরু পালনে সফল হবার, এতো বড় গরু প্রস্তুত করে সেই সফলতার নাগাল ধরতে পেরেছেন। তিনি বলছেন, স্বপ্নের ষাঁড়টি হয়তো ১৪ লাখ টাকায় বিক্রি হবে। কিন্তু এপর্যন্ত সর্বোচ্চ ৭-৮লাখ টাকা দাম বলছেন ক্রেতারা।

তিনি বলছেন, ক্রেতারা যে পরিমানে দাম বলছেন, ষাঁড় প্রস্তুত করতে এর অধিক পরিমাণে ব্যয় হয়েছে। ফলে কাঙ্খিত দর পাওয়া নিয়ে চরম শংকায় রয়েছেন জাহাঙ্গীর মল্লিক।

আত্রাই উপজেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তর কর্মকর্তা আবু আনাছ বলেন, এবার উপজেলায় কোরবানী পশুর চাহিদা রয়েছে ২৭হাজার ৮৮৫টি, এর বিপরীতে কোরবানীর মোট পশু প্রস্তুত হয়েছে ৫৩হাজার ৫৬৭টি। এর মধ্যে গরু রয়েছে ৮হাজার ৬০৮টি, মহিষ ৩০টি, ছাগল ৩৮হাজার ৩৩৯টি ভেড়া ৬হাজার ২০টি এবং গাড়ল রয়েছে ৭০টি।

তিনি জানান, যতগুলো গরু রয়েছে এর মধ্যে তিলাবুদুরি গ্রামের জাহাঙ্গীর মল্লিকের ষাঁড়টি সবচাইতে বড়। কর্মকর্তা বলেন, রাজধানী বা বিভাগীয় পর্যায় ছাড়া উপজেলা পর্যায়ে এতো বড় ষাঁড় বিক্রি হওয়া একটু মস্কিলই। তবে আমরাও চেষ্টা করছি যেনো ষাঁড়টি বিক্রি হয়।
নওগাঁ#

1

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

আনোয়ার হোসেন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সাথে জনাব মোঃ আজমুল হক অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ঢাকা মহোদয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজনে উপজেলা প্রশাসন সভা কক্ষে এই মত বিনিময় সভা শুরু হয় । অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক)ঢাকা মোঃ আজমুল হক ,মির্জাপুর উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল ৭ মির্জাপুর আসনে নির্বাচন বিশৃঙ্খলা মুক্ত সুন্দর সুষ্ঠু নির্বাচন হয় সে লক্ষ্যে সকলেই কাজ করবেন । মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন , সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ তারেক আজিজ , মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ও সি )আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এসময় উপস্থিত ছিলেন ।

1

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সৌজন্য সাক্ষাৎ

 

আনোয়ার হোসেন:

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সাংবাদিকবৃন্দ ।
২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার দুপুরে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মহোদয়ের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাংবাদিকদের সাথে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন বলেন মির্জাপুর একটি শান্তিপূর্ণ উপজেলা । তিনি সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ প্রকাশ করার কথা বলেন এবং সব সময় সাংবাদিকদের প্রয়োজনে পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান,।সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান অরেঞ্জ , সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুবেল মিয়া , প্রচার সম্পাদক সাইদুর রহমান শাকিল , দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম মিয়া ,কার্যকারী সদস্য আনোয়ার হোসেন আবিদ ,মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া ও জাহাঙ্গীর আলম ।

1

গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৭ পিএম
গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ

 

এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

গ্রাম আদালতের বিচার্য মামলা কোনো অবস্থাতেই শালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাবে না—এমন মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) মোছাঃ জেসমিন আকতার বানু।
গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম, কাজীবাকাই ও ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি জানান, বালিগ্রাম ইউনিয়নে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৭৩টি মামলা দায়ের হয় এবং সবগুলোই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।
অপরদিকে কাজীবাকাই ইউনিয়ন পরিষদে একই সময়ে মোট ৬৬টি মামলা দায়ের, ৬৬টি নিষ্পত্তি এবং ৬৬টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এখানে আদায়কৃত মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৪১ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা।
ডাসার ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৪৪টি মামলা দায়ের হয়। এছাড়া উচ্চ আদালত থেকে প্রাপ্ত ১টি মামলাসহ মোট ৪৫টি মামলা গ্রাম আদালতে নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৭ হাজার টাকা।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আরও বলেন, গ্রাম আদালতের সকল নথি ও রেজিস্টার নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে হবে এবং এজলাসে বসেই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে।
তিনি জানান, গ্রাম আদালতে দেওয়ানি মামলার ফি মাত্র ২০ টাকা এবং ফৌজদারি মামলার ফি ১০ টাকা। এ ছাড়া আদালতে কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয় না। নির্ধারিত দিনে প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের শুনানি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ আল মামুন, ডাসার উপজেলা (মাদারীপুর)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডাসার ও কালকিনি উপজেলা গ্রাম আদালতের কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন, বালিগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এএসিও, কাজীবাকাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এএসিও এবং ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এএসিওসহ গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।