বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২

কুমিল্লায় ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪, ১১:১৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কুমিল্লায় ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

শাহাদাত কামাল শাকিল, কুমিল্লা ব্যুরো প্রধানঃ

কুমিল্লা নগরীর ঝাউতলা এলাকার এইচ আর হাসপাতালে ডাক্তার নিঝুম এর ভুল চিকিৎসায় ইসরাত জাহান এরিন (২০) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৯ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ওই প্রসূতির মৃত্যু হয়।

অপারেশনের সময় ডাক্তার নিঝুম প্রসূতির নাড়ি কেটে ফেলায় রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ রোগীর স্বজনদের।

নিহত ইসরাত জাহান এরিন কুমিল্লা আদর্শ সদরের আমড়াতলী ইউনিয়নের শিবপুর এলাকার মোবারক হোসাইনের মেয়ে। তবে মা এরিন মারা গেলেও নবজাতকটি সুস্থ আছে। নিহত ইসরাত জাহান এরিনের বছর খানেক আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী ইসমিত পাশা দিদারের সঙ্গে। এটি তার প্রথম সন্তান প্রসব ছিলো।

ইসরাত জাহানের মামা হাসনাত জানান, এইচ আর হাসপাতালে বৃহস্পতিবার রাতে ডা. নিঝুম আমার ভাগনির অপারেশন করেন। বৃহস্পতিবার অস্ত্রপাচার হলেও শুক্রবার দুপুরে এরিনের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এরিনের পালস খুঁজে না ফেলে তাকে আইসিউ তে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে, এরিনকে পরিবারের লোকজন পার্শ্ববর্তী মুন হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানোর পর এরিনের পেটে রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে মুন হাসপাতালের চিকিৎসক জানান। ততক্ষণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন এরিন। এইচ আর হাসপাতালের চিকিৎসক নিঝুমের একটি নাড়ি কেটে ফেলায় তার ভাগনির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

প্রসূতি এরিনের বাবা মোবারক হোসাইন বলেন, তারা আমার মেয়ের নাড়ি কেটে ফেলেছে। আমাকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সময় পার করেছে। তাদের ভুল চিকিৎসায় আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার বিচার দাবি করছি আমি।

এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনা শুনামাত্রই সেখানে পুলিশ পাঠিয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, ঘটনা জানার পরপরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লার একটি প্রতিনিধি দল সেখানে গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তারা প্রশাসনকে এই বিষয়ে দ্রুত তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানান।

শনিবার সকালে অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চেয়ে ডা. নিঝুমকে একাধিকবার কল দিলে তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়।

শনিবার (৯ নভেম্বর) সকালে এরিনের মৃত্যুর বিষয় জেনে সিভিল সার্জন ডা. নাছিমা আকতার বলেন, আমরা তদন্ত টিম পাঠাচ্ছি। তদন্ত টিম এখন এইচ আর হাসপাতালে যাবে। এসকল মৃত্যু সত্যিই দুঃখজনক। আমাদের ব্যার্থতা হচ্ছে এসকল ক্ষেত্রে আমরা রোগীর আত্মীয়স্বজন থেকে কোন অভিযোগ পাইনা। অভিযোগ পেলে ব্যাবস্থা গ্রহণ করব।

1

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

আনোয়ার হোসেন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সাথে জনাব মোঃ আজমুল হক অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ঢাকা মহোদয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজনে উপজেলা প্রশাসন সভা কক্ষে এই মত বিনিময় সভা শুরু হয় । অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক)ঢাকা মোঃ আজমুল হক ,মির্জাপুর উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল ৭ মির্জাপুর আসনে নির্বাচন বিশৃঙ্খলা মুক্ত সুন্দর সুষ্ঠু নির্বাচন হয় সে লক্ষ্যে সকলেই কাজ করবেন । মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন , সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ তারেক আজিজ , মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ও সি )আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এসময় উপস্থিত ছিলেন ।

1

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সৌজন্য সাক্ষাৎ

 

আনোয়ার হোসেন:

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সাংবাদিকবৃন্দ ।
২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার দুপুরে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মহোদয়ের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাংবাদিকদের সাথে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন বলেন মির্জাপুর একটি শান্তিপূর্ণ উপজেলা । তিনি সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ প্রকাশ করার কথা বলেন এবং সব সময় সাংবাদিকদের প্রয়োজনে পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান,।সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান অরেঞ্জ , সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুবেল মিয়া , প্রচার সম্পাদক সাইদুর রহমান শাকিল , দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম মিয়া ,কার্যকারী সদস্য আনোয়ার হোসেন আবিদ ,মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া ও জাহাঙ্গীর আলম ।

1

গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৭ পিএম
গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ

 

এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

গ্রাম আদালতের বিচার্য মামলা কোনো অবস্থাতেই শালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাবে না—এমন মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) মোছাঃ জেসমিন আকতার বানু।
গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম, কাজীবাকাই ও ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি জানান, বালিগ্রাম ইউনিয়নে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৭৩টি মামলা দায়ের হয় এবং সবগুলোই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।
অপরদিকে কাজীবাকাই ইউনিয়ন পরিষদে একই সময়ে মোট ৬৬টি মামলা দায়ের, ৬৬টি নিষ্পত্তি এবং ৬৬টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এখানে আদায়কৃত মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৪১ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা।
ডাসার ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৪৪টি মামলা দায়ের হয়। এছাড়া উচ্চ আদালত থেকে প্রাপ্ত ১টি মামলাসহ মোট ৪৫টি মামলা গ্রাম আদালতে নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৭ হাজার টাকা।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আরও বলেন, গ্রাম আদালতের সকল নথি ও রেজিস্টার নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে হবে এবং এজলাসে বসেই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে।
তিনি জানান, গ্রাম আদালতে দেওয়ানি মামলার ফি মাত্র ২০ টাকা এবং ফৌজদারি মামলার ফি ১০ টাকা। এ ছাড়া আদালতে কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয় না। নির্ধারিত দিনে প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের শুনানি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ আল মামুন, ডাসার উপজেলা (মাদারীপুর)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডাসার ও কালকিনি উপজেলা গ্রাম আদালতের কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন, বালিগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এএসিও, কাজীবাকাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এএসিও এবং ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এএসিওসহ গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।