মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

মাদকসংশ্লিষ্টতা নিয়ে তোলপাড় শোবিজ অঙ্গনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ২:৩৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মাদকসংশ্লিষ্টতা নিয়ে তোলপাড় শোবিজ অঙ্গনে

বিনোদন প্রতিবেদকঃ

সুত্রঃ barta24.com

মাদকসংশ্লিষ্টতা নিয়ে তোলপাড় চলছে শোবিজ অঙ্গনে। মাদকাসক্ত মডেল, অভিনেতা-অভিনেত্রীসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই এখন এসব নিয়ে উদ্বিগ্ন।

জানা গেছে, শোবিজের অনেকেই শুধু মাদক সেবন নয়, মাদক কারবারেও জড়িত। ফলে মাদকসংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে- এমন আতঙ্কে ভুগছেন তাদের অনেকেই। অন্যদিকে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়া কর্মকর্তাকে হঠাৎ করেই সরিয়ে দেওয়ায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ বলছেন সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা নানাভাবে তাদের প্রভাব খাটাচ্ছেন।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) মহাপরিচালক (ডিজি) খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান baeta24 কে বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তলবের জন্য ব্যবস্থা নেবেন তদন্ত কর্মকর্তা।

                              সুনিধি নায়েক

সূত্র barta24 জানায়, মাদকসহ গ্রেপ্তার হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া এক ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে তথ্যপ্রমাণসহ সাফা কবির, মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া, তানজিন তিশা এবং সুনিধি নায়েকের নাম বেরিয়ে আসে। একটি বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তারা নিয়মিত মাদক সংগ্রহ করে আসছিলেন। ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অ্যাডমিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী অরিন্দম রায় দীপকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে আসছে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

অনেক পরিচিত নায়ক, নায়িকা ও মডেল মাদক সেবন এবং মাদক কারবারে জড়িত বলে জানা গেছে। ঘটনা প্রসঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএনসি ঢাকা মেট্রো উত্তরের সহকারী পরিচালক রাহুল সেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, দীপকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে আমরা কয়েকজন প্রথম সারির অভিনেত্রী ও মডেলের মাদক সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

                      সাফা ও টয়া

ডিএনসিসহ একাধিক সূত্র barta24 বলছে, গত ৪ ডিসেম্বর এডি রাহুল সেনের নেতৃত্বে রমনা সার্কেলের একটি দল গুলশান ও পল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রেট্রাহাইড্রো ক্যানাবিনলযুক্ত কুশ, ক্যানাবিনলযুক্ত ক্যান্ডি, তরল ক্যানাবিনয়েড, ম্যাজিক মাশরুম, মাদক বিক্রয়ের অর্থসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কাজী মারুফুল ইসলাম রাজ (২৬) এবং ইসমাইল বেপারী (৩০) গুলশান এবং সাকিব নঈম (২৭) ধানমন্ডি এলাকার উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান। তাদের কাছ থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদায় করা সম্ভব হয়েছে।

জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া কাজী মারুফুল ইসলাম রাজ যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেন। তিনি গুলশানের উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান। তার কাছে শোবিজ অঙ্গনের অনেকের মাদক সম্পৃক্ততার খবর মেলে। তবে এর আগে ১৭ অক্টোবর ঢাকা বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন অরিন্দম রায় ওরফে দীপ (২৬)। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সিসা, এমডিএমএ, এলএসডি, কুসসহ বেশ কিছু মাদক উদ্ধার করা হয়। পরে নারকোটিক্সের একটি বিশেষায়িত টিম দীপকে দুই দিনের রিমান্ডে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় দীপের মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটিং পরীক্ষা করা হয়। এতে জনপ্রিয় কয়েকজন অভিনেত্রীর মাদক সম্পৃক্ততার তথ্য মেলে। এমনকি তাদের পক্ষ থেকে দেওয়া মাদকের অর্ডারসংক্রান্ত কয়েকটি সুনির্দিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটিং রেকর্ডও পাওয়া যায়। চ্যাটিংয়ের কয়েকটি ছবি Barta24.com প্রতিবেদকের কাছেও রয়েছে।

                তানজিন তিশা

সূত্র barta24 বলছে, দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের অভিযোগের ছায়াতদন্ত করছিল একাধিক সংস্থা। মূলত তাকে অনুসরণ করতে গিয়েই একই চক্রের সন্ধান পান তদন্তসংশ্লিষ্টরা। একপর্যায়ে দীপ গ্রেপ্তারের পর তার সেলফোনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাফা, টয়া, তিশা এবং গায়িকা সুনিধির নাম সেভ করা দেখেই চোখ কপালে ওঠে সংশ্লিষ্ট অনেকের। দীপের সেলফোনেই তাদের নিয়মিত মাদকের অর্ডার দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় সেই সেল নাম্বারগুলো ওই অভিনেত্রীদের, যা নিশ্চিত হন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

শোবিজ অঙ্গনের সঙ্গে জড়িত একাধিক ব্যক্তির মত, শোবিজ তারকারা প্রথমে স্লিমিংয়ের জন্য ইয়াবাসহ বেশ কিছু বিদেশি মাদক নিয়ে থাকেন। একপর্যায়ে তারা আসক্ত হয়ে পড়েন। গত ১০ বছরে মিডিয়া অঙ্গনে কাজ শুরু করেছেন, তাদের বেশির ভাগই মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছেন। তাদের নিয়মিত মাদক প্রয়োজন হয়। এদের আবার অনেকে অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। তাদের বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরালও হয়েছে। তবু তারা নির্বিকার। জানা গেছে, বনানী মাঠের পার্শ্ববর্তী একটি রেস্টুরেন্ট, বনানী প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট এর কাছাকাছি একটি ভবনের রুফটপের সিসা বারে নিয়মিত মধ্যরাতে মাদক সেবন করেন শোবিজের অনেক অভিনেতা ও অভিনেত্রী। গুলশান পিংক সিটির পেছনে একটি রেস্টুরেন্টেও নিয়মিত মাদক নেন অনেকে অভিনেতা-অভিনেত্রী। ডিএনসি এবং বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরাও বিষয়টি অবগত। তবে রহস্যজনক কারণে তাদের নীরব থাকতে দেখা যায়।

                                     সাফা কবির

সূত্র barta24 বলছে, ২০২১ সালের ২৭ আগস্ট রাত ৩টার দিকে রাজধানীর গুলশান-২ এবং গুলশান-১ এর মাঝামাঝি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন অভিনেতা শরিফুল রাজ, খায়রুল বাশার, জুনায়েদ বোগদাদী ও অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। একাধিক সংস্থার সদস্যরা জানিয়েছিলেন, তারা নেশাগ্রস্ত ছিলেন। শরিফুল রাজ নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তারা গুলশানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এ ছাড়া গত ১০ বছরে শোবিজ অঙ্গনে আসা অনেকেই মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছেন। তাদের অনেকেই সেবনের পাশাপাশি মাদক কারবারেও জড়িয়ে পড়েছেন।

জানা গেছে, রাজধানীর গুলশান এবং বনানীকেন্দ্রিক ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানদের অনেকেই এমডিএম, এলএসডি এবং কুশ নামের উচ্চ আসক্তিসম্পন্ন মাদকের দিকে ঝুঁকছেন। চোরাইপথে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, থাইল্যান্ডসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশ থেকে এসব মাদকের চালান আসছে। স্ল্যাপচ্যাট, মেসেঞ্জার বা হোয়্যাটসঅ্যাপ গ্রুপে এগুলো বিক্রি করা হয়। গোপনীয়তার জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক নামে এসব মাদক বিক্রি করা হয়। যেমন এমডিএম ‘ই’ নামে, এলএসডি ‘অ্যাসিড’ এবং এক ধরনের তরল গাঁজা টিএসসি নামে কেনা-বেচা হয়। ইলেকট্রিক সিগারেটের মতো ভেপ আকারে তরল গাঁজা সেবন করা হয়। এসব নতুন পুরাতন মাদকে শোবিজের অনেকেই আসক্ত। উচ্চাকাঙ্ক্ষী তারকারা দ্রুত ধনী হওয়ার জন্য মাদকের কারবারে ঝুঁকছেন। ব্যবসা করতে করতে একসময় নিজেই সেবক হয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া প্রেমে ভাঙন বা সংসারে ভাঙনের কারণেও অনেক নায়িকা মাদকে ঝুঁকছেন।

                   মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া

এদিকে, মাদক সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে এখনো কেউ কোন কথা বলেননি। শুধু টয়া গণমাধ্যমকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ সত্য নয়। আমাকে এখনো মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে ডাকা হয়নি। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

1

পুলিশ সুপারের কার্যালয় সাতক্ষীরার মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত:

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২২ এম
পুলিশ সুপারের কার্যালয় সাতক্ষীরার মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত:

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সাতক্ষীরার সম্মেলন কক্ষে ফেব্রুয়ারি-২০২৬ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল,বিপিএম মহোদয়।

অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সাতক্ষীরা জেলার ফেব্রুয়ারি-
২০২৬ মাসের অপরাধ পরিসংখ্যান,আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মামলা রুজু ও নিষ্পত্তি,গুরুত্বপূর্ণ মামলা সমূহের তদন্তের অগ্রগতি, ওয়ারেন্ট ও সমন তামিল,আলামত ও অপমৃত্যু মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, ট্রাফিক আইনের প্র‍য়োগ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়। জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গোয়েন্দা নজরদারির উপর জোর দিয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহের প্রতি পুলিশ সুপার মহোদয় গুরুত্বারোপ করেন। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে সকল সার্কেল অফিসার ও থানার অফিসার ইনচার্জদের পুলিশ সুপার মহোদয় নিয়মিত মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান পরিচালনা করাসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), জনাব মোঃ শাহীনুর চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল), জনাব মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) জনাব মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (তালা সার্কেল), জনাব শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব মোঃ ইমরান খান, সাতক্ষীরা সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, ওসি (ডিবি), টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

1

সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২০ এম
সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম মহোদয়।

কল্যাণ সভার শুরুতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), জনাব মোঃ শাহীনুর চৌধুরী বিগত মাসের কার্যবিবরণীর গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন এবং চলতি মাসে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন আবেদন সমূহ উপস্থাপন করেন।

পুলিশ সুপার মহোদয় সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অধিকাংশ সমস্যার তাৎক্ষনিক সমাধানসহ বাকি সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। পুলিশ সুপার মহোদয় সকল অফিসার ফোর্সদের উদ্দেশ্যে সার্ভিসরুলস মেনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে ডিউটি করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। মেসে উন্নত খাবার পরিবেশন,ড্রেসরুলস মেনে পোশাক পরিধান করা, ছুটি ও টিএ বিলে ন্যায্যতা রাখা,স্বাস্থ্য সচেতনতা, ব্যক্তিগত ও আবাসস্থলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিদ্যুৎ এর সঠিক ব্যবহার এবং জনসাধারণের সাথে উত্তম ব্যবহারসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

পরবর্তীতে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান করেন পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা মহোদয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল), জনাব মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) জনাব মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (তালা সার্কেল), জনাব শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব মোঃ ইমরান খান, ডাঃ আবু হোসেন, পুলিশ হাসপাতাল, সাতক্ষীরা সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, ওসি (ডিবি), টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের সকল পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

1

সাতক্ষিরা কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির চোরাচালান বিরোধী অভিযানে প্রায় এক লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৭ এম
সাতক্ষিরা কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির চোরাচালান বিরোধী অভিযানে প্রায় এক লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ মাদরা বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের আভিযানিক দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় পাতার বিড়ি ও ঔষধ আটক করে।

মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩ এস এর ১১ আরবি হতে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন চান্দা মাঠ নামক স্থান হতে ১০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় পাতার বিড়ি আটক করে।

এছাড়া ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের বিশেষ আভিযানিক দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন তুজলপুর নামক স্থান হতে ৭০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

আভিযানিক দল সর্বমোট=৮০,০০০/-(আশি হাজার) টাকা মূল্যের চোরাচালানী মালামাল আটক করে।

চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। বিজিবি টহলদল কর্তৃক উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমস এ জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।