বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

কাপাসিয়া গ্রামবাসীর অভিযোগ যেন থামছেই না

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫, ৩:৪৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কাপাসিয়া গ্রামবাসীর অভিযোগ যেন থামছেই না

 

এম এস রহমানঃ

ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ব্যক্তিরাই মামলা হামলা শিকার হয়ে বিগত দিনে জীবন যাপন করেছেন, এখন তারাই ছিটকে পড়ে আছেন।
বর্তমানে তাদের বাড়িঘর জবর দখল করেন এমনকি পুনরায় মামলার ভয়-ভীতি দেখিয়ে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন ইউনিয়ন পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মী।

অভিযোগ পাওয়া গেছে কাপাসিয়া উপজেলার ৭ নং করিহাতা ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে, এমনটাই দাবি করেন ইউনিয় শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রহিম
তিনি আরো বলেন আমরা বহুবার বহু জায়গায় দাপ্তরিক বিচার চেয়েও কোন বিচার পাইনি তাই মানববন্ধন করতে বাধ্য হয়েছি শুধু আমি নই গ্রামবাসী মানববন্ধন করেছেন ৩১ শে জানুয়ারি রোজ শুক্রবার দিঘিরকান্দা চৌরাস্তায় স্বতঃস্পূর্ত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ,যে চিত্র দেখা গেছে কয়েকটি মিডিয়া পত্রপত্রিকায়।
এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন থানা ও উপজেলা বিএনপি নেতাদের কাছে।

অভিযোগে লিখেছেন বিগত ফেসিশ সরকারের সভা জনসভায় উপস্থিত থেকে তারা প্রতিনিয়ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন, ঐসময় তাদের বিএনপি’র একটি সম্মানীয় পদে ছিলেন কিন্তু স্বার্থসিদ্ধি হাসিলের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের প্রদানিত হয়ে আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করেন এমনকি ৫ ই আগস্ট এর আগে তাদের ত্রাসের চরিত্রে গ্রামে দেখা গেছে । এমনকি ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য চরিত্র ছিল তাদের।
আজ তারা পুনরায় বিএনপি’র পদ দখল করে ঠিক আগের মতই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন তাদের অতিষ্ঠতা সহ্য করতে না পেরে গ্রামবাসী ৩১ শে জানুয়ারি গণস্বাক্ষর পালিত করে ।
মানববন্ধন কর্মসূচিও করেছেন সুষ্ঠ সমাজ ফিরিয়ে আনার জন্য।
বিএনপির সম্মান অক্ষুন্ন রাখার প্রচেষ্টায় গ্রামবাসী আবেদন করেছেন উপজেলা বিএনপি সভাপতির কাছে দপ্তরিক বিচারের আশায়।
কিন্তু এর প্রতিকার আজও মেলেনি এমনটাই দাবি করেছেন গ্রামের মানুষ।

গ্রামের মানুষ তাদের নির্যাতন থেকে বাঁচতে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
(চিত্র তুলে ধরা হলো)
গত ছয়ই মার্চ একটি অভিযোগ পত্র জমা দেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বরাবর সেখানে অভিযোগ করেছেন কাপাসিয়া উপজেলার ৭ নং পরিহাতা ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেন ও উপজেলা বিএনপি আইন বিষয়ক সহ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন এবং মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন তারা তিন ভাই তাদের তত্ত্বাবধানে এলাকাতে চাঁদাবাজি জমি দখল মাদক ব্যবসা ইত্যাদি পরিচালনা করছে তাদের কথা না শুনলে মেরে ফেলার হুমকি ও মামলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন তাদের ভয় এলাকার লোকজন প্রকাশ্যে কোন কিছু বলার সাহস পাচ্ছে না অত্র এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে তাদের সকল বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী একত্রিশে জানুয়ারি মানববন্ধন করেছিলেন তার শত্রুতার জেরে ভিন্ন রূপে হয়রানিও করেছেন অনেক কে এমনকি মৃত্যুর ভয় পর্যন্ত দেখিয়েছেন ।

আরেকটি অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি বরাবর উল্লেখযোগ্য নাম পরিচয় দিয়ে‌।

মোঃ বাদল মিয়া পিতা-মৃত ফয়েজ উদ্দিন গ্রাম পেছুরিয়া ১ নং ওয়ার্ড খরিহাতা ইউনিয়ন সে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২ নং ওয়ার্ড তরুণ সরকারি বিদ্যালয় মাঠে সিমেন্ট হোসেন রিমি এমপির জন্য সবাই আওয়ামী লীগে যোগদান করেন সে পূর্বে এক নং ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিল সে আওয়ামী লীগ যোগদানের সময় বিএনপি ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম শেখ তরুণ হোয়াট যুব দলের সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ ডাক্তার ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম এবং তরুণ গ্রামের মোঃ বাদল প্রত্যক্ষ সাক্ষী সে ওই সময়ে আওয়ামী লীগের কিছু সন্ত্রাসী আলম চেয়ারম্যান কাপাসিয়া স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান এবং এক নং ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতি রুবেলের সাথে বিভিন্ন এলাকায় জমি দখল কাঠ বাগান বারজার দখল সহ বিভিন্ন চাঁদাবাজি করে বিএনপির উপর অনেক জুলুম নির্যাতন করেছেন বর্তমানে সে বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ধরনের চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করছে এমনটাই লিখিত অভিযোগ উপজেলা বিএনপি সভাপতির কাছে প্রদান করেন ।

দাপ্তরিক কোনো সুবিচার না পাওয়ায় তারা মানববন্ধন কর্মসূচি দিয়ে গণমাধ্যমকে জাগ্রত করেছিলেন ঠিক আগের চিত্র এখনও বিরাজমান
এমনটাই অভিযোগ ‌।
এলাকায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি জমি দখল ভূমিধস্য তার বিরুদ্ধে তারা রুখে দাঁড়ালেও দপ্তরে কোন প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় নির্বাক হয়ে পড়েছেন গ্রামবাসী।

1

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন
মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান ড. ইসরাফিল শাহীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ড. ইসরাফিল শাহীন (মোহাম্মদ ইসরাফিল) ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান থিয়েটার নির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। ভারতের ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে ১৯৯১ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৯৯ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের স্ট্রিট থিয়েটার বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, ফিলিপাইন, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রে কর্মশালা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
পদ্ধতিগত অভিনয়, স্থানীয় নাট্যরীতি, নৃবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং মিতব্যয়ী দৃশ্যরূপে তাঁর কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত। থিয়েটারকে সমাজমুখী ও অংশগ্রহণমূলক ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় জেলাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Oplus_131072

 মোঃ ইমরান আকন্দ, (জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ কালে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে এই জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ সময় শ্রীবরদী উপজেলার কোর্নঝোড়া ইউনিয়নের জাহান আলী ছেলে শাকিল মিয়া কে আটক করা হয়। পরে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল- হুসনা, ট্যাগ অফিসার কামরুজ্জামান সহ অনেকেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরাকে জানান, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত তেল নেয়া, মজুত রাখা, প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।