শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

কাপাসিয়া গ্রামবাসীর অভিযোগ যেন থামছেই না

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫, ৩:৪৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কাপাসিয়া গ্রামবাসীর অভিযোগ যেন থামছেই না

 

এম এস রহমানঃ

ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ব্যক্তিরাই মামলা হামলা শিকার হয়ে বিগত দিনে জীবন যাপন করেছেন, এখন তারাই ছিটকে পড়ে আছেন।
বর্তমানে তাদের বাড়িঘর জবর দখল করেন এমনকি পুনরায় মামলার ভয়-ভীতি দেখিয়ে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন ইউনিয়ন পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মী।

অভিযোগ পাওয়া গেছে কাপাসিয়া উপজেলার ৭ নং করিহাতা ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে, এমনটাই দাবি করেন ইউনিয় শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রহিম
তিনি আরো বলেন আমরা বহুবার বহু জায়গায় দাপ্তরিক বিচার চেয়েও কোন বিচার পাইনি তাই মানববন্ধন করতে বাধ্য হয়েছি শুধু আমি নই গ্রামবাসী মানববন্ধন করেছেন ৩১ শে জানুয়ারি রোজ শুক্রবার দিঘিরকান্দা চৌরাস্তায় স্বতঃস্পূর্ত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ,যে চিত্র দেখা গেছে কয়েকটি মিডিয়া পত্রপত্রিকায়।
এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন থানা ও উপজেলা বিএনপি নেতাদের কাছে।

অভিযোগে লিখেছেন বিগত ফেসিশ সরকারের সভা জনসভায় উপস্থিত থেকে তারা প্রতিনিয়ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন, ঐসময় তাদের বিএনপি’র একটি সম্মানীয় পদে ছিলেন কিন্তু স্বার্থসিদ্ধি হাসিলের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের প্রদানিত হয়ে আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করেন এমনকি ৫ ই আগস্ট এর আগে তাদের ত্রাসের চরিত্রে গ্রামে দেখা গেছে । এমনকি ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য চরিত্র ছিল তাদের।
আজ তারা পুনরায় বিএনপি’র পদ দখল করে ঠিক আগের মতই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন তাদের অতিষ্ঠতা সহ্য করতে না পেরে গ্রামবাসী ৩১ শে জানুয়ারি গণস্বাক্ষর পালিত করে ।
মানববন্ধন কর্মসূচিও করেছেন সুষ্ঠ সমাজ ফিরিয়ে আনার জন্য।
বিএনপির সম্মান অক্ষুন্ন রাখার প্রচেষ্টায় গ্রামবাসী আবেদন করেছেন উপজেলা বিএনপি সভাপতির কাছে দপ্তরিক বিচারের আশায়।
কিন্তু এর প্রতিকার আজও মেলেনি এমনটাই দাবি করেছেন গ্রামের মানুষ।

গ্রামের মানুষ তাদের নির্যাতন থেকে বাঁচতে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
(চিত্র তুলে ধরা হলো)
গত ছয়ই মার্চ একটি অভিযোগ পত্র জমা দেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বরাবর সেখানে অভিযোগ করেছেন কাপাসিয়া উপজেলার ৭ নং পরিহাতা ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেন ও উপজেলা বিএনপি আইন বিষয়ক সহ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন এবং মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন তারা তিন ভাই তাদের তত্ত্বাবধানে এলাকাতে চাঁদাবাজি জমি দখল মাদক ব্যবসা ইত্যাদি পরিচালনা করছে তাদের কথা না শুনলে মেরে ফেলার হুমকি ও মামলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন তাদের ভয় এলাকার লোকজন প্রকাশ্যে কোন কিছু বলার সাহস পাচ্ছে না অত্র এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে তাদের সকল বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী একত্রিশে জানুয়ারি মানববন্ধন করেছিলেন তার শত্রুতার জেরে ভিন্ন রূপে হয়রানিও করেছেন অনেক কে এমনকি মৃত্যুর ভয় পর্যন্ত দেখিয়েছেন ।

আরেকটি অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি বরাবর উল্লেখযোগ্য নাম পরিচয় দিয়ে‌।

মোঃ বাদল মিয়া পিতা-মৃত ফয়েজ উদ্দিন গ্রাম পেছুরিয়া ১ নং ওয়ার্ড খরিহাতা ইউনিয়ন সে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২ নং ওয়ার্ড তরুণ সরকারি বিদ্যালয় মাঠে সিমেন্ট হোসেন রিমি এমপির জন্য সবাই আওয়ামী লীগে যোগদান করেন সে পূর্বে এক নং ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিল সে আওয়ামী লীগ যোগদানের সময় বিএনপি ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম শেখ তরুণ হোয়াট যুব দলের সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ ডাক্তার ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম এবং তরুণ গ্রামের মোঃ বাদল প্রত্যক্ষ সাক্ষী সে ওই সময়ে আওয়ামী লীগের কিছু সন্ত্রাসী আলম চেয়ারম্যান কাপাসিয়া স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান এবং এক নং ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতি রুবেলের সাথে বিভিন্ন এলাকায় জমি দখল কাঠ বাগান বারজার দখল সহ বিভিন্ন চাঁদাবাজি করে বিএনপির উপর অনেক জুলুম নির্যাতন করেছেন বর্তমানে সে বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ধরনের চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করছে এমনটাই লিখিত অভিযোগ উপজেলা বিএনপি সভাপতির কাছে প্রদান করেন ।

দাপ্তরিক কোনো সুবিচার না পাওয়ায় তারা মানববন্ধন কর্মসূচি দিয়ে গণমাধ্যমকে জাগ্রত করেছিলেন ঠিক আগের চিত্র এখনও বিরাজমান
এমনটাই অভিযোগ ‌।
এলাকায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি জমি দখল ভূমিধস্য তার বিরুদ্ধে তারা রুখে দাঁড়ালেও দপ্তরে কোন প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় নির্বাক হয়ে পড়েছেন গ্রামবাসী।

1

সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের সলিমাবাদ ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আবেগঘন পরিবেশে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ, জাতি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরীফ উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো এসএসসি পরীক্ষা। তোমাদের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যয়ন এবং আত্মবিশ্বাসই তোমাদের সফলতার চাবিকাঠি। তোমরা ভালো ফলাফল অর্জন করে বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাকি মিয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের সফল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম খান, মোঃ সুমন সিকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ সালাউদ্দিন এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। বক্তারা শিক্ষার্থীদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেন এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।

পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। অনেকেই তাদের বিদ্যালয় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রীবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন

1

কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
‎ এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
আজ  মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ফাঁসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের বিভিন্ন সেবা  নিয়ে আলোচনা করেন
‎ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন।ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে প্রকল্প হতে প্রেরিত গ্রাম আদালতের লিফলেট বিতরণ করেন এবং গ্রাম আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আলোচনা করি। গ্রাম আদালতে কি কি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে এবং গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সবোর্চ্চ কত টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে
‎সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন ।উপজেলা কো-অর্ডিনেটর বলেন ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের এবং পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন সবাইকেই গ্রাম আদালতে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা লিফলেটের মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত অল্প সময়ে স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পাওয়া যায়। গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলার ফি ১০ টাকা দেওয়ানি মামলার ফি ২০ টাকা এ ছাড়া এ আদালতে আর কোন টাকা-পয়সা লাগে না। তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন গ্রাম আদালতের প্রচার করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে এবং গ্রাম আদালতের সুবিধা গুলো সাধারনত জনগনকে জানাতে হবে। আপনাদের প্রচারের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষ যেন ছোট ছোট বিরোধ গুলো ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের নিষ্পত্তি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে ন্যায়বিচার পায় সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের সকলের কাজ করতে হবে। ইউনিয়ন  পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলবো
‎অল্প সময়ে স্বল্প খরচে ন্যায় বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে।

1

সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৭ পিএম
সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঢাকার সাভার সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন অভিযোগ করেছেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই একটি চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি সব সময় সরকারি নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিয়মবহির্ভূত কাজ করাতে ব্যর্থ হয়ে এখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। এতে আমার স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং আমাকে নিয়মিত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আমার কাজের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।’

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সাভারে মোট ২৪ হাজার ১১৬টি দলিল নিবন্ধিত হয়, যার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হয় ২৬৬ কোটি ৬৯ লাখ ৭ হাজার ২৫৬ টাকা। ২০২৫ সালে দলিলের সংখ্যা ছিল ২৪ হাজার ৫৫টি এবং রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৯ কোটি ২১ লাখ ৮ হাজার ১০৯ টাকা।

এছাড়া ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে ৬ হাজার ১৪৪টি দলিল থেকে ৬৫ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪৬ টাকা রাজস্ব আদায় হয়। অপরদিকে ২০২৬ সালের একই সময়ে ৫ হাজার ৪৩৪টি দলিল নিবন্ধিত হলেও রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ৩৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ টাকা।

তিনি দাবি করেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।’

অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।