বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২

ফেনীর লাইন” চালু নামে প্রতারণার চক্রের মূলহোতা নুরু মুহাম্মদ শাহেদ ফেনীর লাইন বাস হয়ে গেল হানিফ পরিবহন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫, ৭:০৬ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ফেনীর লাইন” চালু নামে প্রতারণার চক্রের মূলহোতা নুরু মুহাম্মদ শাহেদ ফেনীর লাইন বাস হয়ে গেল হানিফ পরিবহন

 

মহিউদ্দিন মহি খন্দকার – ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:

ফেনীর লাইন বাস গুলো চালু হবার আগেই নাম পরিবর্তন হয়ে গিয়ে হানিফ পরিবহন পরিনত হয়েছে।

৪ জুন রাতে ফেনীর লাইন অফিসের ব্যবস্থাপক নুরু মুহাম্মদ শাহেদ এর অফিস কক্ষে কিছু ভুক্তভোগী গ্রাহক আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা গেছে একটি ভিডিও ফুটেজে, ইতিমধ্যেই ভিডিও ফুটেজটি সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে; ফেনীর লাইন চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে তরুণ প্রজন্মের কিছু উদেক্তা ; ফেনীর সাধারণ মানুষের এই আবেগ টা পুঁজি করে প্রতারণার ফাঁদ পেতে মাঠে নামছে শাহেদ চক্রের কিছু অজানা যুবক। তাঁরা ফেনীর লাইন বাস কাউন্টার অনুমতি দেয়ার কথা বলে প্রতি জন থেকে ১১৭৫০ টাকা বিকাশ ০১৭৯১৯৮১২৬০ এই নাম্বারে মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। চাকরি দেয়ার প্রলোভনে প্রায় শতাধিক যুবকের কাছ থেকে জামায়াতের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে। এছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উদ্ভাবন না হওয়ায় ফেনীর শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে। নিত্য নতুন কলাকৌশল সব নিমেষে যেন শেষ হয়ে গেছে ভিডিও ভাইরাল হয়ে। এই বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করতে মোবাইলে যোগাযোগ করতে চাইলে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।

এর আগে চট্টগ্রামে হালিশহর এলাকার বিস্ময়কর যুবক নুর মোহাম্মদ শাহেদ। প্রতারণাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন তিনি। একের পর এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়াকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন। কেউ অভিযোগ দিলে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান। পরে আবার বের হয়ে নতুন কৌশল অবলম্বন করে প্রতারণায় জড়িয়ে পড়েন।

পুলিশ বলছে, প্রতারণা করতে গিয়ে মেধার পরিচয় দিচ্ছেন শাহেদ। যে কারণে তার পাতানো ফাঁদে সহজেই পা দিচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।

জানা যায়, পুলিশের মামলা ও গ্রেপ্তার সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জমা থাকে সিডিএমএস (ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) নামে একটি ওয়েবসাইটে। যেখানে কারও নাম-ঠিকানা দিয়ে সার্চ দিলে একজনের নামে কয়টি মামলা রয়েছে এবং আগে কখনও ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে থাকলে তার তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এই সিডিএমএসে শাহেদের নাম-ঠিকানা দিয়ে সার্চ দিলে তার নামে চারটি মামলা পাওয়া যায়। সবগুলো মামলায় প্রতারণা সংক্রান্ত। এসব মামলায় চারবার গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনি।

সবশেষ গত ৩০ জানুয়ারি প্রতারণার একটি মামলায় নগরের হালিশহর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন শাহেদ।

সিডিএমএসের তথ্য অনুযায়ী, শাহেদের নামে ২০২১ সালের ২৫ জুন নগরের ইপিজেড থানায় মামলা রেকর্ড হয়। এরপর ২০২২ সালের ৩ আগস্ট খুলশী, ২০২৩ সালের ৩০ মে হালিশহর এবং সবশেষ গত ৩০ জানুয়ারি একই থানায় আরেকটি মামলা রেকর্ড হয়। এসব মামলায় শাহেদ ২০২১ সালের ২৫ জুন ইপিজেড থানা পুলিশের হাতে, ২০২২ সালের ১২ আগস্ট খুলশী থানা পুলিশের হাতে, ২০২৩ সালের ৩১ মে হালিশহর থানা এবং গত ৩০ জানুয়ারি একই থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন।

একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া সচরাচর প্রতারণার অভিযোগের মামলা থানায় রেকর্ড হয় না। এ ধরনের অভিযোগে আদালতেই বেশিরভাগ মামলা হয়ে থাকে। আর আদালতে মামলা হলে সেগুলো পুলিশের ওয়েবসাইটে রেকর্ড থাকে না। শুধু থানায় মামলা হলে পুলিশের ওয়েবসাইটে রেকর্ড থাকে। শাহেদের নামে শুধু থানার মামলা পাওয়া গেছে চারটি। এর বাইরে আদালতে দায়ের হওয়া মামলাও থাকতে পারে।

তারা আরও বলছেন, থানায় কারও নামে চারটি মামলা থাকা মানে তিনি বড় ধরনের প্রতারক।

তা ছাড়া ওয়েবসাইটে শাহেদের প্রোফাইলে প্রতারক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
যেভাবে প্রতারণা করেন শাহেদ:

নুর মোহাম্মদ শাহেদ ফেনী জেলার শর্শাদি ইউনিয়নের অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য মোহাম্মদ নুর নবীর ছেলে। বাবার চাকরির সুবাদে নগরের হালিশহর থানার গোলন্দাজ সড়কে আর্টিলারির পাশেই বড় হয়েছেন তিনি। এই এলাকায় নৌবাহিনীর কিছু সদস্য ভাড়া বাসায় থাকেন। এ কারণে নৌবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে শাহেদের সখ্যতা গড়ে ওঠে। নৌবাহিনীর সদস্যদের যাদের বাড়ি চট্টগ্রামের বাইরে তাদের অনেকেই প্রাপ্ত রেশন বিক্রি করে দেন। শাহেদ এসব রেশন কিনে বিক্রি করতেন। পরবর্তী সময়ে দুরন্ত বাজার নামে একটি প্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নৌবাহিনীর লোকজনের সঙ্গে মেলামেশার কারণে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে জানতেন তিনি। বিভিন্ন জায়গায় শাহেদ নিজেকে পরিচয় দেন নৌবাহিনীর সাব-লেফটেন্যান্ট। ২০২২ সালের ১২ আগস্ট গ্রেপ্তারের সময় খুলশী থানা পুলিশ শাহেদের কাছ থেকে নৌবাহিনীর ইউনিফর্ম, ক্যাপ, বেল্ট, ব্যাগ, জুতা, দুটি নেভির বুট জুতা, নেমপ্লেট, র‍্যাঙ্ক ব্যাজ ও রেড ব্যাজসহ বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করে।

ওই ঘটনার ভুক্তভোগী ছিলেন ওমর ফারুক নামে এক ব্যবসায়ী। শাহেদ গ্রেপ্তারের কয়েক মাস আগে ভুক্তভোগীর মালিকানাধীন শো-রুম থেকে একটি মোটরসাইকেল কেনেন। সেই সুবাদে ওমর ফারুকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

এ ব্যবসায়ী জানান, শাহেদ নৌবাহিনীর সাব-লেফটেন্যান্ট বলে পরিচয় দেয়। এতে তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একে অপরের বাসায় যাওয়া-আসা শুরু করেন। ২০২২ সালের ১০ জুন শাহেদ তার প্রতিষ্ঠানে যান। তখন সিলেটে বন্যা ছিল। শাহেদ তাকে বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের প্রস্তাব দেন। তিনি রাজি হলে শাহেদ তার মালিকানাধীন দুরন্ত বাজার থেকে কম দামে চাল, চিনি ও সয়াবিন তেল বিক্রির ইচ্ছা প্রকাশ করেন। অর্ডার অনুযায়ী মোট পণ্যের দাম ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকা বলে জানান। শাহেদের প্রস্তাব পেয়ে তিনি নগদ ও চেকের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা দেন। কিন্তু শাহেদ পণ্য সরবরাহ না করে লাপাত্তা হয়ে যান।

সবশেষ গত ৩০ জানুয়ারি হালিশহর থানায় রেকর্ড হওয়া মামলা সূত্রে জানা যায়, মাহমুদা আক্তার নামে এক নারী ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন— তার ভাতিজা মো. রেজাউল হক শিশিরের সঙ্গে ব্যবসায়িকভাবে পরিচয় হয় শাহেদের। পরে শাহেদ তার কাছ থেকে স্বল্পমূল্যে চিনি, ডাল, সয়াবিন তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল ক্রয়ের প্রস্তাব দেয় শিশিরকে। প্রস্তাবে রাজি হয়ে ২০২৪ সালের ২ এপ্রিল সাহেদের ইউসিবি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১২ লাখ টাকা এবং নগদে এক লাখ টাকাসহ সর্বমোট ১৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু এসব টাকা নিয়ে মালামাল দেননি শাহেদ।

পুলিশের নথিতে শাহেদকে পেশাদার প্রতারক উল্লেখ করে আরও বলা হয়, শাহেদ প্রতারণার মাধ্যমে ভুক্তভোগী মো. আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা, সাদ্দাম হোসেনের কাছ থেকে দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকা, তানজিফুল আলমের কাছ থেকে ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৫০ টাকাসহ আরও বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে নানা কৌশলে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

1

নতুন মাদারীপুরে অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদার গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫০ পিএম
নতুন মাদারীপুরে অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদার গ্রেফতার

 

এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

মাদারীপুর সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর এলাকায় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলামগীর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন জেলা বিএনপি নেতা লাভলু হাওলাদারের বসতঘরসহ একাধিক বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা কয়েকটি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের পর অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ জানায়, এর আগে দায়ের হওয়া একটি বিস্ফোরক ও মারামারির মামলায় আকতার হাওলাদার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। সেই মামলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

1

নবাবগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:২২ পিএম
নবাবগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা

মোঃ রেজুয়ান বাদশা দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস–২০২৬ উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, নবাবগঞ্জের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক মহড়া প্রদর্শন করা হয় এবং এ বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল— “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব।”
অনুষ্ঠানে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা মো. মাহব্বুর রহমান, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. আবু মুসা, তথ্য সেবা কর্মকর্তা আফরিনা খাতুনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় বিষয়ে উপস্থিত সবাইকে সচেতন করা হয় এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

1

যশোর বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:২০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ প্রায় কোটি টাকা মুল্যের ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক হয়েছে।

মঙ্গলবার ১০ মার্চ বেনাপোল বন্দরের ১৫ নং শেডে বেনাপোল স্থলবন্দরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংবাদের  (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্মকর্তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব পাট বীজ আটক করে। এ সময় বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন উপস্থিতি ছিলেন।

বেনাপোল স্থল বন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আবু তালহা জানান, রোববার বেনাপোল  স্থল বন্দর দিয়ে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আরাফাত এন্টার প্রাইজ ভারত থেকে ৪৫ মেট্রিক টন ঘাস বিজ উল্লেখ করে পাটের বীজ আমদানি করেন। পরে গোপন সংবাদে পণ্য চালানটিতে অভিযান চালিয়ে ১৭ টন পাট বীজ আটক করা হয়। মিথ্যা ঘোষনার অপরাধে অভিযুক্ত আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা  হয়েছে জানান তিনি।

এদিকে সচেতন মানুষেরা পরীক্ষা-নীরিক্ষা ছাড়াই নিম্নমানের বীজ দেশে প্রবেশ করায় ঝুঁকিতে পড়ছে কৃষি খাত। সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। দূনীতিবাজ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা  গ্রহনের দাবি জানান তারা।