সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ ১৪৩২
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ ১৪৩২

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে আত্মহত্যার অভিযোগে এক তরুণকে থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৪, ৬:৪১ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে আত্মহত্যার অভিযোগে এক তরুণকে থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

ফারিছ আহমদ, হোসেনপুর প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে আত্মহত্যার অভিযোগে এক তরুণকে নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। মো. ওমর ফারুক ওরফে রাহিম (২০) ওই তরুণ লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের বাসিন্দা।
গতকাল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট এলাকা থেকে মো. ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। নোয়াখালী র‍্যাব-১১ থেকে ।

ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। বাবা বিদেশে থাকায় মায়ের সঙ্গে বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করত সে। মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে ওমর ফারুক তাকে উত্ত্যক্ত করতেন। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীর সঙ্গে তাঁর শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে বলে এলাকায় অপপ্রচার চালাতে থাকেন ওমর ফারুক। এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজন ওমর ফারুককে সতর্ক করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বেপরোয়া আচরণ শুরু করেন। পাশাপাশি ওই ছাত্রীকে হুমকি দেওয়া শুরু করেন। মাদ্রাসাছাত্রী আসামির এমন কার্যকলাপ সইতে না পেরে অপমানিত হয়ে রাগে চিরকুট লিখে গত ২৩ আগস্ট দুপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনার পর ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে কমলনগর থানায় মামলা করেন।

র‍্যাবের কোম্পানি কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ বলেন, র‍্যাব বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্ত ওমর ফারুককে আইনের আওতায় আনতে অভিযান শুরু করে। গতকাল রাতে র‍্যাব জানতে পারে, ওমর ফারুক নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের জমিদারহাট এলাকায় অবস্থান করছেন। এরপর তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাঁকে সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিকে কমলনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফারিছ আহমদ, হোসেনপুর।

1

সলঙ্গায় ঈদের রাতে আগুনের তাণ্ডব : পুড়লো দোকানীদের স্বপ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৯:১৬ পিএম
সলঙ্গায় ঈদের রাতে আগুনের তাণ্ডব : পুড়লো দোকানীদের স্বপ্ন

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

ঈদের আনন্দ যখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার কথা,ঠিক তখনই সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় নেমে আসে আগুনের বিভীষিকা।রাতের নীরবতা ভেঙে মুহূর্তেই আতঙ্কে পরিণত হয় সলঙ্গার চর বাজার।আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বেশ কয়েকটি দোকানপাট। নিঃশেষ হয়ে যায় একাধিক ব্যবসায়ীদের জীবিকা।
মঙ্গলবার ঈদের রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সলঙ্গা থানার ধুবিল ইউনিয়নের সলঙ্গার চর বাজারে এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণা,বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত।প্রথমে বিএনপি নেতা প্রয়াত আবু হাসেমের রাইস মিল থেকে আগুন জ্বলে ওঠে, পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানগুলোতে।
দেখতে দেখতেই আগুন গ্রাস করে ফেলে কয়েকটি দোকান ঘর।খবর পেয়ে ব্যবসায়ীরা ছুটে আসে নিজেদের দোকান বাঁচাতে,কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল এবং বিদ্যুৎ লাইন চালু থাকায় স্থানীয়রা কিছুই রক্ষা করতে পারে নি।
অগ্নিকাণ্ডে মুকুল হোসেন ইসা মেম্বরের সার,ঔষধ,কীটনাশক ও লোডের দোকান,নাজমুল হাসানের ঔষধের দোকান,দুটি কম্পিউটারসহ গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম,ওয়াসিমের সেলুন ঘর, অন্তরের ইলেকট্রনিক দোকান, আলামিনের মনোহারী দোকান,১৫০ সিসি সচল মোটরসাইকেলসহ বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।স্থানীয়দের প্রাথমিক হিসাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধ কোটি।
খবর পেয়ে রায়গঞ্জ ফায়ার সার্ভিস টিম দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেও সরু রাস্তার কারণে তাদের পৌঁছাতে দেরি হয়।এর আগেই স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে।তাদের এই মানবিক ও সাহসী উদ্যোগ বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে বাজারের অন্যান্য দোকানকে রক্ষা করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের চোখে এখন হতাশা আর অনিশ্চয়তার ছাপ।ঈদের আনন্দ তাদের জন্য পরিণত হয়েছে দুঃস্বপ্নে।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল খালেক পাটোয়ারী জানান,ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।মানবিক সহায়তা ও দ্রুত পুনর্বাসনের দাবী এখন এলাকাবাসীর।

1

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যশোর পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সুপার মহোদয়ের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ও মধ্যাহৃভোজ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যশোর পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সুপার মহোদয়ের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ও মধ্যাহৃভোজ অনুষ্ঠিত

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
অদ্য ২১/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ পবিত্র ঈদ উল ফিতর। সারা দেশের ন্যায় যশোর জেলা পুলিশ উৎসবমুখর পরিবেশেষে ঈদ উল ফিতর উদযাপন করছে। পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়, পুলিশ লাইন্স মেসে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও মিষ্টিমুখ এবং পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে জেলা পুলিশের আয়োজনে অত্র ইউনিটে কর্মরত পুলিশের সকল পদমর্যাদার সদস্যদের সাথে দুপুরের খাবার গ্ৰহণ করেন যশোর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম সেবা মহোদয়।

আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব রাজিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার “খ” সার্কেল, জনাব আহসান হাবীব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার “ক” সার্কেল, যশোরসহ জেলা পুলিশের সকল পদমর্যাদার সদস্যগণ।

1

ডিআইজির নেতৃত্বে ১০০ একর জমি দখল, অনুসন্ধানে দুদক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৬ পিএম
ডিআইজির নেতৃত্বে ১০০ একর জমি দখল, অনুসন্ধানে দুদক

ডিআইজি মঈনুল হক। ছবি : সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশ পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মঈনুল হক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ১০০ একর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার থাকাকালীন মঈনুলের নেতৃত্বে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিমালিকানাধীন ও বন বিভাগের জমি জবরদখল করা হয়। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরই মধ্যে বিশেষ অনুসন্ধানী টিমও গঠন করা হয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-১ এর উপপরিচালক রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি এশিয়া পোস্টের হাতে এসেছে। ওই চিঠিতে ডিআইজি মঈনুলে বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, সম্প্রতি ডিআইজি মঈনুল হকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার থাকাকালীন প্রায় ১০০ একর জমি দখলের অভিযোগ জমা পড়ে কমিশনে। যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযোগটি আমলে নিয়ে অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

সূত্র আরও জানায়, অভিযুক্ত ডিআইজি মঈনুলের গভীর সখ্য ছিল বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা ও ডিবির সাবেক প্রধান হারুন-অর-রশিদের সঙ্গে। হারুনের মাধ্যমেই মঈনুল ডিআইজি পদে পদোন্নতি বাগিয়ে নেন। পরে খুলনা রেঞ্জের দায়িত্ব পেতেও হারুনের সহায়তা নিয়েছেন তিনি।

দুদকের চিঠিতে অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়েছে, মঈনুল হক, সাবেক পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ ও সাবেক খুলনা বিভাগীয় পুলিশের ডিআইজি (খুলনা রেঞ্জ)-সহ অন্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিমালিকানাধীন ও বন বিভাগের প্রায় ১০০ একর জমি জবরদখলের অভিযোগ রয়েছে।

চিঠিতে দুদকের অনুসন্ধানী টিমের প্রতি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ ও দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ অনুসরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এশিয়া পোস্টকে বলেন, ডিআইজি মঈনুল হকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্বপালনকালে বন বিভাগের ও ব্যাক্তিমালিকানাধীন ১০০ একর জমি দখলের অভিযোগ জমা পড়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের গোয়েন্দা ইউনিট প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া বিষয়টি কমিশন আমলে নিয়েছেন। ইতোমধ্যেই প্রকাশ্য অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২২ সালের নভেম্বরে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পান মঈনুল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাকে ওএসডি করে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে সংযুক্ত করা হয়। গত বছরের ৭ আগস্ট তাকে সরদা পুলিশ একাডেমিতে সংযুক্ত করা হয়।

দুদকের অনুসন্ধান ও জমি দখলের অভিযোগের বিষয়ে জানতে ডিআইজি মঈনুল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কাগজে-কলমে তিনি সারদায় কর্মরত আছেন বলা হলেও সেখানে খোঁজ নিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

সূত্রঃ এশিয়া পোস্ট