শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৫ ১৪৩২
শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৫ ১৪৩২

মাদকসংশ্লিষ্টতা নিয়ে তোলপাড় শোবিজ অঙ্গনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ২:৩৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মাদকসংশ্লিষ্টতা নিয়ে তোলপাড় শোবিজ অঙ্গনে

বিনোদন প্রতিবেদকঃ

সুত্রঃ barta24.com

মাদকসংশ্লিষ্টতা নিয়ে তোলপাড় চলছে শোবিজ অঙ্গনে। মাদকাসক্ত মডেল, অভিনেতা-অভিনেত্রীসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই এখন এসব নিয়ে উদ্বিগ্ন।

জানা গেছে, শোবিজের অনেকেই শুধু মাদক সেবন নয়, মাদক কারবারেও জড়িত। ফলে মাদকসংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে- এমন আতঙ্কে ভুগছেন তাদের অনেকেই। অন্যদিকে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়া কর্মকর্তাকে হঠাৎ করেই সরিয়ে দেওয়ায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ বলছেন সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা নানাভাবে তাদের প্রভাব খাটাচ্ছেন।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) মহাপরিচালক (ডিজি) খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান baeta24 কে বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তলবের জন্য ব্যবস্থা নেবেন তদন্ত কর্মকর্তা।

                              সুনিধি নায়েক

সূত্র barta24 জানায়, মাদকসহ গ্রেপ্তার হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া এক ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে তথ্যপ্রমাণসহ সাফা কবির, মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া, তানজিন তিশা এবং সুনিধি নায়েকের নাম বেরিয়ে আসে। একটি বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তারা নিয়মিত মাদক সংগ্রহ করে আসছিলেন। ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অ্যাডমিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী অরিন্দম রায় দীপকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে আসছে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

অনেক পরিচিত নায়ক, নায়িকা ও মডেল মাদক সেবন এবং মাদক কারবারে জড়িত বলে জানা গেছে। ঘটনা প্রসঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএনসি ঢাকা মেট্রো উত্তরের সহকারী পরিচালক রাহুল সেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, দীপকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে আমরা কয়েকজন প্রথম সারির অভিনেত্রী ও মডেলের মাদক সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

                      সাফা ও টয়া

ডিএনসিসহ একাধিক সূত্র barta24 বলছে, গত ৪ ডিসেম্বর এডি রাহুল সেনের নেতৃত্বে রমনা সার্কেলের একটি দল গুলশান ও পল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রেট্রাহাইড্রো ক্যানাবিনলযুক্ত কুশ, ক্যানাবিনলযুক্ত ক্যান্ডি, তরল ক্যানাবিনয়েড, ম্যাজিক মাশরুম, মাদক বিক্রয়ের অর্থসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কাজী মারুফুল ইসলাম রাজ (২৬) এবং ইসমাইল বেপারী (৩০) গুলশান এবং সাকিব নঈম (২৭) ধানমন্ডি এলাকার উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান। তাদের কাছ থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদায় করা সম্ভব হয়েছে।

জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া কাজী মারুফুল ইসলাম রাজ যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেন। তিনি গুলশানের উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান। তার কাছে শোবিজ অঙ্গনের অনেকের মাদক সম্পৃক্ততার খবর মেলে। তবে এর আগে ১৭ অক্টোবর ঢাকা বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন অরিন্দম রায় ওরফে দীপ (২৬)। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সিসা, এমডিএমএ, এলএসডি, কুসসহ বেশ কিছু মাদক উদ্ধার করা হয়। পরে নারকোটিক্সের একটি বিশেষায়িত টিম দীপকে দুই দিনের রিমান্ডে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় দীপের মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটিং পরীক্ষা করা হয়। এতে জনপ্রিয় কয়েকজন অভিনেত্রীর মাদক সম্পৃক্ততার তথ্য মেলে। এমনকি তাদের পক্ষ থেকে দেওয়া মাদকের অর্ডারসংক্রান্ত কয়েকটি সুনির্দিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটিং রেকর্ডও পাওয়া যায়। চ্যাটিংয়ের কয়েকটি ছবি Barta24.com প্রতিবেদকের কাছেও রয়েছে।

                তানজিন তিশা

সূত্র barta24 বলছে, দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের অভিযোগের ছায়াতদন্ত করছিল একাধিক সংস্থা। মূলত তাকে অনুসরণ করতে গিয়েই একই চক্রের সন্ধান পান তদন্তসংশ্লিষ্টরা। একপর্যায়ে দীপ গ্রেপ্তারের পর তার সেলফোনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাফা, টয়া, তিশা এবং গায়িকা সুনিধির নাম সেভ করা দেখেই চোখ কপালে ওঠে সংশ্লিষ্ট অনেকের। দীপের সেলফোনেই তাদের নিয়মিত মাদকের অর্ডার দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় সেই সেল নাম্বারগুলো ওই অভিনেত্রীদের, যা নিশ্চিত হন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

শোবিজ অঙ্গনের সঙ্গে জড়িত একাধিক ব্যক্তির মত, শোবিজ তারকারা প্রথমে স্লিমিংয়ের জন্য ইয়াবাসহ বেশ কিছু বিদেশি মাদক নিয়ে থাকেন। একপর্যায়ে তারা আসক্ত হয়ে পড়েন। গত ১০ বছরে মিডিয়া অঙ্গনে কাজ শুরু করেছেন, তাদের বেশির ভাগই মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছেন। তাদের নিয়মিত মাদক প্রয়োজন হয়। এদের আবার অনেকে অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। তাদের বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরালও হয়েছে। তবু তারা নির্বিকার। জানা গেছে, বনানী মাঠের পার্শ্ববর্তী একটি রেস্টুরেন্ট, বনানী প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট এর কাছাকাছি একটি ভবনের রুফটপের সিসা বারে নিয়মিত মধ্যরাতে মাদক সেবন করেন শোবিজের অনেক অভিনেতা ও অভিনেত্রী। গুলশান পিংক সিটির পেছনে একটি রেস্টুরেন্টেও নিয়মিত মাদক নেন অনেকে অভিনেতা-অভিনেত্রী। ডিএনসি এবং বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরাও বিষয়টি অবগত। তবে রহস্যজনক কারণে তাদের নীরব থাকতে দেখা যায়।

                                     সাফা কবির

সূত্র barta24 বলছে, ২০২১ সালের ২৭ আগস্ট রাত ৩টার দিকে রাজধানীর গুলশান-২ এবং গুলশান-১ এর মাঝামাঝি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন অভিনেতা শরিফুল রাজ, খায়রুল বাশার, জুনায়েদ বোগদাদী ও অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। একাধিক সংস্থার সদস্যরা জানিয়েছিলেন, তারা নেশাগ্রস্ত ছিলেন। শরিফুল রাজ নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তারা গুলশানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এ ছাড়া গত ১০ বছরে শোবিজ অঙ্গনে আসা অনেকেই মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছেন। তাদের অনেকেই সেবনের পাশাপাশি মাদক কারবারেও জড়িয়ে পড়েছেন।

জানা গেছে, রাজধানীর গুলশান এবং বনানীকেন্দ্রিক ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানদের অনেকেই এমডিএম, এলএসডি এবং কুশ নামের উচ্চ আসক্তিসম্পন্ন মাদকের দিকে ঝুঁকছেন। চোরাইপথে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, থাইল্যান্ডসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশ থেকে এসব মাদকের চালান আসছে। স্ল্যাপচ্যাট, মেসেঞ্জার বা হোয়্যাটসঅ্যাপ গ্রুপে এগুলো বিক্রি করা হয়। গোপনীয়তার জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক নামে এসব মাদক বিক্রি করা হয়। যেমন এমডিএম ‘ই’ নামে, এলএসডি ‘অ্যাসিড’ এবং এক ধরনের তরল গাঁজা টিএসসি নামে কেনা-বেচা হয়। ইলেকট্রিক সিগারেটের মতো ভেপ আকারে তরল গাঁজা সেবন করা হয়। এসব নতুন পুরাতন মাদকে শোবিজের অনেকেই আসক্ত। উচ্চাকাঙ্ক্ষী তারকারা দ্রুত ধনী হওয়ার জন্য মাদকের কারবারে ঝুঁকছেন। ব্যবসা করতে করতে একসময় নিজেই সেবক হয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া প্রেমে ভাঙন বা সংসারে ভাঙনের কারণেও অনেক নায়িকা মাদকে ঝুঁকছেন।

                   মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া

এদিকে, মাদক সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে এখনো কেউ কোন কথা বলেননি। শুধু টয়া গণমাধ্যমকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ সত্য নয়। আমাকে এখনো মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে ডাকা হয়নি। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

1

শিবচরে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৯ পিএম
শিবচরে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শিবচর মাদারীপুরের শিবচরে পুকুরের পানিতে ডুবে আদনান নামে দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিবচর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের খানকান্দি এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
​নিহত শিশু আদনান ওই এলাকার সৈয়দ জনির ছেলে।
​ঘটনার বিবরণ: পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির উঠানে খেলতে গিয়ে সবার অলক্ষ্যে পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায় আদনান। দীর্ঘক্ষণ তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভাসতে দেখা যায়।
​দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আদনানকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটির অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
​পুলিশের বক্তব্য: শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
​ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এই ধরণের দুর্ঘটনা রোধে আমাদের সবাইকে আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

1

ক্ষমতায় গেলে ‘স্বর্ণের বাংলা’ গড়ার প্রতিশ্রুতি পীর সাহেবের চরমোনাইয়ের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৬ পিএম
ক্ষমতায় গেলে ‘স্বর্ণের বাংলা’ গড়ার প্রতিশ্রুতি পীর সাহেবের চরমোনাইয়ের

 

​ এস এম সোহাগ কাজী =মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

​ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সবুজ বাংলা বা ডিজিটাল বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে এ দেশে প্রকৃত ‘স্বর্ণের বাংলা’ নির্মাণ করবে।
​বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাদারীপুর শহরের স্বাধীনতা অঙ্গনে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
​বক্তব্যের মূল বিষয়সমূহ:
​জনসভায় মুফতি রেজাউল করিম বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ইসলামের সুশাসন নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেন:
​একমাত্র বিকল্প: তিনি দাবি করেন, দেশের একমাত্র দল হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামের পক্ষে নির্বাচন করছে এবং ভোটারদের ‘হাতপাখা’ মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
​ তার মতে, সুনির্দিষ্ট নীতি ও যোগ্য নেতা ছাড়া দেশের মানুষের প্রকৃত মুক্তি সম্ভব নয়।
​ইসলামের মানবিক রূপ: পীর সাহেব বলেন, “ইসলাম শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, বরং সব মানুষ এমনকি একটি পিঁপড়িকার স্বাধীনতার গ্যারান্টিও ইসলাম দেয়।”
​ তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে অনেক নেতার নীতি দেখা গেলেও বাস্তবে মানুষ যা চায়, তার প্রতিফলন ঘটেনি।
​​মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আমিনুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন:
​মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম: সিনিয়র নায়েবে আমির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
​মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী: কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক।
​মাওলানা আকবার হোসাইন: প্রার্থী, মাদারীপুর-১ আসন।
​মাওলানা আলী আহমাদ চৌধুরী: প্রার্থী, মাদারীপুর-২ আসন।
​মাওলানা আজিজুল হক: প্রার্থী, মাদারীপুর-৩ আসন।
​বক্তারা আসন্ন নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশে ইসলামী শাসনতন্ত্র কায়েমের জন্য কর্মীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

1

আশুলিয়ায় যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর মন্ডলসহ গ্রেপ্তার ৩, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩০ পিএম
আশুলিয়ায় যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর মন্ডলসহ গ্রেপ্তার ৩, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

মোঃ মনির মন্ডল,সাভারঃ

আশুলিয়ায় বলিভদ্র তালপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ককটেল সদৃশ বস্তু সহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি ) সকাল সোয়া ৯টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রুবেল হাওলাদার।

এর আগে আজ ভোর রাতে আশুলিয়ার বলিভদ্র তালপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- আশুলিয়ার তালপট্টি এলাকার সায়েদ আলী মন্ডলের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল (৪৫)। তিনি ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক। বগুড়া জেলার সদর থানার পাকা কাঞ্চনপুর এলাকার মৃত কবির হোসেনের ছেলে স্বপন (৪০) ও নওগাঁ জেলার বানি নগর থানার কাশিমপুর এলাকার রেজ্জাক সর্দারের ছেলে ফারজুল ( ৩৮)। তারা দুইজনেই জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলের সহযোগী এবং বর্তমানে তার বাড়িতে থাকতো বলে জানা যায়।

যৌথ বাহিনী বলেন, ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে আশুলিয়ার তালপট্টি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের নিকট থেকে ১৬টি রামদা, ৮টি চাপাতি, ১৫টি ছোট চাকু, ২টি দা, ৪ টি মোবাইল, ১৯টি কাঠের লাঠি ও ১২টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্র সহ তাদেরকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এবিষয়ে আশুলিয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রুবেল হাওলাদার বলেন, ভোর রাতে জাহাঙ্গীর মন্ডলসহ তিনজনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে যৌথ বাহিনী। তাদের বিরদ্ধে মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র হস্তান্তর করেন যৌথ বাহিনী। যার মধ্যে ককটেল সদৃশ বস্তুও ররেছে।