মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

বনের গাছ থেকে হাঁস-মুরগির খোয়াড়, বিএনপি নেতার দখল থেকে বাদ যাচ্ছে না কোনোকিছুই!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ১০:৪০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বনের গাছ থেকে হাঁস-মুরগির খোয়াড়, বিএনপি নেতার দখল থেকে বাদ যাচ্ছে না কোনোকিছুই!

মামুন রাফী, স্টাফ রিপোর্টারঃ

৫ আগস্টের পর হঠাৎ বিএনপির নেতা বনে গেছে ফাহাদুল ইসলাম পাভেল নামের এক যুবক। নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেয় সে। স্থানীয় রহমত বাজার এলাকায় বনবিভাগের সরকারি গাছ কাটা, হাস-মুরগির খোয়াড় দখল, আওয়ামী লীগ নেতাদেরকে সেল্টার দেওয়া, বাজার দখল থেকে শুরু করে এমন কিছু বাদ নেই, যা সে দখল করেনি। সেই সঙ্গে ক্ষমতার এতোই প্রভাব তার- বনবিভাগের সরকারি কর্মচারীকে বিদ্যুৎতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে পেটানোর হুমকিও দিয়েছে সে। শুধু তাই নয়- জেলেদের নাম ভাঙিয়ে সরকারি চালও আত্মসাৎ করেছে এই নেতা।

স্থানীয়রা বলছেন- আওয়ামী শাসনামলে তারা যতটা ভয়ংকর ছিল তার চেয়েও বেশি ভয়ংকর হয়ে উঠেছে বিএনপির নামদারি যুবদলের এই নেতা। জুলাই বিপ্লবের পর হঠাৎ নেতা বনে যাওয়া এই পাভেল এলাকায় যেন ‘ধরাকে সরা জ্ঞান’ মনে করছে। তার এমন কর্মকার্ন্ডে চরম বির্ব্রত স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যুবদল নেতা পাভেল ৫ আগস্টের পর মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ও নিজের দল ভারী করতে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর লোকজনকে শেল্টার দিচ্ছে। বুড়িরচর ইউনিয়নের রহমত বাজারের ইজারাকৃত হাঁস-মুরগির খোয়াড় জোরপূর্বক দখল করে অর্থ আত্মসাৎ করছে। সেই সঙ্গে বাজার কমিটিও দখলে নিয়েছে সে। বিএনপির নেতা হওয়ায় ইজারাদার ভয়ে মুখও খুলতে পারছেন না। বুড়িরচর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের জেলেদের কার্ড জালিয়াতি করে ১১ বস্তা চাউল আত্মসাৎ করেছে। বাজারের পূর্ব পাশে পর্যটন স্পটে অন্যদের দোকান সরিয়ে নিতে হুমকি দিয়ে সে নিজেই দোকান বানিয়েছে বনবিভাগের সরকারির গাছ কেটে। এই ঘটনায় প্রতিবাদ করায় বনবিভাগের এক সদস্যকে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছে।

বনবিভাগের সদস্য মোহাম্মদ হাসান বলেন, আমি সরকারি দায়িত্ব পালন করছি। পাভেল নামের এই যুবদল নেতা দিনেদুপুরে বনবিভাগের গাছ কেটে দোকান বানাচ্ছিল। বনের গাছ কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু এমন অপরাধের পরও তার বিরুদ্ধে আমি কোনো কিছু বলতে পারছিলাম না। পযাপ্ত ফোর্স না থাকায়। তাই বিষয়টি আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিত করেছিলাম। এই অপরাধে যুবদল নেতা পাভেল আমাকে তার ফার্মেসীতে ডেকে নিয়ে হুমকি দিয়ে জানায়- আমি যদি সরকারি চাকরি করতে চাই তাহলে যেন তার বিষয়ে চুপ থাকি। অন্যথায় লোকজন দিয়ে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে পেটাবে। এই পরিস্থিতিতে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে- উপকূলীয় বনবিভাগের সাগরিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রনব কুমার বলেন, অভিযোগের বিষয়ে অবগত হওয়ার পরই কাটা গাছগুলো জব্দ করেছি। সেই সঙ্গে এই ঘটনায় বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তবে স্থানীয় বিএনপির প্রভাব বিস্তার নিয়ে শঙ্কিত বলেও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

তথ্য বলছে, কোনো ধরণের ডাক্তারি কোর্স তো দূরের কথা- ফার্মাসিস্ট কোর্সের প্রশিক্ষণ না নিয়েও নিজেকে ডাক্তার দাবি করে এলাকায় নিজের নাম রেখেছেন ডাক্তার পাভেল। স্থানীয় রহমত বাজারে ফার্মাসি চালাচ্ছেন কিন্তু ফার্মাসিস্টের কোনো অনুমোদনও নেই। উল্টো রোগীও দেখেন কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই। সঙ্গে জুলাই বিপ্লবের পর নিজেকে বিরাট নেতা দাবি করে বেড়াচ্ছেন এলাকায়।

অভিযোগ রয়েছে- পাভেলের এসব অপকর্মের আর্থিক সুবিধা পায়- ইউনিয়ন যুবদল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নেতা রুবেল উদ্দিন রনি। সেই সঙ্গে তার এসব অপকর্ম থেকে ভাগ নেয় হাতিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ওসমান গনি নামের অপর আরেক নেতা। যে কারণে এসব অভিযোগ জানার পরেও পাভেলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয় না তারা। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে রহমত বাজারের ব্যবস্থাপনা কমিটির সেক্রেটারি পদও ভাগিয়ে নেয় পাভেল। তার বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে বলে জানায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।

এই বিষয়ে স্থানীয় যুবদল নেতা ও ফার্মেসী ব্যবসায়ী সোহরাব জানান, তার দলীয় প্রভাব বিস্তারে অতিষ্ঠ জেলেরা, সাধারণ জনগণের এবং এলাকাবাসী। কয়েকদিন আগে জেলেদের প্রায় ১১ বস্তা চাউল না দিয়ে আত্মসাৎ করেছে, নৌকার মাঝিদের থেকে নৌ- পুলিশ এর কথা বলে ৫ হাজার ১০ হাজার করে নিয়েছে। ট্রাকে করে বনের গাছ কেটে এনে রেস্টুরেন্ট দিয়েছে, আর কাউকে দোকান করতে দিবে না রহমত বাজার পর্যটন স্পষ্টে। তাকে সেল্টার দিচ্ছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ ওসমান ও রুবেল উদ্দিন রনি। তার প্রভাব বিস্তারে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। এসব বিষয়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে, জানিয়ে ব্যবস্থা নিতে একাধিকবার নেতাদেরকে বললে তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে আমরাও বদনামের শিকার হচ্ছি।

তবে পাভেলের দাবি- সব অভিযোগ মিথ্যা।

এবিষয়ে হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, তার অভিযোগের বিষয়ে অবগত ছিলাম। তবে অভিযোগ সত্য হলে আমি অন্যায়ের পক্ষ অবস্থান নিবো না। অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবিষয়ে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্তপূর্বক সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

1

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।

1

 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩০ পিএম
 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।

1

বিদেশে বিনিয়োগের নামে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ: লালমাইয়ের কামালের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫২ পিএম
বিদেশে বিনিয়োগের নামে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ: লালমাইয়ের কামালের বিরুদ্ধে মামলা

 

মোহাম্মদ উল্লাহ কুমিল্লা প্রতিনিধি

সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট ব্যবসার দেওয়ার কথা বলে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে কুমিল্লার লালমাই’র কামাল আহমেদ নামের একজন সুইজারল্যান্ডের প্রবাসী। টাকা ফেরত চাইতে উল্টা নানা রকমের হয়রানিসহ হত্যার হুমকি দিচ্ছে আত্মসাৎকারী। প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করায় কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সাউথ আফ্রিকার প্রবাসী কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া গ্রামের আবু বাহার। ২০২৫ সালের মামলাটি চলতি বছরের আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করলে পরে আদালত চলতি মাসের ১৫ তারিখে কামাল আহমেদ আসামি বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
অভিযুক্ত কামাল আহমেদ লালমাই উপজেলার অশ্বদিয়া গ্রামের ছোয়াব আহমেদের ছেলে।সুইজারল্যান্ড লুজানে রয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দেশে বাংলা বাজরে কয়েকটি মার্কেট ও অশ্বদিয়া গ্রামে তার একটি বাড়ি রয়েছে। মামলার ঘটনা জানার পর কামাল আহমেদ সুযোগ বুঝে পরিবার নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন।
মামলার সুত্রে জানা গেছে,নাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া গ্রামের আবু তাহের ছেলে আবু তাহের আবু বাহার সাউথ আফ্রিকার একজন প্রবাসী।তিনি দীর্ঘ বছর ধরে সাউথ আফ্রিকায় ব্যবসা করছেন।সাউথ আফ্রিকার প্রবাসী আবু বাহারকে সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট দেওয়া বলে তার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন কামাল আহমেদ।উভয়ে বাংলাদেশি হওয়ায় খুব দ্রুত তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি হয়।এক পর্যায়ে ২০২২সালে আবু বাহারের নামে সুইজারল্যান্ড লুজানে একটি হোটেল এবং রেষ্টুরেন্টে ব্যবসা করার উদ্দেশ্য
স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে দেয় কামাল আহমেদ।একই বছরের সেই চুক্তির টাকা লেনদেন করার জন্য প্রবাস থেকে দেশে আসেন কামাল আহমেদ ও আবু বাহার।২০২২ সালের ৩০ জুলাই লাকসাম পৌর শহরের বাইপাস নদীবাংলা ভুঁইয়া টাওয়ার এলাকায় কামালের সেই চুক্তি স্বাক্ষর স্ট্যাম্পে পেপার টি
উপস্থিতি স্বাক্ষীগণদের মাধ্যমে আবু বাহারকে বুঝিয়ে দিয়ে তার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন কামাল আহমেদ। এদিকে
কয়েক মাস পর আবু বাহার সুইজারল্যান্ড লুজানে গিয়ে জানতে পায় কামাল আহমেদ তার সাথে প্রতারণা করে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট দোকানটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিটক বিক্রি করে দেয়। কামাল আহমেদের কথা ও কাজের মিল না পেয়ে তাকে সন্দেহ করতে শুরু করেন আবু বাহার। আবু বাহার টাকা ও দোকানের জন্য একাধিকবার দেশে ও প্রবাসে কথা হলেও প্রতারক কামাল আহমেদ তালবাহানা শুরু করেন।অবশেষে পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো কামাল আহমেদ ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগী আবু বাহারকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে।
ভুক্তভোগী আবু তাহের আবু বাহার বলেন, সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট নামে একটি দোকান দিবে বলে কামাল আহমেদ স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর দেন।সেই পেপারটি নিয়ে দেশে এসে আমার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা নেন। আমি বিদেশে গিয়ে জানতে পারলাম সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্টটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে দেয় কামাল আহমেদ। সে আমার সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করেছে।এ ঘটনার পর থেকে কামাল আহমেদ আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে উল্টো নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাই গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে কামাল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা আহমেদসহ ৪ জনকে আসামি করে কুমিল্লায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।
রোববার (২৬ জুলাই) এ ব্যাপারে জানতে চাইলে লালমাই থানার (ওসি) মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন,আদালত থেকে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি কোন নথি থানায় আসেনি,গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাতে পেলে অল্প সময়ের মধ্যেই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে।’এছাড়াও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির লোকেশন নজরদারিতে রাখা হবে। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভুক্তভোগী আবু তাহের আবু বাহার বলেন, সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট নামে একটি দোকান দিবে বলে কামাল আহমেদ স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর দেন।সেই পেপারটি নিয়ে দেশে এসে আমার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা নেন। আমি বিদেশে গিয়ে জানতে পারলাম সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্টটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে দেয় কামাল আহমেদ। সে আমার সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করেছে।এ ঘটনার পর থেকে কামাল আহমেদ আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে উল্টো নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাই গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে কামাল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা আহমেদসহ ৪ জনকে আসামি করে কুমিল্লায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।