শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩১ ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩১ ১৪৩২

ভালোবাসার মোহ, নাকি পথভ্রষ্টতা? ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:৪৭ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভালোবাসার মোহ, নাকি পথভ্রষ্টতা? ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন

 

✍️লেখক : জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান

শীতের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে বসন্তের বাতাস বইতে শুরু করেছে। প্রকৃতির মতো মানুষের মনেও যেন জাগে আবেগের ঢেউ। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি এলেই অনেক তরুণ-তরুণীর মনে জাগে এক বিশেষ দিন উদযাপনের উৎসাহ ভালোবাসা দিবস। তবে এই ভালোবাসার নামে যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, তা কি সত্যিই পবিত্র? ইসলাম কি বলে এই তথাকথিত প্রেমের উৎসব সম্পর্কে?
সময়ের পরিক্রমায় ভালোবাসা দিবস এখন শুধুই আবেগের প্রদর্শনী নয়, বরং এক ধরনের অপসংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি। তরুণ-তরুণীরা একদিনের ভালোবাসার মোহে ভুলে যায় নিজেদের ধর্মীয় মূল্যবোধ, হারিয়ে ফেলে শালীনতার সীমারেখা। অথচ ইসলাম ভালোবাসাকে স্বাগত জানায়, তবে সেই ভালোবাসা হতে হবে হালাল, হতে হবে বৈধ। ইসলাম সেই সম্পর্ককেই সম্মানিত করেছে, যা আল্লাহর বিধান মেনে বিবাহের বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

কুরআনে আল্লাহ বলেন,
আর ব্যভিচারের নিকটেও যেয়ো না। নিশ্চয়ই এটি একটি অশ্লীল কাজ ও নিকৃষ্ট পথ।(সূরা আল-ইসরা: ৩২)

এই আয়াত স্পষ্ট করে দেয় যে, ব্যভিচার শুধু শারীরিক সম্পর্কেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তার দিকে ধাবিত করে এমন প্রতিটি কাজই নিষিদ্ধ। প্রেমের নামে আজকালকার সম্পর্কগুলো শুরু হয় নির্দোষ কথোপকথন দিয়ে, আস্তে ধীরে গোপন সাক্ষাৎ, স্পর্শ, এবং শেষ পর্যন্ত সমাজ ও ধর্মের সকল নিয়ম, সীমা লঙ্ঘন করে। অথচ এই সম্পর্কগুলোর কোনো স্থায়িত্ব নেই, নেই কোনো দায়িত্ববোধ, বরং অনেক ক্ষেত্রেই তা দুঃখজনক পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়।

ভালোবাসা দিবসের শেকড় খুঁজতে গেলে দেখা যায়, এটি কোনো ইসলামি সংস্কৃতি নয়। বরং এটি রোমান ঐতিহ্য থেকে এসেছে, যেখানে প্রেমের নামে নৈতিক অবক্ষয়ের চর্চা ছিল প্রবল।
রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,
“যে ব্যক্তি কোনো জাতির অনুকরণ করবে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।” (আবু দাউদ: ৪০৩১)

এমন দিনে যখন গোটা বিশ্ব প্রেমের নামে নৈতিকতাকে জলাঞ্জলি দিচ্ছে, তখন একজন মুসলিমের উচিত নিজের আত্মাকে সংযত করা, প্রবৃত্তির অনুসরণ না করে ইসলামের নির্দেশিত পথে থাকা। প্রকৃত ভালোবাসা হলো সেই ভালোবাসা, যা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয়, যেখানে মোহের পরিবর্তে মমতা থাকে, যেখানে প্রবৃত্তির দাসত্ব নয়, বরং পরস্পরের প্রতি সম্মান ও দায়িত্ববোধ থাকে।
ইসলাম সেই ভালোবাসাকে উৎসাহিত করে, যা বিবাহের মাধ্যমে পূর্ণতা পায়, যা জীবনসঙ্গীর প্রতি দায়িত্বশীলতার শিক্ষা দেয়।

কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও, এবং তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। (সূরা আর-রূম: ২১)

সময়ের স্রোতে পরিবর্তন এসেছে, সংস্কৃতির নামে অনেক কিছুকে স্বাভাবিক করা হয়েছে। কিন্তু একজন মুসলিমের জন্য সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বুঝতে শিখতে হবে। ভালোবাসা যদি সত্যিই খাঁটি হয়, তবে সেটি কেন গোপন থাকবে? কেন সেটি সামাজিক বিধান ও ধর্মীয় সীমা লঙ্ঘন করবে?
যারা প্রকৃত ভালোবাসা খোঁজে, তাদের জন্য একমাত্র পথ বিবাহ। কারণ একমাত্র হালাল ভালোবাসাই মানুষকে জান্নাতের পথে নিয়ে যেতে পারে, যেখানে হারাম সম্পর্কের কোনো স্থান নেই।

লেখক, শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো, মিশর

1

মাদারীপুরে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ আতশবাজিসহ যুবক গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৫ পিএম
মাদারীপুরে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ আতশবাজিসহ যুবক গ্রেপ্তার

 

​এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

​মাদারীপুরে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ও ধর্মীয় পরিবেশে ব্যাঘাত ঘটানোর অভিযোগে বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ আতশবাজিসহ ইসরাফিল সর্দার (৪৯) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার খাগদী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
​​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে মাদারীপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে সন্ধ্যার পর, বিশেষ করে ইফতার ও তারাবি নামাজের সময় বিকট শব্দে আতশবাজি ফোটানো হচ্ছিল। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি মুসল্লিদের ইবাদতে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছিল। স্থানীয়দের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাদারীপুর পুলিশ সুপারের নির্দেশে গোয়েন্দা পুলিশ বিশেষ অভিযানে নামে।
​জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল বুধবার সদর থানার খাগদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ইসরাফিল সর্দারকে আটক করে। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ২২ প্যাকেটে মোট ৪৮৪টি আমদানি নিষিদ্ধ আতশবাজি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ইসরাফিল সদর উপজেলার ঘটমাঝি এলাকার মৃত সিদ্দিক সর্দারের ছেলে।
​​মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, জনবিরক্তি ও আতঙ্ক সৃষ্টির দায়ে আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জেলাজুড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

1

মরণ নেশা ক্রিস্টাল আইস (মেথামফেটামিন) এর বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল সহ ১ নারীকে আটক করেছে যশোর ডিবি পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৩ পিএম
মরণ নেশা ক্রিস্টাল আইস (মেথামফেটামিন) এর বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল সহ ১ নারীকে আটক করেছে যশোর ডিবি পুলিশ

 

মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

ইং ১২/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত আনুমানিক ২১:০০ ঘটিকায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), যশোর এসআই(নিঃ)/অলক কুমার দে পিপিএম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয় একটি চৌকস টিম কোতোয়ালি থানাধীন মনিহার সিনেমা হল সংলগ্ন ঈগল কাউন্টারের সামনে অবস্থানরত ঈগল পরিবহনের মধ্যে এক জন মাদক ব্যবসায়ী অবস্থান করছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ভাবে অভিযান পরিচালনা করে শাপলা খাতুন @ সপ্না (২৮) নামক একজন নারী কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে তার কাছে মাদক তৈরীর কাঁচামাল আছে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে ঈগল পরিবহনের বক্সে তল্লাশী করে দুটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর এফিড্রিন বা সিউডোএফিড্রিন (২৫ কেজি) ও পিউরিফাইড এসিড (হাইড্রোক্লোরিক এসিড) ৬ লিটার উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। এই কাঁচামালের মাধ্যমে মরণ নেশা ক্রিস্টাল আইস (মেথামফেটামিন) তৈরী করা হয়।

আসামীকে ইং ১৩/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

আসামীর নাম ও ঠিকানাঃ-
০১। শাপলা খাতুন @ সপ্না (২৮)
পিতাঃ- আক্তারুজ্জামান
সাং- আখড়া খোলা
থানা- সাতক্ষীরা সদর
জেলা- সাতক্ষীরা।

জব্দঃ
০১। এফিড্রিন বা সিউডোএফিড্রিন (২৫ কেজি)
০২। পিউরিফাইড এসিড (হাইড্রোক্লোরিক এসিড) ৬ লিটার।

1

মাদকের বিরুদ্ধে পোস্ট করায় সাংবাদিক নাজিমুল ইসলাম নিরাপত্তাহীনতায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
মাদকের বিরুদ্ধে পোস্ট করায় সাংবাদিক নাজিমুল ইসলাম নিরাপত্তাহীনতায়

 

মোঃ রানা ইসলাম = ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করায় দৈনিক বিজয় নিউজের ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ নাজিমুল ইসলাম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, গতকাল রাতে তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে ভূল্লী থানার ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মাটিগাড়া ও কেয়ারীগাঁও এলাকায় মাদকের বিস্তারের বিষয়ে একটি পোস্ট করেন। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ রয়েছে, আজ সকালে অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি তার বাবার কাছে গিয়ে উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন। এ ঘটনায় তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।
সাংবাদিক নাজিমুল ইসলাম বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।