বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আব্দুল হাকিম পিন্টুর খুনিদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫, ৪:৩৬ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আব্দুল হাকিম পিন্টুর খুনিদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

 

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ:

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গায় মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসের গডফাদার শাহিদ রানা টিপু চেয়ারম্যান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া আব্দুল হাকিম পিন্টুর খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে ভূক্তভোগী পরিবার ও নির্যাতনের শিকার এলাকাবাসী। রবিবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসুচীতে চরবাগডাঙ্গার খুনের শিকার পিন্টুর পরিবার ও একই এলাকায় একাধিক হত্যাকান্ডের শিকার পরিবার এবং এলাকার নির্যাতিত-নিপীড়িত সাধারণ নারী-পুরুষ ও শিশুরা অংশ নেয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহত পিন্টুর বাবা মামলার বাদী মোঃ হুমায়ন, পিন্টুর বোন মোসাঃ জান্নাতুন খাতুন, চাচা রফিকুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম, আরেক হত্যাকান্ডের শিকার জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বাদী মোসাঃ মিলিয়ারা, স্থানীয় শওকত আলীসহ অন্যরা।

বক্তারা বলেন, পিন্টু হত্যার প্রায় দেড়মাস পার হলেও পুলিশ মামলায় এপর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেফতার করলেও মূল হোতা শাহিদ রানা টিপু চেয়ারম্যান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সক্রিয় সন্ত্রাসীরা এখনো গ্রেফতার হয়নি। অন্যদিকে, টিপু চেয়ারম্যান ও তাঁর সন্ত্রাসীবাহিনীর লোকজন মামলা তুলে নিতে নানাভাবে হুমকি দেয়া অব্যাহত রেখেছে। ভূক্তভোগী পরিবার আতংকে দিন কাটাচ্ছে। খুনিরা গ্রেফতারনা হওয়ায় চরম হতাশা এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারগুলো। মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসের গডফাদার শাহিদ রানা টিপু চেয়ারম্যান ও তাঁরসন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য পিন্টু হত্যা মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবী জানান বক্তারা।

উল্লেখ্য, মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসের গডফাদার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামীলীগ নেতা চেয়ারম্যান শাহিদ রানা টিপুর নেতৃত্বে তার সহযোগিরা চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের গোয়ালডুবি মোন্নাপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত সাবের আলীর ছেলে মোঃ হুমায়ন (৬০) এর ছেলে আব্দুল হাকিম পিন্টুকে এবছর ১২ জানুয়ারী রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে চরবাগডাঙ্গার সোনাপট্টির পাশে লতিব মিনিস্টারের বাগানে কুপিয়ে-পিটিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়। ঘটনা জানতে পেরে পরিবার ও এলাকার লোকজন আব্দুল হাকিম পিন্টুকে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থা আশংকাজনক হলে পিন্টুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পিন্টুর অবস্থা বেগতিক হতে থাকে। শেষে ২৩ জানুয়ারী দুপুর ২ টার দিকে চিকিৎসাধিন অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। রাজশাহী মেডিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ নিয়ে এসে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়। এঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত সাবের আলীর ছেলে মোঃ হুমায়ন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় ২৩ জানুয়ারী দিবাগত রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

1

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

আনোয়ার হোসেন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সাথে জনাব মোঃ আজমুল হক অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ঢাকা মহোদয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজনে উপজেলা প্রশাসন সভা কক্ষে এই মত বিনিময় সভা শুরু হয় । অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক)ঢাকা মোঃ আজমুল হক ,মির্জাপুর উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল ৭ মির্জাপুর আসনে নির্বাচন বিশৃঙ্খলা মুক্ত সুন্দর সুষ্ঠু নির্বাচন হয় সে লক্ষ্যে সকলেই কাজ করবেন । মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন , সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ তারেক আজিজ , মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ও সি )আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এসময় উপস্থিত ছিলেন ।

1

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সৌজন্য সাক্ষাৎ

 

আনোয়ার হোসেন:

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সাংবাদিকবৃন্দ ।
২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার দুপুরে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মহোদয়ের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাংবাদিকদের সাথে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন বলেন মির্জাপুর একটি শান্তিপূর্ণ উপজেলা । তিনি সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ প্রকাশ করার কথা বলেন এবং সব সময় সাংবাদিকদের প্রয়োজনে পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান,।সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান অরেঞ্জ , সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুবেল মিয়া , প্রচার সম্পাদক সাইদুর রহমান শাকিল , দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম মিয়া ,কার্যকারী সদস্য আনোয়ার হোসেন আবিদ ,মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া ও জাহাঙ্গীর আলম ।

1

গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৭ পিএম
গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ

 

এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

গ্রাম আদালতের বিচার্য মামলা কোনো অবস্থাতেই শালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাবে না—এমন মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) মোছাঃ জেসমিন আকতার বানু।
গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম, কাজীবাকাই ও ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি জানান, বালিগ্রাম ইউনিয়নে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৭৩টি মামলা দায়ের হয় এবং সবগুলোই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।
অপরদিকে কাজীবাকাই ইউনিয়ন পরিষদে একই সময়ে মোট ৬৬টি মামলা দায়ের, ৬৬টি নিষ্পত্তি এবং ৬৬টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এখানে আদায়কৃত মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৪১ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা।
ডাসার ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৪৪টি মামলা দায়ের হয়। এছাড়া উচ্চ আদালত থেকে প্রাপ্ত ১টি মামলাসহ মোট ৪৫টি মামলা গ্রাম আদালতে নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৭ হাজার টাকা।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আরও বলেন, গ্রাম আদালতের সকল নথি ও রেজিস্টার নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে হবে এবং এজলাসে বসেই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে।
তিনি জানান, গ্রাম আদালতে দেওয়ানি মামলার ফি মাত্র ২০ টাকা এবং ফৌজদারি মামলার ফি ১০ টাকা। এ ছাড়া আদালতে কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয় না। নির্ধারিত দিনে প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের শুনানি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ আল মামুন, ডাসার উপজেলা (মাদারীপুর)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডাসার ও কালকিনি উপজেলা গ্রাম আদালতের কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন, বালিগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এএসিও, কাজীবাকাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এএসিও এবং ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এএসিওসহ গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।